'ভুয়া মামলায় প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার অপচেষ্টা'

ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম, “ভুয়া মামলায় প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার অপচেষ্টা”। এ খবরে বলা হচ্ছে, নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে ভুয়া মামলা, পুরনো মামলাকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের গুরুত্বপূর্ণ কর্মীদের কারাগারে আটকে রাখার কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে এই ভুয়া মামলা। এ কাজে সহযোগীর ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদেরও।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সঠিক তদন্ত ছাড়াই গোঁজামিলের চার্জশিট দাখিল হচ্ছে আদালতে। যদিও আদালতে এসব মামলা শেষ পর্যন্ত টিকছে না। তবু প্রতিপক্ষকে কারাগারে কিছুদিন আটকে রাখার কৌশল হিসেবেই এই কাজ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ মিলেছে।
এ ব্যাপারে পুলিশের মহাপরিদর্শক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, "কেউ যদি ভুয়া মামলা করেন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আমরা কঠোর ব্যবস্থা নেব। পাশাপাশি কোনো পুলিশ কর্মকর্তা যদি এ ধরনের মামলায় চার্জশিট দেন, তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
সমকালের প্রধান শিরোনাম, “বন্দিবিনিময় ও আইনি সহায়তায় জোর ঢাকার”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর কৌশলগত সংলাপ হতে যাচ্ছে।
আসন্ন সংলাপে বন্দিবিনিময় এবং আইনি সহায়তায় মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্সে (এমএলএ) জোর দেবে ঢাকা। আর নির্বাচন, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের ওপর জোর দেবে লন্ডন।
ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য এই সংলাপে অংশ নিতে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তরের আন্ডার সেক্রেটারি ফিলিপ বার্টনের প্রতিনিধি দল নিয়ে ঢাকায় আসার কথা রয়েছে।
আলোচনা সফল হলে সাজাপ্রাপ্ত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক যুদ্ধাপরাধী চৌধুরী মঈনুদ্দীনসহ অন্য পলাতকদের দেশে ফেরানো সহজ হবে।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন ভারত সফর নিয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রধান শিরোনাম, “দৃষ্টি এবার দিল্লিতে”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, পাঁচ দিনের সফরে আগামী মাসে ভারত যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সেখানে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এটাই হবে তাঁর শেষ ভারত সফর। এ জন্য দেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অঙ্গনে এমনিতেই আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এ ভারত সফর।
তবে এ সফর ভিন্নমাত্রা এনে দিয়েছে একই সময়ে নয়াদিল্লিতে বিশ্বের হাইপ্রোফাইল সব রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের উপস্থিতি। থাকবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনসহ বিশ্বের প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলোর প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীরা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
ইংরেজি দৈনিক নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, “Rain, landslides wreak havoc in Ctg again” অর্থাৎ আবারও বৃষ্টি, ভূমিধসে বিপর্যস্ত চট্টগ্রাম। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, চট্টগ্রামে ভারী বর্ষণের কারণে পাঁচলাইশ থানাধীন আইডব্লিউ কলোনীতে ভূমিধসে বাবা ও তার সাত মাসের শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এছাড়া বৃষ্টির পানিতে শহর তলিয়ে যাওয়ায় পার্বত্য জেলা রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির সাথে সড়ক যোগাযোগ বিঘ্নিত হয়ে পড়েছে। রবিবার বিকেলে আগ্রাবাদের রঙ্গিপাড়া এলাকায় ড্রেনে পড়ে দুই বছর বয়সী এক শিশু নিখোঁজ হয়। ছেলেটিকে উদ্ধারের জন্য তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, “জনবহুল ও নীচু এলাকায় ডেঙ্গু বেশি”। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক পর্যবেক্ষণে জানা যায় যে, জনবহুল ও অপেক্ষাকৃত নীচু এলাকায় এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গিয়েছে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় বসতবাড়ির চেয়ে রাস্তা উঁচু এমন স্থানে ডেঙ্গুর বিস্তার ঘটেছে বেশি।
কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, নীচু এলাকা হওয়ার কারণে বেশিরভাগ বসতবাড়ির নীচতলায় পানি জমে থাকে যা এডিস মশার প্রজনন ক্ষেত্র হয়ে ওঠে।
ঢাকার দুই সিটিতে মশার লার্ভা জরিপের ফলাফল তুলে ধরে এতে দুই সিটিতে সবচেয়ে বেশি প্রায় ১৬ শতাংশ ক্ষেত্রে লার্ভা পাওয়া গিয়েছে বসতবাড়ির মেঝেতে। শুধু ঢাকা নয় এমন অবস্থা অন্য শহরগুলোতে অন্তত পাঁচ বছরের প্রায় প্রতিবারেন এডিস মশা প্রজননের সবচেয়ে বড় উৎসস্থল ছিল ভবনের মেঝে এবং ছাদ।
মানবজমিনের প্রথম পাতার খবর “ডেঙ্গু চিকিৎসায় খরচ জোগাতে নাভিশ্বাস: রোগী প্রতি ব্যয় ৫০ হাজার টাকা”। প্রতিবেদনে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বরাত দিয়ে বলা হচ্ছে, ডেঙ্গু চিকিৎসায় সরকার ৪০০ কোটি টাকা ব্যয় করেছে। রোগী প্রতি সরকারি কোষাগার থেকে গিয়েছে ৫০ হাজার টাকা।
আবার সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়েও প্রতি রোগীর পেছনে এক লাখ টাকার উপরে ব্যয় হওয়ার কথা জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। বেসরকারি হাসপাতালে এ ব্যয় আরও কয়েকগুণ বেশি। ডেঙ্গুতে শিশুদের চিকিৎসা ব্যয় আরও বেশি।
প্রতিদিন প্লাটিলেট পরীক্ষা, ডেঙ্গু শনাক্তের টেস্ট, সিবিসিসহ অন্যান্য পরীক্ষায় যাচ্ছে অনেক টাকা। অনেক ক্ষেত্রে একই পরিবারের একাধিক সদস্য ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ায় সবার খরচ মেটাতে নিঃস্ব হচ্ছে বহু পরিবার।

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, “Another $1b budget support expected this year” অর্থাৎ আরও একশো কোটি ডলার বাজেট সহায়তা পাওয়ার প্রত্যাশা করছে সরকার। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের নেতৃত্বে এক সম্ভাব্য তহবিল থেকে এই বাজেট সহায়তার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
এক বিলিয়ন ডলারের মধ্যে, ম্যানিলা ভিত্তিক ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান চারশো মিলিয়ন ডলার দেবে। বাকি অর্থ জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি, চীনের নেতৃত্বাধীন এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক এবং অন্যান্য দাতারা দেবে।
যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর, “পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার সুযোগ: বিভিন্ন দেশে অভিযান” প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দুর্নীতি ও অর্থ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে বিভিন্ন দেশ। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা ও সহযোগিতায় এই অভিযান চলছে।
অভিযান শুরু করেছে সিঙ্গাপুর, কানাডা, কাতার, মালয়েশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ শহর কেন্দ্রিক বিভিন্ন দেশ। এতে বেশকিছু সম্পদ ও অর্থ পাচারকারীকে আটক করা হয়েছে।
এর ফলে বাংলাদেশের অর্থ পাচারকারীরাও আতঙ্কে রয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি বাংলাদেশের জন্য একটি সুযোগ। কারণ, জাতিসংঘের দুর্নীতিবিরোধী কনভেনশনে সই করেছে বাংলাদেশ। ফলে সুযোগ কাজে লাগিয়ে আগে পাচার করা অর্থ ফেরত আনতে উদ্যোগ নিতে পারে।
যেসব দেশে পাচারের অর্থ ধরা পড়ছে, সেখানে বাংলাদেশের কারও অর্থ থাকলে ওই দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। তবে এ ব্যাপারে রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং সংশ্লিষ্ট দেশের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা না থাকলে অর্থ ফেরত আনা কঠিন বলে মন্তব্য করা হয়েছে ওই খবরে।

বণিক বার্তার প্রথম পাতার খবর, “ব্যাংকগুলোর ডলার ধারণ বাড়লেও চাপ এখনো কমেনি”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বিদেশী হিসাবে (নস্ট্রো অ্যাকাউন্ট) ডলার স্থিতি বেড়েছে প্রায় ২০ দশমিক ৮৮ শতাংশের মতো।
চলতি বছরের জুলাই শেষে এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫৯০ কোটি ডলার। গত জুলাইয়ে এ স্থিতি চার দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছিল। তবে বিদ্যমান দায়ের তুলনায় ব্যাংকগুলোর ডলার স্থিতি এখনো অনেকটাই কম।
এ কারণে আমদানির ঋণপত্রের (এলসি) দায় মেটাতে ব্যাংকগুলোকে এখনো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দ্বারস্থ হতে হচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকও রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি অব্যাহত রেখেছে। এতে দিন যত যাচ্ছে বাড়ছে রিজার্ভের ক্ষয়।
এদিকে, আগস্টের প্রথম ২৩ দিনেই রিজার্ভের পরিমাণ কমেছে ১৯ কোটি ডলার। এই ডলার সংকট তীব্র হয়ে ওঠার বার্তা দিচ্ছে রেমিট্যান্সের বড় পতন। জুলাইয়ে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের প্রবাহ কমেছে প্রায় ছয় শতাংশ। এ পতন চলতি আগস্টেও অব্যাহত রয়েছে।
প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর, “হয়নি জামিন, হয়নি বিচার: অবিচারের ৩৬৫ দিন”। এই প্রতিবেদনে এক বছর ধরে কারাবন্দি খাদিজা তুল কুবরার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে সমাবেশে দেয়া বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।
খবরের শিরোনামটি নেয়া হয়েছে সংহতি সমাবেশের ব্যানার থেকে। রোববার বিকেলে এমন ব্যানার নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির পায়রা চত্বরে সংহতি সমাবেশ করেন মানবাধিকার কর্মী, রাজনীতিবিদ, শিক্ষক, চলচ্চিত্র নির্মাতা, সংগীত শিল্পীসহ বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতারা।
এ সময় তারা বলেন, এক বছর ধরে খাদিজাকে আটকে রাখা মানবতার চরম লঙ্ঘন এবং এর মাধ্যমে প্রমাণ হয় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন কতটা নিবর্তনমূলক।

অন্যান্য খবর
ধান উৎপাদন নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, “ধান উৎপাদন কৃষকের জীবনমানে প্রভাব ফেলছে সবচেয়ে কম”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে ধানের চাষাবাদ সবচেয়ে বেশি হলেও এই খাত থেকে লাভ কমে যাওয়ায় কৃষকদের জীবনমান নিম্নমূখী হয়ে পড়েছে।
ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (আইএফপিআরআই) এক গবেষণা প্রতিবেদনে এমন পর্যবেক্ষণ উঠে এসেছে।
সেখানে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে মোট আবাদি জমির প্রায় ৭৫ শতাংশে ধান ফলে। সাম্প্রতিক সময়ে সেচ, সার ও কীটনাশকসহ প্রায় সব ধরনের কৃষি উপকরণের দাম বেড়ে যাওয়ায় লাভ কমেছে। ফলে কৃষকের জীবনমান উন্নয়নে সবচেয়ে কম প্রভাব ফেলছে ধান চাষাবাদ। দূর হচ্ছে না দরিদ্রতা।
চলতি বছরের জুলাইয়ে আইএফপিআরআইয়ের ‘বাংলাদেশ এগ্রি ফুড সিস্টেম স্ট্রাকচার অ্যান্ড ড্রাইভার্স অব ট্রান্সফরমেশন’ শীর্ষক প্রতিবেদনে দেখা যায়, এক দশকে (২০০৯-১৯) বাংলাদেশে জীবনমান উন্নয়নে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে ভুট্টা, পাট, মাংস ও দুধ উৎপাদন। তবে কৃষকের জীবনমানে সবচেয়ে কম প্রভাব ফেলছে ধান উৎপাদন।
পঁচিশটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনিয়ম নিয়ে দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম, “অনিয়মে লুট ১৫০০ কোটি”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এখন নির্ধারিত ছুটি শেষে কাজে যোগ না দিয়েও বেতন-ভাতা তুলে নিচ্ছেন। গবেষণার নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে অনেকের বিরুদ্ধে।
নানা অনিয়মের মাধ্যমে দুই বছরে রাষ্ট্রের প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সরকারি ২৫ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন সুবিধা ভোগ করলেও তাদের কাছ থেকে নির্ধারিত হারে বাড়ি ভাড়া কাটা হচ্ছে না। অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে বেশি ভাতা দেওয়া হচ্ছে তাদের।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ভবন নির্মাণে অনিয়ম, ভর্তি পরীক্ষা থেকে প্রাপ্ত অর্থ হাতিয়ে নেওয়াসহ নানাভাবে লুটপাটের অভিযোগ সামনে এসেছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশের মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের (সিএজি) অধীন শিক্ষা অডিট অধিদপ্তরের নিরীক্ষিত প্রতিবেদনে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর লুটপাটের এ চিত্র পাওয়া গেছে। সরকারি এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ ও ২০২১-২২ অর্থবছরে র আয়-ব্যয় নিরীক্ষা করেছে তারা।

সমকালের প্রথম পাতার খবর, “পুলিশের পিকআপে ট্রেনের ধাক্কা, ৩ কনস্টেবল নিহত”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় পুলিশের একটি গাড়ি রেললাইন পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় পুলিশের তিন সদস্য নিহত হয়েছে।
রোববার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনায় আরও দুই পুলিশ সদস্যসহ তিনজন আহত হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, পুলিশের গাড়িটি সলিমপুর ফকিরহাট এলাকায় রেললাইন পার হওয়ার সময় চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা সোনার বাংলা এক্সপ্রেসের ধাক্কায় দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই একজন মারা যান।
স্থানীয়রা জানায়, দুর্ঘটনার সময় রেলক্রসিংয়ে কর্তব্যরত গেটম্যান সেখানে ছিলেন না। এ কারণে সিগনাল বাঁশ ওঠানো ছিল।
দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার খবর, “ড. ইউনূসকে ওবামার চিঠি, ৩৪ নাগরিকের বিবৃতি”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে চিঠি লিখেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। রবিবার ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে চিঠিটি শেয়ার করা হয়।
চিঠির শুরুতে ‘প্রিয় প্রফেসর ইউনূস’ সম্বোধন করে যুক্তরাষ্ট্রের দুই বারের প্রেসিডেন্ট ওবামা লিখেছেন, মানুষের পরিবার এবং সমাজকে দারিদ্র্যমুক্ত করে তাদের ক্ষমতায়নের জন্য আপনার প্রচেষ্টা দ্বারা দীর্ঘকাল ধরে আমি অনুপ্রাণিত হয়ে আসছি।
চিঠিটি গত ১৭ আগস্ট বারাক ওবামার অফিশিয়াল প্যাডে প্রকাশিত হয়।
এছাড়া শ্রম আইন ভঙ্গের অভিযোগে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে সরকারের ফৌজদারি মামলা এবং সরকারি বিভিন্ন সংস্থা তাকে হয়রানি করছে দাবি করে এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন দেশের ৩৪ নাগরিক।











