‘জাপার প্রার্থীরা চান ‘মাথা বিক্রি’র টাকার হিসাব’

পত্রিকা

বিভিন্ন আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর পরাজয় নিয়ে সমকালের প্রধান শিরোনাম, ‘জাপার প্রার্থীরা চান ‘মাথা বিক্রি’র টাকার হিসাব’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ভরাডুবির জন্য দলের চেয়ারম্যান জি এম কাদের এবং মহাসচিব মুজিবুল চুন্নুকে দায়ী করে ক্ষোভ ঝেড়েছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) পরাজিত প্রার্থীরা।

তাঁদের দাবি, তৃণমূলের নেতাদের মতামতের বিরুদ্ধে নির্বাচনে অংশ নিয়ে বেঈমান হয়েছেন জি এম কাদের।

লাঙলের প্রার্থীদের মাথা বিক্রি করে সরকারের কাছ থেকে টাকা পেয়েছেন। সেই টাকার হিসাব চান লাঙলের প্রার্থীরা।

তাঁদের অভিযোগ, নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে। জাপা চেয়ারম্যান তাঁর স্ত্রী শেরীফা কাদেরের জন্য আসন বাগাতে দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের বলি দিয়েছেন।

রোববার রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটি্‌উটে সভায় এসব অভিযোগ করেছেন প্রার্থীরা।

দলের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিক্ষুব্ধ নেতারা এই সভা করেছেন।

লাঙলের ২৬৫ প্রার্থীর ১২২ জন সভায় অংশ নেন।

কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলার সভাপতিত্বে সভায় প্রার্থীরা ক্ষোভ উগড়ে দিলেও, দল ভাঙা বা নেতৃত্ব বদলের কথা বলেননি।

আরও পড়তে পারেন
যুগান্তর

নির্বাচন পরবর্তী আন্দোলনের হিসাব নিকাশ নিয়ে নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, ‘চলছে আন্দোলনে সফলতা ও ব্যর্থতার পর্যালোচনা’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গত ৭ই জানুয়ারির নির্বাচনে তাদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে জনগণ ভোট বর্জন করে সরকার ও একতরফা নির্বাচনের প্রতি চূড়ান্ত অনাস্থা জানিয়েছে।

এটাকে আন্দোলনের প্রাথমিক সাফল্য তথা নৈতিক বিজয় হিসেবে দেখছে বিএনপি।

এই অবস্থায় আন্দোলনে চূড়ান্ত লক্ষ্য এখনো অর্জিত না হলেও আশা হারাচ্ছে না দলটি।

আপাতত ‘উল্লেখযোগ্য’ কোনো কর্মসূচি আসছে না। দল ও যুগপৎ আন্দোলনে থাকা দলগুলোকে সাথে নিয়ে নির্বাচনের আগের আন্দোলনের সফলতা-ব্যর্থতার পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

‘শর্ট টাইমে’ পরিস্থিতি পাল্টে যাবে বলে বিএনপির হাইকমান্ড নেতাকর্মীদের বার্তা দিচ্ছে।

জানা গেছে, জনগণের ভোট বয়কটের পাশাপাশি নির্বাচন নিয়ে গণতান্ত্রিক বিশ্ব বিশেষ করে পশ্চিমাদের অবস্থানই মূলত বিএনপিকে আশা জোগাচ্ছে।

নেতারা বলছেন, মামলা-গ্রেফতারে বিপর্যস্ত বিএনপি কম সময়ের মধ্যেই ঘুরে দাঁড়াবে।

দেশ রূপান্তর

আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিয়ে যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর, ‘আ.লীগের কোন্দল ছড়িয়ে পড়েছে সারা দেশে’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নির্বাচনের পর থেকেই সারা দেশে আওয়ামী লীগ ও দলীয় স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অনুসারী কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ লেগে আছে।

ঝিনাইদহে নৌকার সমর্থক ও নোয়াখালীতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর এজেন্টকে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষরা।

বিএনপি ও তাদের মিত্রদের বর্জনের মুখে সংসদ নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য করতে দলীয় স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ করে দিয়েছিল আওয়ামী লীগ।

এই সিদ্ধান্ত এখন দলটির নীতিনির্ধারকদের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী এক সপ্তাহে দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও বিবাদের ঘটনা দেখে আশঙ্কা ব্যক্ত করেছেন দলটির নীতিনির্ধারকরা।

যদিও দলের সিনিয়র নেতারা বলছেন, নির্বাচন নিয়ে আগেও নেতাকর্মীদের মধ্যে মতবিরোধ হয়েছে।

কিন্তু তা সত্ত্বেও আওয়ামী লীগের ঐক্যে কোনো ফাটল ধরেনি। তারা অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেবেন।

সমকাল

একই ইস্যুতে দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘মাঠের বিরোধী দলও আ.লীগ!

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সংসদে সম্ভাব্য বিরোধী দল স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা (এমপি) কি মাঠেও বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবেন? ক্ষমতায় থাকা শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ কি স্বতন্ত্র এমপিদের সেই সুযোগ করে দিতে যাচ্ছে নানা মহলে এমন আলোচনা ঘুরপাক খাচ্ছে।

৬২টি আসন নিয়ে শক্তিশালী অবস্থান নিয়েছেন স্বতন্ত্র নির্বাচিত এমপিরা।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সবাই যেহেতু আওয়ামী লীগের ভেতর থেকে এসেছেন, ফলে স্বতন্ত্র এই এমপিদের মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি হিসেবে দাঁড় করানোর উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।

এমন আলোচনাও রয়েছে, মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনা বাদে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সরকারের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের সহায়ক শক্তি হিসেবে মাঠে থাকবেন এ স্বতন্ত্র এমপিরা।

ইতিমধ্যে স্বতন্ত্র এমপিরা নিজেদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন প্রার্থীর বিরুদ্ধে কথা বলছেন। আরও বড় পরিসরে এমন কথা বলার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে জানা গেছে।

কালের কণ্ঠ
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, ‘মন্ত্রীদের কণ্ঠে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার অঙ্গীকার’

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, রাজনীতি, অর্থনীতি, কূটনীতিসহ নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ সামনে নিয়ে যাত্রা শুরু করেছেন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা।

আওয়ামী লীগের নতুন সরকারে দায়িত্ব পাওয়ার পর রোববার প্রথম দিনের মতো সচিবালয়ে নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ে আসেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা।

অর্থমন্ত্রী হিসেবে প্রথম কার্য দিবসে আবুল হাসান মাহমুদ আলী এবার রোজায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি উল্লেখ করেন।

ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি ও সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, বিএনপি-জামায়াতের যাঁরা কর্মী রয়েছেন, তাঁদের কিন্তু রাজনৈতিক কারণে কারাগারে যেতে হয়নি, তাঁদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকায় কারাগার যেতে হয়েছে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেছেন, ‘স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতির কথা আমিও জানি। দুর্নীতির ব্যাপারে আমি জিরো টলারেন্স।’

অন্যদিকে রেলকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন রেলপথমন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম।

মানবজমিন

এদিকে খাদ্যপণ্যের দাম নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে মানবজমিনের প্রথম পাতার শিরোনাম, ‘সামনে আরও দুর্দিন আসতে পারে: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ার কথা বলতে গিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, করোনাভাইরাসের অতিমারি এবং ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে জিনিসের দাম বেড়েছে।

নতুন করে আবার হামলা (ফিলিস্তিনে ইসরাইলি হামলা) শুরু হয়েছে, যে কারণে হয়তো সামনে আরও দুর্দিন আসতে পারে।

রোববার গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় উপজেলা পরিষদ মাঠে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের মাটি ঊর্বর। আমাদের মানুষ আছে। এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদি না থাকে। পাশাপাশি হাঁস, মুরগি, গরু, ছাগল পালনসহ আমাদের খাদ্য আমাদের উৎপাদন করতে হবে।

তিনি জানান, বিশ্বব্যাপী খাদ্যের দাম বেড়েছে, বাংলাদেশেও জিনিসের দাম বেড়েছে। দেশের মানুষের খাবারের যাতে অভাব না হয়, সেই ব্যবস্থা আমাদের নিজেদের করতে হবে।

তিনি বলেন, সকল ষড়যন্ত্র ভেদ করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।

দ্য ডেইলি স্টার

বিদ্যুৎ খাত নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, ‘11 power plants mostly sat idle last fiscal’ অর্থাৎ, ‘গত অর্থবছরে ১১টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বেশির ভাগই অলস পড়ে ছিল’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশের ৭১টি বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের অন্তত ১৫ শতাংশ বিদ্যুৎ কেন্দ্র গত অর্থবছরের ৮০ শতাংশ সময় অলস বসে ছিল।

এই অবস্থায় ওই বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর চাহিদা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (পিডিবি) বেশিরভাগ অলস বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে প্রতি কিলোওয়াট-ঘণ্টা ১৪ দশমিক ৬২ টাকায় কিনছে। যা গড় ক্রয় মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি।

অলস বসে থাকা ১১টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ক্রয়মূল্য ছিল প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টায় ২৬ দশমিক ০৮ টাকা থেকে ৫৬ দশমিক ৩৩ টাকার মধ্যে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত ইউনিট খরচের কারণ হল বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলি অলস বসে ছিল।

প্রতিটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি নির্দিষ্ট খরচ রয়েছে যার মধ্যে রয়েছে পাওয়ার চার্জ, কর্মীদের বেতন, ব্যাঙ্ক ঋণ, এছাড়া জ্বালানি খরচ তারা সরকার থেকে পায়।

মোট খরচকে মোট বিদ্যুতের আউটপুট দিয়ে ভাগ করে ইউনিটের দাম নির্ণয় করা হয়।

যদি একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র তার ক্ষমতার ২০ শতাংশের কম উৎপাদন করে, তবে এটির প্রয়োজন নেই। ১১টি বিদ্যুৎকেন্দ্র ২০ শতাংশেরও কম পিএলএফ-এ কাজ করছিল।

প্রথম আলো

বোতলজাত সয়াবিনে ক্ষতিকর ট্রান্সফ্যাট’ শিরোনামে প্রধান খবর করেছে প্রথম আলো।

যেখানে বলা হচ্ছে, দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া বোতলজাত সয়াবিন তেলে সহনীয় মাত্রার বেশি ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিড পাওয়া গেছে।

এই ক্ষতিকর উপাদান দীর্ঘ মেয়াদে মানুষের উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইন্সটিটিউট এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের জেমস পি গ্রান্ট পাবলিক হেলথ স্কুলের গবেষণায় এই বিষয়টি উঠে আসার খবর দিচ্ছে পত্রিকা।

এই সংবাদে বলা হয়, বাজার থেকে যে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিলো সেখানে ৬৭ শতাংশ নমুনায় সহনীয় মাত্রার চেয়ে বেশি ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিড পাওয়া যায়।

তবে খোলা সয়াবিন তেলের ক্ষেত্রে এই হার ২৫ শতাংশ। রিপোর্টে বলা হয়েছে, উচ্চ তাপে পরিশোধনের কারণে ভোজ্য তেল ট্রান্সফ্যাট বেড়ে যাচ্ছে।

বণিক বার্তা

কুয়াশায় বিমান চলাচল বিঘ্ন ঘটা নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, ‘পুরনো প্রযুক্তিতে শাহজালালে কুয়াশায় বিঘ্নিত হচ্ছে উড়োজাহাজ অবতরণ’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ঘন কুয়াশায় উড়োজাহাজ চলাচল বিঘ্নিত হয়ে আবার আলোচনায় এসেছে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।

আকাশ পরিবহন সংস্থাগুলোর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চলতি শীতেই রাত ১২টা থেকে ভোর ছয়টা পর্যন্ত একাধিকবার বন্ধ থেকেছে উড়োজাহাজ চলাচল।

এসবের মূলে রয়েছে বৈরী আবহাওয়ায় উড়োজাহাজ অবতরণের আশির দশকের পুরনো প্রযুক্তি ইনস্ট্রুমেন্ট ল্যান্ডিং সিস্টেম বা আইএলএস-১।

কুয়াশা বা বৈরী আবহাওয়ায় উড়োজাহাজ অবতরণ করতে বিশ্বের উন্নত বিমানবন্দরগুলো আইএলএস-৩ প্রযুক্তি ব্যবহার করছে।

সাধারণত খালি চোখে রানওয়ের অবস্থান শনাক্ত করে উড়োজাহাজ অবতরণ করেন বৈমানিকরা। অবতরণের জন্য ন্যূনতম ৫০০ মিটার দৃষ্টিসীমা প্রয়োজন হয়।

কুয়াশা বা বৈরী আবহাওয়ার কারণে দৃষ্টিসীমা কমে এলে রানওয়ের অবস্থান শনাক্তের জন্য ব্যবহার করা হয় আইএলএস প্রযুক্তি।

শাহজালালে স্থাপিত আইএলএস-১ প্রযুক্তি কুয়াশা বা বৈরী আবহাওয়ার জন্য উপযুক্ত নয় বলে জানিয়েছেন আকাশ পরিবহন খাতসংশ্লিষ্টরা।

ফলে প্রতি শীতেই বিঘ্নিত হচ্ছে উড়োজাহাজ চলাচল। এতে আকাশ পরিবহন সংস্থাগুলোর পরিচালন ব্যয় যেমন বৃদ্ধি পাচ্ছে, তেমনি দুর্ভোগে পড়ছেন যাত্রীরা।

নিউ এইজ

শীতকালীন অসুখ বিসুখ নিয়ে নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, ‘Sharp drop in temp triggers disease outbreak

অর্থাৎ ‘তাপমাত্রা দ্রুত পড়ে যাওয়ায় রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে’

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, হিমশীতল বাতাস এবং ঘন কুয়াশার মধ্যে তাপমাত্রা দ্রুত কমে যাওয়ায় হাসপাতালগুলোয় নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া এবং হাঁপানির মতো রোগের প্রাদুর্ভাব হঠাৎ করে বেড়ে গিয়েছে।

এবারের শীতের দ্বিতীয় শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয় গত ১২ই জানুয়ারি থেকে। এর কবলে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন শিশু ও বৃদ্ধরা।

ঠান্ডাজনিত রোগে গত আট দিনে শিশু ওয়ার্ডে অন্তত ১৮ শিশু মারা গেছে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রার মধ্যে পার্থক্য যত কম হবে, মানুষ ও প্রাণী স্বাস্থ্যের উপর এর প্রভাব তত বেশি হবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

এদিকে ডায়রিয়া ওয়ার্ডে রোগীর সংখ্যা ছিল ৪০, ওয়ার্ডের ভর্তির ক্ষমতার চারগুণ।

বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদফতর সতর্ক করেছে যে, শীতের অবস্থা আরও দুই দিন বিরাজ করতে পারে।

১৭ থেকে ১৯শেজানুয়ারির মধ্যে একটি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।