পত্রিকা: 'সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমছে, বিপরীতে মাদ্রাসায় ভর্তি বেড়েছে'

ঢাকা থেকে প্রকাশিত আজকের যত পত্রিকা
ছবির ক্যাপশান, ঢাকা থেকে প্রকাশিত আজকের যত পত্রিকা

নিউ এইজ পত্রিকার আজকের শীর্ষ খবর - Students drop in general education, rise in madrassahs অর্থাৎ বাংলাদেশে মাধ্যমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমছে, বিপরীতে মাদ্রাসায় ভর্তি বাড়ছে।

বাংলাদেশ ব্যুরো অব এডুকেশনাল ইনফরমেশন অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিকস (ব্যানবেইস) প্রকাশিত শিক্ষা পরিসংখ্যান ২০২৪- প্রতিবেদনে এমন চিত্র উঠে এসেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে স্কুল ও কলেজে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে কয়েক লাখ, যেখানে একই সময়ে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী বেড়েছে প্রায় আড়াই লাখ।

২০২৪ সালে স্কুল স্তরে শিক্ষার্থী ছিল ৯০ লাখ ৬৩ হাজার ৪২২ জন, যা ২০২০ সালের তুলনায় প্রায় ১২ লাখ কম। অন্যদিকে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ লাখ ৯৬ হাজারের বেশি।

শিক্ষাবিদদের মতে, দারিদ্র্য বৃদ্ধি, উচ্চ শিক্ষা ব্যয়, শিশু শ্রম এবং ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক প্রভাব এই পরিবর্তনের মূল কারণ।

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের এমেরিটাস অধ্যাপক ড. মঞ্জুর আহমেদ বলেন, "স্কুল ও কলেজে পড়াশোনা এখন অনেক ব্যয়বহুল। ফলে অনেক পরিবার সন্তানদের মাদ্রাসায় পাঠাচ্ছে, যেখানে খরচ কম।"

বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার বেড়ে ২১.২ শতাংশে পৌঁছেছে, যা গত অর্থবছরের তুলনায় বেশি। স্থানীয় গবেষণা সংস্থা পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার- এর তথ্যেও দেখা যায়, ২০২২ সালের ১৮.৭ শতাংশ থেকে ২০২৫ সালে দারিদ্র্যের হার বেড়ে হয়েছে ২৭.৯৩ শতাংশ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অর্থনৈতিক সংকট ও শিক্ষা ব্যয়ের বোঝা অনেক পরিবারকে সাধারণ শিক্ষা থেকে দূরে ঠেলে দিচ্ছে, কেউ সন্তানদের মাদ্রাসায় পাঠাচ্ছেন, কেউ আবার কাজ শেখাচ্ছেন জীবিকা নির্বাহের জন্য।

নিউ এইজ
ছবির ক্যাপশান, নিউ এইজ
বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন:
কালের কণ্ঠ
ছবির ক্যাপশান, কালের কণ্ঠ

কালের কণ্ঠ পত্রিকার আজকের শীর্ষ খবর- বিদেশের শ্রমবাজারে অশনিসংকেত।

এই প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের বৈদেশিক শ্রমবাজারে বড় ধরনের মন্দা চলছে। সৌদি আরব ছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া ও ওমান এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দেশে এখন আর কর্মী পাঠানো যাচ্ছে না। অন্তর্বর্তী সরকার এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চেষ্টা করলেও এই বাজারগুলো এখনও খোলেনি।

জনশক্তি ব্যুরোর হিসাব বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিদেশে গেছেন ৮ লাখ ১৩ হাজারের বেশি কর্মী, যা ২০২২ ও ২০২৩ সালের একই সময়ের তুলনায় যথাক্রমে ৭.৫ ও ১৭.৮৫ শতাংশ কম। যদিও গত বছরের তুলনায় কিছুটা বৃদ্ধি দেখা গেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের বিদেশি শ্রমবাজার দিন দিন সংকুচিত হচ্ছে। ভরসার বাজার সৌদি আরবেও নানা জটিলতা তৈরি হয়েছে, অবৈধ অভিবাসন, মানবপাচার, আইন লঙ্ঘন ও দক্ষ কর্মীর অভাবের কারণে নতুন ভিসা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। এছাড়া গত বছর পর্যন্ত বন্ধ থাকা ৯টি শ্রমবাজারের একটিও এখনো চালু হয়নি, ফলে কর্মসংস্থানের সুযোগ কমছে।

মানবজমিন
ছবির ক্যাপশান, মানবজমিন
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

মানবজমিন পত্রিকার আজকের খবর - অস্থির ডলারের বাজার

এই খবরে বলা হচ্ছে- বাংলাদেশে আবারও ডলারের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। গত এক সপ্তাহে টাকার বিপরীতে ডলারের দাম বেড়েছে প্রায় ৫৬ পয়সা বা ০.৪৬ শতাংশ। বৃহস্পতিবার আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলারের সর্বোচ্চ দাম দাঁড়ায় ১২২ টাকা ৫০ পয়সা, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি।

ব্যাংকাররা বলছেন, রমজানকে সামনে রেখে প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির এলসি (ঋণপত্র) খোলার পরিমাণ বেড়ে গেছে, ফলে ডলারের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ ব্যাংক নিলামে ডলার কিনে রিজার্ভ ধরে রাখার চেষ্টা করছে, এটাও দাম বাড়ার আরেকটি কারণ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে এলসি খোলা বেড়েছে ১৭ শতাংশের বেশি, আগস্টের ৫.৩৮ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৩০ বিলিয়ন ডলারে।

এদিকে ব্যাংক ও খোলা বাজার উভয় জায়গায়ই ডলারের দাম বেড়েছে। খোলা বাজারে বৃহস্পতিবার প্রতি ডলার বিক্রি হয়েছে ১২৫ টাকা ২০ পয়সায়, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ১২৪ টাকা। মতিঝিলের ব্যবসায়ীরা বলছেন, "হঠাৎ চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বাজারে ডলার পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।"

বণিক বার্তা
ছবির ক্যাপশান, বণিক বার্তা

এই প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে - ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও জাহাঙ্গীরনগর- দেশের চারটি স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্প্রতি ছাত্র সংসদ নির্বাচন হলেও এখনো উপাচার্যরা অনির্বাচিতভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অধ্যাদেশ অনুযায়ী উপাচার্য নিয়োগের আগে সিনেট থেকে তিন সদস্যের প্যানেল নির্বাচিত হওয়ার কথা। কিন্তু দীর্ঘ দেড় বছর ধরে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়েই প্যানেল নির্বাচন হয়নি।

বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষকরা বলছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এখনো পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হয়নি। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক বিবেচনায় উপাচার্য নিয়োগের যে সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল, তা এখনো পরিবর্তন হয়নি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান মনে করেন, উপাচার্য পরিবর্তন বা নিয়োগের সিদ্ধান্ত আইনি ও নৈতিক প্রক্রিয়ার মধ্যেই হতে হবে। তাঁর মতে, যতদিন না নতুন সিনেট নির্বাচন সম্পন্ন হচ্ছে, ততদিন উপাচার্য নিয়োগেও অচলাবস্থা থাকবে।

শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মতে, ছাত্র সংসদ নির্বাচন যেমন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পুনরুত্থান ঘটিয়েছে, তেমনি উপাচার্য প্যানেল নির্বাচন দ্রুত সম্পন্ন না হলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন ফিরে পাবে না।

আজকের পত্রিকা
ছবির ক্যাপশান, আজকের পত্রিকা

আগামী ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীর তালিকা তৈরি করতে নাজেহাল অবস্থায় দলটি। একদিকে নিজেদের প্রার্থীর সংখ্যা সীমিত, অন্যদিকে শরিক দলগুলোকে আসন ছাড়তে হবে, যা হিসাব মেলানোকে কঠিন করে তুলেছে।

দলটি চলতি মাসের মধ্যে প্রায় ২০০ আসনে একক প্রার্থী বাছাই করে সবুজ সংকেত দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। ইতিমধ্যেই শরিক দলগুলোর অন্তত ১৫ জন প্রার্থীকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, তবে আসন বণ্টন নিয়ে আলোচনা এখনও চলছে।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সহ অন্যান্য শরিকদের সঙ্গে জোট ও আসন ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা চলছে, যেখানে এনসিপিকে ৫–৭টি আসন ছাড় দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি, বলছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।

প্রথম আলো
ছবির ক্যাপশান, প্রথম আলো

প্রথম আলো পত্রিকার আজকের শীর্ষ খবর- জুলাই সনদ বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা খুঁজছে কমিশন

জাতীয় ঐকমত্য কমিশন জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের কাঠামো ঠিক করেছে, কিন্তু নিশ্চিত করছে না কীভাবে আগামী সংসদ গঠিত হওয়ার নবম মাসের মধ্যে সনদ কার্যকর হবে। কমিশন ভাবছে, আদেশে একটি বিধান রাখা যেতে পারে, তবে সময়মতো বাস্তবায়ন না হলে কি ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা এখনও নির্ধারণ হয়নি।

১৭ অক্টোবর পর্যন্ত সনদে ২৫টি রাজনৈতিক দল ও জোট সই করেছে, কিন্তু জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ পাঁচটি দল এখনও সই করেনি। সূত্র জানায়, এনসিপি নিশ্চিত বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা ছাড়া সই করতে আগ্রহী নয়।

কমিশন আশা করছে, সব দল সনদে সই করবে, আর বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা না থাকলে সংস্কারের দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কমিশনের মেয়াদ ৩১ অক্টোবর শেষ হচ্ছে, এবং এর মধ্যে তারা অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে সুপারিশ উপস্থাপন করবে।

সংবাদ
ছবির ক্যাপশান, সংবাদ

এই খবরে বলা হচ্ছে- জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জানিয়েছে, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিশ্চিত হওয়ার আগে তারা নির্বাচনী জোট গঠনে কোনো সিদ্ধান্তে আগ্রহী নয়। এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেছেন, কমিশন খসড়া আদেশ প্রস্তুত করছে এবং সেটি পক্ষপাতমুক্ত ও জাতীয় স্বার্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।

২৫ অক্টোবর জাতীয় সংসদের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে অংশগ্রহণ করে এনসিপি, যার মধ্যে ছিল দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদস্যরা। আখতার হোসেন বলেন, সনদ বাস্তবায়নের বিষয় নিশ্চিত হলে তারা সই করার বিষয়ে আগ্রহী হবে।

তিনি আরও জানান, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য এনসিপি সকল দলের জন্য জোটের দরজা খোলা রেখেছে, তবে এখনও কোনো আসন বা জোট বিষয়ে চূড়ান্ত আলোচনা হয়নি। এনসিপি চাইছে, খসড়া আদেশ যেন "জাতির সবার সম্পদ" হিসেবে সকলের জন্য গ্রহণযোগ্য হয়।

দ্য ডেইলি স্টার
ছবির ক্যাপশান, দ্য ডেইলি স্টার

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার আজকের খবর - Mirpur factory fire: Warehouse owner ran illegal chemical trade for 15 years অর্থাৎ - মিরপুর কারখানা আগুন: ১৫ বছর ধরে অবৈধ রাসায়নিক ব্যবসা চালাচ্ছিলেন মালিক।

এই খবরে বলা হচ্ছে- মিরপুর শিয়ালবাড়িতে আলম ট্রেডার্সের রাসায়নিক গুদামে আগুনে ১৬ জনের মৃত্যু ঘটার একাদশ দিনেও মালিক শাহ আলম লাপাত্তা রয়েছেন। স্থানীয়রা ও শ্রমিকদের মতে, আলম ১৫ বছর ধরে অবৈধ রাসায়নিক ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ব্যবসা সম্প্রসারণ করলেও কাউকে কোনো প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়তে হয়নি।

পুলিশ জানায়, এলাকার আরও দুটি গুদাম খুঁজে পাওয়া গেছে এবং সব রাসায়নিক ব্যবসায়ী পালিয়ে আছেন। আগুনের পর বিষাক্ত ধোঁয়া কয়েকদিন স্থায়ী হয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করেছিল। নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে মৃত্যু-অবহেলার অভিযোগে আলমসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, আলম অঞ্চলে তিনটি আবাসিক ভবন ও তিনটি বাণিজ্যিক প্লটের মালিক, এবং নিজে দ্বিতীয় তলায় বসবাস করতেন। রাসায়নিক ব্যবসা তিনি অফিস থেকে পরিচালনা করতেন, যা তার আবাসনের মাত্র ১০০ গজ দূরে অবস্থিত। এলাকাটি ঘনবসতিপূর্ণ শিল্পাঞ্চল, যেখানে গার্মেন্টস, প্রিন্টিং প্রেস, ধোয়া ও প্যাকেজিং কারখানা ও রাসায়নিক গুদাম রয়েছে।

নয়া দিগন্ত
ছবির ক্যাপশান, নয়া দিগন্ত

এই খবরে বলা হচ্ছে- আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেছেন, শহীদদের বীরত্বগাথা ও গুমের ঘটনা প্রকাশ করা জাতির ইতিহাস সংরক্ষণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষায় সচেতন করবে।

দৈনিক নয়া দিগন্তের ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, প্রতিটি শহীদ ও গুমের ঘটনা শুধু ব্যক্তিগত নয়, এটি জাতির ইতিহাসের অংশ। এগুলো এক এক করে তুলে ধরতে হবে যাতে পুনরায় একই অবস্থা সৃষ্টি না হয়।

তিনি দেশের তরুণ প্রজন্মের সাহস ও জুলাই-অগাস্টের বিপ্লবকে উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও শহরের দেয়ালে লেখা গ্রাফিতি ও ছোট স্লোগানগুলো এই নতুন প্রজন্মের ন্যারেটিভকে প্রতিফলিত করছে। চিফ প্রসিকিউটর বলেন, গত স্বৈরশাসনের সময় তৈরি মিথকে ভেঙে তরুণরা একটি নতুন বিপ্লবের সূত্রপাত করেছে, যা যুগে যুগে বিরল ঘটনা।

যুগান্তর
ছবির ক্যাপশান, যুগান্তর

এই প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে - গাজীপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্প বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, করিডর নির্বাচনে ভুলের কারণে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা খরচ হয়েছে, যা ইতোমধ্যেই অপচয় হয়েছে। প্রকল্প বিশ্বের যেকোনো বিআরটির চেয়ে ছয় গুণ বেশি সময় নিয়ে এবং চার গুণ বেশি খরচে অদ্যাবধি শেষ হয়নি।

প্রকল্পটি এখন বিশেষায়িত বাস লেনের পরিবর্তে সাধারণ চার লেন সড়ক হিসেবে ব্যবহার হবে। একটি কারিগরি কমিটি তৈরি করা হচ্ছে, যা প্রকল্পের সামগ্রিক মূল্যায়ন করবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যাদের কারণে এই ক্ষতি হয়েছে, তাদের আইনের আওতায় আনা জরুরি, যাতে ভবিষ্যতে এমন অনিয়মের পুনরাবৃত্তি কমানো যায়।

সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ২০.৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রুটে অকারণে ফ্লাইওভার নির্মাণ ও অন্যান্য পরিকল্পনার ভুলের কারণে ব্যয় ও সময় বেড়েছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান জানান, বিভিন্ন মূল্যায়নে প্রকল্প ভুল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, তাই সরকার এটি সাধারণ যান চলাচলের জন্য ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।