সংঘাতের পথে রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সংলাপের উদ্যোগ নেই রাজপথেই ফয়সালা

পত্রিকা

চলমান রাজনৈতিক সংকট নিয়ে যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘সংঘাতের পথে রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সংলাপের উদ্যোগ নেই রাজপথেই ফয়সালা!’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর দুই মাস যখন বাকি। এ অবস্থায় আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির মধ্যে বিদ্যমান চলমান অচলাবস্থা ভাঙার জন্য সংলাপে বসার তাগিদ থাকলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেই।

এর ফলে রাজপথেই নিজেদের শক্তি পরীক্ষায় অবতীর্ণ হচ্ছে দল দুটি। এতে পরিস্থিতি সংঘাতময় হয়ে ওঠার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

মাঠের প্রধান বিরোধী দল বিএনপি বলছে, আলোচনার এজেন্ডা হতে হবে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার নিয়ে। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ চাইছে, ভোটগ্রহণ সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচিত দলীয় সরকারের অধীনেই হতে হবে।

আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সংলাপের পথ একেবারে বন্ধ, তা বলছে না। তবে তারা নিজেরা সংলাপের দায়িত্ব নিতে রাজি নয়। কোনো পক্ষ থেকেই কার্যকর উদ্যোগ নেই।

বরং ২৮শে অক্টোবর ঢাকায় পালটাপালটি সমাবেশের মধ্য দিয়ে নিজেদের শক্তিমত্তা জানান দিতে চায় দল দুটি। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে সবার প্রশ্ন-তা হলে কী রাজপথেই ফয়সালা হবে?

২৮ শে অক্টোবর মহাসমাবেশ ঘিরে বিএনপির প্রস্তুতি নিয়ে মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম, ‘আসছে কঠোর কর্মসূচি, নয়াপল্টনে অনড় বিএনপি’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আগামী ২৮শে অক্টোবর নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ের সামনে মহাসমাবেশ করতে অনড় বিএনপি। যেকোনো মূল্যে সমাবেশ সফল করার ঘোষণা দিয়েছেন দলটির নীতি-নির্ধারণী ফোরামের নেতারা।

তারা বলেছেন, মহাসমাবেশের অনুমতির জন্য সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা করবে না। নয়াপল্টনেই মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। স্মরণকালের সর্ববৃহৎ মানুষের জমায়েত করার পরিকল্পনা চলছে।

জেলার নেতাকর্মীদের আগেভাগেই ঢাকায় আসার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। মহাসমাবেশ থেকে ঘোষণা করা হবে সরকার পতন আন্দোলনের চূড়ান্ত ধাপের লাগাতার কর্মসূচি।

এরমধ্যে নির্বাচন কমিশন ঘেরাও, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ঘেরাও, অবস্থান কর্মসূচি, অবরোধ, হরতাল এমনকি ঢাকা ঘেরাও-এর মতো হার্ডলাইনের কর্মসূচি দেয়া হতে পারে।

মহাসমাবেশকে ঘিরে বিরোধী নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার, গায়েবি মামলা, বাড়ি বাড়ি পুলিশি হানা ও রাতে মামলার ট্রায়াল অব্যাহত রয়েছে।

প্রথম আলো

মহাসমাবেশ ঘিরে আওয়ামী লীগের প্রস্তুতি ঘিরে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম ‘’আক্রমণাত্মক’ প্রস্তুতি নিচ্ছে আওয়ামী লীগ’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ২৮শে অক্টোবর মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে বিএনপি'র বিপুল প্রস্তুতি, জামায়াতসহ অন্যান্য দলের একদিনে সমাবেশ করার ঘোষণা আসায় সমবেশ ও এর পরবর্তী সাত দিনকে স্পর্শকাতর সময় হিসেবে দেখছে আওয়ামী লীগ।

তবে দলটি ওই সময় ঢাকার রাজপথ নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রয়োজনে আক্রমণাত্মক হওয়ার প্রস্তুতিও রাখার কথাও জানিয়েছে। আওয়ামী লীগে দলের নীতি নির্ধারণী একাধিক সূত্রের বরাতে এই খবর প্রকাশ করে প্রথম আলো।

বিএনপির পাশাপাশি জামায়াতে ইসলামীও ২৮শে অক্টোবর মতিঝিলের শাপলা চত্বরের সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে। এছাড়া বিএনপি তাদের মহাসমাবেশ থেকে পরবর্তী কর্মসূচির ঘোষণা দিতে পারে।

এ অবস্থায় আওয়ামী লীগ ওইদিন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ ফটকে সমাবেশ করবে বলে জানিয়েছে। যা আক্রমণাত্মক দিকে মোড় নিতে পারে বলে আভাস পাওয়া গিয়েছে।

নিউ এইজ
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

এদিকে চলমান রাজনৈতিক সংঘাতের ফলে অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি হওয়া নিয়ে নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, ‘Political uncertainty adds to economic woes’। অর্থাৎ ‘রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ডেকে এনেছে অর্থনৈতিক দুর্দশা’

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নির্বাচনকে ঘিরে দেশের প্রধান দুই দলের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে তা রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

যা ইতোমধ্যে ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতেকে আরও খারাপ করে তুলতে পারে বলে অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করেছেন।

অর্থনীতিবিদরা জানিয়েছেন যে, এবারের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি উচ্চ মূল্যস্ফীতি, ডলারের ঘাটতি এবং নন-পারফর্মিং ঋণের উচ্চ প্রবৃদ্ধির কারণে আগে থেকেই মন্দার মধ্যে আছে। এমনটা ২০০৮, ২০১৪ এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনের সময়ও ছিল না।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, ‘একটি অনুকূল রাজনৈতিক পরিবেশের অভাবে প্রধান অর্থনৈতিক সূচকের আরও অবনতির ঝুঁকি কেউই দূর করতে পারবে না।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, ‘কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রক্ষেপণ ছিল ৭০ বিলিয়ন ডলার, নেমে এসেছে ২০ বিলিয়নে

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, কোভিড-পরবর্তী দেশের অর্থনৈতিক নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক যে পূর্বাভাস প্রতিবেদন দিয়েছিল, সে অনুযায়ী ২০২৩ সাল শেষে দেশের রিজার্ভের পরিমাণ ৭০ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি থাকার কথা ছিল।

অথচ বাংলাদেশ ব্যাংকের সে প্রক্ষেপণ বাস্তব রূপ পায়নি। উল্টো ক্ষয় হতে হতে রিজার্ভ এখন নেমে এসেছে ২০ বিলিয়ন ডলারের ঘরে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ভুল নীতিকেই রিজার্ভ ক্ষয়ের পেছনের কারণ হিসেবে দেখছেন অর্থনীতিবিদরা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, ব্যাংকগুলোর আমদানি দায় পরিশোধের জন্য প্রতি মাসে রিজার্ভ থেকে অন্তত এক বিলিয়ন ডলার বিক্রি করতে হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারের ঋণ পরিশোধ করতে গিয়েও রিজার্ভের ক্ষয় বাড়ছে।

দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রিজার্ভ ছিল ২০২১ সালের আগস্টে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবায়ন পদ্ধতি অনুযায়ী, ওই সময় রিজার্ভের পরিমাণ ৪৮ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়।

এর পর থেকেই শুরু হয় রিজার্ভের ক্ষয়। গত দুই বছরে প্রতি মাসে গড়ে ১ বিলিয়ন ডলার করে রিজার্ভ কমেছে।

ডেইলি স্টার

অবৈধ বালু উত্তোলন নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, ‘Of illegal sand lifting and Dipu Moni’s 15 letters’ অর্থাৎ ‘অবৈধ বালু উত্তোলন ও দীপু মনির ১৫টি চিঠি’।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে গত বছরের মাঝামাঝি থেকে মেঘনায় বালু উত্তোলন নিষিদ্ধ হলেও অভিযোগ উঠেছে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির পৃষ্ঠপোষকতায় লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সেলিম খান রাতের আধারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চালিয়ে যাচ্ছে।

রাত ১০টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত চলছে এই বালু তোলার কাজ।

১৯৮০-এর দশকের রিকশাচালক থেকে সেলিম খানের উত্থানের পেছনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির আন্তরিক কর্মী হওয়াকে বড় কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে।

সেলিম খান এবং তার পরিবারের সদস্যরা যাতে তাদের বালুর ব্যবসা চালিয়ে যেতে এবং প্রসারিত করতে পারে সে জন্য ২০১৫ এবং ২০২১ সালের মধ্যে দীপু মনি বিভিন্ন সরকারি অফিসে কমপক্ষে ১৫টি ডেমি অফিসিয়াল চিঠি লিখেছিলেন, যা ডিও লেটার নামে পরিচিত।

জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর দীপু মনির সঙ্গে সেলিম খানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং তখন থেকেই তিনি মেঘনা থেকে বালু উত্তোলন করে আসছেন।

ডেইলি স্টার তাদের অনুসন্ধানে দেখতে পায়, রাতের অন্ধকারে আড়াই কিলোমিটারের মধ্যে সাতটি ড্রেজারে বালু তোলা হচ্ছে। আর তা গোপন করতে ওই ড্রেজারের আশেপাশে কোন নৌকাকে ভিড়তে দেয়া হয় না।

বিভিন্ন নথিতে দেখা যায় যে শুধুমাত্র ২০১৮ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে চাঁদপুর সদর উপজেলার ২১টি মৌজায় বালু উত্তোলন করে প্রায় এক হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা আয় করেছেন সেলিম খান। অথচ সরকারি কোষাগারে তিনি একটি টাকাও দেননি।

কালের কণ্ঠ

বাংলাদেশ রেলওয়ের অব্যবস্থাপনা নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, ‘উন্নত সংকেতব্যবস্থা নেই ৬৯ শতাংশ রেলস্টেশনে’

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে একাধিকবার ভুল সংকেতের কারণেই রেলপথে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ ভৈরবে গত সোমবার ঘটা দুর্ঘটনার জন্য ভুল সংকেতকে প্রাথমিকভাবে দায়ী করা হচ্ছে।

ঘটনা তদন্তে তিনটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই দুর্ঘটনায় মঙ্গলবার রাত নয়টা পর্যন্ত ১৯ জনের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে।

সর্বশেষ ২০২০ সালে প্রকাশিত রেলের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ রেলওয়ের ৪৮৯টি স্টেশনের মধ্যে উন্নত সংকেতব্যবস্থা আছে মাত্র ১১২টিতে। অর্থাৎ প্রায় ৬৯ শতাংশ রেলস্টেশনে উন্নত সংকেতব্যবস্থা নেই।

এ কারণে রেলপথে এক ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়ে আছে।

রেলওয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা জানান, সব স্টেশন আধুনিক সংকেতব্যবস্থার আওতায় আনার কাজ চলছে। বেশির ভাগ স্টেশনে সংকেত এখনো সনাতন পদ্ধতিতে চালানো হয়। তাই সংকেতের ভুলও অনেক সময় মানুষের ভুল হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রেলের শতাধিক প্রকল্পে লাখো কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হলেও ঝুঁকিপূর্ণ রেললাইন ও সেতু সংস্কার না করায় এবং সংকেতব্যবস্থা আধুনিক না করায় রেলপথ দিন দিন বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে।

ঘূর্ণিঝড় হামুন নিয়ে ইত্তেফাকের প্রথম পাতার খবর, ‘কক্সবাজারে হামুনের আঘাত, নিহত ৩’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মঙ্গলবার রাতে কক্সবাজার উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‘হামুন’। ঝড়ের তাণ্ডবে কক্সবাজারে তিনজন নিহত হয়েছে বলে স্থানীয় কাউন্সিলর জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাতটার পর মহেশখালী-কুতুবদিয়ার উপকূল দিয়ে স্থলভাগে উঠে আসতে শুরু করে ঘূর্ণিঝড়টি। এসময় প্রবল গতিতে ঝাড়ো হাওয়াসহ ভারী বর্ষণ শুরু হয়। যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পেতে থাকে।

উপকূল অতিক্রমকালে কক্সবাজারে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে উড়ে গেছে গাছপালা ও বিধ্বস্ত হয়েছে কাঁচা ও আধা কাঁচা ঘরবাড়ি।

কক্সবাজার শহরে দেয়াল ধসে একজন ও মহেশখালী এবং চকরিয়ায় গাছচাপায় দুই জন নিহত হয়েছে। চকরিয়া উপজেলার বদরখালীতে মারা গিয়েছেন আরও একজন।

টানা দুই ঘণ্টা পর দুর্বল হয়ে যায় ‘হামুন’। রাত সাড়ে ১২টায় কক্সবাজার উপকূল অতিক্রম করে স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয় ঘূর্ণিঝড়টি। মাঝরাতেও থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছিল।

ইত্তেফাক

প্রস্তাবিত আনসার আইন নিয়ে ইত্তেফাকের প্রথম পাতার খবর, ‘প্রস্তাবিত আনসার আইন নিয়ে পুলিশে ক্ষোভ, বাতিলের দাবি পুলিশের দুই অ্যাসোসিয়েশনের’

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, অপরাধীকে আটক, দেহ তল্লাশি ও মালামাল জব্দের ক্ষমতা দিয়ে সংসদে উত্থাপিত প্রস্তাবিত আনসার ব্যাটালিয়ন আইন নিয়ে পুলিশ বাহিনীতে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে মাঠ পর্যায়ের পুলিশের মধ্যে বেশি ক্ষোভ বিরাজ করছে।

২০০৮ সালেও একই চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে তখন পুলিশের তীব্র আপত্তিতে তা স্থগিত করা হয়। এবারও তা বাতিলের দাবি জানিয়েছে পুলিশ সার্ভিস এসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ পুলিশ এসোসিয়েশন।

পুলিশ সার্ভিস এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আনসার ব্যাটালিয়ন আইন, ১৯৯৫ এর ধারা-৮(২) অনুযায়ী আনসার ব্যাটালিয়ন একটি সহায়ক বাহিনী।

আটক, তল্লাশি, জব্দ ও জব্দ তালিকা প্রস্তুত করার বিষয়টি অপরাধ দমন ও উদঘাটনের ধারাবাহিক কার্যক্রম; যা ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী পরিচালিত হয়। এই কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পুলিশই ক্ষমতাপ্রাপ্ত।

এক্ষেত্রে আনসার ব্যাটালিয়নকে ঐ সকল কার্যক্রমের কর্তৃত্ব প্রদান করা হলে আইনি জটিলতা সৃষ্টি হবে।

কোনো আইন প্রয়োগের জন্য একাধিক বাহিনীকে দায়িত্ব প্রদান করা হলে আইনটি প্রয়োগকালে পারস্পরিক ভুল বোঝাবুঝি ও দায়বদ্ধতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে মতভেদসহ নানাবিধ সমস্যাসহ আন্তঃবাহিনী বিরোধ সৃষ্টি হতে পারে।

ফিলিস্তিন ইসরায়েল সংঘাত নিয়ে যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর, ‘২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল সাত শতাধিক ফিলিস্তিনির’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গাজায় ইসরাইলের বিমান হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় সাত শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে হামলার ১৮তম দিন মঙ্গলবার পর্যন্ত ৫ হাজার ৭৯১ জনের প্রাণ গেছে। আহত হয়েছেন ১৬ হাজারের বেশি মানুষ।

রাতে হামলা হয় গাজার উত্তরাঞ্চলের আল-শাতি ও জাবালিয়ার আল-বালাদ শরণার্থীশিবিরে। এছাড়া গাজার মধ্যাঞ্চলের আল-বুরেইজ ও দক্ষিণাঞ্চলের রাফাহ ও খান ইউনুস এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটেছে।

এসব এলাকায় কবর দেওয়ারও জায়গা নেই। অতিরিক্ত কবর খুঁড়ে দাফন করা হচ্ছে লাশ।

গাজা উপত্যকায় ৪০০টির বেশি স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। এর মধ্যে মসজিদও রয়েছে। ইসরায়েলের ধারণা হামাসের সদস্যরা মসজিদে বসে বৈঠক করে।

সাতই অক্টোবর ইসরাইলে হামলা চালায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। ওইদিনই পালটা আক্রমণ শুরু করে ইসরাইল। এরপর থেকে নির্বিচার হামলা চলছে। অবরুদ্ধ রয়েছে গাজা উপত্যকা।

অন্যদিকে ইসরাইল জানিয়েছে, হামাসের হামলা ও তাদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় তাদের দেশে নিহত মানুষের সংখ্যা এক হাজার ৪০০ ছাড়িয়েছে, আহত হয়েছেন চার হাজারের বেশি। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ৩৬৩ সেনা ও পুলিশ সদস্য রয়েছেন।