‘বড় নাশকতা ঠেকাতে নতুন ছকে নিরাপত্তা’

পত্রিকা

নৌকা-স্বতন্ত্রদের সংঘাত নিয়ে যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর, ‘বড় নাশকতা ঠেকাতে নতুন ছকে নিরাপত্তা’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নির্বাচন সামনে রেখে নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সংঘাত দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে। যা জনমনে ভীতি ছড়াচ্ছে।

অন্যদিকে বিএনপির সঙ্গে সমমনা দলগুলোর দফায় দফায় হরতাল-অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে একের পর এক জ্বলছে নাশকতার আগুন। নতুন করে বিএনপির অসহযোগ আন্দোলনের ডাকে পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণার শুরু হতেই মঙ্গলবার দেশের বিভিন্ন জায়গায় নৌকা-স্বতন্ত্র সংঘাতে অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিরাপত্তার নতুন ছক তৈরি করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

নাশকতা ঠেকাতে কেপিআইসহ সরকারি-বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় পাহারা বসানো হচ্ছে। পুলিশ, র‌্যাব, আনসারের পাশাপাশি নিরাপত্তায় কাজ করছেন বিজিবি সদস্যরা। ২৯শে ডিসেম্বর নামবে সেনাবাহিনী।

কৌশলের পাশাপাশি প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করে সব ধরনের সংঘাত-সহিংসতা দমনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিএনপির সরকার পতন আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার শিরোনাম ‘Non-cooperation call after 27 years’ অর্থাৎ ‘: ২৭ বছর পর অসহযোগের আহ্বান’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ১৯৯৬ সালে তৎকালীন বিরোধী দল আওয়ামী লীগ ও শরিকরা নিরপেক্ষ সরকারের দাবিতে এবং বিএনপিকে চাপে ফেলতে অসহযোগ আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছিল।

তার ২৭ বছর পর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বুধবার এক ভার্চুয়াল প্রেস ব্রিফিংয়ে দলের পক্ষ থেকে অসহযোগ আন্দোলনের ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, “এই মুহুর্ত থেকে আমরা সকল স্তরের সরকারি কর্মচারী এবং দেশপ্রেমিক জনগণকে এই অবৈধ শাসনকে সহযোগিতা না করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।” সেসময় ১৯৯৬ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যা বিরোধী দল বর্জন করেছিল।

কিন্তু তাদের বয়কট সত্ত্বেও, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি এগিয়ে যায় এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দ্বিতীয় মেয়াদে পুনরায় নির্বাচিত হন।

আরো পড়তে পারেন
প্রথম আলো
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

সিলেটে আওয়ামী লীগের জনসভা নিয়ে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, ‘নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, অগ্নি সন্ত্রাস করে বিএনপি জামাত নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না বলে আবারও উল্লেখ করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতির প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিএনপি জামায়াতের চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলনের কঠোর সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেছেন, “মানুষের জীবন কেড়ে নেবে, মানুষকে ভোট দিতে দেবে না, নির্বাচন বন্ধ করবে, এত সাহস কোথা থেকে পায়! আগুন নিয়ে খেললে খেলতে গেলে আগুনেই হাত পোড়ে। এটা তাদের মনে রাখা উচিত।”

“তারা মনে করেছে অগ্নি সংযোগের কয়েকটি ঘটনা ঘটলে সরকার পড়ে যাবে। অত সহজ না!”

বুধবার বিকেলে সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে আওয়ামী লীগ আয়োজিত বিশাল জন সভায় এসব কথা বলেন আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনা। সেইসাথে তিনি আগামীতে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার জন্য দেশবাসীর কাছে নৌকায় ভোট চান।

জনসভায় বক্তৃতা দেয়ার সময় ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকাকালীন বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেয়ার কথা জানান তিনি।

নির্বাচনকে ঘিরে এক গোলটেবিল আলোচনা নিয়ে নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার খবর, ‘এই নির্বাচন দেশে ও বহির্বিশ্বে গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আসছে নির্বাচনের ফলাফল ২০১৪ এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনের মতোই হবে, অংশগ্রহণ এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতা তার কোনোটাই এই নির্বাচনে রয়েছে বলে দাবি করা যাবে না।

ফলে এই নির্বাচন দেশে এবং বহির্বিশ্বে কোথাও গ্রহণযোগ্যতা পাবে না বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা। বুধবার ঢাকার একটি হোটেলে ‘ক্রান্তিকালে বাংলাদেশ : নির্বাচন, অর্থনীতি এবং বহিঃসম্পর্ক’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

ডেইলি স্টার

অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস)। এটি সঞ্চালনা করেন সিজিএসে’র নির্বাহী পরিচালক জিল্লুর রহমান। বক্তাদের দাবি, এমন পরিস্থিতিতে আরেকটি একতরফা নির্বাচন দেশের অর্থনৈতিক ঝুঁকি আরো বাড়িয়ে তুলবে।

এছাড়া সরকার ভুল ও অসত্য তথ্য দিয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রচার করিয়ে উন্নয়নের বয়ান তৈরি করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

রেলে নাশকতা নিয়ে সংবাদের প্রধান শিরোনাম, ‘রেলে আবার নাশকতার চেষ্টা, অল্পের জন্য রক্ষা’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গাজীপুর, ঢাকার পর এবার দিনাজপুরের বিরামপুরে রেলে নাশকতার চেষ্টা করা হয়েছে।

সেখানে রেলস্টেশনে আউটার লাইনের ওপরে কয়েকটি স্লিপার তুলে রেখেছিল দুর্বৃত্তরা। বিষয়টি রূপসা এক্সপ্রেসের চালক ও তার সহকারীর নজরে এলে তাৎক্ষণিকভাবে ট্রেনটি থামিয়ে ফেলেন তারা।

মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। তার আগে মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে ওই রেললাইনে আগুন দিয়েও নাশকতার চেষ্টা চালানো হয়। ওই সময় আনসার সদস্যরা পার্বতীপুর থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী সীমান্ত এক্সপ্রেসকে দ্রুত থামিয়ে দিলে ট্রেনটি দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পায়।

ওই স্টেশনের কাছেই রেলের পাত ভেঙে যাওয়ায় বুধবার ভোরে এক ঘণ্টার বেশি সময় আটকে থাকে পঞ্চগড় এক্সপ্রেস।

এর আগে মঙ্গলবার ভোরে ঢাকায় মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেসে অগ্নি নাশকতার ঘটনা ঘটে।

এই পরিস্থিতিতে ট্রেনে নাশকতা ঠেকাতে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ২৭০০ আনসার সদস্য নিয়োজিত করা হবে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী।

যুগান্তর

নির্বাচনি প্রচারণায় সংঘাত সংঘর্ষ নিয়ে সমকালের প্রথম পাতার খবর, ‘হামলা হুমকি বাধায় অশান্ত নির্বাচনের পরিবেশ’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নির্বাচনে প্রচারণার দ্বিতীয় দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে।

পাল্টাপাল্টি পোস্টার ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী ও তাঁর সমর্থকদের হুমকি-ধমকি ছাড়াও প্রচারণায় হামলার অভিযোগ উঠেছে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে।

এ ছাড়া হামলা চালিয়ে প্রচার মাইক ও নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুরের অভিযোগ করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। প্রতিপক্ষের এ হামলা-হুমকিতে অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে নির্বাচনী পরিবেশ।

এসব ঘটনায় একাধিক মামলা করা হয়েছে এবং আহত হয়েছেন উভয় পক্ষের নেতাকর্মী। এসব ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করাও হয়েছে।

একই বিষয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিনের খবর, ‘চলছেই আচরণবিধি লঙ্ঘন’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নির্বাচনি প্রচারে প্রার্থীদের জন্য বিধি-নিষেধ থাকলেও তা অনেকেই মানছেন না।

অন্যদিকে নির্বাচন কমিশন-ইসি নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনকারীদের নোটিস দিয়েই দায় সারছে।

স্থানীয় বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের নিয়ে মিটিং করে নৌকা মার্কায় ভোট চাওয়াসহ নানা ধরণের আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে বেশ কয়েকজন প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিস দিয়েছে নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটি।

দেশ রূপান্তর

বিএনপি নেতাদের গ্রেফতারকে ঘিরে আতঙ্ক প্রসঙ্গে দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার খবর, ‘গ্রেপ্তার এড়াতে ওমরাহ করতে যাচ্ছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গ্রেপ্তার এড়াতে ওমরাহ ভিসায় সৌদি আরব যাচ্ছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। সেখানে মক্কা, মদিনা ও রিয়াদে তারা অবস্থান করছেন।

মূলত ওমরাহ ভিসার মেয়াদ তিন মাস থাকে। বিএনপির নেতাকর্মীরা বলেছেন, পুলিশের হাত থেকে রক্ষা পেতে তারা কৌশলে দেশ ছাড়ছেন।

সৌদি আরব আসার পর পরিচিত লোকজনের বাসায় বসবাস করা হচ্ছে। আবার কেউ কেউ হোটেলে অবস্থান করছেন।

এরমধ্যে কুমিল্লা মুরাদনগর থানা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা আছে প্রায় একশর মতো। জামিনে ছিলেন অর্ধশত মামলার।

গত তিন মাসেই নতুন করে ১৮টি নাশকতার মামলার জালে পড়ে যান তিনি। তাকে ধরতে প্রতিদিনই বাসায় অভিযান চালান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে তিনি ওমরাহ গ্রুপের সঙ্গে দেশ ত্যাগ করেন। ১০ দিন আগে ওমরাহ ভিসায় চলে আসেন সৌদি আরবে।

চট্টগ্রামের হালিশহর থানা বিএনপির কর্মী রাজন মিয়াও একই কায়দায় সৌদি আরব চলে আসেন। তার বিরুদ্ধে মামলা আছে ১১টি। এর মধ্যে নাশকতার মামলাই ৯টি।

এ ক্ষেত্রে বিমানবন্দরগুলোতে দায়িত্বরত পুলিশের সদস্যদের অসতর্কতার সুযোগ নিচ্ছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা।

আবার কেউ কেউ অসাধু পুলিশ সদস্যদের ‘বিশেষ উপহার’ দিয়ে পার পেয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগও এসেছে।

আগামী সংসদ নির্বাচনের পর দেশের পরিস্থিতি বুঝে দেশে ফিরবেন।

নিউ এইজ

রিজার্ভ সংকট নিয়ে নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, ‘Falling reserves limit debt payment capacity’ অর্থাৎ ‘পতনশীল রিজার্ভের কারণে সীমিত হয়ে আসছে ঋণ পরিশোধের ক্ষমতা’

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ক্রমবর্ধমান বৈদেশিক ঋণের বিপরীতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাওয়া এবং রপ্তানি ও রেমিট্যান্স আয়ের বৃদ্ধি বেশ ক্ষীণ কারণে দেশের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের ক্ষমতা কমে গিয়েছে।

অর্থনীতিবিদরা বলেছেন যে দেশের ঋণ পরিশোধের ক্ষমতা গত সাত বছরে প্রায় ৫০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। কারণ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ এবং উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য নেওয়া ক্রমবর্ধমান বৈদেশিক ঋণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

এছাড়া, দেশের বার্ষিক বৈদেশিক মুদ্রার ৯০ শতাংশ রপ্তানি এবং রেমিট্যান্স আয় থেকে আসে। এই দুটি খাতে গত দুই বছরে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা গিয়েছে, যা দেশের ঋণ পরিশোধের ক্ষমতাকে হ্রাস করেছে।

বনিক বার্তা

রেমিট্যান্স নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, ‘বড় অংকের রেমিট্যান্সগুলো আসছে ব্যাংকিং চ্যানেল এড়িয়ে’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিদেশ থেকে পাঠানো রেমিট্যান্সের বড় একটি অংশ দেশে ঢুকছে ব্যাংকিং চ্যানেলকে পাশ কাটিয়ে।

বিশেষ করে বড় অংকের অর্থ লেনদেনের ক্ষেত্রে প্রবাসীদের ব্যাংক খাতকে এড়িয়ে চলার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে বেশি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) গত সপ্তাহে প্রকাশিত খানা আয়-ব্যয় জরিপের চূড়ান্ত প্রতিবেদনের তথ্য বিশ্লেষণে এমন পরিস্থিতি দেখা যায়।

ব্যাংকবহির্ভূত এসব বড় অংকের লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সিও। বিষয়টি উদ্বিগ্ন করে তুলেছে অর্থনীতিবিদদের। তারা বলছেন, ট্রাভেল এজেন্সির আড়ালে চলছে মানি এক্সচেঞ্জ, হুন্ডি ও উড়োজাহাজের টিকিট বিক্রির কারবার। দুবাই, সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এমন ব্যবসা বাড়ছে।

অনেক ক্ষেত্রে এসব রেমিট্যান্স সংগ্রহের পর দেশের বিভিন্ন ব্যাংকের সঙ্গে দরকষাকষি করে সেগুলো আবার বেশি মূল্যে দেশে পাঠানোর ঘটনাও ঘটছে।

ট্রাভেল এজেন্সি বা অপ্রাতিষ্ঠানিক মাধ্যমে পাঠানো রেমিট্যান্স নিয়ে জোর অনুসন্ধান চালানো প্রয়োজন বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।