পত্রিকা: নতুন ৬ কারাগারে রাখা হবে 'বিশেষ বন্দিদের'

আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার খবর- নতুন ৬ কারাগারে রাখা হবে 'বিশেষ বন্দিদের'

এই খবরে বলা হচ্ছে, দেশের কারাগারগুলোতে ধারণক্ষমতার দ্বিগুণ বন্দি রয়েছে। কারাগারগুলোতে বন্দীদের চাপ কমাতে নতুন ছয়টি কারাগার করা হচ্ছে। এর মধ্যে দুটি কেন্দ্রীয় কারাগার চালু হয়েছে। বাকি চারটি জেলা কারাগার চলতি বছরেই চালু হবে। এসব কারাগারে বিশেষ বন্দিদের রাখা হবে।

কারা অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, নতুন ছয়টি কারাগারের মধ্যে ঢাকার কেরানীগঞ্জে বিশেষ কেন্দ্রীয় কারাগার ও সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার-২ চালু করা হয়েছে। বাকি চারটি জেলা কারাগারের নির্মাণকাজ চলছে।

কিশোরগঞ্জ, মাদারীপুর, পিরোজপুর ও ফেনীতে কারাগারের পুরোনো স্থাপনায় নতুন করে কারাগারগুলো নির্মাণের কাজ চলছে। কারাগারগুলোতে প্রায় ২ হাজার বন্দি রাখা যাবে।

ডিভিশনপ্রাপ্ত, বয়স্ক আসামি, মাদক মামলার আসামি, কিশোর ও নারী বা বিশেষ প্রকৃতির বন্দীদের রাখা হবে এসব কারাগারে। ইতিমধ্যে এসব কারাগারে জেলারসহ ২৯৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

Skip বিবিসি নিউজ বাংলায় আরও পড়ুন and continue readingবিবিসি নিউজ বাংলায় আরও পড়ুন

End of বিবিসি নিউজ বাংলায় আরও পড়ুন

কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রথম পাতার খবরের মধ্যে আছে, বৈষম্যে বিপন্ন ব্যবসায়ীরা।

এই খবরে বলা হয়েছে, কঠিন সংকটে পড়েছেন দেশের ব্যবসায়ীরা। অন্তর্বর্তী সরকারের এক বছর পার হলেও অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি এই শ্রেণি শান্তি, স্বস্তি বা আস্থা—কোনোটাই ফিরে পাননি। বরং তাঁদের অনেকেই এখন আগের তুলনায় আরও বেশি অনিরাপদ ও ঝুঁকির মুখে। সরকারের কাঙ্ক্ষিত মনোযোগ না পাওয়ার কারণে ব্যবসায়ী সমাজ দিন দিন হতাশ হয়ে পড়ছে।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, শীর্ষ উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে চলছে মিডিয়া ট্রায়াল ও নানা ধরনের হয়রানি। অনেকে মিথ্যা মামলায় জড়াচ্ছেন, অপরাধ প্রমাণের আগেই বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়ছেন, এমনকি অনেকের ব্যাংক হিসাবও জব্দ করে রাখা হয়েছে।

এর বাইরে উচ্চ সুদ, গ্যাস সংকট, মুদ্রার অবমূল্যায়ন, মব সন্ত্রাস, আইনশৃঙ্খলার অবনতি, ঘুষ, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির মতো সমস্যা তাঁদের টিকে থাকা কঠিন করে তুলেছে।

তবু সরকারের পক্ষ থেকে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা হয়নি, তাঁদের সমস্যার সমাধান বা বিনিয়োগে এগিয়ে আসার জন্য আহ্বানও জানানো হয়নি।

ফলে বিনিয়োগ স্থবির হয়ে আছে। নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে না, বরং প্রতিদিনই অনেক মানুষ চাকরি হারাচ্ছেন। একের পর এক ব্যবসা ও শিল্প-কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

অনেক উদ্যোক্তা অনিচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি হয়ে পড়ছেন। যদিও পুনরুদ্ধারে প্রণোদনার জন্য কমিটি করা হয়েছে, কিন্তু নামমাত্র কিছু ব্যবসায়ী ছাড়া বেশির ভাগই বঞ্চিত হয়েছেন। এসব কারণে শিল্প-বাণিজ্যে কোনো গতি আসেনি, রাজস্ব আয়ও পড়েছে বড় ধরনের মন্দায়।

নয়াদিগন্ত পত্রিকার আজকের শীর্ষ খবর- আ'লীগের স্লিপারসেল গঠন।

এই খবরে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক অঙ্গন সরগরম হয়ে উঠছে। দেশের বেশির ভাগ দল নির্বাচনের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত থাকলেও কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ায় ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

দলটির প্রধান শেখ হাসিনা ও কয়েকজন শীর্ষ নেতা দেশ ছেড়ে পালালেও ভেতরে অবস্থানরত নেতাকর্মীরা আবারও সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে। ক্ষমতা হারানোর এক বছরের মধ্যে তারা দেশে-বিদেশে সক্রিয় হয়ে নানা পথে ফের রাজনৈতিক মাঠে প্রভাব বিস্তারের কৌশল খুঁজছে।

গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা ইতোমধ্যে 'স্লিপার সেল' গঠন করেছে। এই সেলের সদস্যদের দিয়ে ঝটিকা মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ, টার্গেট কিলিং ও আত্মঘাতী হামলার মতো কর্মকাণ্ড চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক ঝটিকা মিছিলে তৃণমূল নেতাকর্মীদের পাশাপাশি ভাড়াটে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদেরও ব্যবহার করা হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডে বিপুল অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানা গেছে, যার একটি অংশ সরবরাহ করছেন দলটির সুবিধাভোগী কিছু প্রভাবশালী ব্যবসায়ী।

সূত্রমতে, বিদেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের পলাতক নেতারা দেশের ভেতরের সব কার্যক্রম মনিটরিং করছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কিছু সক্রিয় ও অবসরপ্রাপ্ত সদস্য তথ্য পাচারের মাধ্যমে তাদের সহযোগিতা করছে।

সব মিলিয়ে আসন্ন নির্বাচনের আগে দলটি অন্ধকার পথে গিয়ে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনা করছে বলে গোয়েন্দা মহল আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।

প্রথম আলো পত্রিকার আজকের শীর্ষ খবর- আত্মসমর্পণকারীরা দস্যুতায় ফিরছে।

এই খবরে বলা হচ্ছে, চোখ মুছছিলেন ফয়েজ আলী (ছদ্মনাম)। বললেন, 'ছেলেকে ফিরে পেয়ে মনে হলো আমি আবার জন্ম নিলাম।' কয়রার এই বৃদ্ধের মুখে স্বস্তির সঙ্গে আতঙ্কের ছাপ। ডাকাতেরা বলেছিল, ৩০ হাজার টাকা না দিলে ঘরে ফিরবে ছেলের লাশ।

গত ১৮ই অগাস্ট গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া শাকবাড়িয়া নদীর তীরে দাঁড়িয়ে ‍বাবা বলেন, 'অনেক কষ্টে ধারদেনা করে মুক্তিপণের টাকা জোগাড় করে ছেলেকে ফিরিয়েছি।'

তাঁর ছেলে সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরতে গিয়ে আটক ছিলেন তিন দিন। ঠিকমতো খাওয়া জুটত না, দিনরাত ডাকাতদের নৌকা বাইতে হতো।

ছেলেকে জিম্মি করেছিল 'দুলাভাই বাহিনী'র ডাকাতেরা। ডাকাত দলের এই নাম কোনো তামাশার বিষয় নয়। এর আড়ালে লুকিয়ে আছে ভয়, নির্যাতন আর মুক্তিপণের আতঙ্ক।

একসময় সুন্দরবনের ত্রাস ছিল 'ইলিয়াস বাহিনী', বঙ্গোপসাগর থেকে সুন্দরবনের গভীর পর্যন্ত ছিল তার দাপট। ইলিয়াস আত্মসমর্পণ করেন, ইতিমধ্যে মারাও গেছেন।

গত বছরের আগস্টে ইলিয়াসের বোনের স্বামী রবিউল নতুন দল গড়ে তুললে স্থানীয় লোকজন এর নাম দেন 'দুলাভাই বাহিনী'।

২০১৮ সালের নভেম্বরে ৩২টি দস্যু বাহিনীর আত্মসমর্পণের পর সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত ঘোষণা করেছিল সরকার। কিন্তু প্রথম আলোর অনুসন্ধান বলছে, গত বছর সরকার পতনের ডামাডোলের সুযোগে দুলাভাই বাহিনীসহ সুন্দরবনে আবার সক্রিয় হয়েছে।

মানবজমিন পত্রিকার আজকের শীর্ষ খবর- নতুন জোট গঠন নিয়ে আলোচনা।

খবরটিতে বলা হয়েছে, জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে শুরু হয়েছে নানা সমীকরণ। ভোটের মাঠে অবস্থান তৈরি করতে ছোট রাজনৈতিক দলগুলো চালাচ্ছে তৎপরতা। ইতিমধ্যে গণতন্ত্র মঞ্চ, এনসিপিসহ ৯টি রাজনৈতিক দল নিজেদের মধ্যে বৈঠক করেছে।

নতুন জোট গঠন নিয়ে আলোচনা করেছে তারা। যদিও এই জোট গঠনের প্রক্রিয়া প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। সামনে এনিয়ে আরও বৈঠক করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে দলগুলো।

নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া এবং সব ইস্যুতে ঐকমত্য হলেই জোটের ঘোষণা হতে পারে। সে কারণে এনিয়ে এখনই তারা স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।

তবে এই ৯টি দলের মধ্যে সংসদ নির্বাচনের দিন জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে।

এই ইস্যুতে বিএনপি, জামায়াত এবং বামদলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করবে তারা। যদিও সংস্কার প্রশ্নে বিএনপি এবং জামায়াতের দ্বন্দ্ব এখন প্রকাশ্যে।

তাদের মিত্র দল এবং জোটের অবস্থানও একই। নির্বাচনকে সামনে রেখে বড় দু'টি দলের মধ্যে মতানৈক্য কাটিয়ে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরাতেই এই উদ্যোগ নিয়েছে তারা।

এ ছাড়া আলাদা জোট গঠনের প্রক্রিয়া নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রে জানা গেছে।

ইংরেজি পত্রিকা নিউ এইজের আজকের শীর্ষ সংবাদ, Extrajudicial killing on- 4,266 extrajudicial killings in 2001-2025।

অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এক বছরে দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনা আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে।

অধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য মতে, ২০২৪ সালের অগাস্ট থেকে ২০২৫ সালের জুলাই পর্যন্ত অন্তত ৩৫ জন বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হয়েছেন। অথচ এর আগের এক বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে এ সংখ্যা ছিল ২২।

গত এক বছরে হেফাজতে মৃত্যুর সংখ্যা সামান্য কমেছে, তবে এখনো এ সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বেশি।

মানবাধিকার কর্মী নূর খান লিটন বলেন, "আমরা চাইনি একটি বিচারবহির্ভূত হত্যা বা হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটুক। আমাদের প্রত্যাশা ছিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে এমন কোনো ঘটনা ঘটবে না।"

কিন্তু দুঃখজনকভাবে গত এক বছরে একাধিক ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

আসকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক নূর খান আরও বলেন, এসব ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া দরকার, যাতে সরকারের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ে। অন্যথায় জনগণের ক্ষোভ বাড়বে।

তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে এক-দুটি ঘটনার তদন্ত বা বিচার হলেও প্রায় সবকটিই বিচার বা তদন্তের বাইরে থেকে গেছে।

তবে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম নিউ এজ–কে বলেন, তিনি দেশে কোনো বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনা দেখেননি।

এসব ঘটনা অস্বীকার করে আইজিপি বলেন, "আমাদের কাছে এ ধরনের কোনো তথ্য নেই এবং দেশে এমন কিছু ঘটছেও না।"

আসকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে এক বছরে অন্তত ৩৫ জন বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হয়েছেন।

এই প্রতিবেদনে জানা যাচ্ছে, চীন, ভারত, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়াসহ এশিয়ার অনেক বিশ্ববিদ্যালয় গত কয়েক দশকে আন্তর্জাতিক র‌্যাংকিংয়ে উন্নতি করেছে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক কিউএস র‌্যাংকিং অনুযায়ী বিশ্বের সেরা ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে চীনের পাঁচটি, সিঙ্গাপুরের দুটি ও মালয়েশিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। ভারতীয় তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় সেরা ১৫০-এর মধ্যে স্থান পেয়েছে।

র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক নিয়োগে পিএইচডি ডিগ্রি ন্যূনতম যোগ্যতা হিসেবে ধরা হয় এবং গবেষণার দক্ষতা ও শিক্ষকতার অভিজ্ঞতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।

যেমন- ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুর (৮ম), পিকিং ইউনিভার্সিটি (১৪তম), সিনহুয়া (১৭তম), ইউনিভার্সিটি মালায়া (৫৮তম), আইআইটি দিল্লি (১২৩তম) ও আইআইটি মুম্বাই (১২৯তম), সবক্ষেত্রেই শিক্ষক হওয়ার ন্যূনতম যোগ্যতা পিএইচডি। শুধু চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতো কিছু ক্ষেত্রে স্নাতকোত্তর ট্রেনিং যথেষ্ট।

অন্যদিকে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এখনো এন্ট্রি লেভেলে শিক্ষক নিয়োগে গবেষণা বা পিএইচডিকে তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয় না।

সম্প্রতি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় নতুন নিয়োগ নীতিমালার খসড়া করেছে, যেখানে ১০০ নম্বরের মধ্যে এসএসসি, এইচএসসি, অনার্স ও মাস্টার্সের ফলাফলের জন্য মোট ৮০ নম্বর রাখা হয়েছে, কিন্তু পিএইচডির জন্য মাত্র ৫ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে, যা উচ্চ মাধ্যমিকের চেয়েও কম।

যুগান্তর পত্রিকার প্রথম পাতার খবর- লাইসেন্স নেই, তবু তারা বিমান ইন্সপেকশনে!

অবৈধ পরিদর্শকের তদারকিতে চলছে দেশের আকাশপথ ব্যবস্থাপনা। পাইলটদের লাইসেন্স নবায়ন, চেক রাইড ও সনদ অনুমোদন সবই চলছে নিয়মবহির্ভূতভাবে। পরিদর্শকদের নেই যথাযথ লাইসেন্স কিংবা শারীরিক ফিটনেস। অনেকেই হারিয়েছেন ফ্লাইং কারেন্সি।

একদিকে ভঙ্গ হচ্ছে আন্তর্জাতিক নীতিমালা। ঝুঁকির মুখে পড়েছে যাত্রীসাধারণের নিরাপত্তা। অন্যদিকে বাংলাদেশ ক্যাটাগরি ওয়ান উন্নতির পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে এসব অবৈধ এফওআই। যুগান্তরের মাসব্যাপী অনুসন্ধানে চাঞ্চল্যকর এসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু এভিয়েশন সেফটি নয়, বিমান ইন্সপেকশনে এ চক্র বহাল থাকলে আন্তর্জাতিক রুটে বাংলাদেশের এয়ারলাইন্সগুলোর ভবিষ্যৎকেও নানাভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

বেবিচকের ফ্লাইট সেফটি অ্যান্ড রেগুলেশন বিভাগের পরিচালক মো. মনিরুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, 'এটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত।' তিনি এর বেশি আর কোনো মন্তব্য করতে চাননি।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) ফ্লাইট অপারেশন ইন্সপেক্টরদের (এফওআই) অনেকের বৈধ লাইসেন্স নেই। লাইসেন্সবিহীন ও নন-কারেন্ট (নিয়মিত উড্ডয়ন থেকে বিচ্ছিন্ন) এসব ইন্সপেক্টরের মাধ্যমেই পাইলটদের লাইসেন্স নবায়ন, চেক রাইড ও সার্টিফিকেশন সম্পন্ন হচ্ছে।

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার আজকের শীর্ষ খবর- Ctg-cox's bazar highway: Expansion to put wildlife in peril

এই খবরে বলা হচ্ছে, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের যে অংশ চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের ভেতর দিয়ে গেছে, সেটিকে ছয় লেনে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস এবং গুরুত্বপূর্ণ হাতির চলাচলের করিডরগুলো ব্যাহত করবে বলে সতর্ক করেছেন বন কর্মকর্তারা ও পরিবেশবিদরা।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর ১৪৮ কিলোমিটার দীর্ঘ মহাসড়কের ৬৩ কিলোমিটার অংশকে দুই লেন থেকে ছয় লেনে সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে।

বন বিভাগের কর্মকর্তাদের মতে, অভয়ারণ্যের ভেতর দিয়ে যাওয়া প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকায় বন্যপ্রাণীরা সড়ক পার হওয়ার সময় আগেই গাড়ি কিংবা দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইনের ট্রেনের ধাক্কায় ঝুঁকির মুখে থাকে।

চট্টগ্রাম বন বিভাগের বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের কর্মকর্তা আবু নাসের মোহাম্মদ ইয়াসিন নেওয়াজ বলেন,

"মহাসড়ক যদি আরও চওড়া করা হয়, তাহলে প্রাণীদের জন্য ওই অংশ পার হওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে যাবে… আমরা যেকোনো সম্প্রসারণের তীব্র বিরোধিতা করছি যা অভয়ারণ্যকে আরও ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে। উন্নয়নের নামে চুনতি আরেকটি আঘাত সহ্য করতে পারবে না।"

চুনতি দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশের এশীয় হাতির অন্যতম প্রধান আবাসস্থল। ২০২২ সালে নিশর্গ ও আরণ্যক ফাউন্ডেশনের জীববৈচিত্র্য সমীক্ষায় দেখা গেছে, এ অভয়ারণ্যে কমপক্ষে ৩৭২ প্রজাতির পাখি, স্তন্যপায়ী, সরীসৃপ ও উভচর প্রাণী বাস করে।