'অস্তিত্ব মেলেনি পুতুলের সূচনা ফাউন্ডেশনের'

অস্তিত্ব মেলেনি পুতুলের সূচনা ফাউন্ডেশনের— যুগান্তর পত্রিকার দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম। এই খবরটি আজ দেশের অন্যান্য পত্রিকায়ও এসেছে।
এতে বলা হয়েছে, গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতা ছেড়ে পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের সূচনা ফাউন্ডেশনের অফিসের ঠিকানায় অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
অভিযানকালে দুদক কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানটির অস্তিত্ব খুঁজে পাননি।
পরে সূচনা ফাউন্ডেশনের কর মওকুফসহ বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মের নথি সংগ্রহ করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) অভিযান পরিচালনা করে সংস্থাটির এনফোর্সমেন্ট টিম।
জানা যায়, 'সূচনা ফাউন্ডেশন' নামের একটি প্রতিষ্ঠান খুলে বিভিন্ন সামাজিক ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান থেকে জোরপূর্বক উপঢৌকন আদায় করা হয়েছে।
এছাড়া স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য বিভাগের আওতায় 'অটিস্টিক সেল' ব্যবহার করে ভুয়া প্রকল্পে রাষ্ট্রের বিপুল অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।
দুদক কর্মকর্তারা বলছেন, এনবিআরের ওপর অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে ফাউন্ডেশনের নামে আনা অর্থ করমুক্ত করা এবং মানুষকে জোর করে চাঁদা দিতে বাধ্য করেন পুতুল।

যৌক্তিক-অযৌক্তিক সব দাবিতেই রাজপথ গরম— সমকালের প্রধান শিরোনাম।
এতে বলা হয়েছে, যৌক্তিক কিংবা অযৌক্তিক– যেটাই হোক, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দাবি হাসিলের 'মোক্ষম জায়গা' হয়ে উঠেছে রাজপথ। হুটহাট সড়ক-মহাসড়কে নেমে বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে যান চলাচল।
ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে বসে থাকার শঙ্কা নিয়েই ঘর থেকে বের হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। আন্দোলনের সামনে পড়লেই সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সীমাহীন বিপত্তির পাশাপাশি দিনের পরিকল্পনায় লেগে যাচ্ছে ভজকট।
পরিস্থিতি এতটাই বেগতিক, নির্দিষ্ট গন্তব্যের গাড়ি রাস্তায় চলছে কিনা, তা নগরবাসীকে ৯৯৯-এ ফোন করে জেনে নেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, শুধু জানুয়ারিতেই নানা দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ ১১ বার অবরোধের মুখে পড়েছে।
এ ছাড়া গত ২৮ দিনে শুধু ঢাকাতেই দাবি আদায়ে সড়ক অবরোধ, বিক্ষোভের মতো উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটেছে ১৬টি।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
বাজেটে করের চাপ কমানো হবে— দৈনিক প্রথম আলো'র প্রধান শিরোনাম এটি। এতে বলা হয়েছে, আগামী বাজেটে করের চাপ কমানো হবে বলে ব্যবসায়ীদের আশ্বাস দিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান।
তিনি বলেছেন, আগামী বাজেটে শুল্ক-কর যৌক্তিক করে ব্যবসাবান্ধব করা হবে। কর দেওয়ার ব্যবস্থাও সহজ করা হবে।
গতকাল বুধবার প্রথম আলো আয়োজিত 'ডিজিটাল লেনদেনের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা: প্রেক্ষিত ভ্যাট বৃদ্ধি' শীর্ষক এক আলোচনা সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুরও করব্যবস্থাকে সহজ করার কথা উল্লেখ করেছেন।
তিনি বলেছেন, পণ্য আমদানি, উৎপাদন ও বিক্রি পর্যন্ত ১০ শতাংশের বেশি ভ্যাট থাকা উচিত নয়, যা বর্তমানে ১৫ শতাংশ।
সেখানে উপস্থিত ব্যবসায়ীরা সম্প্রতি ভ্যাট বাড়ানোর ফলে পোশাক, জুস, বিস্কুট, আকাশপথে টিকিটসহ বিভিন্ন খাতে যে প্রভাব পড়ছে, অনুষ্ঠানে তা তুলে ধরেন।
আবার পর্যটন বা ভ্রমণের টিকিটের কমিশনের ওপর অযৌক্তিক হারে উৎসে কর কেটে রাখার কথাও বলা হয়।
এ ছাড়া ক্রেডিট কার্ড নিতে আয়কর রিটার্নের প্রমাণপত্র দাখিলের বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়ার দাবি জানান তারা। ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা জোরদার করার পক্ষে মত দেওয়া হয়।

ACC seeks info on public servants with dual citizenship— দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।
এতে বলা হয়েছে, যেসব সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারী, বিচারক ও আদালতের কর্মচারী এবং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি চাকরির নিয়ম লঙ্ঘন করে দ্বৈত নাগরিকত্ব ধারণ করেছেন, তাদের সম্পর্কে তথ্য খুঁজছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সশস্ত্র বাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সম্পর্কেও একই তথ্য চেয়েছে দুদক।
গত ১২ই জানুয়ারি এক চিঠিতে সকল মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও সচিবদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সরকারী, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সেইসব অন্য দেশের নাগরিকত্ব ধারণকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে সংস্থাটি।
২০১৮ সালের সরকারি চাকরি আইন, ধারা ৪০ (১) অনুযায়ী, বাংলাদেশের কোনও সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী অন্য দেশের নাগরিক হতে পারবেন না।
যদি কোনও সরকারি কর্মচারী এই নিয়ম লঙ্ঘন করেন, তবে সরকার তাকে যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা প্রদানের সুযোগ দিয়ে চাকরিচ্যুত করতে পারে। এই ধরনের ক্ষেত্রে বিভাগীয় তদন্তের প্রয়োজন হয় না।
মূলত, কিছু উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িত ও তাদের দ্বৈত নাগরিকত্ব রয়েছে, এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুদক এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়: ৭ কলেজের জন্য একটি নাকি তিতুমীরের জন্য আলাদা— সংবাদ পত্রিকার দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম। এতে বলা হয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধিভুক্তি বাতিলের পর ঢাকার ৭ সরকারি কলেজ পরিচালনায় সমাধান খুঁজে পাচ্ছে না শিক্ষা প্রশাসন।
সাত কলেজ পরিচালনায় 'স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয়' প্রতিষ্ঠার কথা বলছেন শিক্ষার্থী ও শিক্ষা উপদেষ্টা। কিন্তু এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মডেল বা কাঠামো কেমন হবে সেই বিষয়ে তেমন কিছুই জানেন না কলেজগুলোর অধ্যক্ষ এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) শীর্ষ কর্মকর্তারা।
গণঅভ্যুত্থানের পর গত বছর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর সাত কলেজ নিয়ে আলাদা স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন শুরু করে শিক্ষার্থীরা।
তাদের দাবির প্রেক্ষিতে গত ডিসেম্বরে সাত কলেজের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সমকক্ষ একটি স্বতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর রূপরেখা প্রণয়নে চার সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি করা হয়।
এই অবস্থায় 'সাত কলেজের' সঙ্গে না থেকে আলাদা বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবিতে সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা গতকাল ফের কর্মসূচি পালন করেছেন।
এ দাবিতে তারা 'শাটডাউন তিতুমীর' কর্মসূচি শুরু পালন করেছেন। দাবি না মানলে শিক্ষার্থীরা আজ থেকে রাজধানীর মহাখালীতে সড়ক ও রেলপথ অবরোধের ঘোষণা দিয়েছেন।

Service sector unit growth higher than manufacturing— ইংরেজি দৈনিক নিউজ এজের প্রধান শিরোনাম এটি।
এতে বলা হয়েছে, দেশের সেবা খাতভিত্তিক ইউনিটগুলো গত এক দশকে উৎপাদন খাতের ইউনিটগুলোর তুলনায় বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে, যা একই সঙ্গে কর্মক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ কমে যাওয়ার ইঙ্গিত দেয়।
গত দশকের পরিসংখ্যানে ইউনিটগুলোতে সামগ্রিকভাবে গ্রামীণ এলাকার আধিপত্য ছিল।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০২৪ সালের অর্থনৈতিক শুমারির প্রাথমিক ফলাফলের প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
এর আগের শুমারি হয়েছিলো ২০১৩ সালে।

বিপুল বকেয়া সিস্টেম লস চুরি আড়াল করে বারবার দাম বৃদ্ধির উদ্যোগ— বণিক বার্তা'র প্রধান শিরোনাম এটি। এখানে বলা হয়েছে, দেশে গ্যাস খাতের কোম্পানিগুলোর বিপুল পরিমাণ পাওনা অর্থ গ্রাহকের কাছে আটকে রয়েছে।
পেট্রোবাংলার সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হালনাগাদকৃত তথ্য অনুযায়ী, এর পরিমাণ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বেশি।
এ বকেয়ার সঙ্গে কোম্পানিগুলোর আর্থিক চাপকে আরও বাড়িয়ে তুলছে গ্যাসের সিস্টেম লস ও চুরি। এর মধ্যেই রাজস্ব আয়ের বড় একটি অংশ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে হচ্ছে কোম্পানিগুলোকে।
একই সঙ্গে এলএনজির ওপর নির্ভরতাও বাড়ছে।
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রকট হয়ে ওঠা গ্যাস খাতের এ অদক্ষতা বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেও একই ধারায় রয়েছে।
আর চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়ে এর খেসারত দিতে হচ্ছে ভোক্তাকে।
কিন্তু উৎপাদন থেকে বিক্রি পর্যন্ত নানা পর্যায়ের এমন লোকসান-অসংগতি আর অপচয়কে এড়িয়ে আবারও গ্যাসের মূল্য বাড়ানোর চেষ্টা করছে বিতরণ কোম্পানিগুলো।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, এভাবে বারবার গ্যাসের দাম বাড়ানোর চেষ্টা দেশের অর্থনীতিকে আরো বিপদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। আর খাতটির অদক্ষতা ও অনিয়ম দেশের জ্বালানি ব্যবস্থাপনাকে আরো জটিল করে তুলেছে।

ভ্যাট গায়েবে ঘুষ-দুর্নীতির পোয়াবারো— কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম। এতে বলা হয়েছে, ব্যবসায়ী-কর্মকর্তার যোগসাজশ, ঘুষ, অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে রাজস্ব আয়ের সবচেয়ে বড় খাত মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাটের বেশির ভাগ আদায় হয় না।
কেন্দ্র থেকে প্রান্ত, ছোট থেকে বড়—প্রায় সব প্রতিষ্ঠানই কমবেশি ভ্যাট ফাঁকি দিয়ে থাকে এবং এটি একটি 'ওপেন সিক্রেট'।
বিভিন্ন সময়ে ভ্যাট শাখা, বেসরকারি সংস্থা টিআইবিসহ অনেক প্রতিষ্ঠানই বিচ্ছিন্নভাবে এই ভ্যাট নিয়ে জরিপ ও গবেষণা করেছে।
এসব জরিপের তথ্য বলছে, কমবেশি ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশ প্রতিষ্ঠানই ভ্যাট দেয় না।
ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের আওতায় সাড়ে তিন কোটি ব্যবসায়ী তালিকাভুক্ত রয়েছে। অথচ সরকারের খাতায় ভ্যাটের জন্য নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান মাত্র সাড়ে পাঁচ লাখ।
মূলত, ডিজিটাইজেশনের অভাবে ভ্যাট ফাঁকির অবারিত সুযোগ থেকে যাচ্ছে।
এমন বাস্তবতায় ভ্যাট কর্তৃপক্ষ তাদের ভ্যাটের আওতায় না এনে বছরের পর বছর ভ্যাটের হার বাড়িয়ে চলছে।
সম্প্রতি অর্থবছরের মাঝামাঝিতে এসে সরলার এমনভাবে ভ্যাট বাড়িয়েছে যে তাতে সব মহল থেকে সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে, বলা হয়েছে এই প্রতিবেদনে।

হাসিনার আমলে পাচার ২৩৪ বিলিয়ন ডলার— নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।
এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১৬ বছরের দীর্ঘ শাসনামলে পাচার করা প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন ডলার ফিরিয়ে আনার জন্য 'সম্পদ শনাক্তকরণ' কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশকে সহায়তা করার জন্য ওপেন সোসাইটি ফাউন্ডেশনের সহায়তা চেয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
গতকাল বুধবার প্রধান উপদেষ্টার সাথে ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অ্যালেক্স সোরোস এবং প্রেসিডেন্ট বিনাইফার নওরোজির নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎকালে তিনি এ সহায়তা চান।
বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনর্গঠন, পাচার করা সম্পদ সন্ধান, ভুল তথ্যের বিরুদ্ধে লড়াই এবং গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সংস্কার বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা নিয়ে তারা আলোচনা করেন।
এছাড়া, তারা জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান, আন্দোলনে হতাহতদের জন্য ন্যায়বিচার, অর্থনৈতিক সংস্কার, গণমাধ্যম, পাচার হওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধার, নতুন সাইবার নিরাপত্তা আইন ও এটিকে উন্নত করার উপায় এবং রোহিঙ্গা সঙ্কটের মতো বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করেছেন।

তিন ভোটের কর্মকর্তাদের বিষয়ে অনুসন্ধানে দুদক— এটি আজকের পত্রিকা'র প্রধান শিরোনাম। এতে বলা হয়েছে, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনুষ্ঠিত তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টদের আর্থিক দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগ অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
শুরুতে ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে 'দিনের ভোট রাতে' করার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। দুদকের এই অনুসন্ধানের আওতায় রয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি), প্রশাসন, পুলিশ, র্যাবের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সবাই।
দুদকের সূত্র বলেছে, ২০১৮ সালের নির্বাচনের পাশাপাশি ২০১৪ ও ২০২৪ সালের কারচুপির নির্বাচনের সঙ্গে জড়িতদের একটি খসড়া তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। দুই শতাধিক কর্মকর্তার এই তালিকায় রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আলোচিত জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপারদের (এসপি) নাম রয়েছে।
বিতর্কিত ওই তিন নির্বাচনে কারচুপিতে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনাসহ দলটির জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাদেরও নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগ রয়েছে।









