আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
রিপাবলিকানরাই এগিয়ে নিম্নকক্ষে, তবে এখনো চলছে ভোট গণনা
যুক্তরাষ্ট্রের সংসদ নির্বাচনের ভোট গণনা এখনো চলছে, তবে আইনসভার নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে রিপাবলিকানরাই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।
কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের আসন সংখ্যা ৪৩৫। এতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে হলে একটি দলকে অন্তত ২১৮টি আসনে জিততে হবে।
এর মধ্যে এ পর্যন্ত রিপাবলিকানরা জিতেছে ২১০টিতে আর ডেমোক্র্যাটরা ১৯২টিতে।
বাকি আসনগুলোর ফলাফল কী হবে তা এখনো স্পষ্ট নয়, এগুলোতে ভোট গণনা শেষ হতেও আরো কয়েকদিন লাগতে পারে।
অন্যদিকে উচ্চকক্ষ সেনেটের ১০০ আসনের মধ্যে ৩৫টিতে এবার নির্বাচন হচ্ছে এবং এখন পর্যন্ত ডেমোক্র্যাটদের দখলে আছে ৪৮টি এবং রিপাবলিকানদের আছে ৪৯টি আসন।
জর্জিয়ায় কোন প্রার্থীই ৫০ শতাংশ ভোট পাননি তাই সেখানকার নিয়ম অনুযায়ী চার সপ্তাহ পর শীর্ষ দুই প্রার্থীর মধ্যে দ্বিতীয় দফা ভোট যুদ্ধ হবে।
সেনেটের নির্বাচনের দেখা যাচ্ছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। আরিজোনা, জর্জিয়া ও নেভাদার ফলাফল এখনো আসেনি।
এ তিনটির মধ্যে অন্তত দুটিতে যে দল জিতবে - তারাই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে।
আমেরিকায় প্রতিবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দু’বছর পর এই নির্বাচন হয়ে থাকে – যার ফলাফলে নির্ধারিত হবে যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের শাসনকালের বাকি দুটি বছরে ক্ষমতার ভারসাম্য কেমন হবে ।
এখন পর্যন্ত পাওয়া ফলাফল অনুযায়ী রিপাবলিকানরা কংগ্রেসের নিম্নকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন বড় বাধার মুখে পড়বে।
তবে তিনি বলেছেন – তিনি রিপাবলিকানদের সাথে কাজ করতে প্রস্তুত, এবং আগামী সপ্তাহেই তিনি দুদলের মধ্যে একটি ‘বাই-পার্টিজান’ বৈঠকে বসবেন।
বর্তমান প্রেসিডেন্ট বাইডেনের জনপ্রিয়তায় নিম্নগতি, মুদ্রাস্ফীতি, আর মার্কিন রাজনীতিতে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রভাবের কারণে রিপাবলিকানরা এবার অনেক রাজ্যে জয়ী হবার আশা করছিলেন।
কিন্তু এখন পর্যন্ত ফলাফলে সেই কথিত ‘লাল ঢেউ’এর কোন চিহ্ন দেখা যায়নি।
রিপাবলিকানরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে এমনটা মনে হলেও দেখা যাচ্ছে - সেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা হবে খুবই সামান্য।
প্রেসিডেন্ট বাইডেন এ ফলাফলে স্বস্তি প্রকাশ করে বলেছেন, ডেমোক্র্যাটরা যা ভাবা গিয়েছিল তার চেয়ে ভাল করেছে এবং কোন ‘লাল ঢেউ’ দেখা যায়নি ।
আর ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই বলেছেন যে এ নির্বাচনের ফলাফল কিছুটা হতাশাজনক।