পত্রিকা: 'সংসদের প্রথম অধিবেশনের সভাপতি নিয়ে জটিলতা'

পড়ার সময়: ৭ মিনিট

নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রধান শিরােনাম 'সংসদের প্রথম অধিবেশনের সভাপতি নিয়ে জটিলতা' । খবরে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন রোজার মাসেই বসতে পারে বলে জানা গেছে।

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর দ্রুত সরকার গঠন, সংসদ সদস্যদের শপথ এবং নতুন মন্ত্রিসভার দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে প্রশাসনিক কার্যক্রম সচল হলেও সংসদের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরুর মুখে দেখা দিয়েছে সাংবিধানিক জটিলতা।

প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন কে- এই প্রশ্নই এখন আলোচনার কেন্দ্রে।

স্পিকার পদত্যাগ করে আত্মগোপনে রয়েছেন, আর ডেপুটি স্পিকার কারান্তরীণ। ফলে সভাপতিত্বের প্রশ্নে তৈরি হয়েছে কার্যত এক সাংবিধানিক শূন্যতা।

এমন পরিস্থিতিতে সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শ চাইতে পারেন কি না, তা নিয়েও চলছে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ।

একই সাথে উচ্চকক্ষ গঠন নিয়ে রাজনৈতিক টানাপড়েন থাকলেও একটি বিষয়ে স্পষ্ট- যে পদ্ধতিতেই গঠন হোক, দ্বিকক্ষের উভয় কক্ষেই বিরোধী দলের জন্য ডেপুটি স্পিকারের পদ সংরক্ষিত থাকবে।

সমকালের একটি শিরােনাম 'সংরক্ষিত নারী আসনেও 'এক পরিবারে এক প্রার্থী' নীতি'। এ খবরে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনেও 'এক পরিবারে এক প্রার্থী' নীতি অবলম্বন করবে বিএনপি।

এতে অনেক নতুন মুখের সংসদে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। যেসব পরিবারে ইতোমধ্যে এমপি ও মন্ত্রী হয়েছেন, তাদের সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন না দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে।

নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়ে সরকার গঠন করেছে বিএনপি। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথের পর ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান; গঠন করা হয়েছে নতুন মন্ত্রিসভাও।

এবার আলোচনায় সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি নির্বাচন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শতাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী ইতোমধ্যে তৎপরতা শুরু করেছেন। দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন তারা।

দীর্ঘদিন রাজপথে সক্রিয় থাকা নেত্রী থেকে শুরু করে তরুণ মুখ– অনেকেই আছেন এই তৎপরতায়।

সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদে ৫০টি নারী আসন সংরক্ষিত রয়েছে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, যে দল সাধারণ আসনে যতটি আসন পায়, সেই অনুপাতে সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন করা হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি এককভাবে ২১২টি আসনে জয় পেয়েছে। সে হিসাবে ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের মধ্যে ৩৫টি আসন পাবে দলটি।

আজকের পত্রিকার প্রধান শিরােনাম 'ঢাকা-দিল্লি বরফ গলছে'। এ খবরে বলা হয়েছে, দেড় বছরের অস্বস্তিকর দূরত্বের পর বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আবার স্বাভাবিকতার পথে এগোচ্ছে—এমনই ইঙ্গিত মিলছে দুই দেশের কূটনৈতিক তৎপরতায়।

স্থবিরতার এই সময়টিকে 'জমে থাকা বরফ'-এর সঙ্গে তুলনা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তাঁরা বলছেন, সম্পর্কের সেই বরফ আবার গলতে শুরু করেছে, তবে তা ধীরে এবং নিয়ন্ত্রিতভাবে।

প্রতিবেশী দুই দেশের সম্পর্ক ভয়ানক টানাপোড়েনের মধ্যে পড়ে বাংলাদেশে জুলাই অভ্যুত্থানের পর।

অভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেড় যুগের এক বিশেষে প্রেক্ষাপটের পর এই রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং তার সঙ্গে শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়া নিয়ে দিল্লির অবস্থানে বাংলাদেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।

ভারতও তার দিক থেকে নিজেদের মতো করে প্রতিক্রিয়া দেখাতে থাকে।

সব মিলিয়ে সীমান্তে হত্যাকাণ্ড, তিস্তা চুক্তি ঝুলে থাকা, বাণিজ্যে ভারসাম্যহীনতা ও ভিসা জটিলতায় জন-অসন্তোষ বেড়ে যায় বহুগুণ।

অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকার ও আঞ্চলিক ভূরাজনীতিতে চীন-ভারত প্রতিযোগিতাও সম্পর্ককে প্রভাবিত করে।

দেশে নির্বাচনের পর গত সপ্তাহে দায়িত্ব নিয়েছে নতুন সরকার।

শপথ নেওয়ার কয়েক দিনের মধ্যে নতুন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ সাংবাদিকদের বলেন, 'আমাদের পররাষ্ট্রনীতি সব দেশের সঙ্গে সমমর্যাদা নিয়ে। সব দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক থাকবে, বন্ধুত্ব থাকবে; কিন্তু সেটা হবে সমতার ভিত্তিতে, পারস্পরিক মর্যাদার ভিত্তিতে।'

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরােনাম 'Us tariff turmoil: Uncertainties loom over Dhaka's trade prospects' - অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত পাল্টা শুল্ক নীতির ফলে বাণিজ্য সম্ভবনা নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছে বাংলাদেশ।

স্থানীয় উদ্যোক্তা এবং বাণিজ্য বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের পারস্পরিক শুল্ক ব্যবস্থা বাতিলের সিদ্ধান্ত আমেরিকান বাজারে ভোক্তা চাহিদা বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির জন্য অর্ডার বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে, তারা সতর্ক করে দিয়েছেন যে সম্ভাবনার ব্যাপারটি অনিশ্চিত থেকে যাবে, বিশেষ করে যেহেতু ঢাকা ইতিমধ্যেই ওয়াশিংটনের সাথে একটি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরপরই, মি. ট্রাম্প সব দেশের উপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন, আর এর পরপরই বাংলাদেশের মত দেশগুলাের জন্য অনিশ্চয়তা আরও গভীর হয়ে ওঠে। ।

শনিবার ট্রাম্প শুল্ক আরও বাড়িয়ে নিয়ে ১৫ শতাংশ করেছেন।

প্রায় একই ধরণের শিরােনাম প্রথম আলাের 'ট্রাম্পের নতুন শুল্কহার, বাংলাদেশের কী হবে'।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশ পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি করেছে ৯ ফেব্রুয়ারি। সে চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশের ওপর দেশটির পাল্টা শুল্কের হার ১৯ শতাংশ।

দুই সপ্তাহ পার না হতেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের ওপর যে পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছিলেন, তা গত শুক্রবার মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট অবৈধ ঘোষণা করেছেন।

সুপ্রিম কোর্টের রায়ে ব্যাপক অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। তিনি বিকল্প পথও বেছে নিয়েছেন।

রায়ের কয়েক ঘণ্টার মাথায় সব দেশের পণ্যের ওপর ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নতুন করে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করার ঘোষণা দেন তিনি। আর শনিবার তা আরও বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

নতুন শুল্ক ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি বাতিল হয়ে যাবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন সামনে এসেছে। যদিও কেউ এ নিয়ে স্পষ্ট করে বলতে পারছেন না।

আবার ১০ শতাংশের বিষয়টি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে কি না, তা–ও কেউ নিশ্চিত নন। ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, ট্রাম্পের ঘোষিত নতুন শুল্কহারও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে।

বণিক বার্তার প্রধান খবর 'নগদে আগ্রহী জামায়াতের এমপি ব্যারিস্টার আরমান'। খবরে বলা হয়েছে, দেশের অন্যতম মোবাইল আর্থিক সেবা 'নগদ'-এ বিনিয়োগে আগ্রহী ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে বৈঠকে তিনি 'নগদ ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস' বিষয়ে আলোচনা করেছেন।

নগদকে নতুন মালিকানা ও ব্যবস্থাপনায় দেয়ার পরিকল্পনার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এ প্রতিষ্ঠানে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের যুক্ত করার আগ্রহ দেখিয়েছেন।

এক্ষেত্রে তিনি দেশী-বিদেশী বহুজাতিক বিনিয়োগ সংস্থার স্থানীয় সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন।

বিনিয়োগ আগ্রহের ধারাবাহিকতায় গভর্নর বরাবর নগদের ফরেনসিক অডিট করার আবেদন করেছেন।

৮ ফেব্রুয়ারি এ আগ্রহ প্রকাশ করে তিনি গভর্নর বরাবর চিঠি দিয়েছেন।

দেশ রূপান্তরের একটি সংবাদ 'সুবিধাভোগী পুলিশের সন্ধানে পুলিশ'। খবরে বলা হচ্ছে, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেড় বছর ক্ষমতায় ছিল অন্তর্বর্তী সরকার।

পুলিশের কিছু কর্মকর্তা পতিত সরকারের আমলে যেন ক্ষমতাধর ছিলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেও তাদের প্রভাব কম ছিল না। যে সরকার ক্ষমতায় এসেছে, তাদেরই লেজুড়বৃত্তি করেছেন তারা।

বিএনপি সরকার গঠনের পর দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতি করতে কাজ শুরু করেছেন নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

আর এ অবস্থাতেই পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, বাহিনীর যারা সব সরকারের আমলেই সুবিধা নিয়ে আসছেন, তাদের বিষয়ে খোঁজ নিতে সরকারের হাইকমান্ড থেকে গোপন বার্তা দেওয়া হয়েছে।

বার্তা পেয়ে পুলিশের দুটি ইউনিটসহ গোয়েন্দারা কাজও শুরু করে দিয়েছেন।

এ ক্ষেত্রে কয়েকজন অতিরিক্ত আইজিপি, ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি, পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ইন্সপেক্টর, সাব-ইন্সপেক্টরসহ দেড় শতাধিক কর্মকর্তার বিষয়ে বিশদ তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

তাদের একটি তালিকা করে আরও গভীরে গিয়ে তদন্তও শুরু করেছে একাধিক সংস্থা।

মানবজমিনের খবর 'ঈদের আগেই ইমাম মুয়াজ্জিনদের সম্মানী দেবে সরকার'। এতে বলা হয়েছে, নির্বাচনের প্রতিশ্রুত বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ঈদের আগেই খতিব-ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী প্রদানের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে শুরু করবে সরকার।

শনিবার এক ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন।

ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে গতকাল তেজগাঁও কার্যালয়ে তারেক রহমানের প্রথম অফিসে আসা এবং দিনের কর্মসূচিগুলোও তুলে ধরেন উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, আমাদের যে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল, সেগুলোর কয়েকটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

মূলত আজকের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী আলোচনা করেছেন আমাদের একটি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি, যেটি বিভিন্ন মসজিদের সম্মানিত খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ অন্যান্য ধর্মের যারা রয়েছেন- সেই সব ধর্মগুরুদের জন্য মাসিক সম্মানী ও উৎসব ভাতা প্রদান করা হবে।

মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে আজকের বৈঠকে একটা সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে, ইনশাআল্লাহ্‌ ঈদের আগেই পর্যায়ক্রমে শুরুর যে প্রস্তুতি, সেটি শেষ করে কিছু কিছু জায়গায় সম্মানিত খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিনদের একটি সম্মানী প্রদান করা হবে।

ইংরেজি দৈনিক দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের একটি খবর 'UN CDP to assess Bangladesh's graduation readiness as 3-year deferral sought' অর্থাৎ বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর পিছিয়ে দেওয়ার জন্য যে আবেদন বাংলাদেশ করেছে, সেটি মূল্যায়ন করবে জাতিসংঘের একটি সংস্থা।

আগামীকাল জাতিসংঘ উন্নয়ন নীতিমালা কমিটি ইউএন সিডিপির পাঁচ দিনব্যাপী এক বৈঠক নিউ ইয়র্ক সিটিতে শুরু হতে চলেছে, যেখানে বাংলাদেশের উত্তরণ-সম্পর্কিত রিপাের্ট মূল্যায়ন করা হবে।

সিডিপি সদস্য এবং জাতিসংঘ সিডিপির অধীনে একটি উপ-কমিটির এনহ্যান্সড মনিটরিং মেকানিজম (ইএমএম)-এর প্রধান ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, গত রাতে অধিবেশনে যোগদানের জন্য নিউ ইয়র্ক গেছেন।

ইএমএম সাব-কমিটিও এ সপ্তাহে বৈঠকে বসবে এবং যেসব দেশ ইতিমধ্যেই এলডিসি তালিকা থেকে উত্তরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে এবং যেসব দেশ পাইপলাইনে রয়েছে তাদের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবে।

বর্তমানে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের প্রক্রিয়ায় থাকা তিনটি দেশ হল বাংলাদেশ, নেপাল এবং লাওস।

বাস, ট্রাক, সিএনজি অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত রিকশা ও টেম্পো-লেগুনা থেকে দৈনিক প্রায় শতকোটি টাকা চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। যার বেশির ভাগ চাঁদাবাজি।

সোজা কথা, ভয়ভীতি দেখিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে চাঁদা আদায়। সড়ক পরিবহণ মালিক সমিতি, শ্রমিক সংগঠন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং রাজনৈতিক নেতাকর্মী এসব চাঁদা আদায়ে যুক্ত।

রাজধানীসহ সারা দেশে প্রায় ৩ হাজার স্পট থেকে প্রতিদিন এভাবে চাঁদা আদায় করা হয়।

সারা দেশ থেকে যুগান্তরের প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য ও বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সড়ক পরিবহণ, সেতু, রেল ও নৌপরিবহণমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম শনিবার যুগান্তরকে বলেন, 'চাঁদাবাজি নেই-আমি একথা কিন্তু বলিনি। আমি বলেছি-একটা হলো চাঁদা, আর একটা হলো চাঁদাবাজি। চাঁদা হলো-স্বেচ্ছায় এবং চাঁদাবাজি হলো জোরপূর্বক। আমি তো চাঁদাবাজিকে সমর্থন করিনি বা করছিও না।'

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'চাঁদাবাজি একটা ফৌজদারি অপরাধ। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে পুলিশ বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আমার মন্ত্রণালয়ের অধীনে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই।'

তিনি জানান, 'প্রয়োজনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সমবায় মন্ত্রণালয় এবং আমার মন্ত্রণালয়ে মিলে এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা যেতে পারে।'

কালের কণ্ঠ পত্রিকার খবর 'ভেজাল উপাদানে তৈরি মাদকে নতুন আতঙ্ক'। এ খবরে বলা হয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর কড়া নজরদারি ও সীমান্তে ব্যাপক অভিযানের পরও রমরমা মাদক ব্যবসার হেরফের নেই।

দেশের বিভিন্ন স্থানে চলছে মাদক কারবারি ও ক্রেতার লেনদেন। এর মধ্যেই অধিক মুনাফার লোভে মাদক কারবারি কেউ কেউ নিজেরাই উৎপাদনে ঝুঁকছে, যা দেশের ভেতর মাদক ব্যবসা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

এ ক্ষেত্রে বেশির ভাগ মাদকদ্রব্য ভেজাল উপাদান দিয়ে তৈরি হচ্ছে বলে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) সূত্র জানিয়েছে।

এর মধ্যে ভেজাল মদ পানে একাধিক মৃত্যুর ঘটনা এসেছে সংবাদমাধ্যমে।

প্রচলিত মাদকদ্রব্যের বাইরে গত কয়েক মাসের মধ্যে বেশ কয়েকটি নতুন মাদকদ্রব্য প্রবেশ করেছে।

এর মধ্যে নতুন প্রজন্মের অপ্রচলিত মাদক 'কুশ' ও এমডিএমবির চালানসহ জড়িত কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নতুন নামে আরো কয়েকটি মাদক দেশে ঢুকেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

দৈনিক সংবাদের একটি খবর বিএনপি নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ না করলে পরিণতি ভয়াবহ হবে: রুমিন ফারহানা।

এ খবরে বলা হয়েছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা শহীদ মিনারে ফুল দেয়ার সময় হামলার শিকার হয়েছেন।

তিনি দাবি করেছেন, হামলাটি পূর্বপরিকল্পিত। এ ঘটনায় তিনি মামলা করেছেন এবং জড়িতদের বিচার চান।

একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, 'দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণে না আনলে বিএনপির জন্য পরিণতি ভয়াবহ হবে।'