পত্রিকা:'অন্তর্বর্তী সরকারের ২ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকার নতুন প্রকল্পের ৪২ শতাংশই চট্টগ্রামে'

'অন্তর্বর্তী সরকারের ২ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকার নতুন প্রকল্পের ৪২ শতাংশই চট্টগ্রামে' বণিক বার্তার শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর গত ১৮ মাসে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) ২০টি সভা হয়েছে। সভাগুলোয় অনুমোদন পেয়েছে ১৫৩টি নতুন প্রকল্প।
আর এসব উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে প্রায় ২ লাখ সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকা। এ বরাদ্দের ৪২ শতাংশ অর্থই দেয়া হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে।
অন্যদিকে দারিদ্র্যপীড়িত রংপুর বিভাগে বরাদ্দ গেছে মাত্র ২ দশমিক ৪৪ শতাংশ অর্থ। অবশ্য রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগ বরাদ্দ পেয়েছে আরো কম। রাজশাহীতে মাত্র ১ দশমিক ৩৮ ও বরিশালে শূন্য দশমিক ৮৬ শতাংশ বরাদ্দ গেছে।
অর্থনৈতিকভাবে তুলনামূলক পিছিয়ে থাকা ময়মনসিংহ বিভাগের উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দ হয়েছে মাত্র ৩৭৬ কোটি টাকা, যা মোট বরাদ্দের শূন্য দশমিক ১৭ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের নথিপত্রে উন্নয়ন বরাদ্দে অঞ্চল বা বিভাগভিত্তিক এ বৈষম্যমূলক চিত্র উঠে এসেছে।

'সরকারি চাকুরেরা কোনো পক্ষ নিতে পারবেন না' কালের কণ্ঠের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে গণভোটে সরকারি কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী কোনো পক্ষ নিতে পারবেন না। তারা যদি 'হ্যাঁ' অথবা 'না'-এর পক্ষে প্রচার চালান সেটি হবে দণ্ডনীয় অপরাধ।
গতকাল মঙ্গলবার দুজন নির্বাচন কমিশনার গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২ এবং গণভোট অধ্যাদেশের সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ ও ধারা উল্লেখ করে জানিয়েছেন, শুধু ভোট গ্রহণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাই নন, তারা ছাড়াও যেসব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী গণভোটকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করবেন তাঁদের দণ্ডনীয় অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হতে হবে।
এ বিষয়ে সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও সুপ্রীম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শাহদীন মালিক গতকাল বলেন, বিদ্যমান আইন অনুসারে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারও গণভোটে 'হ্যা' এর পক্ষে প্রচার চালাতে পারেন বলে মনে হয় না।

'গোপালগঞ্জসহ চার জেলায় বাড়তি নজর পুলিশের' প্রথম আলোর শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গোপালগঞ্জসহ চার জেলায় পুলিশের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
ভোটের আগে ও ভোটের দিন নাশকতা, সহিংসতা এবং ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টির আশঙ্কায় এসব এলাকাকে বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও ফরিদপুর জেলায় অতীতের রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা এবং গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে ভিন্ন ধরনের নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
এ ক্ষেত্রে গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালে গোপালগঞ্জে সেনাবাহিনীর ওপর হামলা এবং পরে গত বছরের জুলাইয়ে এনসিপির সমাবেশ ঘিরে হামলা, সংঘর্ষ ও সহিংসতার ঘটনাকে বিশেষভাবে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
এই চার জেলায় ভোটারদের কেন্দ্রে আসা ঠেকাতে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখানোর আশঙ্কা রয়েছে বলে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে এসেছে।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
সমকালের শিরোনাম 'প্রচারের ছয় দিনে আচরণবিধি ভঙ্গের ৮০ অভিযোগ'।
খবরে বলা হচ্ছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারে আচরণবিধি লঙ্ঘন না করার অঙ্গীকার মানছেন অনেকেই। প্রায় সব দলের প্রার্থীরাই আচরণবিধিমালা ভাঙছেন। তফশিল ঘোষণার পর থেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর বিরুদ্ধে এ নিয়ে অভিযোগ আসতে শুরু করে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রতিদিনই এব মাত্রা বাড়ছে।
গত ২২শে জানুয়ারি আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরুর পর গত ছয় দিনে সারাদেশ থেকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের কমপক্ষে ৮০টি লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে। সারাদেশের রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং বিচারকদের নেতৃত্বে গঠিত নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বাস্তবায়ন কমিটিতে জমা হয় এসব অভিযোগ। এর বাইরেও অনেক ঘটনা আছে, যেগুলো নিয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল হয়নি।
নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, গত ২২শে জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরুর পর যেসব অভিযোগ এসেছে, তার মধ্যে আচরণবিধি প্রতিপালনে গঠিত নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বাস্তবায়ন কমিটি (ভ্রাম্যমাণ আদালত) ৩৫টিতে মামলা করেছে। চার লাখ ৫০ হাজার ৬০০ টাকা জরিমানা আদায় করেছে।

'ভোটযুদ্ধে নেই অনেক হেভিওয়েট নেতা' যুগান্তরের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের মাঠে প্রচারণা জমে উঠলেও ছোট-বড় বেশ কয়েকটি দলের হেভিওয়েট নেতা এবার প্রার্থী হননি। তবে সবার ভোটযুদ্ধে না থাকার কারণ এক নয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নানা কারণে এসব প্রার্থী নির্বাচন থেকে দূরে আছেন। বার্ধক্যজনিত কারণে অনেকে নির্বাচন করার ঝুঁকি নেননি। তাদের বদলে উত্তরাধিকার হিসাবে প্রার্থী হয়েছেন স্ত্রী বা সন্তান।
অনেকে রাজনৈতিক বাস্তবতায় কোণঠাসা অবস্থায় থাকার কারণে নির্বাচন থেকে দূরে আছেন। এছাড়া কেউ কেউ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি কারাগারে বা আত্মগোপনে থাকার কারণে।
আবার দু-একজনের অভিযোগ, দেশে নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। সব মিলিয়ে বেশ কয়েকটি দলের শীর্ষ নেতা এবার ভোটে অংশ নেননি।

'দেয়ালের ভাষা নিউজফিডে পোস্টার থেকে পেজে' আজকের পত্রিকার শিরোনাম।
এই খবরে বলা হচ্ছে, নির্বাচনী প্রচারের চেনা দৃশ্যপট বদলে যাচ্ছে। দেয়ালজুড়ে স্লোগান, অলিগলিতে পোস্টারের জঙ্গল— এবার আর এসব দেখা যাচ্ছে না৷
নির্বাচন কমিশনের বিধিতে পোস্টার ও দেয়াললিখন নিষিদ্ধ হওয়ায় প্রার্থীরা বাধ্য হচ্ছেন প্রচারের ধরন পাল্টাতে। সেই শূন্যতা পূরণ করছে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম — ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব থেকে শুরু করে বিভিন্ন সংবাদভিত্তিক, বিনোদন বা ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট।
প্রার্থীদের বড় একটি অংশ প্রচারের বাজেট নতুন করে সাজাচ্ছেন। পোস্টার ছাপা, দেয়াল রং, ব্যানার লাগানোর খরচ কমিয়ে সেই অর্থ ঢালা হচ্ছে ডিজিটাল মাধ্যমে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজ্ঞাপন, কনটেন্ট তৈরি, পেজ ম্যানেজমেন্ট, ডেটা বিশ্লেষণ — সব মিলিয়ে গড়ে উঠছে আলাদা একটি ' ডিজিটাল টিম '।
ডিজিটাল প্রচারের এই বিস্তার নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করলেও এর ব্যয়, স্বচ্ছতা ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রশ্ন ক্রমেই জোরালো হচ্ছে ।
প্রার্থীদের ডিজিটাল টিমগুলো নিয়মিত কনটেন্ট তৈরি, পোস্টের রিচ বাড়ানো, মন্তব্যে প্রতিক্রিয়া জানানো এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রচারণা পর্যবেক্ষণের কাজ করছে।

'কাঁটা ৫১২ অস্ত্র কারবারি' দেশ রূপান্তরের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আমেজ এখন সারা দেশেই। প্রার্থীরা নানা কৌশলে ভোট চেয়ে আবেদন জানাচ্ছেন ভোটারদের কাছে। আবার তাদের সমর্থকরাও সংঘর্ষে লিপ্ত হচ্ছেন। ইতিমধ্যে সারা দেশে অর্ধশত সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
প্রার্থীদের আঘাত-পাল্টা আঘাত এবং তাদের সমর্থকদের সংঘর্ষে জড়ানোর কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হওয়ার উপক্রম হয়েছে। বাড়তি আশঙ্কা তৈরি হয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে।
অস্ত্র কারবারিদের নতুন তালিকা তৈরি করেছে পুলিশের দুটি ইউনিট। তালিকাটি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। অস্ত্র কারবারিদের বিষয়ে গত সপ্তাহে পুলিশ সদর দপ্তরে বিশেষ বৈঠকও হয়েছে।
পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, তালিকায় বলা হয়েছে ঢাকাসহ সারা দেশে ৫১২ অস্ত্র কারবারি গ্রুপ সক্রিয় আছে।
নির্বাচনে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে ওইসব অস্ত্র কারবারিরা, তাদের নিয়ে পুলিশে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা আছে। তাদের দ্রুত আইনের আওতায় নিতে পুলিশের সব ইউনিটপ্রধানকে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
End of বিবিসি বাংলার অন্যান্য খবর:

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম 'ELECTION EXPENSES: Affidavits say Tk 396cr, but is that the real cost?'
খবরে বলা হচ্ছে, আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ১ হাজার ৯৮১ জন প্রার্থী হলফনামায় তাদের নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব দিয়েছেন। এতে নির্বাচনের পেছনে প্রার্থীদের মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৩৯৬ কোটি টাকা।
যদিও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংখ্যাটি বাস্তবসম্মত নয় এবং নির্বাচনী প্রচারের প্রকৃত চিত্র বোঝা যায়না।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) 'আপনার প্রার্থীকে জানুন' ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী পোর্টাল অনুসারে, বিএনপির প্রার্থীরা তাদের খরচ ব্যক্তিগত তহবিল থেকে মেটানোর পরিকল্পনা করেছেন। নির্বাচনী খরচের ৫৬ শতাংশ আসবে তাদের নিজস্ব পকেট থেকে।
অপরদিকে জামায়াতে ইসলামী জানিয়েছে, তাদের প্রচার বাজেটের ৫৮ শতাংশ অনুদানের মাধ্যমে অর্থায়ন করা হবে। যার মধ্যে দলীয় তহবিলও রয়েছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জানিয়েছে, তাদের নির্বাচনী ব্যয়ের ৬২ শতাংশ অনুদানের ওপর নির্ভর করবে।

নিউ এজের শিরোনাম 'Rival parties trade blame as elections near'
খবরে বলা হচ্ছে, নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই পাল্টাপাল্টি দোষারোপ বাড়ছে।
দলগুলো তাদের প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, ভয় দেখানো এবং ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া ব্যাহত করার চেষ্টার অভিযোগ ক্রমশ বাড়িয়ে তুলছে। যা সুষ্ঠু নির্বাচন ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
নির্বাচন বানচাল করার ষড়যন্ত্রের আশঙ্কায় ভোটারদের খেয়াল রাখার জন্য সতর্ক করে দিয়েছে দলগুলো।
প্রার্থী ও সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনায় বেশ কয়েকটি দল নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দায়ের করেছে। যার মধ্যে নারী কর্মীদের লক্ষ্য করে হামলার ঘটনাও রয়েছে।
রাজধানী ও বিভিন্ন স্থানে হয়রানি, ডিম ছোঁড়া এবং সংঘর্ষের খবর প্রচারের পরিবেশের ক্রমবর্ধমান বৈরী প্রতিকূলতা ফুটে উঠছে।
সোমবার সন্ধ্যায় এবং মঙ্গলবার প্রচার চলাকালীন বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে কয়েক ডজন আহত হয়েছে, যার মধ্যে শরীয়তপুরে ২০ জন, সিরাজগঞ্জে ১০ জন এবং নারায়ণগঞ্জে পাঁচজন আহত হয়েছে।

'নিপাহ ভাইরাসের হানা ভারত থেকে সরতে পারে টি-২০ বিশ্বকাপ' নয়াদিগন্তের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, ভারতে প্রাণঘাতী নিপাহ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব এবং এ নিয়ে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে ২০২৬ সালের টি-২০ বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
আগামী ৭ই ফেব্রুয়ারি থেকে টুর্নামেন্টটি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে আয়োজক ভারত ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) মধ্যে বিকল্প ভেনু নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নিপাহ ভাইরাসের একটি নতুন ধরন শনাক্ত হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এরই মধ্যে এক চিকিৎসক ও দুই নার্সসহ অন্তত পাঁচজন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন এবং কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
সংক্রমণ প্রতিরোধে ১০০ জনেরও বেশি মানুষকে কোয়ারেন্টিনে নেয়া হয়েছে। বাদুড় থেকে ছড়ানো এই ভাইরাসের কোনো কার্যকর টিকা বা সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা না থাকায় এবং উচ্চ মৃত্যুহারের কারণে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, জনসমাগমপূর্ণ এই টুর্নামেন্ট ভাইরাসের বিস্তারকে আরো ত্বরান্বিত করতে পারে।

'পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিলেন চার লাখের বেশি প্রবাসী' মানবজমিনের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এখন পর্যন্ত চার লাখের বেশি সংখ্যক প্রবাসী ভোট দিয়েছেন। সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এদিন দুপুর দেড়টা পর্যন্ত ৪ লাখ ২৫ হাজার ৭৭৮ জন প্রবাসী ভোট দেন।
এর মধ্যে ৩ লাখ ৭০ হাজার ৩২২ জন প্রবাসী ভোট দেয়া শেষে সংশ্লিষ্ট দেশের পোস্ট অফিস বা ডাক বাক্সে ব্যালট জমা দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন বলেছে, ইতিমধ্যে ২১ হাজার ৫০৮টি ব্যালট বাংলাদেশে পৌঁছেছে।
বাংলাদেশ থেকে ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২ প্রবাসীর কাছে এ ব্যালট পাঠিয়েছে কমিশন। মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত পর্যন্ত পোস্টাল ব্যালট গ্রহণ করেছেন ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯২০ প্রবাসী। প্রবাসীদের 'যত দ্রুত সম্ভব' ভোট দিয়ে কাছের পোস্ট অফিসে পাঠাতে বলেছে কমিশন।
আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি বিকাল সাড়ে ৪টার মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে ব্যালট পৌঁছালেই কেবল সেটি ভোট গণনায় যুক্ত হবে।








