'সংসদ নির্বাচন ঘিরে তৎপরতা আরো বাড়বে যুক্তরাষ্ট্রের'

ছবির উৎস, বিবিসি নিউজ বাংলা
সংসদ নির্বাচন ঘিরে তৎপরতা আরো বাড়বে যুক্তরাষ্ট্রের-দৈনিক দেশ রুপান্তরের একটি শিরোনাম। এ খবরে বলা হচ্ছে সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের তৎপরতা আগের চেয়ে বেড়েছে, বিশেষ করে গত ২৪শে মে ভিসানীতি ঘোষণার পর থেকে।
এই তৎপরতা সামনের দিনগুলোতে আরও বাড়বে বলে মনে করছেন বিশ্লেষক ও কূটনৈতিক সূত্রগুলো। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস গত ১৩ দিনে সরকার, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এসব বৈঠকেও যুক্তরাষ্ট্র অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে যার যার ভূমিকা রাখার জন্য আহ্বান জানিয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে, সোমবার বরিশাল ও খুলনা এই দুই সিটি কর্পোরেশনে নির্বাচন, এ নিয়ে প্রধান শিরোনাম করেছে বেশ কয়েকটি জাতীয় দৈনিক।
খুলনা ও বরিশালে নগরপিতা কে নির্ধারিত হবে কাল – দৈনিক সংবাদের প্রধান শিরোনাম। এ খবরটিতে বলা হয়েছে সিটি ভোট নিয়ে সাধারণ ভোটারদের আগ্রহ কম। তাই ভোট কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিত নিয়ে সন্দিহান রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। দুই সিটিতেই বিএনপির প্রার্থী নেই।
নির্বাচন নিয়ে প্রধান শিরোনাম করেছে প্রথম আলোও। তারা লিখেছে বরিশালে না থেকেও ভোটের ‘হিসাবে’ বিএনপি । তারা লিখেছে বিএনপি এই নির্বাচনে নেই, কিন্তু ভোটের হিসাব নিকাশে বিএনপির ভোটব্যাংকের দিকেই সবার নজর।
নিউ এজের প্রধান শিরোনাম Most centres ‘risky’ । এতে বলা হচ্ছে শনিবার মধ্যরাতে শেষ হয়েছে খুলনা ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের প্রচারণা এবং দেখা যাচ্ছে বেশিরভাগ ভোটকেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ ও রিটার্নিং কর্মকর্তারা ২৮৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৬১টিকে গূরুত্বপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
একই বিষয় নিয়ে যুগান্তরের শিরোনাম – খুলনা ও বরিশাল সিটিতে ইসির পরীক্ষা কাল।
এতে বলা হয়েছে গাজীপুরের পর এবার বরিশাল ও খুলনা সিটি করপোরেশনে নির্বাচনি পরীক্ষায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সেই সঙ্গে জনপ্রিয়তা প্রমাণের লড়াইয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এ দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কাল ভোট। এর মধ্য দিয়ে ইসি ও সরকারি দলের গ্রহণযোগ্যতা কতটা তা অনেকটাই ফুটে উঠবে।

ছবির উৎস, বিবিসি নিউজ বাংলা
বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
Big changes on cards with polls on mind – ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম। খবরে বলা হয় প্রশাসন এবং পুলিশের মাঠ পর্যায়ে আগামী কয়েক সপ্তাহে বড়সড় পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। আর এটি প্রধানত ডিসি এবং এসপিদের ক্ষেত্রেই বেশি হবে। কারণ সামনের জাতীয় নির্বাচন তাদের তত্ত্বাবধানেই হবে বলে অনেকে মনে করছেন।
রিজার্ভে স্বস্তি ফিরিয়ে আনাই বড় চ্যালেঞ্জ-বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন ঘিরে খবরটির এমন শিরোনাম দৈনিক যুগান্তরের। যেখানে বলা হয়েছে সাম্প্রতিক সময়ে সারা দেশে তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়া ও অন্যান্য প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এর কিছুটা নেতিবাচক প্রভাবও অর্থনীতিতে পড়বে।
সার্বিকভাবে আমদানির নতুন এলসি খোলা কমলেও বকেয়া এলসি দায় পরিশোধের চাপ এখন বেড়েছে। একই সঙ্গে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করতে হচ্ছে আগের চেয়ে বেশি। এদিকে রপ্তানি ও রেমিট্যান্স থেকে প্রত্যাশিত হারে বৈদেশিক মুদ্রা আয় বাড়ছে না। ফলে ডলারের চাহিদা বাড়ায় টাকার মান কমে যাচ্ছে।
এ পরিপ্রেক্ষিতে ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নের চাপে লাগাম টানতে বাংলাদেশ ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করে যাচ্ছে। এতে রিজার্ভ অব্যাহত গতিতে কমে যাচ্ছে। কিন্তু বিদ্যমান পরিস্থিতে এখন বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়িয়ে স্বস্তিদায়ক অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়াই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মানুষের অজান্তেই দেশ শ্রীলঙ্কা হয়ে গেছে – জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের এমন মন্তব্য দিয়ে শিরোনাম মানবজমিনের। মি. কাদেরকে উদ্ধৃত করে দৈনিকটি লিখেছে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিকভাবে অসহনীয় দিন কাটাচ্ছে সাধারণ মানুষ। সরকার দেশটাকে ঋণনির্ভর করে ফেলেছে।
জিএম কাদের বলেছেন, আগামী ৫০ বছর দেশের মানুষকে এই ঋণের বোঝা বইতে হবে। আমরা দেশটাকে শ্রীলঙ্কা হতে দিতে পারি না।
রাজনীতিতে নতুন চাঞ্চল্য – দৈনিক সমকালের প্রধান শিরোনাম। মূলত শনিবার ঢাকায় জামায়াতে ইসলামীর সমাবেশ ঘিরেই করা হয়েছে খবরটি। এতে বলা হচ্ছে দীর্ঘ ১০ বছর পর জামায়াতে ইসলামীকে সমাবেশের অনুমতি দেওয়ায় নতুন চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে রাজনীতিতে।
নানা প্রশ্ন সবার মনে– তাহলে যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত জামায়াত কি আবার প্রকাশ্যে রাজনীতিতে ফিরছে? সরকার কি তার কৌশলে পরিবর্তন এনেছে? নাকি মার্কিন নতুন ভিসা নীতির সুফল পেতে শুরু করেছে জামায়াতও?
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ বলেছে, নির্বাচন সামনে রেখে আবারও আগুন সন্ত্রাসের প্রস্তুতি নিতে বিএনপিই জামায়াতকে মাঠে নামিয়েছে। অন্যদিকে, জামায়াতের বিষয়ে কৌশলী অবস্থান গ্রহণ করেছে বিএনপি। দলটি বলছে, সব রাজনৈতিক দলেরই সভা-সমাবেশের অনুমতি পাওয়ার গণতান্ত্রিক অধিকার রয়েছে।

ছবির উৎস, বিবিসি নিউজ বাংলা
অন্যান্য খবর
এক দেশে ১২ রকমের শিক্ষা-দেশ রুপান্তরের প্রধান শিরোনাম। খবরে বলা হয়, সাধারণত প্রাথমিক স্তরে একটি দেশে এক ধরনের শিক্ষাব্যবস্থাই চালু থাকে। তবে কোনো কোনো দেশে এক শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যেও পাঠক্রমে (কারিকুলামে) ভিন্নতা থাকে, সেটা সর্বোচ্চ দুই বা তিন ধরনের হয়ে থাকে।
অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষা শেষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই ঠিক করে দেয় শিক্ষার্থীরা কী ধরনের শিক্ষাগ্রহণ করবে। বাংলাদেশে প্রথম শ্রেণি থেকেই হরেক রকমের শিক্ষাব্যবস্থা এবং হরেক পরীক্ষা চালু আছে।
এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষা ১২ রকমে দেওয়া যায়। ফলে এক সনদের জন্য ১২ রকমের শিক্ষাগ্রহণের সুযোগ রয়েছে। এতে করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৈষম্য বাড়ছে। আর শিক্ষা-প্রশাসনের পক্ষে শৃঙ্খলা রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
৮৫% শিক্ষার্থীর মানসিক সমস্যার পেছনে ইন্টারনেট – সমকালের খবর। বেসরকারি সংস্থা আঁচল ফাউন্ডেশনের এক জরিপে বিষয়টি উঠে এসেছে। এতে দেখা যাচ্ছে দেশের শিক্ষার্থীদের ৭২ দশমিক দুই শতাংশ জীবনের কোন না কোন সময় মানসিক সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন।
তাদের মধ্যে ৮৫ দশমিক নয় শতাংশ শিক্ষার্থীর মানসিক সমস্যার পেছনের কারণ ইন্টারনেট। জরিপে অংশ নেয়া ২৬ দশমিক এক শতাংশ শিক্ষার্থী মনে করে মানসিক সমস্যার জন্য ইন্টারনেট পুরোপুরি দায়ী আর মোটামুটি দায়ী ভাবেন ৫৯ দশমিক আট শতাংশ শিক্ষার্থী।

ছবির উৎস, বিবিসি নিউজ বাংলা
ওই খবরে আরো বলা হয় পড়াশোনার কাজে ৯৪ দশমিক এক শতাংশ শিক্ষার্থী ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। কিন্তু পড়াশোনার ফাঁকে অনলাইনে প্রবেশ করলে ৫২ দশমিক ছয় শতাংশের পড়াশোনার মনোযোগ হারিয়ে যায়।
শিক্ষার্থীরা বলেছেন, ইন্টারনেট ব্যবহারের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি তাদের পড়াশোনার মনোযোগ নষ্ট করছে। ৩৪ দশমিক তিন শতাংশ শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে ইন্টারনেটে সময় ব্যয় তাদের স্বাভাবিক জীবনে ‘প্রচণ্ড নেতিবাচক’ প্রভাব ফেলছে। এছাড়া ৩২ দশমিক নয় শতাংশ শিক্ষার্থী ইন্টারনেটে পর্নোগ্রাফি বা যৌন উত্তেজক বিষয়সম্পর্কিত ওয়েবসাইট দেখেন।
Coal coming to feed hungry power plants – দ্য বিজনেজ স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাম এটি। বলা হচ্ছে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে জ্বালানি কাটতে যাচ্ছে কারণ কয়লার আমদানি শুরু হয়েছে।
ডলার সংকট থাকলেও আগের চুক্তি অনুযায়ী সরবরাহকারীরা বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে কয়লা সরবরাহ করছে। এরই মধ্যে শনিবার মোংলা বন্দরে ইন্দোনেশিয়া থেকে একটা কয়লার চালান এসে পৌঁছেছে।
চট্টগ্রামে বেসরকারি আইসিইউ চিকিৎসা সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে – ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম। বিস্তারিত বলা হচ্ছে নগরীতে সাত-আটটি বেসরকারি হাসপাতালে আইসিইউ সুবিধা রয়েছে। এসব হাসপাতালের মালিকদের আলাদা কমিটি রয়েছে।
এর ফলে সিন্ডিকেটের কারণে বেসরকারি সব হাসপাতালে আইসিইউ সেবার নামে গলাকাটা চিকিৎসা বিল আদায় করা হচ্ছে।
বেসরকারিতে আইসিইউ সেবায় স্বাস্থ্য বিভাগের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। এতে করে বিপাকে পড়ছেন জটিল রোগের চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা।











