'সংখ্যালঘু ইস্যুতে কূটনীতিকদের ব্রিফ করবে সরকার'

সংখ্যালঘু ইস্যুতে কূটনীতিকদের ব্রিফ করবে সরকার— মানবজমিনের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম এটি।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ধর্মীয় সংখ্যালঘু ইস্যুতে কূটনীতিকদের অবহিত করবে সরকার। পাশাপাশি ইসকনসহ সাম্প্রতিক ঘটনা প্রবাহের বিষয়েও সরকারের অবস্থান খোলাসা করা হবে।
মূলত এই ক’দিনে বাংলাদেশ নিয়ে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন ফোরামে সরকারের প্রতিনিধিরা যা বলেছেন তারই সারাংশ তুলে ধরা হবে ব্রিফিংয়ে।
এজন্য আজ সোমবার এক জরুরি কূটনৈতিক ব্রিফিং আহ্বান করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। কেবল হাইকমিশনার বা মিশন প্রধান নন, যেকোনো কূটনীতিকই এতে অংশ নিতে পারবেন। ডিপ্লোমেটিক মিশন নয় এমন আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং সংগঠনের প্রতিনিধিদের এবার দাওয়াতের বাইরে রাখা হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে ইসকনসহ সংখ্যালঘু ইস্যুতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে নানা রকম খবর ছাপা হচ্ছে। যার অনেকটাই অসত্য বলে দাবি পররাষ্ট্র উপদেষ্টাসহ সরকারের দায়িত্বশীল প্রতিনিধিদের। সরকার তাদের দাবির পক্ষে কূটনৈতিক ব্রিফিংয়ে দালিলিক প্রমাণ হাজির করবে এমনটা বলা হচ্ছে।
এর বিরুদ্ধে সরকার পেশাদার কূটনীতিকদের সহায়তা চাইবেন বলেও এতে বলা হয়েছে।

তারেকের দেশে ফেরার বাধা আরও ৪ মামলা— আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার খবর এটি।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, একুশে অগাস্টের গ্রেনেড হামলার ঘটনায় দুই মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান খালাস পেলেও এখনও চারটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত তিনি। সেসব মামলায় হওয়া শাস্তি তার দেশে ফেরার ক্ষেত্রে বাধা।
তবে, এই মামলাগুলোকে মিথ্যা দাবি করে তারেক রহমানের আইনজীবীরা বলছেন, সাজাপ্রাপ্ত ওই চারটি মামলায়ও তিনি ন্যায়বিচার পাবেন বলে তাদের প্রত্যাশা।
যে চার মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সাজা ঝুলছে, এর মধ্যে একটি হচ্ছে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলা। যেটিতে তারেক রহমানকে ২০২৩ সালে নয় বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
তারেক রহমানকে পলাতক ঘোষণা করে এই মামলার বিচারকাজ শেষ করা হয়। পলাতক থাকায় এই মামলায় আপিল হয়নি।
সিঙ্গাপুরে অর্থ পাচারের অভিযোগে আরেক মামলায় ২০১৩ সালে নিম্ন আদালতে খালাস পেলেও দুদকের আপিলে ২০১৬ সালে তারেক রহমানকে সাত বছরের সাজা দেন হাইকোর্ট।
২০১৮ সালের আটই ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় তারেকের ১০ বছরের দণ্ড হয়। এছাড়া, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে মানহানির এক মামলায় ২০২১ সালের চৌঠা ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানকে নড়াইলের একটি জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দুই বছরের কারাদণ্ড দেন।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
সংবাদের আজকের প্রধান শিরোনাম— ২১শে অগাস্ট গ্রেনেড হামলা: ‘কেউ দায়ী নয়’। এই ঘটনায় গতকাল রোববার হাইকোর্টের রায়ে সব আসামির খালাস পাওয়া সংক্রান্ত খবর আজ ঢাকার প্রতিটি দৈনিকে প্রথম পাতায় এসেছে।
২০ বছর আগে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার দুই মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ আসামিদের সবাইকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।
এ মামলায় ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড, তারেক রহমানসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১১ পুলিশ ও সেনা কর্মকর্তাকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছিল নিম্ন আদালত।
সেই আদেশের বিরুদ্ধে যারা আপিল করেছেন, তাদের পাশাপাশি যারা করেননি, সবাইকেও এ মামলা থেকে খালাস দেয়া হয়েছে
রায়ের পর্যবেক্ষণে হাইকোর্ট বলেছে, মুফতি আব্দুল হান্নানের জবানবন্দির ভিত্তিতে ২০১১ সালে যে সম্পূরক অভিযোগপত্রের ভিত্তিতে এ মামলার বিচার শুরু হয়েছিল, সেই অভিযোগপত্রই ছিল অবৈধ। এছাড়া কোনো সাক্ষী কোনো আসামিকে গ্রেনেড ছুড়তে দেখেননি, তাই শুধু স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ওপর ভিত্তি করে সাজা দেয়া যায় না বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছে আদালত।
এই ঘটনার ১৪ বছর পর ২০১৮ সালের অক্টোবরে বিচারিক আদালত রায় দিয়েছিল। সেই রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছিল, ‘রাষ্ট্রযন্ত্রের সহায়তায়’ ওই হামলা ছিল দলকে ‘নেতৃত্বশূন্য করার ঘৃণ্য অপচেষ্টা’। রাজনীতিতে অবশ্যম্ভাবীভাবে ক্ষমতাসীন দল ও বিরোধী দলের মধ্যে শত বিরোধ থাকবে। তাই বলে বিরোধী দলকে নেতৃত্বশূন্য করার প্রয়াস চালানো হবে? এটা কাম্য নয়।
আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভি রহমানসহ এ হামলায় ২৪ জন নিহত হন। যার মধ্যে ঘটনাস্থলেই মারা যান ১৬ জন।

সম্পূরক অভিযোগপত্র ছিল বেআইনি: হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ— কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার শিরোনাম এটি। ২১শে অগাস্টের ঘটনায় মামলার রায় সংক্রান্ত আরেকটি খবর এটি।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিচারিক আদালতের রায় অবৈধ ঘোষণা করে তা বাতিল করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।
রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, অন্য মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মুফতি আবদুল হান্নানের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ও ২৫ জন শ্রুত সাক্ষীর জবানবন্দির ওপর ভিত্তি করে বিচারিক আদালত এই রায় দিয়েছেন। এই ২৫ জন সাক্ষীর জবানবন্দির একটি আরেকটিকে সমর্থন করেনি।
রায়ের পর্যবেক্ষণে আরও বলা হয়, কোনো চাক্ষুষ সাক্ষী ছিল না। কে গ্রেনেড সরবরাহ করেছে তা চার্জশিটে দেখাতে পারেননি তদন্ত কর্মকর্তা। আর গ্রেনেড কে ছুড়েছে তার কোনো চাক্ষুষ সাক্ষী নেই। যেসব সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন, তাদের কেউ তা বলতে পারেননি।
আদালত বলেছেন, মুফতি হান্নানের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির কোনো প্রমাণযোগ্য বা আইনগত মূল্য নেই। কারণ জীবদ্দশায় তিনি তার স্বীকারোক্তি প্রত্যাহার করে গেছেন। এই স্বীকারোক্তি জোর করে নেওয়া হয়েছিল দাবি করা হয়েছে। তা ছাড়া মুফতি হান্নানের স্বীকারোক্তিটি সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা যথাযথ পরীক্ষা এবং গ্রহণ করা হয়নি।
মামলাটির অধিকতর তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ৩ জুলাই অভিযোগপত্র দেয় অপরাধ তদন্ত বিভাগ। ওই অভিযোগপত্রে আসামির তালিকায় নতুন করে ৩০টি নাম যুক্ত করা হয়েছিল। সেখানে তারেক রহমানসহ চারদলীয় জোট সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী ও বিএনপি-জামায়াতের বেশ কজন নেতার নাম আসে।
এদিকে, হাইকোর্টের রায়ের প্রতিক্রিয়ায় রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা উচিত। রায় পর্যবেক্ষণ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সামনে একটু কঠিন সময় পার করতে হবে— এটি দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম। যা সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের মন্তব্য।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, কঠিন সময় পার করে দেশ ও জাতিকে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সেনাপ্রধান।
স্বাধীনতা যুদ্ধে সেনাবাহিনীর খেতাবপ্রাপ্ত এবং অন্যান্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সেনাসদস্য ও তাদের নিকটাত্মীয়দের সংবর্ধনায় গতকাল ঢাকা সেনানিবাসে একটি অনুষ্ঠানে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, দেশের ক্রান্তিকালে দিন-রাত সেনাসদস্যরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পরিশ্রম করে যাচ্ছে।
সামনে কিছুটা কঠিন সময় পার করতে হবে উল্লেখ করে অবসরপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা সেনাসদস্যদের উদ্দেশে সেনাপ্রধান বলেন, এটা একমাত্র সম্ভব হয়েছে আপনাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা, আপনারা আমাদের যেভাবে প্রশিক্ষিত করেছেন, যেভাবে মোটিভেট করেছেন, যেভাবে আমাদের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন তার ফলে আজকের এ সেনাবাহিনী বর্তমান জায়গায় আছে।
এটার কৃতিত্ব-অবদান সম্পূর্ণই আপনাদের। আপনারা আমাদের দোয়া করবেন, আমরা যেন ভবিষ্যৎ সময়ে সামনে আরও সময় আছে, একটু ডিফিকাল্ট (কঠিন) সময় পার করতে হবে আমাদের এবং আমরা যেন দেশ-জাতিকে একটা ভালো জায়গায়, নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যেতে পারি। সেজন্য আমাদের জন্য দোয়া করবেন।’

Seizure of S Alam Group shares ordered— অর্থাৎ এস আলম গ্রুপের শেয়ার জব্দের নির্দেশ। নিউ এজের প্রথম পাতার শিরোনাম এটি।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জনতা ব্যাংকের ১ হাজার ৯৬৩ কোটি টাকার ঋণখেলাপির করা মামলায় ব্যবসায়ী সাইফুল আলম মাসুদ ও তার ভাই আবদুস সামাদ লাবুর ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক ও আল–আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকে থাকা সব শেয়ার জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
গতকাল রোববার বিকেলে চট্টগ্রামের অর্থঋণ আদালত এ আদেশ দেন।
এছাড়া প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার এই ঋণের এত বড় অনিয়ম কীভাবে হলো, সেটি তদন্ত করতে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
এস আলম তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ট্রেডিং করপোরেশনের নামে ২০১২ সালে জনতা ব্যাংকের চট্টগ্রাম করপোরেট শাখা থেকে ৬৫০ কোটি টাকা ঋণ নেয়। ২০২৪ এর সেপ্টেম্বরে এসে আসল ও অর্জিত সুদসহ প্রতিষ্ঠানটির মোট বকেয়া ১ হাজার ৮৫০ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত গ্লোবাল ট্রেডিং করপোরেশন শিল্প কাঁচামাল, বাণিজ্যিক পণ্য ও নির্মাণসামগ্রীর ব্যবসায় জড়িত ছিল।

আওয়ামী লীগ আমলে পাচার ২৮ লাখ কোটি টাকা— প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম এটি। দেশের অর্থনীতি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দেয়া শ্বেতপত্রে এ প্রাক্কলন করা হয়েছে। শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি গতকাল তাদের প্রতিবেদন হস্তান্তর করে।
এই প্রতিবেদনে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন খাতে দুর্নীতি ও লুটপাটের বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরা হয়। বলা হচ্ছে, ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ২৩ হাজার ৪০০ কোটি ডলার বিদেশে পাচার হয়েছে। এই হিসাবে প্রতিবছর গড়ে ১ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছে।
এসব অর্থ পাচারে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, আর্থিক খাতের রাঘববোয়াল (ক্রীড়নক), আমলা ও মধ্যস্বত্বভোগীরা জড়িত।
গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটি রিপোর্টস (জিএফআইআরএস) এবং কিছু নির্দিষ্ট পূর্বানুমানের ভিত্তিতে টাকা পাচারের হিসাব করেছে শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি।
শ্বেতপত্র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত কয়েক বছরে অর্থ পাচার বাংলাদেশে উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। টাকা পাচারের বিষয়টিকে অর্থনীতিতে ক্ষতিকর ‘টিউমার’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।
শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি মনে করে, প্রতিবছর মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩ দশমিক ৪ শতাংশের পরিমাণ অর্থ পাচার হয়েছে। এ ছাড়া ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রপ্তানি আয় ও প্রবাস আয় থেকে যত অর্থ এসেছে, এর এক-পঞ্চমাংশ পরিমাণ অর্থ এক বছরে পাচার হয়। বিদেশি ঋণ ও বিনিয়োগ হিসেবে যত অর্থ আসে, এর দ্বিগুণ পরিমাণ অর্থ পাচার হয়।
শ্বেতপত্র প্রতিবেদনে সব মিলিয়ে ২২টি ক্ষেত্রে আলোকপাত করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা, অভ্যন্তরীণ সম্পদ, সরকারি ব্যয় (সরকারি বিনিয়োগ, এডিপি, ভর্তুকি ও ঋণ), ঘাটতি বাজেট অর্থায়ন, মূল্যস্ফীতি ও খাদ্য ব্যবস্থাপনা, সরকারি কেনাকাটা ও খাদ্য বিতরণ, রপ্তানি, আমদানি, প্রবাসী আয়, সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই), বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, বিদেশি অর্থায়ন।

নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— ডলারের বিকল্প আনলে ব্রিকস দেশকে শতভাগ শুল্কের হুমকি ট্রাম্পের
অর্থনৈতিক জোট ব্রিকস যদি বৈশ্বিক বাণিজ্যের জন্য নতুন মুদ্রা চালু বা প্রচলিত মুদ্রার বিকল্পব্যবস্থা গ্রহণ করে, তা হলে জোটের সদস্য দেশগুলোর ওপর শতভাগ শুল্ক আরোপ করবে যুক্তরাষ্ট্র। নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথে-এ পোস্ট করা এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, মার্কিন ডলার থেকে ব্রিকস দেশগুলোর দূরে সরে যাওয়ার চেষ্টা আর সহ্য করা হবে না। আমরা চাই, তারা অঙ্গীকার করবে যে, নতুন ব্রিকস মুদ্রা তৈরি করবে না এবং ডলারের বিকল্প কোনো মুদ্রাকে সমর্থন দেবে না। অন্যথায়, তারা শতভাগ শুল্কের সম্মুখীন হবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশাধিকার হারাবে।
ব্রিকস সদস্য ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা ২০২৩ সালে ব্রিকসের জন্য একটি সাধারণ মুদ্রা চালুর প্রস্তাব দিয়েছিলেন, যার লক্ষ্য ছিল মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরশীলতা কমানো।
২০১১ সালে ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে নিয়ে গঠিত হয় এই জোট। চলতি বছর ইরান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইথিওপিয়া ও মিসর ব্রিকসের নতুন সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়েছে। ব্রিকসে যোগদানে আগ্রহীদের তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশও।
ট্রাম্পের মতে, ব্রিকস দেশগুলো অন্য একটি মুদ্রার সন্ধান করতে পারে, তবে তারা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ডলারকে অন্য মুদ্রার মাধ্যমে প্রতিস্থাপন করতে সক্ষম হবে না। কারণ যে দেশ চেষ্টা করবে আমেরিকাকে বিদায় জানাতে হবে।

‘ক্যাডার’ শব্দ বাদ দেওয়ার চিন্তা— সমকালের প্রথম পাতার খবরের শিরোনাম এটি।
এতে বলা হচ্ছে, ‘ক্যাডার’ শব্দটি নেতিবাচক হওয়ায় সরকারি চাকরিতে এটি বাদ দেওয়ার সুপারিশ করবে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন। এর বদলে সিভিল সার্ভিস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, সিভিল সার্ভিস হেলথ, সিভিল সার্ভিস এগ্রিকালচার বলার সুপারিশ করা হবে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. মোখলেস উর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।
কাঠামোগত পরিবর্তনের জন্য সুপারিশ করার কথা বলেছেন জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, আমরা মানুষের অগ্রাধিকারটা বোঝার চেষ্টা করছি। কাজ ব্যাপক। সে জন্য একটু সময় লাগছে। তিন মাসে এটা করা খুব কঠিন। তবু আমরা চেষ্টা করব।
ঢাকার বাইরে সাধারণ মানুষের বক্তব্য শোনার জন্য কিছু কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন বলেও জানান আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী।¬








