'চেম্বার ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অ্যানেসথেসিয়া দেয়া যাবে না'

ছবির উৎস, BBC Bangla
চেম্বার ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অ্যানেসথেসিয়া দেয়া যাবে না – দৈনিক সংবাদের প্রধান শিরোনাম। বলা হচ্ছে কোনো অবস্থাতেই নিবন্ধিত হাসপাতাল ও ক্লিনিক ছাড়া চেম্বারে অথবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অ্যানেসথেসিয়া দেয়া যাবে না।
বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) স্বীকৃত বিশেষজ্ঞ অবেদনবিদ (অ্যানেসথেটিস্ট) ছাড়া যেকোনো ধরনের অস্ত্রোপচার করা যাবে না। বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জারি করা এক অফিস আদেশে এসব বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।
একই প্রসঙ্গে ইংরেজি দৈনিক দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড শিরোনাম করেছে - DG Health bans using anaesthesia at diagnostic centres, অর্থাৎ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অ্যানেসথেশিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধ করলো স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একই সাথে খাতনা করাতে গিয়ে মৃত্যুর ঘটনায় তিন ডাক্তারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিলকে নির্দেশ দিয়েছে অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার সংস্থাটির মহাপরিচালক স্বাক্ষরিত এক আদেশে বলা হয় যে কোন ধরণের অপারেশনে বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিলের অনুমোদনপ্রাপ্ত কোন বিশেষজ্ঞ অ্যানসথেটিস্টের উপস্থিতি ছাড়া অ্যানেসথেশিয়া দেয়া যাবে না।
অবৈধ হাসপাতাল বন্ধে মাঠে নামছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর – সমকালের শিরোনাম। পত্রিকাটি লিখেছে, নানা আলোচনা-সমালোচনার মুখে ‘ঘুম ভাঙল’ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের।
আগামী রোববার থেকে জেলা-উপজেলায় অবৈধ বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক বন্ধে অভিযানে নামছে অধিদপ্তর। একই দিন স্বাস্থ্য খাতের অব্যবস্থাপনা নিরসনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে। এছাড়া বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে শৃঙ্খলা ফেরাতে ১০টি নির্দেশনা দিয়েছে অধিদপ্তর।

ছবির উৎস, BBC Bangla
সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র – প্রথম আলোর শিরোনাম। বিস্তারিত বলা হয়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের মতপার্থক্য থাকলেও দুই দেশ সম্পর্ক এগিয়ে নিতে আগ্রহী।
বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি লিখে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। এর অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল আগামী রোববার ঢাকায় আসছে।
কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে গত অক্টোবরে বাংলাদেশকে জানানো হয়েছিল নির্বাচনের পর বিভিন্ন স্তরে দুই দেশের মধ্যে সফর বিনিময় শুরু হবে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের ঢাকা সফরটি হচ্ছে।
আ.লীগের মার্কিন দুশ্চিন্তা কাটছে – দৈনিক দেশ রুপান্তরের প্রধান শিরোনাম এটি। বলা হচ্ছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে ছড়িয়ে পড়া দুশ্চিন্তা দূর হতে শুরু করেছে।
নির্বাচনের আগে একদিকে বিএনপি ও তার মিত্রদের আন্দোলন, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলোর তৎপরতা আওয়ামী লীগকে চাপে ফেলে দিয়েছিল। তবে নির্বাচন করে ফেলার পর দলটি সেই চাপ থেকে বেরিয়ে এসেছে বলে আওয়ামী লীগ নেতারা দাবি করেন। তাদের দাবি, নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগবিরোধী যে অবস্থানে ছিল যুক্তরাষ্ট্র, এখন সেখান থেকে সরে এসেছে। ক্ষমতাসীন দল ও সরকারের একাধিক নীতিনির্ধারক দেশ রূপান্তরকে বলেন, তাদের মধ্যে এখন আর আমেরিকা-ভীতি নেই। নেই কোনো নিষেধাজ্ঞা-ভীতিও।

ছবির উৎস, BBC Bangla
বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
তারা আমাকে জেলে পাঠাতে পারে – ড. ইউনূসের সাক্ষাৎকার থেকে এমন শিরোনাম করেছে দৈনিক মানবজমিন। পত্রিকাটি লিখেছে জার্মানির একটি গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে নিজের কারাবাসের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস। জার্মানির সাপ্তাহিক ডি সাইট পত্রিকাকে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয় মঙ্গলবার।
গণমাধ্যমটি লিখেছে, নিজ দেশে ৮৩ বছরের ইউনূসের কারাগারে যাওয়ার উদ্বেগ বাড়ছে। এমতাবস্থায় সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাসহ শত শত নোবেলজয়ী ইউনূসের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। ২০২৩ সালের মার্চ থেকে তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে একাধিক খোলা চিঠি লিখেছেন, যাতে তারা ইউনূসের বিরুদ্ধে চলমান ‘নিরবিচ্ছিন্ন হয়রানির বিষয়ে গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেন।
কিন্তু শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে জানুয়ারিতে ড. ইউনূসকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়। এখন যদিও তিনি জামিনে আছেন।
Skill gap eaves NU students struggling in job market – অর্থাৎ দক্ষতায় কমতি থাকায় চাকরির বাজারে পিছিয়ে পড়ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা, ইংরেজি দৈনিক নিউ এজের প্রধান শিরোনাম। বলা হচ্ছে দেশের চাকরির বাজারের সাথে সঙ্গতি রেখে শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে তোলার ক্ষেত্রে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, বিশেষ করে জাতির উন্নয়নে বিজ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষার ক্ষেত্রে।
শিক্ষাবিদরা বলছেন সরকারের ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নে বড় বাধা হতে পারে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অপর্যাপ্ত ল্যাব সুবিধা এবং যোগ্য শিক্ষকের অভাব।

ছবির উৎস, BBC Bangla
রমজানে চিনি খেজুরের সরবরাহ নিয়ে দুশ্চিন্তা – সমকালের আরেকটি খবর। এতে বলা হয় পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে সরকার সম্প্রতি চিনি ও খেজুরের আমদানি শুল্ক কমালেও বাজারে এর প্রভাব পড়েনি। খেজুর এখন বিলাসী পন্যের দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন রোজায় চিনি ও খেজুর সরবরাহে বিঘ্ন ঘটতে পারে। এতে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।
চিনির দাম বিকেলে ২০ টাকা বাড়িয়ে রাতে প্রত্যাহার – কালের কন্ঠের শিরোনাম এটি। এখানে বলা হয় রমজানের আগে দেশে উৎপাদিত চিনির দাম কেজিতে ২০ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিল বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)। তবে দাম বাড়ানোর এই ঘোষণা দেওয়ার প্রায় ছয় ঘণ্টা পর গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে শিল্প মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপিতে তা প্রত্যাহার করা হয়।
রোজার আগে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্য পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার মরিয়া। কিন্তু তা সত্ত্বেও সরকারি প্রতিষ্ঠান চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন গতকাল বিকালে চিনির দাম বাড়িয়ে দিয়েছিল। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে বিএসএফআইসি এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছিল, কেজিপ্রতি ২০ টাকা বাড়িয়ে সরকারি মিলে চিনির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করেছে। এক সপ্তাহ আগেও দাম ছিল সর্বোচ্চ ১৪০ টাকা।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় চিনির বাজার মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিএসএফআইসি কর্তৃক উৎপাদিত চিনির বিক্রয়মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

ছবির উৎস, BBC Bangla
৫০০ কোটি ডলারের নিচে নামলো নতুন এলসি – নয়া দিগন্তের খবর। শিল্পের মূলধনী যন্ত্রপাতি, কাঁচামালসহ সামগ্রিক পণ্য আমদানি প্রতি মাসে ৮৫০ কোটি ডলারে উঠেছিল। কিন্তু দুই বছরের ব্যবধানে সেই পণ্য আমদানি এখন ৫০০ কোটি ডলারের নিচে নেমে গেছে।
পণ্য আমদানি ভয়াবহ আকারে কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ ডলার সঙ্কট। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ডলার সঙ্কটের কারণে তারা কাঙ্খিত হারে শিল্পের মূলধনী যন্ত্রপাতিসহ কাঁচামাল আমদানি করতে পারছেন না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে চাহিদার এক-তৃতীয়াংশও এলসি খোলা যাচ্ছে না। এলসি খুলতে না পারায় শিল্পের উৎপাদন অনেক ক্ষেত্রেই অর্ধেকে নেমে গেছে। এতে প্রতিষ্ঠানগুলোর আয় কমে যাচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে ব্যাংকের ওপর। ব্যাংক বিনিয়োগ নিয়ে গড়ে উঠা শিল্প কারখানাগুলো থেকে ঋণের কিস্তি পরিশোধ করা যাচ্ছে না। এতে ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে।
এক্সপ্রেসওয়ের নামে ফ্লাইওভার – যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম এটি। বিস্তারিত হল অতিরিক্ত র্যাম্পের কারণে রাজধানীর কাওলা থেকে কুতুবখালী পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে কার্যত ফ্লাইওভারে পরিণত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, এক্সপ্রেসওয়ে ওপর বা নিচ যে কোনোভাবেই হতে পারে। তবে এর মূল দর্শন হলো-বাধাহীন দ্রুতবেগে লম্বা দূরত্বে চলাচল। নগর সড়কের সঙ্গে এক্সপ্রেসওয়ের সংযোগ কোনো বিবেচনায় যৌক্তিক নয়।
তারা জানান, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের গতিবেগ ৮০ কিলোমিটার। অন্যদিকে ঢাকার নগর সড়কের গতিবেগ ৫ কিলোমিটার, যা বিশ্বের সবচেয়ে ধীরগতির সড়ক। দ্রুতগতির গাড়িগুলো র্যাম্পে এসে আটকে যাবে। যার প্রভাব পড়বে ওপরের সড়কে। তখন এক্সপ্রেসওয়ের গতিবেগ কমে যাবে। ২০ কিলোমিটার এক্সপ্রেসওয়েতে সর্বোচ্চ ১০টি র্যাম্প হতে পারত। কিন্তু তারা এক্সপ্রেসওয়ে দর্শন থেকে সরে গিয়ে টোল আদায়কে প্রাধান্য দেওয়ায় ৩১টি র্যাম্প করেছে। সবগুলো র্যাম্প চালু হলে নগরে নতুন নতুন আরও যানজট স্পট তৈরি হবে।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে কাওলা হয়ে রেললাইন ধরে তেজগাঁও, মগবাজার, কমলাপুর দিয়ে যাত্রাবাড়ীর অদূরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালীতে গিয়ে হাইওয়েতে মিলবে এই সড়ক। আগামী জুনের মধ্যে প্রকল্পের বাকি কাজ শেষ করার কথা; যদিও এ সময়ের মধ্যে তা সম্ভব নয়। এজন্য প্রকল্প বাস্তবায়নের মেয়াদকাল আরও বাড়াতে হবে।

ছবির উৎস, BBC Bangla
গতকালের বৃষ্টি নিয়েও শিরোনাম করেছে বেশ কিছু পত্রিকা। বণিক বার্তা লিখেছে ফসল উৎপাদনে কারো আশীবার্দ কারো শঙ্কা।
বলা হয় দেশের বিভিন্ন স্থানে গত দুদিন বৃষ্টিপাত হয়েছে। বর্তমানে মাঠে রয়েছে রবি মৌসুমের বিভিন্ন ফসল। এর মধ্যে আগাম আলু, পেঁয়াজ, সবজিসহ বিভিন্ন ফসল তুলেছেন কৃষক। তবে মূল মৌসুমের অধিকাংশ ফসল এখনো মাঠে। আম, ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষেত্রে এ বৃষ্টি অনেকটা আশীর্বাদ বলে মনে করছেন কৃষক।
আবার বিভিন্ন স্থানে গম ও সবজির ক্ষতি হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তারা। রাজধানী ঢাকা, রাজশাহী, বাগেরহাটসহ আরো কয়েকটি জেলায় গতকাল বৃষ্টিপাত হয়েছে।








