‘বিএনপির কারা ভোটে আসছে দেখে, 'কৌশল সাজাবে' আওয়ামী লীগ’

মনোনয়নের বিষয়ে আওয়ামী লীগের কৌশল নিয়ে সংবাদের প্রধান শিরোনাম, ‘বিএনপির কারা ভোটে আসছে দেখে, 'কৌশল সাজাবে' আওয়ামী লীগ’
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার তারিখ পেরোলেই বিএনপির কারা কারা ভোটে আসছেন তা স্পষ্ট হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
সেটা দেখার পরই ক্ষমতাসীনরা ‘জোটগত ভোট’, ‘ডামি প্রার্থী’সহ নির্বাচনী ‘কৌশল সাজাবে’ বলে জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির কেউ কেউ নির্বাচনে আসতে পারেন। কেউ কেউ প্রস্তুতিও নিচ্ছেন। এর মধ্যেই পরিষ্কার হয়ে যাবে কারা আসলেন।’
আগামী ৭ই জানুয়ারি ভোটগ্রহণের তারিখ রেখে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
কিন্তু নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনে থাকা বিএনপি ও সমমনা দলগুলো তফসিল প্রত্যাখ্যান করেছে।
বিএনপিকে ভোটে আনার কোনো কৌশল আওয়ামী লীগের আছে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে ক্ষমতাসীন দলের এই নেতা বলেন, ‘আনার কৌশল আমাদের নেই। তারা (বিএনপি) এলে আমাদের আপত্তি নেই। তারা এলে স্বাগতম।
কোনো আসনে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় তাদের প্রার্থী যেন বিজয়ী হয়ে না যান, সেজন্য ‘ডামি প্রার্থী’ রাখারও নির্দেশনা এসেছে আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায় থেকে।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
এদিকে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র দল নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, ‘আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী দুই শ হওয়ার পথে’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, এবারের নির্বাচনে মঙ্গলবার পর্যন্ত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের ১৪০ জন পদধারী নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন।
এর মধ্যে বেশির ভাগ প্রার্থী নির্বাচন কমিশন অফিস থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। অন্যরা শিগগিরই মনোনয়নপত্র নেবেন বলে জানিয়েছেন।
তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ৩০ নভেম্বর। বৃহস্পতিবার নাগাদ আওয়ামী লীগের মনোনয়নবঞ্চিত স্বতন্ত্র প্রার্থীর সংখ্যা দুইশ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে নির্বাচন কমিশন এখনো প্রার্থীদের কোনো সংখ্যা প্রকাশ করেনি। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন—
ফরিদপুর-৪ আসনে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মজিবুর রহমান ওরফে নিক্সন চৌধুরী, বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বরিশাল-৫ আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।
এছাড়া ফরিদপুর-১ আসনে কৃষক লীগের সাবেক সহসভাপতি মো. আরিফুর রহমান দোলন। ফরিদপুর-২ আসনে নগরকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জামাল হোসেন মিয়া, ফরিদপুর-৩ আসনে জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এ কে আজাদ স্বতন্ত্র হিসেবে প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন।

এদিকে মনোনয়ন নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, ‘AL Nominees: In quest for convenient rivals’ অর্থাৎ ‘আওয়ামী লীগ মনোনীতরা: সুবিধাজনক প্রতিদ্বন্দ্বীর খোঁজে।’
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অনেক মনোনয়নপ্রত্যাশী স্বতন্ত্র হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা দলের সহকর্মীদের কাছ থেকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হতে পারেন।
হাইকমান্ডের নির্দেশ থাকায় এবারে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ের কোন সুযোগ নেই। যদিও তারা একটি সম্ভাব্য উপায় বের করেছে।
তারা ছোট রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের নির্বাচনী এলাকায় প্রার্থী হওয়ার জন্য অনুরোধ করছেন। তাদের প্রতিপক্ষ যদি মোটামুটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয় তাহলে ওই আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বঞ্চিত কাউকে স্বতন্ত্র হিসেবে দাঁড়াতে হবে না।
তাদের মতে, ছোট দলগুলোর প্রার্থীরা অংশ নিলে তাদের পক্ষে আওয়ামী লীগের সহকর্মীদের চেয়ে ওই ছোট দলটিকে পরাজিত করা সহজ হবে। এতে তাদের নির্বাচনী এলাকায় নির্বাচন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হবে।
এখন আওয়ামী লীগের টিকিট বিজয়ীরা প্রতিপক্ষ হিসেবে কোন দলের কাছে যাবেন তা নিয়ে বাছাই চলছে। এজন্য অনেকে প্রতিপক্ষকে সহায়তাও করছেন।
দলীয় সূত্রের বরাতে ডেইলি স্টার জানায়, আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন মনোনয়নপ্রত্যাশী ছোট দলগুলোকে বলেছেন যে তারা তাদের মনোনয়ন ফরমের জন্য অর্থ প্রদান করবেন এবং তাদের প্রচারের পোস্টার ছাপিয়ে দেবেন।
তবে সমস্যা হল এসব ছোট ছোট দলের সব আসনে প্রার্থী দেওয়ার সামর্থ্য নেই।

নির্বাচনকে সামনে রেখে আসন বণ্টন নিয়ে যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘আসন ভাগাভাগি নিয়ে চলছে দরকষাকষি, শরিকদের ছাড় দেবে আওয়ামী লীগ’
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে জোটের শরিকসহ অনেক নেতা আসন ভাগাভাগির জন্য দরকষাকষির ছক নিয়ে তৎপর।
আসনের পাশাপাশি ভোটের পর কী পদ আদায় করা যায়, সে পরিকল্পনায় ব্যস্ত সংশ্লিষ্টরা। অনেকেই ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে কথাও বলছেন।
কেউ কেউ গত নির্বাচনের চেয়ে এবার বেশি আসন দাবি করে বসেছেন। কীভাবে আসনগুলো নিজেদের আয়ত্তে আনা যায়, সেই কৌশল নির্ধারণে সময় পার করছেন নেতারা।
কিন্তু আওয়ামী লীগ ২৯৮ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করায় পরিস্থিতি কিছুটা জটিল রূপ নিয়েছে। এখন পর্যন্ত শরিকদের জন্য কোনো আসন ছাড়ের ঘোষণা না দেওয়ায় হঠাৎ করেই এক ধরনের অনিশ্চয়তায় পড়েছেন জোটভুক্ত দলের অনেক নেতা।
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীনরা কতটুকু ছাড় দেবে, কতটুকু আনুকূল্য দেখাবে-এমন ভাবনা পেয়ে বসেছে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট শরিকদের। শরিক দলের যেসব নেতা নৌকায় ভর করে কয়েক দফা সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, তাদের সময়ও খুব ভালো কাটছে না।

এদিকে বিএনপি নেতাদের গ্রেফতারের বিরুদ্ধে স্বজনদের আহাজারি নিয়ে সমকালের প্রথম পাতার খবর, ‘বিএনপি করা অপরাধ হলে মেরে ফেলুন সবাইকে’।
মঙ্গলবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গুম-খুন-গ্রেপ্তারের শিকার বিএনপির নেতাকর্মীর স্বজনরা মানববন্ধন করেন।
সারাদেশের কয়েকশ বিএনপি নেতার পরিবারের স্বজন অংশ নেন এই কর্মসূচিতে।
সেখানে তারা তাদের স্বজনদের নানাভাবে হয়রানি, গ্রেফতার আবার অনেকে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর বিরুদ্ধে তাদের স্বজনকে গুলি করে মেরে ফেলার অভিযোগও আনে।
মানববন্ধন শেষে প্রধান বিচারপতি বরাবর ‘ফরমায়েশি ও গায়েবি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ও আটক রাজবন্দিদের মুক্তির দাবিতে’ একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
বিএনপি নেতাকর্মীর স্বজনরা বলেন, সারাদেশে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার, গুম ও খুন করছে। অনেককে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে দিনের পর দিন বিনা বিচারে আটক রাখছে।
তাদের অভিযোগ, কখনও বিএনপি নেতাকে বাসায় না পেলে স্বজনকে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। খারাপ আচরণের পাশাপাশি ভাঙচুর করে আসবাব তছনছ করা হচ্ছে। অনেকের পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছে।

নির্বাচনকে সামনে রেখে জনপ্রতিনিধিদের পদত্যাগ নিয়ে নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, ‘Local govt reps rush to resign to run in JS polls’ অর্থাৎ ‘স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিরা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পদত্যাগ করতে তোড়জোড় করছেন’
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জাতীয় নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে জেলা ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও পৌরসভার মেয়রসহ কয়েক ডজন স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি নিজ নিজ পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।
স্থানীয় সরকার বিভাগ অনুসারে, সাম্প্রতিক বছরগুলোয় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ বা আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে নির্বাচিত হওয়া ৪০জনেরও বেশি প্রতিনিধি গত দুই দিনে বিভাগে তাদের পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
স্থানীয় সরকার প্রশাসনের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর তারা নিজ নিজ রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।
দলের বড় নেতারা বিদ্রোহী প্রার্থীদের ব্যাপারে উদারপন্থী হবেন বলে ঘোষণা করার পর এবং আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হওয়ার জন্য দল থেকে ডামি প্রার্থী দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অনুরোধ করার পরে পদত্যাগের প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে।
তবে আওয়ামী লীগ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন পাওয়ায় কিছু চেয়ারম্যান পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
২০১৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হওয়ার জন্য আওয়ামী লীগ স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক ব্যাপক সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছিল।
এবার সেই পরিস্থিতি এড়াতে ঘরের লোকজনকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ানোর সুযোগ দেয়া হয়েছে।

চলতি অর্থবছরের বাজেটে ব্যয়ের হিসাব নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, ‘অস্বাভাবিক দ্রুতগতিতে এক মাসে ১ লাখ ৪৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়!’
প্রতিবেদন বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে মাত্র শেষ হওয়া অর্থবছরে মোট ব্যয় হয়েছে পাঁচ লাখ ৬৫ হাজার ৮৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে সর্বশেষ মাস জুনে অস্বাভাবিক দ্রুতগতিতে ব্যয় হয়েছে এক লাখ ৪৫ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা।
অর্থ মন্ত্রণালয় ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাজেট ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ চিত্রে এমন তথ্য উঠে আসে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে অনুযায়ী, গত ১১ মাসের গড় হিসাব করলে দেখা যায়, এ সময় গড় ব্যয় ছিল ৩৮ হাজার ১১৮ কোটি টাকার কিছু বেশি। সেখানে সর্বশেষ মাস জুনে এক লাখ ৪৫ হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থ ব্যয় অনেকটা বিস্ময়কর।
এক মাসের মধ্যে এ বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয়ের সক্ষমতা দেশের সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর আছে কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞ ও অর্থনীতিবিদরা।
এ বিষয়ে তাদের ভাষ্য হলো এতে ব্যয়ের উদ্দেশ্য অর্জন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি এর স্বচ্ছতা ও গুণগত মানও নিয়েও বড় ধরনের প্রশ্নের অবকাশ তৈরি হয়।
অর্থ মন্ত্রণালয়সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উন্নয়ন ব্যয় ছাড়াও পরিচালন ব্যয়ের মধ্যে কিছু কর্মসূচি থাকে যেখানে অর্থবছরের শেষে বাড়তি অর্থ ব্যয় হয়ে থাকে। স্বায়ত্তশাসিত কিছু সংস্থায় জুনে অনুদানের অর্থ দেয়া হয়।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে দৈনিক মানবজমিনের একটি খবর ডেঙ্গুতে ৪ সপ্তাহে মৃত্যু ২৬২।
এই খবরে বলা হয়েছে, ডেঙ্গুতে নভেম্বর মাসের ২৮ দিনে মারা গেছেন ২৬২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে দেশে ডেঙ্গুতে এবছরে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬১০ জনে।
দেশে ইতিমধ্যে ডেঙ্গু রোগী মৃত্যু ও শনাক্তে পুরনো সব রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। রাজধানীর চেয়ে দ্বিগুণের বেশি রোগী শনাক্ত হচ্ছে গ্রামে
জনশুমারির তথ্য নিয়ে দেশ রুপান্তরের প্রথম পাতার খবর, ‘কৃষি ছাড়ছেন কৃষকরা’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সামাজিক বৈষম্য, আর্থিক নিরাপত্তার ঘাটতি, খাদ্যপণ্যের আমদানি নির্ভরতা ও কৃষি খাতে কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে কৃষকরা তাদের পেশা ছাড়ছেন।
দেশে গত ১১ বছরের ব্যবধানে আশঙ্কাজনক হারে কমেছে কৃষকের সংখ্যা। ফলে নিকট ভবিষ্যতে খাদ্য সংকটের আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
অবকাঠামো উন্নয়নের কারণে কৃষিজমি কমে যাওয়া, কৃষি উপকরণের দাম বাড়া, বীজ ও সারে আমদানিনির্ভরতার কারণে দামের অস্থিরতা প্রভৃতি কারণে কৃষিতে আগ্রহ কমছে কৃষকদের।
২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী ১০ বছর বা তার বেশি বয়সী নাগরিকদের ৩৭ দশমিক ৯১ শতাংশ কৃষিশ্রমিক, অথচ ২০১১ সালের আদমশুমারিতে এ হার ছিল ৪৭ দশমিক তিন শতাংশ। ১১ বছরে
শুধু কৃষিতেই শ্রমিক কমেছে। শিল্প ও সেবা খাতে উল্লেখযোগ্য হারে শ্রমিক বেড়েছে।
কৃষিবিদরা মনে করেন, জলবায়ু পরিবর্তন, কৃষিক্ষেত্রে যান্ত্রিকীকরণ এসব কারণে কৃষিতে আগ্রহ কমছে চাষিদের। বৈশ্বিক একটি প্রথাকে বড় কারণ হিসেবে দেখছেন তারা। সেটি হলো, বাবা কৃষিকাজ করলেও সন্তানরা প্রতিষ্ঠিত হয়ে আর কৃষিতে ফিরতে চান না।

জনশুমারির ভিন্ন আরেক দিক নিয়ে প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর, ‘পরিবার আরও ছোট হয়েছে, বেড়েছে ঢাকার জনসংখ্যা’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশে একান্নবর্তী পরিবার আরও কমে গেছে। পরিবারের সদস্যের আকার ছোট হয়ে চারের নিচে নেমে গেছে।
এক দশক আগে ছিল প্রায় সাড়ে চারজন। সেটি কমে হয়েছে তিন দশমিক ৯৮ জন। পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) জনশুমারি ও গৃহগণনার চূড়ান্ত প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
পরিবার ছোট হওয়ার পাশাপাশি জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারও কমে গেছে। দেশে এখন বার্ষিক গড় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার এক দশমিক ১২ শতাংশ। এক দশক আগে ছিল এক দশমিক ৩৭ শতাংশ।
পরিবার ছোট হওয়ার পেছনে দুটি কারণ বলছেন জনসংখ্যাবিশারদেরা। যেমন চাকরি সূত্রে কিংবা ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদের কারণে একান্নবর্তী পরিবার ভাঙছে এবং নারীর ক্ষমতায়ন ও শিক্ষার হার বেড়ে যাওয়ায় সন্তান নেওয়ার হার কমেছে।
প্রতিবেদনে দেখা যায়, সিটি করপোরেশনে জনসংখ্যা বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। সবচেয়ে বেশি মানুষ বসবাস করছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে, প্রায় ৬০ লাখ। এরপর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৪৩ লাখ।
দেশের মোট জনগোষ্ঠীর ৩৪ শতাংশ মানুষ শিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং কর্মসংস্থান কোথাও নেই।











