'ভারত বিরোধী কঠোর অবস্থান থেকে সরতে চায় বিএনপি'

ভারতবিরোধী কঠোর অবস্থান থেকে সরতে চায় বিএনপি – দৈনিক সমকালের অন্যতম শিরোনাম এটি। এতে বলা হচ্ছে নেতাকর্মীর হতাশা, ক্ষোভ প্রশমিত করে আবারও রাজপথের আন্দোলনে ফিরতে চায় বিএনপিসহ সমমনা রাজনৈতিক দল ও জোট। এ জন্য দফায় দফায় বৈঠক করছেন জোট নেতারা। এতে বিগত আন্দোলন নিয়ে মূল্যায়নের পাশাপাশি নতুন কর্মসূচির রোডম্যাপ নিয়ে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। পরবর্তী আন্দোলন মধ্যবর্তী নির্বাচনের জন্য, নাকি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে করা হবে, সে বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা করছে দল ও জোটগুলো।
বিএনপি নেতারা জানান, দলের হাইকমান্ড আবারও রাজপথের আন্দোলনে ফিরতে চান। এ জন্য আবার আটঘাট বেঁধে মাঠে নামার প্রস্তুতিও শুরু করেছেন। সেজন্য একদিকে কৌশলগত কারণে ভারতবিরোধী ‘কঠোর অবস্থান’ থেকে সরে এসে মধ্যপন্থা অবলম্বনের ইঙ্গিত রয়েছে। আবার অন্য দেশগুলোর সঙ্গেও কৌশলগত সম্পর্ক বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে আন্দোলন শুরু করার পরিকল্পনা থাকলেও একে ধীরে ধীরে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার সিদ্ধান্ত রয়েছে বলে বিএনপির বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা জানান।
বিএনপি কীসের অপেক্ষায় – দেশ রুপান্তর করেছে এমন শিরোনাম। তাদের খবরে বলা হচ্ছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এক দফা দাবির আন্দোলন শেষ পর্যন্ত নির্বাচন বর্জনের প্রচার অভিযানের মধ্য দিয়ে তখনকার মতো শেষ করেছিল বিএনপি। তাদের অনুসরণ করে সমমনা দলগুলোও। যদিও বিএনপি বলেছে, তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবে। কিন্তু নির্বাচনের পর কার্যত তেমন আন্দোলন কর্মসূচি দেখা যাচ্ছে না দলটির। এ কারণে প্রশ্ন উঠেছে, রাজপথে বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর কর্মসূচি নেই কেন। কীসের অপেক্ষায় রয়েছে দলটি।
এমন আলোচনার কারণ, নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলো সরকারের ওপর বেশ চাপ সৃষ্টি করেছিল। বিবৃতি, আলোচনা, ভিসানীতি ও শ্রমনীতি ঘোষণার মতো পদক্ষেপও নিয়েছে। তাদের এমন তৎপরতা বিএনপিকে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার পরিবেশ তৈরি করে দিয়েছিল। কিন্তু নির্বাচনের পর তাদের দিক থেকেও আর সেই চাপ নেই; বরং যুক্তরাষ্ট্র এখন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের কথা বলছে। গত বুধবার বাংলাদেশ সফর শেষ করে যাওয়ার সময় মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু সামনে তাকানোর কথা বলে সেই বার্তাই দিয়েছেন। লুর সফর নিয়ে বিএনপির হতাশা থাকলেও তা প্রকাশ না করে সম্পর্ক বজায় রাখার কথা বলেছে দলটি।
বিরোধী রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ! দৈনিক কালবেলার প্রধান শিরোনাম। সরকারবিরোধী যুগপৎ আন্দোলন আরও জোরদারের লক্ষ্যে বিভিন্ন শরিক দল ও জোটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে গত পাঁচ দিন ধারাবাহিক বৈঠক করেছে বিএনপি। বৈঠকে যুগপৎ আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি নির্ধারণের আলোচনাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা এসেছে।
তবে যুগপৎ আন্দোলনে এবার জামায়াতে ইসলামীকে সম্পৃক্ত করতে বিএনপির অধিকাংশ মিত্র দল ও জোটের শীর্ষ নেতারা জোর পরামর্শ দিয়েছেন। ডান-বাম ও অন্যান্য ইসলামী দল এবং জোটকেও আন্দোলনে যুক্ত করার বিষয়ে বৈঠকে মতামত উঠে আসে। যদিও দু-একটি দল জামায়াতের ব্যাপারে বিরোধিতা করেছে। এদিকে জামায়াতে ইসলামীও এক মঞ্চে আন্দোলন করার বিষয়ে আগ্রহী। গত রোববার ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে ধারাবাহিক বৈঠক শুরু করে বিএনপি।

বণিক বার্তার শিরোনাম – অবৈধ প্রায় ১১ হাজার বাংলাদেশীকে ফেরত পাঠাবে যুক্তরাজ্য।
বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
খবরে বলা হচ্ছে যুক্তরাজ্যে অবৈধভাবে আশ্রয় নেয়া বাংলাদেশীদের ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছে। আশ্রয়ের আবেদন খারিজ হওয়ায় এ চুক্তির আওতায় দ্রুতই তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হবে বলে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
গত বছরের মার্চ থেকে আগের ১২ মাসে যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদনকারী বাংলাদেশীদের মধ্যে মাত্র ৫ শতাংশের আবেদন মঞ্জুর করেছে দেশটির সরকার।
একই প্রসঙ্গে ডেইলি স্টারের শিরোনাম Failed Bangladeshi asylum seekers to be deported from UK – অর্থাৎ ব্যর্থ আশ্রয় প্রার্থীদের যুক্তরাজ্য থেকে ফেরত পাঠানো হবে। খবরে বলা হচ্ছে এ নিয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে একটা চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।
এই দুই দেশ প্রথমবারের মতো এক যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ বৈঠক করে লন্ডনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে ব্রিটিশ হোম অফিসে এবং ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে এক স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর বা এসওপি স্বাক্ষর করে। বৃটেনের পক্ষে দেশটির অবৈধ অভিবাসী বিষয়ক মন্ত্রী জেমস টমলিনসন-মাইনর্স কেসি এবং বাংলাদেশের হয়ে রাষ্ট্রদূত সাইদা মুনা তাসনিম বৃহস্পতিবার এই যৌথ বৈঠকের উদ্বোধন করেন এবং দুই দেশের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরে উপস্থিত থাকেন।
যুক্তরাজ্য ভিত্তিক গণমাধ্যম টেলিগ্রাফ বলছে গত বছর প্রায় ১১ হাজার বাংলাদেশী যুক্তরাজ্যে ভিসা নিয়ে ঢোকে শুধুমাত্র ১২ মাসের মধ্যে আশ্রয়ের আবেদন করতে যাতে তারা স্থায়ীভাবে থেকে যেতে পারেন।

US not lifting sanctions on RAB: State Dept – ইংরেজি দৈনিক দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের শিরোনাম এটি। এতে বলা হয় যুক্তরাষ্ট্র স্টেট ডিপার্টমেন্টের সহকারী মুখপাত্র ভেদান্ত প্যাটেল বলেছেন র্যাবের উপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হয়েছে বলে যে দাবি করা হয়েছে তা মিথ্যা। বৃহস্পতিবার স্টেট ডিপার্টমেন্টের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি বাংলাদেশ বিষয়ক এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।
ব্রিফিংয়ের সময় এক সাংবাদিক প্যাটেলকে প্রশ্ন করেন বাংলাদেশে ডোনাল্ড লু’র সফরে র্যাবের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হয়েছে কি-না। এই সাংবাদিক বলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বাণিজ্য উপদেষ্টা বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বলেন হোয়াইট হাউস ও স্টেট ডিপার্টমেন্ট র্যাবের উপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে কাজ করছে।
এর উত্তরে ভেদান্ত প্যাটেল বলেন, এরকম দাবি মিথ্যা। “যুক্তরাষ্ট্র র্যাবের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নিচ্ছে না।”
রিজার্ভ নিয়ে তিন হিসাব, চাপ বাড়ছে – মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম এটি। অর্থনীতির অন্যতম সূচক বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ একটানা কমেই চলেছে। রিজার্ভের পতন কোনোভাবেই ঠেকাতে পারছে না কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে উদ্বেগ এবং শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
আর এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) আওতাধীন দেশগুলোর আমদানি বিল পরিশোধ করায় রিজার্ভে বড় ধাক্কা লেগেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, ২০২১ সালের আগস্টে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৪৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি। আর বর্তমানে সেই রিজার্ভ কমে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৩৭৭ কোটি ডলারে (২৩.৭৭ বিলিয়ন)। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবপদ্ধতি বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভ এখন ১ হাজার ৮৩২ কোটি ডলার (১৮.৩২ বিলিয়ন)। তবে প্রকৃত বা ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ ১৩ বিলিয়ন ডলারের কিছুটা কম, যাতে পরিস্থিতি আরও সংকটময় হয়ে ওঠার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

৪ বিভাগে ৪৮ ঘন্টার হিট অ্যালার্ট জারি – নয়া দিগন্তের শিরোনাম। বলা হচ্ছে আবহাওয়া বিভাগ গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে ঢাকা বিভাগের পশ্চিমাঞ্চলসহ রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের জন্য সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত হিট অ্যালার্ট বা তাপ সতর্কবার্তা জারি করেছে। এ সময়ের জন্য এসব এলাকার জনসাধারণকে সতর্ক অবস্থায় থাকতে বলা হয়েছে।
বিভাগগুলোর মধ্যে খুলনা বিভাগের তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি। কিছুটা কমেছে রাজশাহী বিভাগের জেলাগুলোর উচ্চ তাপ। অপর দিকে ঢাকা ও রংপুর বিভাগের তাপমাত্রা আগের মতোই রয়েছে। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে কিছুটা বেশিও ছিল। সেই সাথে বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় অস্বস্তিও বেশ বেড়েছিল। এই গরমের মধ্যেও অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ ছিল না। শহরে বিশেষ করে রাজধানীতে বিদ্যুৎ থাকলেও গ্রামের দিকে বিদ্যুৎ থাকে না বললেই চলে।
Heatwaves, droughts threaten rice yields – অর্থাৎ হিটওয়েভ ও খরায় ফসল নষ্টের আশঙ্কা, ইংরেজি দৈনিক নিউ এজের শিরোনাম। বলা হচ্ছে তাপসহ্যকারী ধান ও খরায় হতে পারে কিন্তু জনপ্রিয় নয় এমন জাতের ফসল কম থাকায় বাংলাদেশকে চলমান খরা ও হিটওয়েভের মধ্যে ফসল উৎপাদন অব্যাহত রাখতে ব্যাপক চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়তে হচ্ছে।
রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বিগত বছরগুলোতে অন্তত ১১৫ জাতের ধান আবিষ্কার করেছে, কিন্তু এসবই নিয়মিত আবহাওয়ায় বাড়তি ফসল উৎপাদনের কথা মাথায় রেখে। এতে বাংলাদেশে ধানের উৎপাদনও বেড়েছে। কিছুক্ষেত্রে ধান রোপনের সময় ও ফসল চাষের সময় এগিয়ে এনে ভারসাম্য রাখা হয়েছে। কিন্তু কৃষিবিদা বলছেন, এসব সাময়িক পদক্ষেপ দীর্ঘস্থায়ী সমাধান দেবে না এবং একসময় অবধারিতভাবেই উৎপাদন কমে যাবে।
গরমে নিত্যপণ্যের দাম আরও বাড়লো – দৈনিক সংবাদের প্রধান শিরোনাম এটি। বলা হয় সাধারণত অন্যান্য বাজারের তুলনায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারে নিত্যপণ্যের দাম কিছুটা কমে বিক্রি হয়। গত সপ্তাহে এ বাজারে মুরগীর ডিমের ডজন ১৪৫ টাকা হলেও গতকাল ডজনে ৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়। একইভাবে কাঁচা মরিচ ও বিভিন্ন সবজির দাম মানভেদে ১০ টাকা থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন চলমান গরম অব্যাহত থাকলে সামনে দাম আরও বাড়বে।

মূল্যস্ফীতি ভোক্তার কাঁধে – যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভুল বা বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারণে মন্দায় আক্রান্ত ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধার কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে ডলারের দাম ও ঋণের সুদ অপরিকল্পিত এবং লাগামহীনভাবে বাড়ছে। উদ্যোক্তাদের খরচ বাড়ছে। কমছে টাকার মান। এতে আমদানি ব্যয় ও পণ্যের দাম বেড়ে যাচ্ছে। নিয়ন্ত্রণহীণ হয়ে পড়েছে মূল্যস্ফীতির হার।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভুল সিদ্ধান্তের সব দায় গিয়ে পড়ছে ভোক্তা ও উদ্যোক্তার ওপর। চড়া মূল্যস্ফীতির দণ্ডে দণ্ডিত হচ্ছে ভোক্তা। ভোক্তাকে মূল্যস্ফীতির আঘাত থেকে রক্ষা করা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দায়িত্ব হলেও সংস্থাটি গত দুই বছর ধরে নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েও সংস্থাটির শীর্ষ নির্বাহীরা ডলারের দাম ও মূল্যস্ফীতিকে বাগে আনতে পারছে না।
এভাবে আর কত প্রাণহানি! দৈনিক ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম এটি। নির্মাণাধীন ভবনের মাচা ভেঙে তিন শ্রমিকের মৃত্যু নিয়ে প্রতিবেদনটি। এতে বলা হয় বাংলাদেশে নির্মাণ শ্রমিকরা অনেক বেশি অবহেলিত। বড় বড় কিছু প্রতিষ্ঠান বাদ দিলে এসব শ্রমিকের নিরাপত্তার কথা কেউ ভাবে না। বাংলাদেশে নির্মাণ খাতে যত দুর্ঘটনা ঘটে, তার বেশিরভাগই অসাবধানতার কারণে ঘটে। রাজধানীর সবুজবাগে নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করার সময় শুক্রবার মাচা ভেঙে পড়ে তিন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অফ লেবার স্টাডিজের তথ্য মতে বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ এই পেশায় কাজ করছেন প্রায় ৩৭ লাখ শ্রমিক।

বেপরোয়া ২৩৭ ‘কিশোর গ্যাং’- প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম। সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভয়ংকর সব অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে ‘কিশোর গ্যাং’-এর সদস্যরা। ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, জমি দখল, নারীদের উত্ত্যক্ত করা—দেশের যেকোনো এলাকায় এখন এ ধরনের অপরাধ ঘটলে ‘কিশোর গ্যাং’-এর নাম আসছে। অথচ এক যুগ আগেও পাড়া-মহল্লাকেন্দ্রিক অপরাধের ঘটনায় নাম আসত কোনো না কোনো সন্ত্রাসী বাহিনীর। এখন সে জায়গা ‘দখল’ করেছে কথিত কিশোর গ্যাং। যদিও এসব বাহিনীর সদস্যদের বেশির ভাগই ১৮ বছরের বেশি বয়সী।
অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কাজ করা সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা গত এপ্রিল মাসে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কথিত কিশোর গ্যাংদের তৎপরতা নিয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, এখন সারা দেশে ২৩৭টির মতো ‘কিশোর গ্যাং’ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঢাকা শহরে, ১২৭টি। ঢাকার পর চট্টগ্রামে রয়েছে ৫৭টি।








