'শেখ মুজিবের ছবিসংবলিত নোট নিয়ে বিড়ম্বনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক'

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রমজান ও ঈদকে ঘিরে বাজারে নগদ টাকার চাহিদা বৃদ্ধি পায়। নতুন নোট ছেড়ে সে চাহিদা মেটায় বাংলাদেশ ব্যাংক।

এবার শেখ মুজিবুর রহমানের ছবিসংবলিত নতুন নোট বাজারে ছাড়া নিয়ে বিড়ম্বনার মুখে পড়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

প্রথমে বলা হয়েছিল, ঈদ উপলক্ষ্যে পুরনো ডিজাইনের নতুন নোটই বাজারে ছাড়া হবে। যদিও পরে সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে জানানো হয়, ব্যাংকের শাখায় থাকা নতুন নোটও বাজারে ছাড়া যাবে না।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ দ্বিধাদ্বন্দ্বের জেরে তৈরি হয়েছে নগদ টাকার সংকট। দেশের অনেক জেলায় ব্যাংকগুলো চাহিদা অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক ও সোনালী ব্যাংক থেকে নগদ টাকা পাচ্ছে না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তাই গতকাল রোববার সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে জরুরি প্রয়োজন মেটাতে অনেক ব্যাংক অন্য ব্যাংকের শাখা থেকে নগদ টাকা সংগ্রহ করে গ্রাহকদের প্রয়োজন মিটিয়েছে।

যদিও সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, বাজারে নগদ অর্থের কোনো সংকট নেই। নতুন নোট ছাড়াও বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতে পর্যাপ্ত পুরনো নোট রয়েছে। পুরনো নোটগুলোই চাহিদা অনুযায়ী বাজারে ছাড়া হচ্ছে।

কোনো জেলায় যদি সংকট তৈরিও হয়, সেটি ভুল বোঝাবুঝি থেকে সৃষ্টি হতে পারে।

বণিক বার্তা
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

রাখাইনে মানবিক করিডোর ইস্যুতে ধীরে চলবে ঢাকা— সমকালের দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম এটি।

মিয়ানমারের জান্তা বাহিনী রাখাইন দখলে রাখা আরাকান আর্মিকে কোণঠাসা করতে সব ধরনের সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ায় সেখানে চলতি মার্চ বা আগামী এপ্রিলে দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা করছে জাতিসংঘ।

তাই বাংলাদেশ হয়ে রাখাইনে বেসামরিক নাগরিকদের জন্য মানবিক সহায়তা পাঠাতে চায় সংস্থাটি। তবে ঝুঁকি বিবেচনায় অনুমতি দিতে ধীরে চলো নীতি অনুসরণ করছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ সফরে এসে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস রাখাইনে দুর্ভিক্ষ মোকাবিলা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে এর প্রভাব নিয়ে গত শনিবার যৌথ ব্রিফিংয়ে বলেন, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনকে সফল করতে মিয়ানমারে মানবিক সহায়তা পাঠিয়ে সহায়ক পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

এ কারণে পরিস্থিতি অনুকূল হলে বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে মানবিক সহায়তা পাঠানোর সম্ভাব্যতা নিয়ে আলোচনা করেছি। তবে অবশ্যই এ বিষয়ে মিয়ানমারে সংঘাতে জড়িত পক্ষগুলোর অনুমোদন ও সহযোগিতা প্রয়োজন।

বিষয়টি নিয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন জানান, বিষয়টি অপারেশনাল, যা জাতিসংঘের স্থানীয় অফিসের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

জাতিসংঘ বলছে, রাখাইনে মানবিক সহায়তা না পাঠালে সেখানে থাকা বাকি জনগোষ্ঠীর খাদ্য অনুসসন্ধানে প্রতিবেশী দেশে অনুপ্রবেশের শঙ্কা রয়েছে।

করিডোরটিকে মানবিক ক্ষেত্রে ত্রাণ পাঠানোর জন্য চিহ্নিত করা হলেও এটি বাংলাদেশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

যেখানে আরাকান আর্মিকে কোণঠাসা করতে সব সরবরাহ আটকে দিয়েছে জান্তা সরকার; সেখানে বাংলাদেশ হয়ে যে ত্রাণ যাবে, তা বেসামরিক নাগরিকদের কাছে পৌঁছাবে, নাকি আরাকান আর্মি সেগুলো দখলে নেবে তার নিশ্চয়তা ঢাকার কাছে নেই।

সমকাল

আবরার হত্যা মামলায় ছাত্রলীগের সাবেক ২০ নেতার মৃত্যুদণ্ড বহাল। এটি ইংরেজি দৈনিক নিউএইজ এর প্রধান শিরোনাম।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় বিচারিক আদালতের দেওয়া ২০ আসামির মৃত্যুদণ্ড ও পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত খবর দেশের সংবাদপত্রগুলো গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছে আজ।

হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের বেঞ্চ ডেথ রেফারেন্স অনুমোদন ও আসামিদের করা আপিল খারিজ করে গতকাল রোববার এই রায় দেন।

দণ্ডাদেশ বহাল থাকা আসামিরা সবাই 'নিষিদ্ধঘোষিত' ছাত্রলীগের বুয়েট শাখার নেতাকর্মী।

আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর আসামিরা বুয়েটের শেরে-ই-বাংলা হলে আবরার ফাহাদকে নির্মম নির্যাতন করে হত্যা করে। হলটিতেই থাকতেন আবরার ফাহাদ।

সে সময় ভারতের সাথে আওয়ামী লীগ সরকারের চুক্তি নিয়ে ফেসবুকে আবরার ফাহাদের সমালোচনা এবং ছাত্র শিবিরের সাথে সম্পৃক্ততার সন্দেহে তাকে নির্মম নির্যাতন করা হয়। যদিও বুয়েটের এই শিক্ষার্থী বারবার শিবিরের সাথে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছিলেন।

এই মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ২০ আসামির মধ্যে চারজন পলাতক। যার মধ্যে একজন পাঁচ অগাস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে পালিয়ে যায়।

নিউ এজ

চালে অস্বস্তি, অন্য পণ্যে স্বস্তি— কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম এটি।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে কিছুটা লাগাম টানা গেছে গত মাসে। টমেটো, আলু, পেঁয়াজ, শাক-সবজিসহ বেশিরভাগ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নাগালের মধ্যে রয়েছে।

এই আত্মতৃপ্তির মধ্যে কেবল নীরবে উত্তাপ ছড়াচ্ছে চালের দাম।

বিশেষ করে 'মিনিকেট' (চিকন চাল) হিসেবে পরিচিত চালের দাম এক লাফে কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। তাতে অত্যাবশ্যক এই নিত্যপণ্যের দামের এ নৈরাজ্য নতুন করে মূল্যস্ফীতি উসকে দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করছে।

মিনিকেটের পাশাপাশি মোটা চালের দামও কেজিতে নতুন করে এক-দুই টাকা পর্যন্ত বাড়িয়ে দিয়েছেন বিক্রেতারা।

তারা বলছেন, গত দুই সপ্তাহেই মিল পর্যায়ে মিনিকেট চালের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। এর প্রভাবে খুচরা ও পাইকারিতে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

চালকল মালিকদের দাবি, বাজারে মিনিকেট চালের ধানের সংকটের কারণে বাড়তি দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে। উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ার কারণে চালের দাম বেড়েছে।

কালের কণ্ঠ

সংস্কার ও ভোট প্রশ্নে ছাড় দিচ্ছে না কেউ— আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।

এ খবরে বলা হচ্ছে, দেশের সংবিধান-রাজনীতিসহ গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে সংস্কারের লক্ষ্যে গঠিত কমিশনগুলোর কয়েকটি ইতোমধ্যে অনেকগুলো প্রস্তাব দিয়েছে। কিন্তু অনেক বিষয়ে প্রধান দলগুলোর অবস্থানে বেশ ফারাক লক্ষ করা যাচ্ছে।

সরকারের দিক থেকে ঐকমত্য কমিশন করে আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে এই মতৈক্য ঘোচানোর চেষ্টা চলছে। তারপরও অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, দলগুলো নিজেদের অবস্থান থেকে সরতে নারাজ।

দেশের অন্যতম বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপি শুরু থেকেই বলে আসছে, সংস্কার নিয়ে তাদের আপত্তি নেই। সংস্কার অবশ্যই দরকার। তবে দেশকে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ফেরাতে ন্যূনতম যে সংস্কার দরকার, তা করে দ্রুত সময়ের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন চায় দলটি।

বিএনপির এই মতের সঙ্গে মিল নেই তাদের একসময়ের মিত্র জামায়াতে ইসলামীর। প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা বলছে দলটি।

এমনকি জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচন চেয়েছেন জামায়াতের নেতারা। দলটির এই দাবির প্রকাশ্য বিরোধিতা করেছেন বিএনপির নেতারা।

অন্য দিকে, সরকার পতনের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রদের গঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বরাবরই সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তারা এ অবস্থানে অনড় থেকে জাতীয় নির্বাচনের আগে সংস্কারপ্রক্রিয়া শেষ করার পক্ষে মত দিয়ে যাচ্ছেন।

সর্বশেষ গত শনিবার জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর বৈঠকের আলোচনার মূল বিষয়বস্তুই ছিল সংস্কার। সেই আলোচনার পরেও সংস্কার প্রশ্নে নিজ নিজ অবস্থানে অনড় রয়েছে দলগুলো।

আজকের পত্রিকা

ঈদের পর ফের উত্তপ্ত হবে রাজনীতির মাঠ— দেশ রূপান্তরের প্রধান খবর এটি।

এতে বলা হয়েছে, সংস্কার শেষ করে দ্রুত নির্বাচন চায় বিএনপি। জামায়াত প্রয়োজনীয় সংস্কারের পর নির্বাচন আর এনসিপি চায় গণপরিষদ নির্বাচন।

এ নিয়ে মাঠের কর্মসূচিতে রাজনীতির অঙ্গন উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে ঈদের পরে।

নির্বাচন ইস্যুতে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। ঈদের পর দলটি তৃণমূলে রাজনৈতিক কর্মসূচি বাড়াবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও রাজনৈতিক দলের সূত্রগুলো বলছে, ঈদের পর রাজনীতির মাঠে মুখোমুখি হবে দলগুলো। এর মধ্যে সংস্কার ইস্যুতে বিএনপি ও তাদের সমমনা দলগুলোর সঙ্গে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির বিরোধপূর্ণ কর্মসূচি থাকতে পারে।

এসব দলের মাঠে চ্যালেঞ্জও রয়েছে। বিএনপির ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হলো,

অভ্যন্তরীণ কোন্দল সামাল দিয়ে দুর্বল সাংগঠনিক কাঠামোকে সবল করা।

জামায়াতও তৃণমূলে নিজেদের পুনর্গঠিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তারা বিএনপির দুর্বলতাগুলো কাজে লাগিয়ে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানো ও নতুন ভোটার আকৃষ্ট করার চেষ্টা করবে।

এনসিপি নতুন হলেও এরই মধ্যে তারা তৃণমূলে কমিটি করেছে। দলটি মূলত জাতীয়তাবাদী ও রক্ষণশীল রাজনৈতিক দর্শনের ওপর ভিত্তি করে সংগঠন বিস্তার করছে।

তরুণ ও নতুন ভোটারদের পাশাপাশি বিএনপি-জামায়াতের ওপর ক্ষুব্ধদের দলে টানা ও সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করার লক্ষ্য এনসিপির।

দেশ রূপান্তর

ডিসি হতে কর্মকর্তাদের আগ্রহ হঠাৎ কমেছে— প্রথম আলোর দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম এটি।

এতে বলা হচ্ছে, বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের মধ্যে জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদে নিয়োগ পেতে আগে যেখানে ব্যাপক আগ্রহ থাকত, তদবিরও হতো, সেখানে এখন ডাক পেয়েও সাক্ষাৎকার দিতে যাচ্ছেন না প্রায় অর্ধেক সংখ্যক কর্মকর্তা।

ডিসি নিয়োগে এখন পর্যন্ত দুইটি ব্যাচের ২৬৯ কর্মকর্তাকে সাক্ষাৎকারের জন্য ডেকেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। কিন্তু সাক্ষাৎকার দিতে গেছেন ১৩৬ জন।

অথচ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম দিকেও ডিসি হতে বেশ কিছু কর্মকর্তা বিক্ষোভ ও হট্টগোল করেছিলেন। কিন্তু সেই পদে আসতে কর্মকর্তাদের আগ্রহে এখন ভাটা কেন?

কারণ জানতে সাক্ষাৎকারে ডাক পাওয়া অন্তত ১০ কর্মকর্তা গণমাধ্যমটির কাছে মোটাদাগে পাঁচটি কারণ তুলে ধরেছেন।

প্রথমত, বিগত তিন বিতর্কিত নির্বাচনের সময়ে ডিসি পদে দায়িত্ব পালন করা কর্মকর্তারা এখন জবাবদিহির মুখে পড়ছেন। এখন ডিসি হলে আগামী নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করতে হতে পারে। কোনো না কোনো সময় তাদের সমস্যায় পড়তে হতে পারে।

দ্বিতীয়ত, মাঠ প্রশাসনের পরিস্থিতিকে এখন ডিসি পদে দায়িত্ব পালনের উপযোগী মনে করছেন না অনেকে।

তৃতীয়ত, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে ডিসি পদে দায়িত্ব পালনকারীদের পরবর্তী রাজনৈতিক সরকার কী চোখে দেখবে, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে কারও কারও।

চতুর্থত, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ভালো পদে দায়িত্ব পালন করা কর্মকর্তারা নিজে থেকেই সাক্ষাৎকার দিতে যাওয়া থেকে বিরত থাকছেন। তারা মনে করছেন, তাদের ডিসি নিয়োগ করা হবে না।

পঞ্চমত, এখন অনিয়ম-দুর্নীতির সামান্য অভিযোগ উঠলে সরকারের শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখে পড়তে হবে। ঝুঁকি নিয়ে ডিসি পদে গেলেও ক্ষমতার চর্চা করা কঠিন হবে।

প্রথম আলো

মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম— ঈদ ঘিরে যত শঙ্কা

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এবার ভিন্ন এক অবস্থায় ঈদ আয়োজন হবে। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশ পরিচালনায় অন্তর্বর্তী সরকার। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে সরকার।

এর মধ্যে দুই সপ্তাহ পর ঈদ আসছে। এ উপলক্ষ্যে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে কমবেশি টাকা থাকে। আর এই সুযোগটা কাজে লাগায় অপরাধীরা।

তাই পেশাদার অপরাধী থেকে শুরু করে মৌসুমী অপরাধীরাও তৎপরতা শুরু করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে। চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারী, মাদক ব্যবসায়ী, অজ্ঞানপার্টি, জাল টাকার কারবারি থেকে শুরু করে চোর, ডাকাত, সাইবার অপরাধী সবাই তৎপর।

এখন ঈদে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রেখে নির্বিঘ্নে নাগরিকদের ঈদ উদযাযাপনের সুযোগ করে দেওয়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য বড় এক চ্যালেঞ্জ।

মানবজমিন

রেকর্ড সংখ্যক ৫১৭ সরকারি কর্মকর্তা এখন ওএসডি, দায়িত্ব পালন ছাড়াই বেতন পাচ্ছেন কোটি কোটি টাকা। এ নিয়ে আজ প্রধান সংবাদ করেছে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর এখন পর্যন্ত রেকর্ড সংখ্যক ৫১৭ সরকারি কমকর্তা বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে রয়েছেন। যার মধ্যে ১২১ জন প্রশাসন ক্যাডারের।

প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, এ যাবৎকালে এখন প্রশাসনের সবচেয়ে বেশি কর্মকর্তা ওএসডিতে রয়েছেন।

এত বড় সংখ্যক কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন থেকে অব্যাহত থাকা অবস্থায়ও বেতন-ভাতা দিয়ে আসতে হচ্ছে, বিপরীতে সরকারি তহবিলের ওপর চাপ পড়ছে।

মূলত, পাঁচ অগাস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অনেক সরকারি কর্মকর্তাকে বদলি, ওএসডি, বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়। প্রশাসনের কর্মরত অবস্থায় আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকায় তাদের ক্ষেত্রে এ সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

যদিও ওএসডি হওয়া কোনো কোনো কর্মকর্তা তা মানতে নারাজ। তাদের ভাষ্য, কোনো পদের জন্য তদবির না করে দায়িত্ব পালন করেছেন। একজন সরকারি কর্মচারী ক্ষমতাসীন সরকারের অধীনে কাজ করেন, এতে ব্যক্তিগত পছন্দ খুব কমই থাকে।

সাবেক সচিব আবু আলম মো. শহীদ খান বলেছেন, ওএসডি পদ্ধতি মূলত জনগণের অর্থের অপচয় করার একটি ডাম্পিং মেকানিজম।

এক্ষেত্রে তার পরামর্শ হচ্ছে, কোনও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে তদন্ত বা বিচার করা যেতে পারে। তবে কাউকে ওএসডি স্ট্যাটাসে রেখে দিলে কোনো সমাধান হয় না।

তিনি আরও বলেন, একইভাবে কারও যদি নির্দিষ্ট দক্ষতার অভাব থাকে, তাদের এমন কাজগুলো দেওয়া উচিত, যা তারা কার্যকরভাবে সম্পন্ন করতে পারে। তবে ওএসডি কোনো উত্তর নয়।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড