'৭২'র সংবিধান বাতিল এই মুহূর্তে সম্ভব নয়'

৭২'র সংবিধান বাতিল এই মুহূর্তে সম্ভব নয়— যুগান্তর পত্রিকার দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম এটি।

খবরে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, "২০২৫ সালের মধ্যেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়া সম্ভব। দ্রুত নির্বাচন হলে যে সংকটগুলো তৈরি হচ্ছে, তা অনেকাংশে কমে আসবে। দেশের জন্য মঙ্গলজনক হবে। ভোটের অধিকার যদি প্রতিষ্ঠিত না হয়, তাহলে রাস্তায় নামতেই হবে।"

'জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র'-এর খসড়া প্রস্তাবে বাহাত্তরের সংবিধান বাতিলের যে দাবি এসেছে, সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "এ দাবি এই মুহূর্তে বাস্তবায়ন করা সম্ভব না। ভবিষ্যতে যদি কখনও সুযোগ ও সময় আসে, তখন জাতির চিন্তা করে দেখা উচিত," বলে তিনি মনে করেন।

সোমবার দুপুরে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে যুগান্তরের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা বলেছেন।

'মার্চ ফর ইউনিটি' কর্মসূচি আজ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে— প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম এটি। এই খবরটি আজ দেশের প্রায় সব পত্রিকারই প্রথম পাতায় এসেছে।

এতে বলা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির 'জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র' নিয়ে দুদিন ধরে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা হচ্ছে।

হঠাৎ করে এই ঘোষণাপত্রের বিষয়টি কেন সামনে আনা হলো, এর প্রভাব কী হতে পারে—এসব বিষয় বুঝতে চাইছিল বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। ঘোষণাপত্রের পক্ষে–বিপক্ষে তর্কবিতর্কের পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে রাজনীতিতে একধরনের উত্তাপ তৈরি হয়।

এমন প্রেক্ষাপটে গতকাল সোমবার রাত পৌনে দুইটার দিকে ঢাকার বাংলামোটরে নিজেদের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

সেখানে বলা হয়, আজ মঙ্গলবার বিকেল তিনটায় ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে 'মার্চ ফর ইউনিটি' (ঐক্যের জন্য যাত্রা) কর্মসূচি পালন করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্যসচিব আরিফ সোহেল লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান। এতে বলা হয়, হাজারো শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের আত্মত্যাগের স্বীকৃতি ও জন-আকাঙ্ক্ষার দলিলস্বরূপ 'জুলাইয়ের ঘোষণাপত্র' অত্যাবশ্যক ছিল।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের ছাত্র-জনতার পক্ষে এই ঐতিহাসিক ঘোষণাপত্র প্রণয়ন ও ঘোষণার দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলো।

এই উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের আপামর ছাত্র-জনতার মধ্যে স্বতঃস্ফূর্ত ও ইতিবাচক সাড়া সঞ্চারিত হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে ছাত্র-জনতার আহ্বানে রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ছাত্র-জনতা এই সময়োপযোগী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাচ্ছে।

এরই ধারাবাহিকতায় ৩১শে ডিসেম্বর মঙ্গলবার বেলা তিনটায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে 'মার্চ ফর ইউনিটি' কর্মসূচি ঘোষণা করা হলো।

Interim govt to draft July uprising proclamation on consensus বা জুলাই অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র তৈরি করবে সরকার— এটি নিউ এজ পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।

এতে বলা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং জাতীয় নাগরিক কমিটির নেতারা বলেছেন যে তারা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তাদের পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি আজ পালন করবেন।

আর গতকাল সোমবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে জুলাই অভ্যুত্থানের একটি ঘোষণাপত্র প্রস্তুত করবে।

সরকার জুলাই অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র প্রকাশের ঘোষণা দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং জাতীয় নাগরিক কমিটি জানিয়েছেন যে তাদের পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আগের মতোই চলবে, তবে ঘোষণাপত্রটি দেবে না।

গতকাল রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে শফিকুল আলম বলেন, "গণ–অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ অংশগ্রহণকারী সব শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক দল ও পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে ঘোষণাপত্রটি প্রস্তুত করা হবে।

এতে জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের পরিপ্রেক্ষিত, ঐক্যের ভিত্তি ও জনগণের অভিপ্রায় ব্যক্ত হবে।"

মানুষ বেচা কেনার হাট— মানবজমিন পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এতে বলা হয়েছে, কমলাপুর স্টেশনে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ নানা ধরনের উদ্দেশ্য ও স্বপ্ন নিয়ে এলেও কিছু মানুষ আছে, যাদের ঘরবাড়ি মানেই হল এই স্টেশন।

এদের কেউ ঘাম ঝরিয়ে রোজগার করে, আবার কেউ ভয়ঙ্কর সব অপরাধে জড়িত।

এই অপরাধ চক্রের সদস্যরা মানুষ বিক্রির মতো জঘন্য কাজ করে এই স্টেশনে বসেই। অবুঝ শিশু, কিশোরী এমনকি নারীদেরও বিক্রি করে দেয় এই চক্র।

সরেজমিন কয়েক দিন কমলাপুর স্টেশনে অবস্থান করে মানুুষ কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত এই চক্রের বিষয়ে বিস্তর তথ্য পেয়েছে মানবজমিন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে দেশের নানাপ্রান্ত থেকে অসহায় অবস্থায় কমলাপুর এসে অনেকে আশ্রয় নেয়। এই অসহায় মানুষদেরই টার্গেট করে গড়ে উঠেছে এই চক্র।

দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে শিশু চুরির সঙ্গেও যোগসাজশ আছে তাদের। এই চক্রটি মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে চুরি করে আনা শিশু তুলে দেয় কোনও পরিবারের হাতে।

আবার এই শিশুদের বিকলাঙ্গ করে ভিক্ষাবৃত্তির কাজে ব্যবহারেরও অভিযোগ আছে।

এ ছাড়া কিশোরী বা নারীদেরও নানা পক্ষের কাছে বিক্রি করে দেয় তারা। পরবর্তীতে এই কিশোরী বা নারীরাও নানাভাবে পাচার বা সহিংসতার শিকার হন।

Turmoil in Mozambique: Bangladeshis' homes, shops being attacked— দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার প্রথম পাতার অন্যতম প্রধান শিরোনাম এটি।

এখানে বলা হয়েছে, পূ্র্ব আফ্রিকার দেশ মোজাম্বিকে কিছু বাংলাদেশির দোকানপাট লুট এবং তাদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দিচ্ছে। কখনও কখনও, এই গোষ্ঠীগুলো বাংলাদেশিদের আক্রমণ, তাদের ঘরবাড়ি বা ব্যবসা ধ্বংস করার হুমকি দিয়ে টাকা আদায় করছে।

কিন্তু দেশটির আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এই ঘটনা শুধু দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখেছে।

মোজাম্বিকের বিভিন্ন প্রদেশ থেকে এক ডজনেরও বেশি বাংলাদেশি ভিডিও কলে দ্য ডেইলি স্টারকে এই অভিযোগ জানিয়েছে। জানা গেছে, দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিতর্কিত ফলাফলের কারণে সেখানে সহিংসতা ও নৈরাজ্য ছড়িয়ে পড়েছে।

এই অশান্তির মধ্যে, মোজাম্বিকে বসবাসরত প্রায় পাঁচ থেকে আট হাজার বাংলাদেশি ভয়, অনিরাপত্তা এবং অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

শ্রীলংকা নয় তিউনিশিয়ার পথেই হাঁটছে কি বাংলাদেশ?— এটি বণিক বার্তা পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এতে বলা হয়েছে– তিউনিশিয়া, শ্রীলংকা ও বাংলাদেশের মধ্যে তিউনিশিয়ার শাসক পালিয়ে যান ২০১১ সালে। জেসমিন বিপ্লবের মধ্য দিয়ে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশটি ত্যাগ করেন জাইন আল আবেদিন বেন আলি।

২০২৩ সালে ব্যাপক গণবিক্ষোভের মুখে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ ছেড়ে শ্রীলংকা থেকে পালিয়েছিলেন রাজাপাকসে ভাইদের মধ্যে 'স্ট্রংম্যান' হিসেবে পরিচিত গোতাবায়া রাজাপাকসে। আর চলতি বছরের পাঁচই অগাস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন দেড় দশক ধরে বাংলাদেশ শাসন করা শেখ হাসিনা।

তিনটি অভ্যুত্থানের মধ্যেই মিল হলো– নির্দিষ্ট কোনও রাজনৈতিক দল নয়, তরুণদের দ্রোহের মধ্যে সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে এলে এসব স্বৈরশাসক দেশ ছেড়ে পালান।

তিউনিশিয়ায় অভ্যুত্থানের সময় পেরিয়েছে এক যুগেরও বেশি। কিন্তু এখনও তারা অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ের অস্থিরতা থেকে বের হতে পারেনি দেশটি। আবার শ্রীলংকায় ২০২২ সালে ঘটা অভ্যুত্থানের দুই বছরের মধ্যেই শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে স্থিতিশীল জায়গায় নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে।

কিন্তু বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার গত আটই অগাস্ট দায়িত্ব নেয়ার পর প্রায় পাঁচ মাস হতে চললেও এখনো জনজীবনে স্বস্তি আনার মতো কোনো পরিবর্তন আসেনি। অর্থনীতিতে কিছুটা ক্ষতি কমানো গেলেও মূল্যস্ফীতি কমানো যায়নি। ব্যাংক খাতে অনাস্থা বেড়েছে। বিদেশীরাও বড় কোনো বিনিয়োগ নিয়ে আসেননি।

ভোলার অব্যবহৃত গ্যাস : আরও ২০ মিলিয়ন ঘনফুট ঢাকায় আনতে চায় ইন্ট্রাকো— সংবাদ পত্রিকার দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম। এতে বলা হয়েছে, এবার ভোলার গ্যাসক্ষেত্র থেকে এলএনজি (ঘনীভূত প্রাকৃতিক গ্যাস) করে ঢাকা ও অন্যান্য এলাকায় বিক্রির পরিকল্পনা করছে সরকার। এ জন্য একটি কমিটিও গঠন করেছে।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইন্ট্রাকো ইতোমধ্যে প্রতিদিন পাঁচ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস এনে ঢাকা এবং আশেপাশের বিভিন্ন শিল্প কারখানায় সরবরাহ করছে।

প্রতিষ্ঠানটি আরও ২০ মিলিয়ন ঘনফুট সিএনজি (কমপ্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস) আকারে ঢাকায় সরবরাহ দিতে চায়। গতকাল সোমবার ঢাকায় আয়োজিত এক সেমিনারে এ তথ্য তুলে ধরে প্রতিষ্ঠানটি।

ইন্ট্রাকো জানায়, সরকার চাইলে আগামী ছয় মাসের মধ্যে দৈনিক গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতা বেড়ে ২৫ মিলিয়ন ঘনফুট হবে।

সেক্ষেত্রে জাতীয় গ্রিডে বা বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরাসরি গ্যাস সরবরাহ করা হলে আগের চেয়ে দাম কিছুটা কম পড়বে। সরকার চাইলে ভোলা থেকে এলএনজি আকারেও গ্যাস সরবরাহ দিতে পারবে প্রতিষ্ঠানটি।

বিএনপি-জামায়াত বিরোধ বাড়ছে— কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি। এতে বলা হয়েছে, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর বিএনপি ও জামায়াতের পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে দল দু'টির মধ্যে দূরত্ব স্পষ্ট হতে থাকে।

গত রোববার বিএনপি নেতা রুহুল কবীর রিজভী জামায়াতের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনার পর তাদের মতবিরোধ প্রকাশ্যে আসে।

মূলত, গণ-অভ্যুত্থানের পর ইসলামী ব্যাংক 'দখল'কে কেন্দ্র করে দুই দলের মধ্যে বিরোধ শুরু হয়। এরপর বিএনপির বিরুদ্ধে সারা দেশে 'দখলদারিত্বের' নানা অভিযোগ আনেন জামায়াতের নেতাকর্মীরা।

রোববার বিএনপিও জামায়াতের বিরুদ্ধে ব্যাংকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দখল ও টেন্ডারবাজির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ আনে।

বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে দ্বন্দ্ব-কোন্দলের ঘটনা আগেও দেখা গেছে। তবে এবারের মতো একে অন্যের প্রতি চরম বিষোদগার নিকট অতীতে দেখা যায়নি।

এর পরও দীর্ঘদিনের দুই মিত্র দলের সম্পর্ক ঠিক কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, এ ব্যাপারে চূড়ান্ত কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি দুই দলের নীতিনির্ধারকরা।

রমজানে দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক রাখার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার— নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রথম পাতার একটি শিরোনাম।

খবরে বলা হয়েছে যে আসন্ন রমজানে দ্রব্যমূল্য ও পণ্য সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

তিনি কর্মকর্তাদের নিজ নিজ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা, কৃষিপণ্য সংরক্ষণ, সার সরবরাহ এবং শিল্প এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার জন্য নিবিড়ভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

গতকাল সোমবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে এক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চারটি বিভাগের ৩১টি জেলার কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনায় যুক্ত হয়ে এই নির্দেশ প্রদান করেন তিনি।

ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কর্মকর্তারা এই ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দেন।

কমিশনের রিপোর্ট পেলেই দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা— আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।

এতে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, সংস্কারের লক্ষ্যে সরকার যে ১৫টি কমিশন গঠন করেছে, তার মধ্যে বেশ কয়েকটি কমিশন শিগগিরই তাদের প্রতিবেদন জমা দেবে।

এসব প্রতিবেদন পাওয়ার পর রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু হবে, নাগরিকদের সঙ্গেও আলোচনা হবে। এর মধ্য দিয়ে দেশে নির্বাচনের একটি আবহ সৃষ্টি হবে।

চারটি বিভাগের ৩১টি জেলার কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপে গতকাল সোমবার এসব কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা।

সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়া কী হবে, সে বিষয়ে সচেতন থাকার জন্য মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন প্রধান উপদেষ্টা।