'বাংলাদেশের নির্বাচন পাকিস্তানের চেয়ে অনেক ভালো হয়েছে: প্রতিমন্ত্রী'

ছবির উৎস, BBC Bangla
‘Bangladesh elections much better than Pakistan: state minister’ অর্থাৎ, বাংলাদেশের নির্বাচন পাকিস্তানের চেয়ে অনেক ভালো হয়েছে: প্রতিমন্ত্রী। খবরটি নিউ এজ পত্রিকার প্রথম পাতার।
মঙ্গলবার মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) আয়োজিত প্রথম ত্রৈমাসিক সভায় বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু গত আটই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনের সাথে বাংলাদেশের সাত জানুয়ারির সংসদ নির্বাচনকে তুলনা করেন।
প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য, এক মাসের মাঝে দুই দেশে সাধারণ নির্বাচন হয়েছে এবং পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশের নির্বাচন অনেক ভালো হয়েছে।

ছবির উৎস, BBC Bangla
‘মাঠের নেত্রীদেরই বেছে নিল আ.লীগ’, এটি দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রথম পাতার খবর। এতে বলা হয়েছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনে পর্দার অভিনেত্রী নন, একেবারেই মাঠের নেত্রীদের প্রাধান্য দিয়ে মনোনয়ন দিয়েছে আওয়ামী লীগ।
গত ১৪ই ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন মনোনয়ন বোর্ড ১ হাজার ৫৫৩ জনের মনোনয়ন ফরম যাচাই-বাছাই শেষে ৪৮টিকে চূড়ান্ত করেছে।
চূড়ান্ত মনোনীতদের ৩৪ জনই প্রথমবারের মতো মনোনয়ন পেয়েছেন এবং তারা তৃণমূলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, “সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে তৃণমূলের রাজনীতিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।”
‘ফখরুল-খসরুর জামিন মুক্তিতে বাধা নেই’, এটি মানবজমিন পত্রিকার শেষ পাতার খবর। এতে বলা হয়, প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা ও নাশকতার অভিযোগে রমনা থানার মামলায় বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর জামিন মঞ্জুর করেছে আদালত।
গত ১৪ই ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক ফয়সাল আতিক বিন কাদেরের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এ মামলায় এর আগে বিভিন্ন দফায় হাইকোর্ট ও নিম্ন আদালতে মোট চারবার মির্জা ফখরুল ও আমীর খসরুর জামিন আবেদন খারিজ হয়।

ছবির উৎস, BBC Bangla
‘বিচার চেয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ আদিবাসী সংগঠনগুলোর’, খবরটি কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রথম পাতার। এতে বলা হয়েছে, ডেইলি স্টারের নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ আশফাকুল হকের বাসা থেকে পড়ে কিশোরী গৃহকর্মী প্রীতি ওরাংয়ের মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলা বড় অঙ্কের টাকার বিনিময়ে বানচালের চেষ্টা চলছে।
গতকাল, অর্থাৎ ১৪ই ফেব্রুয়ারি বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে এসব অভিযোগ করেছে আদিবাসী ছাত্র, যুব ও নারী সংগঠনগুলো। তাদের ভাষ্য, প্রীতির লাশ বুঝিয়ে দেওয়ার সময় দুই লাখ টাকা দিয়ে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।
গত ৬ ফেব্রুয়ারি সকালে মোহাম্মদপুরের শাহজাহান রোডের আটতলার ফ্ল্যাট থেকে পড়ে যাওয়া প্রীতি ওরাংকে নিচতলার গ্যারেজের ওপর থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যান বাসার কেয়ারটেকার। এ ঘটনায় নিহত প্রীতির বাবা লুকেশ ওরাং বাদী হয়ে অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগে মোহাম্মদপুর থানায় একটি মামলা করেন।

ছবির উৎস, BBC Bangla
‘ড. ইউনূসের বিচারে অস্বাভাবিক গতি, যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ’, এটি নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রথম পাতার একটি খবর। এতে বলা হয়েছে যে গতকাল, অর্থাৎ ১৪ই ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটনে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার এক প্রশ্নের উত্তরে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম আইনে দায়ের করা মামলার বিচার অস্বাভাবিক দ্রুত গতিতে হওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ জানান।
তিনি বলেন, “আরও মামলার অভিযোগপত্র অনুমোদন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। আমরা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের সাথে অভিন্ন উদ্বেগ প্রকাশ করে বলছি, এসব মামলায় ড. ইউনূসকে হয়রানি ও ভীতি প্রদর্শনের জন্য বাংলাদেশের শ্রম আইনের অপব্যবহার করা হতে পারে।”
তিনি আরও বলেন যে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম এবং দুর্নীতি দমন আইনের ফলে বাংলাদেশে আইনের শাসন নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে এবং এটি সরাসরি ভবিষ্যৎ বিদেশি বিনিয়োগকে (এফডিআই) বাধাগ্রস্ত করতে পারে। “যেহেতু আপিল প্রক্রিয়া চলছে, তাই বাংলাদেশ সরকারকে আমরা ড. ইউনূসের জন্য সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে উৎসাহিত করছি।”

ছবির উৎস, BBC Bangla
বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
‘গ্রামীণ টেলিকম ভবনে দিনভর গুমোট ভাব’, এটি আজকের পত্রিকার শেষের পাতার খবর। এতে বলা হয়েছে, রাজধানীর মিরপুরে গ্রামীণ টেলিকম ভবনে থাকা আটটি প্রতিষ্ঠানের অফিস নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে গ্রামীণ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
গত ১৩ই ফেব্রুয়ারি গ্রামীণ ব্যাংক থেকে যাওয়া কিছু লোক ঐ অফিসগুলো নিয়ন্ত্রণে নেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, তারা শুনেছেন যে গ্রামীণ ব্যাংকের ২০-২২ জন লোক এসে ভবনের ভেতর প্রবেশ করেন এবং নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর তালাও দেন।
এ বিষয়ে গ্রামীণ টেলিকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল ইসলাম বলেন, “গ্রামীণ ব্যাংকের লোকজন এসেছেন। তারা মিলমিশ করার প্রস্তাব দিয়েছেন। তবে এভাবে কাজ করা অস্বস্তিকর।”
‘বাজারে চার পণ্যের দর ‘এক আনা’ও কমেনি’, এটি সমকাল পত্রিকার প্রথম পাতার খবর। এতে বলা হয়েছে, রোজার আগে দামের রাশ টানতে চাল, চিনি, ভোজ্যতেল ও খেজুরের আমদানি শুল্ক কমিয়েছে সরকার। তবে সপ্তাহ ঘুরলেও বাজারে পণ্যের দর এক আনাও কমেনি।
অনেকেরই ধারণা, শুল্ক কমালে বাজারে পণ্যের দর কমবে। তবে অতীতেও ভোক্তারা এর সুফল পাননি।
এ বিষয়ে আমদানিকারকদের দাবি, শুল্ক কমানোর সুবিধা খেয়ে ফেলেছে ডলার। এখন এক ডলার কেনাবেচা হচ্ছে ১১২ টাকার বেশি দরে। কোনও কোনও এলসি’র ক্ষেত্রে এর চেয়েও বেশি দাম গুনতে হচ্ছে। তাই, ডলারের দাম না কমালে শুল্ক কমিয়ে লাভ নেই।

ছবির উৎস, BBC Bangla
‘শিগগিরই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসবে, আশা প্রধানমন্ত্রীর’, এটি প্রথম আলো পত্রিকার খবর। এখানে বলা হয়েছে যে ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ গুরুত্বপূর্ণ অর্থনীতির দেশগুলোতে মূল্যস্ফীতি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে আসবে বলে পূর্বাভাস রয়েছে।
এমন অবস্থায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি, খাদ্যপণ্য ও সারের মূল্য কমে আসা, দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় এবং খাদ্য সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য সরকারি উদ্যোগের প্রভাবে শিগগিরই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে বলে আশা করা যায়।
গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের সংসদ সদস্য মুজিবুল হকের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।
দৈনিক ইত্তফাকের একটি প্রতিবেদনের শিরোনাম- ‘মিয়ানমারের ৩৩০ জনকে ফেরানো হচ্ছে সাগরপথে’। এতে বলা হয়েছে, মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী, সেনাবাহিনী, শুল্ক কর্মকর্তাসহ বাংলাদেশে ঢুকে পড়া ৩৩০ জনকে বৃহস্পতিবার, অর্থাৎ ১৫ই ফেব্রুয়ারি বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশের (বিজিবি) তত্ত্বাবধানে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এদিন সকাল আটটায় কক্সবাজারের ইনানিতে নৌবাহিনীর জেটিঘাট থেকে নৌবাহিনীর একটি জাহাজে করে তাদেরকে সাগরপথে নিয়ে যাওয়া হবে। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের নাফ নদীর তীরে মংডু নদীবন্দর এলাকা থেকে ঐ দেশের কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হবে তাদের।
মিয়ানমারের অভ্যন্তরে নেবাহিনী ও সশস্ত্র বাহিনীগুলোর মাঝে চলমান সংঘর্ষ থেকে প্রাণে বাঁচতে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি থেকে তারা দফায় দফায় এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।
‘এত সেতুর চাপে পদ্মার প্রাণ থাকবে তো?’, বণিক বার্তার প্রথম পাতার খবর এটি। এতে বলা হয়েছে, পদ্মা নদীতে নতুন করে আরও ছয়টি সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা করছে সরকার।
পদ্মায় এখন দু’টি সেতু আছে। একটি শতবর্ষী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, আরেকটি ২০২২ সালে চালু হওয়া পদ্মা সেতু। এদিকে, নাসার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৮৮ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে তুলনামূলকভাবে সংকীর্ণ হয়েছে পদ্মা। সোজা অবস্থান থেকে পরিবর্তিত হয়ে আঁকাবাঁকা হয়েছে নদীর গতিপথ।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছে, নতুন করে এ নদীতে আরও সেতু নির্মিত হলে নদীর পানিপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যাবে বা ক্ষীণ হয়ে পড়বে। এর ফলে নদীর অস্তিত্বই সংকটে পড়ে যাবে।








