'বাংলাদেশের গণতন্ত্র লাইফ সাপোর্টে'

সংবাদপত্র

ছবির উৎস, বিবিসি নিউজ বাংলা

বাংলাদেশের গণতন্ত্র লাইফ সাপোর্টে -ভারতের সরকারি সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদন নিয়ে এমনটি শিরোনাম করেছে মানবজমিন।

পত্রিকাটি বলছে, আগামী বছরের নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণের আগেই বাংলাদেশ একটি দীর্ঘ রাজনৈতিক সংকটের মুখে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ল্যান্ডস্কেপে একদলীয়, সামরিক, গণতান্ত্রিক এবং স্বৈরাচারী- সব ধরণের শাসন ব্যবস্থাই দেখা গেছে। ভারতের সরকারি সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা এখন অনেকটাই রাশিয়ার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। একদল অলিগার্ক প্রচুর আর্থিক সুবিধা ভোগ করছে এবং বর্তমান সরকারকে ক্ষমতায় রাখার জন্য প্রচুর পরিমাণে বিনিয়োগ করছে।

বাংলাদেশের মতো নির্বাচন কোন দেশে হয়েছে – জাতীয় সংসদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমাপনী বক্তব্য নিয়ে সমকালের শিরোনাম। এতে বলা হয় বর্তমান সরকারের আমলে সব নির্বাচন স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলে দাবী করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন এর চেয়ে ভালো নির্বাচন এ দেশে কবে হয়েছে? কোন দেশে হয়েছে? অনেক দেশের নির্বাচন তো এখনো বিরোধী দল মেনে নেয়নি। দেশ যখন সুষ্ঠুভাবে এগুচ্ছে তখন নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন কেন?

নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন কেন সেটিকেই শিরোনাম করেছে প্রথম আলো। বিস্তারিত হল জাতীয় সংসদের ২৪তম অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচন প্রসঙ্গে বলেন ‘আজকে যখন সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন আমরা করছি, তখনই নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন করা, এর অর্থটা কী? আজ দেশ যখন অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন কেন?’

সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেন, আগামী অক্টোবরে সংসদের আরেকটি অধিবেশন বসবে। সেটিই হবে চলতি একাদশ সংসদের শেষ অধিবেশন। এরপর দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ সময় তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে যদি জনগণ ভোট দেয়, আবার এদিকে (সরকারি দল) আসব। না দিলে ওদিকে (বিরোধী দল) যাব। কোনো অসুবিধা নাই। জনগণের ওপর আমরা সব ছেড়ে দিচ্ছি।’

সংবাদপত্র

ছবির উৎস, বিবিসি নিউজ বাংলা

অন্যদিকে ইউরোপীয় পার্লামেন্টে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে যে একটি প্রস্তাব পাশ হয়েছে সেই খবরটিও ছেপেছে বেশ কিছু পত্রিকা। নয়া দিগন্তের শিরোনাম – বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পরিবেশ এখনই নিশ্চিতের তাগিদ

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) পার্লামেন্টে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে উত্থাপিত প্রস্তাবে এটি বলা হয়েছে। পার্লামেন্ট সদস্যরা বলেন, বাংলাদেশকে অবশ্যই তাদের আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার, বিশেষ করে নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তিগুলো মেনে চলতে হবে। সুশীলসমাজের সংগঠনগুলো যেন বিদেশী অনুদান গ্রহণ করতে পারে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষকে তা নিশ্চিত করতে হবে।

স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

এ সংক্রান্ত ইইউ পার্লামেন্টের বিবৃতিতে বিশেষভাবে মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’-এর দুই নেতা আদিলুর রহমান খান এবং এ এস এম নাসিরুদ্দিন এলানের বিরুদ্ধে দণ্ডাদেশের নিন্দা জানানো হয়। পাশাপাশি অবিলম্বে তাদের নিঃশর্তভাবে সব অভিযোগ থেকে মুক্তি দিতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্যরা। তবে এটিকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার এবং চক্রান্ত হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ সরকার।

বলা হচ্ছে মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের সম্পাদক আদিলুর রহমান খান ও পরিচালক এ এস এম নাসির উদ্দিনের কারাদণ্ডে হতাশা প্রকাশ করেছে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট। গতকাল বৃহস্পতিবার ফ্রান্সের স্ট্রাসবার্গে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের অধিবেশনে এসংক্রান্ত একটি প্রস্তাব গৃহীত হয়।

এদিকে গত রাতে ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে অধিকারের প্রতি ইউরোপীয় পার্লামেন্টের পক্ষপাতিত্বে হতাশা প্রকাশ করেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ইউরোপীয় পার্লামেন্টে গৃহীত প্রস্তাব বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ। প্রস্তাবের বিষয়বস্তুর সঙ্গে বাংলাদেশ একমত নয়। ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্যরা (এমইপি) বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতিকে অবনতিশীল উল্লেখ করে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছেন। তাঁরা বাংলাদেশ সরকারকে বেসরকারি সংস্থা (এনজিও), মানবাধিকারকর্মী ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জন্য নিরাপদ ও অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির আহ্বান জানিয়েছেন।

EU’s rights resolution puts pressure on bangladesh’s trade prospects – ইংরেজি দৈনিক দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের শিরোনাম। পত্রিকাটি বলছে বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে ইউরোপীয় পার্লামেন্টে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে যে প্রস্তাব পাশ হয়েছে তা বাংলাদেশকে গুরুত্বের সাথে নেয়ার আহবান জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা। তারা মনে করছেন এতে বাংলাদেশের বাণিজ্য রপ্তানির উপর প্রভাব পড়তে পারে।

সংবাদপত্র

ছবির উৎস, বিবিসি নিউজ বাংলা

সরকার দাম বেধেঁ দিলেও কার্যকর নিয়ে সংশয় – সমকালের প্রধান শিরোনাম।

খবরটিতে বলা হচ্ছে নিত্যপণ্যের বাজার নাগালের বাইরে চলে গেলে বাধ্য হয়ে দাম বেঁধে দেয় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কিংবা অধিদপ্তর। তবে বেঁধে দেওয়া দাম কার্যকর করা নিয়ে সব সময় প্রশ্ন ওঠে। দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় প্রথমবারের মতো ডিম, আলু ও পেঁয়াজের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। নির্ধারিত দরে বিক্রি না হলে আমদানির হুমকিও দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

গতকাল বৃহস্পতিবার এই তিন পণ্যের দর বেঁধে দেওয়ার পরও বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বিক্রেতারা দাম রাখছেন যে যার মতো। এর আগে যতবারই ভোজ্যতেল ও চিনির দর নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল, খুচরা থেকে সরবরাহকারী কাউকেই তা মানতে দেখা যায়নি। ফলে ভোক্তারা দাম কমার সুফল পান না।

বিশ্ববাজারে ৫.৬১ টাকা, দেশে সাড়ে ১২ টাকা - ডিমের দাম নিয়ে প্রথম আলোর শিরোনাম। বলা হচ্ছে বিশ্ববাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যের বর্তমান দামের সঙ্গে দেশের বাজারে একই পণ্যের দামে বড় রকমের পার্থক্য দেখা যাচ্ছে।

বাংলাদেশের তুলনায় বিশ্ববাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় কয়েকটি পণ্য অনেক কম দামে বিক্রি হচ্ছে বলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তৈরি করা নথিতে দেখা গেছে। সামগ্রিকভাবে দামের পার্থক্য অনেক বেশি। বিশেষ করে দেশের বাজারে ডিমের দাম আন্তর্জাতিক বাজারের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি। যদিও বাংলাদেশে ডিম আমদানি হয় না।

নিউ এজের শিরোনাম - Tipu Munshi blasted in JS for price hike অর্থাৎ জাতীয় সংসদে দ্রব্যমূল্য বিষয়ে তোপের মুখে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। এতে বলা হয় বৃহস্পতিবার সংসদে বিরোধী দলের ব্যাপক সমালোচনার মধ্যে পড়লেন বাণিজ্যমন্ত্রী। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের সীমাহীন উর্ধ্বগতি রোধ করতে না পারা এবং ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ভাঙতে না পারার অভিযোগে জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের তোপের মুখে পড়তে হয় তাকে। সংসদে ‘বাণিজ্য সংগঠন (সংশোধন) বিল’ পাসের জন্য উত্থাপন করা হলে বিরোধী দলের সদস্যরা তার সমালোচনা করেন।

সংবাদপত্র

ছবির উৎস, বিবিসি নিউজ বাংলা

ভয়াবহ আগুনে নি:স্ব কৃষি মার্কেটের ব্যবসায়ীরা – দৈনিক ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম এটি।

বলা হচ্ছে গভীর রাতের ভয়াবহ আগুনে নিঃস্ব হয়ে গেছেন রাজধানীর মোহাম্মদপুরের কৃষি মার্কেটের ব্যবসায়ীরা। অগ্নিকাণ্ডে ২১৭টি দোকান পুরোপুরি পুড়ে গেছে। ব্যবসায়ীদের দাবি তাদের অন্তত ৩৫০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। প্রধান সড়কের পাশে হক বেকারি থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে জানিয়েছেন নিরাপত্তা রক্ষীরা। শর্টসার্কিট থেকেই আগুন লেগেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

তবে ব্যবসায়ীদের দাবি রাতে বিদ্যুতের প্রধান সুইচ বন্ধ থাকার পরও কীভাবে শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগে? ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, সিটি করপোরেশন যে মার্কেটগুলো ভেঙে পাকা মার্কেট করতে চাচ্ছে সেগুলোতেই শুধু আগুন লাগছে! এই আগুন অবশ্যই ‘রহস্যজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন তারা।

এই খবরের পাশে পত্রিকাটির আরেকটি শিরোনাম ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত হওয়া মার্কেটেই লাগছে আগুন!

এখানে বলা হচ্ছে গত রমজান মাসের পর রাজধানী ঢাকায় যতগুলো মার্কেটে আগুন লেগেছে, এর প্রায় সবগুলোই সিটি করপোরেশনের মার্কেট। এ ছাড়া সিটি করপোরেশনের যে মার্কেটগুলো ভাঙার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যে মার্কেটগুলো পাকা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, সেই মার্কেটগুলোয় আগুনে জ্বলছে। বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আগুনে পোড়া মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন।

মার্কেট কেন বারবার টার্গেট নিরুপায় ব্যবসায়ীরা – যুগান্তরের শিরোনাম। সিটি করপোরেশনের মালিকানাধীন মার্কেটগুলোতে একের পর এক অগ্নিকাণ্ডে দিশেহারা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। বারবার কেন টার্গেট হচ্ছে সরকারি মালিকানার বাণিজ্যিক মার্কেটগুলো? এমন প্রশ্নের জবাব ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরাই দিয়েছেন।

তারা বলেছেন, যেসব মার্কেট ভেঙে বহুতল ভবন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সেসব মার্কেটই পুড়ছে ‘রহস্যের আগুনে’। গত ছয় মাসে এ ধরনের অন্তত তিনটি ঘটনার পর ব্যবসায়ীরা পরিকল্পিত অগ্নিকাণ্ডের অভিযোগ তুলেছেন। বঙ্গবাজার, নিউ সুপার মার্কেটের পর এবার আগুনে পুড়ে ছারখার মোহাম্মদপুরের কৃষি মার্কেট। এবারও পরিকল্পিত আগুনের অভিযোগ উঠেছে।

Who is to blame for Krishi Market fire? এমন প্রশ্ন দিয়ে শিরোনাম ইংরেজি দৈনিক ঢাকা ট্রিবিউনের।

সংবাদপত্র

ছবির উৎস, বিবিসি নিউজ বাংলা

এতে বলা হয় অংশীজনের পরামর্শ ও সুপারিশ আমলে না নিয়ে জাতীয় সংসদে তড়িঘড়ি করে সাইবার নিরাপত্তা আইন (সিএসএ) ২০২৩ পাস করানোর মাধ্যমে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মৌলিক মানবাধিকারকে অপরাধ বলে সাব্যস্ত করা হয়েছে উল্লেখ করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে গতকাল সংসদে আইন মন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে দৈনিক সংবাদের শিরোনাম ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে হওয়া মামলা বাতিলের সুযোগ নেই

বিস্তারিত বলা হচ্ছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন রহিত করা হলেও ওই আইনে ইতোপূর্বে যত মামলা হয়েছে, সেগুলো বাতিল করা হবে না বলে সংসদে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়কমন্ত্রী আনিুসল হক। ওই আইনের ‘অপপ্রয়োগের’ কারণে যারা বিভিন্ন ধরনের হয়রানি, জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন, তাদের ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে কি না? বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সংসদ অধিবেশনে একজন আইন প্রণেতার এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘প্রশ্নই আসে না।’

আ.লীগ ও বিএনপি আজ আবার মাঠে – দেশ রুপান্তরের শিরোনাম। খবরটিতে বলা হচ্ছে সরকার পতনের এক দফা দাবিতে আজ শুক্রবার জুমার পর রাজধানী ঢাকায় বিশ্ব গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে সমাবেশ করবে বিএনপিসহ সরকারবিরোধী দলগুলো। ১২ জুলাই এক দফা ঘোষণার পর এটি হবে তাদের সপ্তম কর্মসূচি। অন্যদিকে একই দিন বিকেলে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কে শান্তি সমাবেশ কর্মসূচি পালন করবে ক্ষমতাসীনরা।