'বিএনপিকে আর বের হতে দিতে চায় না আ.লীগ'

সোমবারের পত্রিকা

'বিএনপিকে আর বের হতে দিতে চায় না আ.লীগ' প্রথম আলোর শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, মামলা ও গ্রেপ্তার অভিযানে বিএনপির নেতাদের একটি অংশ কারাগারে আরেকটি অংশ আত্মগোপনে। দলটিকে আর বের হতে দিতে চায় না আওয়ামী লীগ।

ক্ষমতাসীন দলটির নীতিনির্ধারকেরা বলছেন, আওয়ামী লীগের এই নীতির সমালোচনা হলেও তারা এতে কান দেবেন না। এমনকি বিদেশি কারও চেষ্টা, চাপ কিংবা অনুরোধও আমলে নেবেন না। বিএনপিকে এ অবস্থায় রেখেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন করতে চায় আওয়ামী লীগ।

আওয়ামী লীগের নীতি-নির্ধারকদের মূল্যায়ন হচ্ছে, বিএনপির অবরোধ কর্মসূচি অনেকটাই সন্ধ্যায় কিছু যানবাহন পোড়ানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে পর্যন্ত নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারের মাধ্যমে বিএনপির 'সক্ষমতা' আরও কমে যাবে।

দৈনিক যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম 'কূটনীতিকদের দৌড়ঝাঁপ পর্দার আড়ালে'। পত্রিকাটি বলছে, রাজনৈতিক সংকট নিরসনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে সংলাপ আয়োজনের লক্ষ্যে বিদেশি কূটনীতিকদের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগ সফল করার লক্ষ্যে ব্যাপক কূটনৈতিক তৎপরতাও শুরু হয়েছে।

বিদেশি কূটনীতিকরা দফায় দফায় নিজেদের মধ্যে শলাপরামর্শ করছেন। এর পাশাপাশি আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন।

তবে 'স্পর্শকাতর বিবেচনায়' জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের সঙ্গে চলমান উদ্যোগ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।

প্রথম আলো
কালের কণ্ঠ

'সুষ্ঠু নির্বাচন কিভাবে হবে, প্রশ্ন যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের'। এটি দৈনিক কালের কণ্ঠের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন কিভাবে নিশ্চিত করবে, বাংলাদেশের কাছে তা আবার জানতে চাইবে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য।

জাতিসংঘের ইউনিভার্সাল পিরিয়ডিক রিভিউ (ইউপিআর) কাঠামোর আওতায় মানবাধিকারবিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি, সনদ ও আইনগুলোর প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার ও বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হবে।

স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

এই অধিবেশনে বাংলাদেশকে নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন করবে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য।

বাংলাদেশে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য আগেই তাদের প্রত্যাশার কথা জানিয়েছিল। সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় দেশ দুটির প্রতিনিধিরা তাঁদের প্রত্যাশা পুনর্ব্যক্তও করেছেন।

এবার তাঁরা ইউপিআর অধিবেশনে এ বিষয়ে প্রশ্ন করবেন। আগামী সপ্তাহে জেনেভায় এই অধিবেশন বসবে।

আজকের পত্রিকার শিরোনাম 'নয়াদিল্লিতে নজর রাখছে ঢাকাও'। এই খবরে বলা হচ্ছে, চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মন্ত্রী পর্যায়ের যে সংলাপ হতে যাচ্ছে, সেখানে দুই দেশের মধ্যকার অনেক বিষয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গও উঠতে পারে।

আঞ্চলিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনার সময় যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচন প্রসঙ্গ তুলবে বলে আভাস দিয়েছেন দেশটির অন্তত দুজন কূটনীতিক।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে নয়াদিল্লিতে যুক্তরাষ্ট্রের দুই মন্ত্রীর সংলাপ শুরু হচ্ছে আগামী বৃহস্পতিবার। পরদিন শুক্রবারও তা চলবে।

এই সংলাপে যোগ দেবেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ক্লিঙ্কেন ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন। মার্কিন দুই মন্ত্রীর সফরের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আগেই দিল্লি পৌঁছাবেন দেশটির দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক সহকারী মন্ত্রী ডোনাল্ড লু।

ডেইলি স্টার

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম 'Govt plans harsher clampdown on BNP' খবরে বলা হচ্ছে, নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের অধীনে বিএনপিসহ সমমনা দলগুলো রাজপথে আন্দোলনে সক্রিয় হচ্ছে। অপরদিকে সরকার এমন আন্দোলন দমনে আরও কঠোর হচ্ছে।

সম্প্রতি পুলিশ সদর দপ্তরে ডিআইজি পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কারো নামে মামলা থাকলে তাদের গ্রেপ্তার করতে ওই বৈঠকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশ কর্মকর্তাদের।

'জিরো টলারেন্সে সরকার' বাংলাদেশ প্রতিদিনের শিরোনাম । পত্রিকাটি বলছে, আন্দোলনের নামে জ্বালাও-পোড়াওয়ে নেতৃত্ব দেওয়া এবং অংশগ্রহণকারীদের গ্রেফতারে চলছে সাঁড়াশি অভিযান।

সড়ক-মহাসড়কের যানবাহনসহ সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তার জন্য চলছে সমন্বিত টহল। ইতিমধ্যে এ সংক্রান্ত বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে।

রেল, সড়ক ও নৌপথে যোগাযোগ নির্বিঘ্ন রাখতে ‘অপারেশন সুরক্ষিত যাতায়াত’ শুরু করছে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী। এ জন্য সারা দেশে ৬৫ হাজার আনসার ও ভিডিপি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

দেশ রূপান্তর

'রাজনৈতিক অস্থিরতা শঙ্কা বাড়াচ্ছে অর্থনীতিতে' সমকালের প্রধান শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, করোনা মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধসহ নানা কারণে দেশের অর্থনীতি যখন সংকটে, তখন রাজনৈতিক অস্থিরতায় দেখা দিয়েছে নতুন শঙ্কা।

জাতীয় নির্বাচন ঘিরে বিরোধী দলগুলোর হরতাল ও অবরোধ কর্মসূচি এ সংকটকে করছে ঘনীভূত। রাজনীতির এমন অনিশ্চিত যাত্রা চলতে থাকলে অর্থনীতিতে আরও বড় ধাক্কা লাগতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দেশের অর্থনীতির এখনকার প্রধান দুই বিপদ– উচ্চ মূল্যস্ফীতি আর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে পতন। ডলার সংকটে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ক্রমে সংকুচিত হচ্ছে। অসহনীয় পর্যায়ে এসে ঠেকেছে মূল্যস্ফীতি। বৈদেশিক বাণিজ্যের লেনদেনে রয়েছে ভারসাম্যের ঘাটতি। সর্বশেষ অক্টোবরে রপ্তানি কমেছে ১৪ শতাংশ।

রেমিট্যান্স অক্টোবরে বাড়লেও এর আগের তিন মাসে কমেছে। শিল্পের কাঁচামাল এবং মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানি কমেছে, যা বিনিয়োগে ধীরগতির লক্ষণ। সর্বশেষ শ্রম জরিপে কর্মসংস্থান কমে যাওয়ার তথ্য রয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতায় সরবরাহ, উৎপাদন, আমদানি, রপ্তানিসহ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বিঘ্নিত হলে সংকট আরও বাড়বে।

'ডলারে-আগুনে ব্যবসার সর্বনাশ' দৈনিক দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম এটি। পত্রিকাটি বলছে, দেশের অর্থনীতির ওপর চাপ বেড়েই চলেছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর সৃষ্ট ডলার সংকট দিন দিন আরও প্রকট আকার ধারণ করছে।

ডলারের সঙ্গে এখন নির্বাচনকেন্দ্রিক রাজনৈতিক হরতাল-অবরোধ ও ন্যূনতম মজুরিকে কেন্দ্র করে শ্রমিকদের আন্দোলন চলমান সংকটে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

এই দ্বিমুখী সংকটে সরবরাহ ব্যবস্থায় বাধার পাশাপাশি কারখানা চালু রাখাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতি ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য সর্বনাশ ডেকে এনেছে।

'প্রভিডেন্ট ফান্ডের কর কমানোর সিদ্ধান্ত নিচ্ছে এনবিআর' বণিক বার্তার শিরোনাম। পত্রিকাটি জানাচ্ছে, প্রভিডেন্ট ফান্ডের কর ২৭ দশমিক ৫ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

এ-সংক্রান্ত একটি বিধিবিধান (এসআরও) জারির অনুমোদন চেয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মোহাম্মদ রহমাতুল মুনিম। এনবিআর কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তারা জানিয়েছেন, শিগগিরই এ-সংক্রান্ত একটি এসআরও জারি করা হবে।

চলতি অর্থবছরের বাজেটে বেসরকারি চাকরিজীবীদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের আয়ের ওপর কর ১০ থেকে বাড়িয়ে সাড়ে ২৭ শতাংশ করে এনবিআর। এতে কর্মীদের অবসরকালীন সুবিধা কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

আইনটি বৈষম্যমূলক বলেও অভিযোগ ওঠে। কারণ বেসরকারি চাকরিজীবীদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের আয়ের ওপর কর আহরণ করা হলেও সরকারি চাকরিজীবীদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের আয় করমুক্ত।

'লন্ডনের অভিজাত এলাকায় বাংলাদেশিদের বিলাসবহুল বাড়ি, অর্থের উৎস কী?' মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম। গত এক দশক ধরে লন্ডনের অভিজাত এলাকাগুলোতে বিদেশিদের বাড়ি কেনার হিড়িক পড়েছে।

এর মধ্যে বাংলাদেশিদের অবস্থান নেহায়েত কম নয়। বাংলাদেশি নাগরিকরা ব্রিটিশ বাংলাদেশি আত্মীয়স্বজন অথবা ব্রিটেনে ইনডেফিনিট লিভ টু রেমেইনে আছেন এমন আত্মীয়স্বজনদের ব্যবহার করে, বাংলাদেশের ঠিকানা ব্যবহার করে কিনছেন অভিজাত এলাকার বিলাসবহুল বাড়িগুলো। বর্তমানে যার সংখ্যা প্রায় ২০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ব্রিটিশ রিয়েল এস্টেট প্রপার্টি ব্যবস্থাপনা সংস্থা নাইটস ফ্রাঙ্ক ও বৃটিশ সরকারের পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে ২০২০ সালে শো হাউস নামের একটি বিজনেস পত্রিকা একটি রিপোর্ট প্রচার করেছিল।

ওই রিপোর্টে বলা হয়েছিল লন্ডনে বিলাসবহুল বাড়ি কেনার ক্ষেত্রে বিশ্বের অন্যতম ধনী দেশ জাপানের চেয়েও বাংলাদেশের অবস্থান ছিল শীর্ষে।

২০২০ সালের রিপোর্ট বলেছিল- বিশ্বের মোট দশটি দেশ লন্ডনে বাড়ি কেনার শীর্ষে- ফ্রান্স, হংকং, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ভারত, ইতালি, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ ও জাপান। ওই রিপোর্টে দেখা গেছে, অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী দেশ জাপানকেও হার মানিয়েছে বাংলাদেশ।

অন্যান্য খবর

বিশ্বকাপ ক্রিকেটে আজ শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ। এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে প্রায় সব কটি পত্রিকা। প্রথম আলোর শিরোনাম ''বাংলাদেশের 'শেষ' সুযোগ''। বাংলাদেশ আজ যাদের বিপক্ষে খেলবে, সেই শ্রীলঙ্কাও খুব ভালো জায়গায় নেই। ভারতের বিপক্ষে ৫৫ রানে অলআউট হলেও শ্রীলঙ্কা সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের চেয়ে ভালো খেলেছে।

বিশ্বকাপের শুরু থেকে দুই দলের মধ্যে শ্রীলঙ্কার অর্জনই হয়তো বেশি। সেদিক থেকে কিছুটা হলেও লঙ্কানরা এগিয়ে। তবে এই শ্রীলঙ্কাকে প্রস্তুতি ম্যাচে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে সাকিবরা কিছুটা হলেও ইতিবাচকতা খুঁজে নেবে।

'চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে চললো বিশেষ ট্রেন' দৈনিক সংবাদের শিরোনাম এটি। কক্সবাজার পর্যন্ত ট্রেন চলাচল আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগে দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত নতুন রেললাইন পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণে চললো একটি বিশেষ ট্রেন।

গতকাল রোববার সকাল ৯টায় বিশেষ ট্রেনটি চট্টগ্রাম রেলস্টেশন ছেড়ে যায়। ট্রেনটিতে রেলওয়ে পরিদর্শন বিভাগের একটি বিশেষ টিম ছিল। তারা দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইন এবং বিভিন্ন স্টেশন পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণ করেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ট্রেনটি কক্সবাজার স্টেশনে পৌঁছে। আর এর মধ্য দিয়ে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারের সঙ্গে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুক্ত হলো রেলপথে।