'চলছে শেষ সময়ের দেনদরবার'

পত্রিকা

আওয়ামী লীগের সাথে জাতীয় পার্টি ও শরিকদের আসন সমঝোতার বিষয়ে যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘চলছে শেষ সময়ের দেনদরবার’। এই প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির পাশাপাশি দীর্ঘদিনের শরিক ১৪ দলের সঙ্গে আসন সমঝোতার বিষয়টি সমঝোতায় সময় বাকি আছে মাত্র দুই দিন।

যা করার ১৭ ডিসেম্বরের আগেই করতে হবে। জাতীয় পার্টি, ১৪ দল এবং আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা ঐকমত্যে পৌঁছার চেষ্টায় দফায় দফায় বৈঠক করছেন।

দলগুলোর প্রার্থীরা কে কোন আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নেবেন, এর প্রাথমিক একটা খসড়াও প্রায় ঠিক হয়ে গেছে। ইতোমধ্যে শরিক চারটি দলের পাঁচ শীর্ষ নেতাকে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে। ছাড় দেওয়া আসনে দল মনোনীত কোনো প্রার্থী থাকবে না।

আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মাঠ থেকে সরিয়ে দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করা হবে-এমন আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। বাস্তবে এই চেষ্টা কতটা কার্যকর হয়, এ নিয়ে এখনো উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় আছেন সমঝোতা করে ভোটে অংশ নেওয়া প্রার্থীরা।

নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করতে শুরু থেকেই কৌশলী আওয়ামী লীগ। এরই অংশ হিসাবে আসন সমঝোতার ক্ষেত্রে ক্ষমতাসীনরা এবার জোটের নেতাদের শর্ত দিয়েছে-ভোটে জিতে আসতে পারবেন, এমন প্রার্থী হতে হবে।

আরো পড়তে পারেন
প্রথম আলো

শরিকদের সঙ্গে আসন ভাগাভাগি নিয়ে প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর, ‘শরিকদের অস্বস্তিকর অপেক্ষা’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ১৪ দলীয় জোটের শরিকদের আসন ভাগাভাগির বিষয়ে সর্বশেষ বৈঠকে তিন দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানানোর আশ্বাস দিয়েছিল আওয়ামী লীগ।

বুধবার সে সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও শরিকদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কোনো যোগাযোগ হয়নি আওয়ামী লীগের। ১৪ দলের শরিকরা বলছে, এর আগে তিনবার জোটগতভাবে ভোটে অংশ নিয়েছে তারা।

অতীতেও আসন ভাগাভাগি নিয়ে আওয়ামী লীগ সময়ক্ষেপন করেছে। এবারের পরিস্থিতি কিছুটা জটিল, কারণ এবার শুধু নৌকা প্রতীক পেলেই চলবে না।

সমঝোতার আসনে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রার্থীতা যদি প্রত্যাহার করানো না হয় তাহলে জোটের শরিকদের বেকায়দায় পড়তে হবে। এই পরিস্থিতিতে দিন যত যাচ্ছে শরিকদের অস্বস্তি ততই বাড়ছে। আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন ১৪ দলের শরিকদের বিষয়ে আওয়ামী লীগের অবস্থান মোটামুটি পরিষ্কার।

নয়া দিগন্ত
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

নির্বাচনী শিষ্টাচার প্রসঙ্গে নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, ‘ইসির চিঠি আমলে নিচ্ছে না বিরোধীরা’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি নিয়ে আন্দোলনে থাকা বিরোধী দলগুলো মূলত এখন সাতই জানুয়ারির নির্বাচন ঠেকানোর টার্গেট নিয়ে এগোচ্ছে। হরতাল-অবরোধ ছাড়াও সমাবেশ ধরনের নানা কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে তারা।

এ অবস্থায় নির্বাচনী প্রচারণা ব্যতীত সভা-সমাবেশসহ সবধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি আয়োজনের অনুমতি না দিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বিরোধী দলগুলো বলছে, ইসির এই চিঠি আমলে নেয়ার কিছু নেই। কারণ রাজনৈতিক দমন-পীড়নের মধ্য দিয়ে সরকার একটা একতরফা নির্বাচন করতে যাচ্ছে। এই একতরফা, ডামি নির্বাচনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার অধিকার জনগণের রয়েছে।

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকে মনে করছেন, নির্বাচন নির্বিঘ্নে করতে ইসির এই চিঠির পর সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আরো কঠোর হতে পারে।

এর ফলে বিএনপি হরতাল-অবরোধের বাইরে মাঠে নেতাকর্মীদের জমায়েতের কোনো কর্মসূচি পালন করতে পারবে কি না, এটা নিয়ে তারা সন্দিহান।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অবশ্য গতকাল বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের এই ধরনের নির্দেশনায় চলমান আন্দোলন দমানো যাবে না।

যুগান্তর

বিএনপি নেতাকর্মীদের সাজাপ্রাপ্ত হওয়া নিয়ে মানবজমিনের প্রথম পাতার খবর, ‘দীর্ঘ হচ্ছে সাজার তালিকা’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বুধবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নাশকতার ছয় মামলায় বিএনপি-জামায়াতের ১২২ নেতাকর্মীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে দু-একজন ছাড়া সবাই পলাতক রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। তারা গ্রেপ্তার হওয়ার পর এই রায় কার্যকর হবে।

এ নিয়ে গত তিন মাসে ৬৭ মামলায় বিএনপি’র ১০৩৪ জন নেতাকর্মীকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছেন আদালত।

সম্প্র্রতি প্রায় প্রতিদিনই বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীদের কোনো না কোনো মামলায় সাজা হচ্ছে। এসব মামলা ২০১৩ সাল বা তার পরের সময়ের দায়ের করা।

এসব মামলার অধিকাংশই বেআইনি সমাবেশ, পুলিশের কাজে বাধা, গাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, বোমা নিক্ষেপসহ নাশকতার অভিযোগে।

বিএনপির দাবি, রায় দেয়ার মূল কারণ আসন্ন নির্বাচনে সরকারবিরোধী নেতাকর্মীরা যেন নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন।

নিউ এইজ

বুদ্ধিজীবী দিবসকে ঘিরে নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, ‘No complete list yet’ অর্থাৎ ‘এখনও সম্পূর্ণ তালিকা নেই’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের হত্যার দায়ে একমাত্র আসামী চৌধুরী মুঈনুদ্দিন ও আশরাফুজ্জামান খানকে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে তেমন কোনো অগ্রগতি নেই।

এদিকে অন্যান্য শহীদ বুদ্ধিজীবীদের বিচার হয়নি বা তাদের সম্পূর্ণ তালিকাও করা হয়নি। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো।

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের পরিবারের অভিযোগ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই দুজনকে দেশে ফিরিয়ে এনে সাজা কার্যকর করতে সরকারিভাবে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। আসামী মুঈন এবং আশরাফ ছিলেন আল-বদর নেতা।

এই দুইজন সাংবাদিক, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং চিকিৎসকসহ ১৮ জন বুদ্ধিজীবীকে হত্যার জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন।

২০১৩ সালের তেশরা নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই রায় ঘোষণা হয়। তবে দায়ীরা বর্তমানে যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন।

ডেইলি স্টার

রিজার্ভ নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের পেছনের পাতার খবর, ‘Reserves can hit $24.3b this fiscal’ অর্থাৎ ‘চলতি অর্থবছরে রিজার্ভ ২৪.৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে’।

খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ চলতি অর্থবছরের শেষ নাগাদ ২৪ দশমিক তিন বিলিয়ন ডলার বা দুই হাজার ৪৩০ কোটি ডলারে উন্নীত হতে পারে বলে মনে করছে আইএমএফ।

যদি বিনিময় হার এবং একটি কঠোর মুদ্রানীতি অনুসরণ করা হয় তাহলে বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ কমে আসবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ছয়ই ডিসেম্বর পর্যন্ত, মোট বৈদেশিক রিজার্ভ ছিল ১৯ দশমিক এক বিলিয়ন ডলার।

তবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপগুলো নেয়া হলে আগামী অর্থবছরের শেষে মোট বৈদেশিক রিজার্ভ ৩০ দশমিক ছয় বিলিয়ন ডলার এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৩৯ দশমিক দুই বিলিয়ন ডলারে দাঁড়াবে বলে ধারণা করা হয়েছে।

পরবর্তীতে, অর্থবছর শেষে মূল্যস্ফীতি সাত দশমিক দুই শতাংশে নামবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বণিক বার্তা

বাংলাদেশিদের ভ্রমণ ব্যয় নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, ‘বাংলাদেশীদের বিদেশ ভ্রমণ ব্যয় বেড়েছে ৮০%’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে বিদেশ ভ্রমণ বাবদ আগের অর্থবছরের তুলনায় ৮০ শতাংশ বেশি ব্যয় করেছেন বাংলাদেশীরা।

এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ ও খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, অভিবাসন, পর্যটনসহ নানা কারণে বিদেশগামী যাত্রীর সংখ্যা ব্যাপক মাত্রায় বেড়েছে।

আবার এয়ারলাইনসগুলোর টিকিটের মূল্যও বেড়েছে অর্ধেকের বেশি। আবার ডলারের বিপরীতে টাকার রেকর্ড অবমূল্যায়ন হয়েছে।

এসব কারণে বাংলাদেশীদের বিদেশযাত্রার ব্যয় এত পরিমাণ বেড়েছে।

সব মিলিয়ে ২০২১-২২ অর্থবছরে বিদেশ ভ্রমণ খাতে বাংলাদেশের ব্যয় ছিল আট হাজার ৮৫৬ কোটি টাকা। গত অর্থবছরে তা ১৫ হাজার ৯৩১ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ‘ব্যালান্স অব পেমেন্ট’ বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

শুধু ২০২৩ সালের প্রথম নয় মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) নয় লাখ ৮৯ হাজার ৬৮৫ বাংলাদেশী অভিবাসী শ্রমিক হিসেবে বিদেশ গেছেন।

২০২২ সালে বিদেশগামী শ্রমিকের সংখ্যা ছিল ১১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৭৩।

কালের কণ্ঠ

হার্টের রিংয়ের দাম কমানো নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার খবর, ‘হার্টের রিংয়ের দাম ৪০% পর্যন্ত কমেছে’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, হৃদরোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহৃত করোনারি স্টেন্টের (হার্টের রিং) সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার।

এতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের রিংয়ের দাম কমেছে ১৫ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত। আগামী ১৬ই ডিসেম্বর থেকে নতুন মূল্য কার্যকর হবে। নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি অর্থ নিলে অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ডের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে হার্টের রিং আমদানিকারক ২৭টি প্রতিষ্ঠানের ৪০টির বেশি রিংয়ের নাম উল্লেখ করে আলাদাভাবে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। রিংয়ের খুচরা দাম সর্বোচ্চ এক লাখ ৪০ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সর্বনিম্ন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ হাজার টাকা।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সব হাসপাতালের নোটিশ বোর্ডে হার্টের রিংয়ের মূল্য তালিকাটি জনগণের জন্য প্রদর্শন করতে হবে।

হার্টের রিং সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত না করার ব্যবস্থা করতে হবে। রিংয়ের নাম, সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য এবং উৎপাদনকারীর নাম উল্লেখ করে পৃথক ক্যাশ মেমো প্রদান করতে হবে।

রোগীকে ব্যবহৃত রিংয়ের প্যাকেট সরবরাহ করতে হবে। রিংয়ের প্যাকেটের গায়ে উৎপাদন তারিখ, মেয়াদ, উৎপাদক দেশ ও মূল্যসংবলিত হতে হবে।