‘ব্যবসা গোটাচ্ছে দেড় শতাধিক কম্পানি’

সংবাদপত্র

ব্যবসা গোটাচ্ছে দেড় শতাধিক কম্পানি’ কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, অর্থনৈতিক সংকটসহ বিভিন্ন কারণে গত দুই মাসে সিটি গ্রুপ, বিএসআরএম, ইউএস-বাংলাসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন গ্রুপের দেড় শতাধিক কম্পানি তাদের ব্যবসা গুটিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এরই মধ্যে জুলাই-সেপ্টেম্বরে ৮৩টি কোম্পানি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। বন্ধের যে ধারা, তাতে বিশ্লেষকরা একে কিছুটা অস্বাভাবিক বলছেন।

কারণ গত অর্থবছরে ২৭৫টি বন্ধ করা হলেও এ অর্থবছরের গত তিন মাসের যে ধারা তাতে ধারণা করা হচ্ছে যে অর্থবছর শেষে এই সংখ্যা অনেক বেশি হবে।

এ অবস্থায় ব্যবসার পরিবেশের উন্নতি না হলে আরো কোম্পানি বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের।

এমনকি বিনিয়োগ আকর্ষণে উদ্যোগ না থাকায় নতুন সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে সমস্যা সমাধানে সরকারের সহযোগিতা চান ব্যবসায়ীরা।

কোম্পানিগুলোর দেয়া তথ্য অনুযায়ী, কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী স্থায়ীভাবেই প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

কালের কণ্ঠ

‘ভারত ছেড়ে আরব আমিরাতে হাসিনা!’ নয়াদিগন্ত পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।

এই প্রতিবেদনে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বর্তমান অবস্থানের কথা বলা হয়েছে ।

সংবাদটিতে বলা হয়েছে, প্রথমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অসমর্থিত সূত্রে কেউ কেউ দাবি করছিলেন যে বাংলাদেশের পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত থেকে অন্য কোনো দেশে আশ্রয় নিয়েছেন।

কিন্তু গতকাল বাংলাদেশের একটি বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেলের অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত এক সংবাদে বলা হয়, শেখ হাসিনা ভারত থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতে গেছেন।

ওই সংবাদে উল্লেখ করা হয়, দেশটির আজমাইন শহরে তিনি আশ্রয় নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরব আমিরাতের এই শহরে নারায়ণগঞ্জের সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের ব্যক্তিগত একটি বাড়ি আছে বলে জানা যায়। হাসিনা সেখানেই উঠেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সংবাদে আরো দাবি করা হয়, শেখ হাসিনা ভারত ছেড়েছেন বলে কয়েকটি সূত্রে জানা গেছে।

কোন প্রেক্ষাপটে এবং কী শর্তে শেষমেশ আরব আমিরাত আজমাইন শহরে শেখ হাসিনাকে আশ্রয়ের অনুমতি দিয়েছে সে সম্পর্কেও সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য এখনো নিশ্চিত করে বলতে পারেনি কোনো মিডিয়া।

নয়াদিগন্ত
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

স্বস্তি সংস্কার উদ্যোগে অস্বস্তি বাজারে’ যুগান্তর পত্রিকার প্রথম পাতার একটি শিরোনাম।

সংবাদটিতে অন্তর্বর্তী সরকারের দুই মাস পূর্ণ হওয়ার পর এখন দেশে যে অবস্থা তা তুলে ধরা হয়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, পরিবর্তিত পরিস্থিতির মুখে যে অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে, সেটি এখনো ঠিক হয়নি।

তাদের মতে, দুই মাসে সবকিছু পরিবর্তন বা বদলে যাবে, সেটাও আশা করা বাস্তবসম্মত হবে না।

এ প্রসঙ্গে সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানান, দু’মাসের অর্থনৈতিক সংস্কারের কার্যক্রম নিয়ে আমি খুশি, বেশি খুশি। আমাদের লক্ষ্য অনুযায়ী সব কাজই করতে পেরেছি।

অন্তর্বর্তী সরকারের দুই মাসে অর্থনীতিতে রক্তক্ষরণ কিছুটা বন্ধ হয়েছে, তবে টেকসই কতটা হবে, সেটি অনেকটা অনিশ্চিত এমন মন্তব্য করেছেন বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন।

তিনি আরও বলেন, অর্থনীতি তিন বছর ধরে একটা টানাপোড়েনের মধ্যে ছিল। সার্বিকভাবে সেই অবস্থা এখনো রয়ে গেছে। গত দুই মাসে মূল্যস্ফীতির হার সামান্য কিছু কমার লক্ষণ দেখা গেলেও তা উল্লেখযোগ্য নয়।

খাদ্য মূল্যস্ফীতির গতি থামছেই না, যা সাধারণ মানুষকে সবচেয়ে ভোগাচ্ছে। তৈরি পোশাক খাত এখন ঠিক হয়নি। নিরাপত্তার দিক থেকে স্বস্তিতে নেই।

উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। শিল্প এলাকায় স্বস্তিদায়ক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি। প্রায় প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও বিক্ষোভ ছাড়াও হামলা-ভাঙচুরের মতো ঘটনা ঘটছে।

যুগান্তর

‘রাজধানীর সড়ক বেহাল চলাচলে নাজেহাল’ সমকাল পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের রাস্তা সরেজমিন পরিদর্শন করে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ঢাকার দুই সিটির অধিকাংশ সড়কই এখন বেহাল। কোথাও গর্ত তো কোথাও উঠে গেছে কার্পেটিং। এখন গোটা ঢাকায় মসৃণ সড়কের দেখা মেলা ভার।

সরকার পতনের পর পালিয়ে গেছেন ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র আতিকুল ইসলাম ও দক্ষিণ সিটির মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। গা ঢাকা দিয়েছেন কাউন্সিলরাও। ফলে যেসব সড়কে সংস্কার কাজ চলছিল, তা থমকে গেছে।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, সরকারি হিসাবে দেশে বছরে ডিমের উৎপাদন হয় দুই হাজার ৩৭৪ কোটি ৯৭ লাখ পিস। এর বিপরীতে চাহিদা রয়েছে এক হাজার ৮০৯ কোটি ৬০ লাখ পিস।

এ হিসাবে চাহিদার তুলনায় উদ্বৃত্ত থাকছে ৩০ শতাংশ। অথচ ব্যবসায়ীরা উৎপাদনের সংকট দেখিয়ে প্রতিদিনই বাড়াচ্ছেন ডিমের দাম।

এক সপ্তাহের ব্যবধানে ডজনপ্রতি বেড়েছে ২০-৩০ টাকা পর্যন্ত। খোলাবাজারে এখন প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায়।

প্রান্তিক খামারিদের অভিযোগ, দেশের পোলট্রি পণ্যের বাজারের সিংহভাগই বড় কয়েকটি কোম্পানির দখলে। তারাই মূলত বাজারের গতিপ্রকৃতি নিয়ন্ত্রণ করছে। অথচ বেশি দামে ডিম বিক্রি হলেও প্রান্তিক খামারিরা পাচ্ছেন না ন্যায্যমূল্য।

বণিক বার্তা

‘দুই সচিব গভর্নরে সর্বনাশ’ দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।

দেশের অর্থনীতি কেমন হবে তা নির্ভর করে ব্যাংক খাতের ওপর। আবার পুরো ব্যাংক খাত নিয়ন্ত্রণ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংককে বলা হয় অর্থনীতির মূল ভিত্তি।

এ কারণে দেশের অর্থনীতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের অবদান অনেক বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকে চলতি গভর্নরসহ ১৩ জন দায়িত্ব পালন করেছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচিত ও সমালোচিত সাবেক দুই গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার ও ফজলে কবির। যারা অর্থ সচিব থেকে গভর্নর হয়েছেন। তাদের সময়ে ব্যাংক খাতে বড় অনিয়ম হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, তাদের কারণেই ডুবতে বসেছে পুরো ব্যাংক খাত।

দেশ রূপান্তর

বাজার নিয়ন্ত্রণে বিশেষ টাস্কফোর্স’ মানবজমিন পত্রিকার প্রথম পাতার একটি শিরোনাম।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলা পর্যায়ে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে সরকার।

টাস্কফোর্সের সদস্য হলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বা উপযুক্ত প্রতিনিধি, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বা উপযুক্ত প্রতিনিধি, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বা উপযুক্ত প্রতিনিধি, কৃষি বিপণন কর্মকর্তা বা সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তা, ক্যাবের প্রতিনিধি, দুই জন শিক্ষার্থী প্রতিনিধি।

এছাড়া জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালককে টাস্কফোর্সের সদস্য সচিব করা হয়। টাস্কফোর্স প্রয়োজনে সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে আহ্বায়ক করে গঠন করা এ টাস্কফোর্স নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রীর বাজার পরিস্থিতি ও সরবরাহ চেইন তদারক ও পর্যালোচনা করবে।

সোমবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রথম আলো

এক সপ্তাহে সারা দেশে গ্রেপ্তার ৭ হাজারের বেশি’ প্রথম আলো পত্রিকার প্রথম পাতার একটি শিরোনাম।

গত এক সপ্তাহে সারা দেশে সাত হাজারের বেশি ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ও রেঞ্জ।

তাদের মধ্যে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হতাহতের ঘটনায় করা মামলার পাশাপাশি মাদক, খুন, ছিনতাই, ডাকাতিসহ অন্যান্য অপরাধের আসামিও রয়েছেন বলে বলা হয়েছে সংবাদটিতে।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও দলের নেতা–কর্মীদের বিদেশে পালিয়ে যাওয়া নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

এ ছাড়া চিহ্নিত অস্ত্রধারীদের গ্রেপ্তারে ধীরগতিরও সমালোচনা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের দুই মাসের মাথায় এসে আসামি গ্রেপ্তারে পুলিশের তৎপরতা কিছুটা বেড়েছে।

The Business Standard

Govt announces full list of 9-member commission to reform constitution’ The Business Standard পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।

অর্থাৎ সংবিধান সংস্কারে নয় সদস্যের কমিশনের পূর্ণাঙ্গ তালিকা ঘোষণা করেছে সরকার।

‘সাংবিধানিক সংস্কার কমিশন’-এর নেতৃত্ব দেবেন অধ্যাপক আলী রিয়াজ।

নয় সদস্য বিশিষ্ট সাংবিধানিক সংস্কার কমিশনের পূর্ণাঙ্গ তালিকা ঘোষণা করে সাতই অক্টোবর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

‘সাংবিধানিক সংস্কার কমিশন’ অন্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক সুমাইয়া খায়ের ও অধ্যাপক মুহাম্মদ একরামুল হক, ব্যারিস্টার ইমরান সিদ্দিক, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া, ব্যারিস্টার মঈন আলম ফিরোজী, লেখক ফিরোজ আহমেদ, মানবাধিকার কর্মী মো. মুস্তাইন বিল্লাহ এবং ছাত্র প্রতিনিধি ও ছাত্রদলের প্রতিনিধি ড. প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মোঃ মাহফুজ আলম।

The Daily Star

‘Public order yet to be fully restored’ The Daily Star পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।

অর্থাৎ জনশৃঙ্খলা এখনো পুরোপুরি ফিরে আসেনি।

গত পাঁচই অগাস্ট শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর জনগণের আস্থা হারিয়ে সারাদেশে থানাগুলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় হিমশিম খাচ্ছে।

জুলাই-আগস্টের বিদ্রোহের সময় পুলিশ তাদের ভূমিকার কারণে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সম্মুখীন হয়েছে। যার ফলে পুলিশের সম্পত্তি এবং যানবাহনে ব্যাপক হামলা হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর দুই মাস পার হলেও বাহিনীর বিশ্বাসযোগ্যতা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে।

বেশ কয়েকটি উদাহরণ তুলে ধরা হয়েছে সংবাদটিতে।

এর মধ্যে একটি হলো, গত তেসরা অক্টোবর সকাল ১১টার দিকে সাভারের নিমেরটেক এলাকায় আসমা বেগমের বাড়িতে একদল লোক হামলা চালায়। তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা আসমাকে মারধর করে তারা।

আসমার কিশোর ছেলে অন্যান্য স্থানীয়দের সাথে মোবাইল ফোনে গেম খেলার বিরোধের জের ধরে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ।

হামলার পর আসমা বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে সাভার মডেল থানায় একটি মামলা করেন। পরদিন পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করার কথা থাকলেও তা হয়নি।

নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত আসমা এখন অন্যত্র বসবাস করছেন।