বহুল আলোচিত ২১শে অগাস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরকদ্রব্য আইনের মামলায় মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন পাওয়া সব আসামিকে খালাস দিয়েছে হাইকোর্ট। ভারতের মিডিয়ায় বাংলাদেশ নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বছরে গড়ে ১৬০০ কোটি ডলার অর্থ পাচার হয়েছে বলে উঠে এসেছে শ্বেতপত্রে।
সরাসরি কভারেজ
রোববার সারাদিন যা যা ঘটেছে
পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ
হোসেন বলেছেন, ভারতের মিডিয়ায় বাংলাদেশ নিয়ে অপপ্রচার চালানো
হচ্ছে। শুধু ভারত নয়, সারা বিশ্বেই সংঘবদ্ধভাবে অপপ্রচার
চালানো হচ্ছে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বাংলাদেশ
থেকে গড়ে প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশে পাচারের তথ্য উঠে এসেছে সরকার
গঠিত শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির রিপোর্টে। রোববার কমিটি প্রধান উপদেষ্টার কাছে এই শ্বেতপত্র
জমা দিয়েছে।
যশোরের বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশ
থেকে ভারত ঢোকার সময় গত দুই দিনে সনাতন ধর্মের ৬৩জনকে ফেরত পাঠিয়েছে ইমিগ্রেশন
কর্তৃপক্ষ।
বাংলাদেশে সিভিল সার্ভিসে ‘ক্যাডার’
শব্দটি নেতিবাচক মনে করা হয় জানিয়ে সংস্কার প্রস্তাবে তা বাদ দেয়ার সুপারিশ করা
হবে বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন।
বহুল আলোচিত ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার
ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরকদ্রব্য আইনের মামলায় মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন পাওয়া সব
আসামিকে খালাস দিয়েছে হাইকোর্ট।
নয় মাস পর পর্যটক নিয়ে সেন্টমার্টিনে
জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। রোববার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে কক্সবাজার-সেন্ট মার্টিন
নৌপথে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হয়।
ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ছয় জনের মৃত্যু
ছবির উৎস, Getty Images
ছবির ক্যাপশান, বাংলাদেশের হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের ভিড়
সারাদেশে
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এ বছর ডেঙ্গুতে
মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪৯৪ জনে।
এছাড়া
গত একদিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮৮২ জন।
রোববার স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও
কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, গত একদিনে ডেঙ্গুতে চট্টগ্রাম বিভাগে দুইজনের
মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ছাড়াও বরিশাল, রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগে একজন করে মোট চারজন
মারা গেছেন।
অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ২৩৩ জন
ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
ভারতের মিডিয়ায় বাংলাদেশ নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পররাষ্ট্র
বিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, ভারতের
মিডিয়ায় বাংলাদেশ নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। শুধু ভারত নয়, সারা বিশ্বেই সংঘবদ্ধভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
রোববার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে বিশেষ
অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মি. হোসেন এসব কথা বলেন।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন,
“সম্ভবত বাংলাদেশের গণঅভ্যুত্থানের ঘটনায় ভারতীয় গণমাধ্যম খুবই
অখুশি। ভারতীয় গণমাধ্যম প্রমাণ করতে চাচ্ছে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়ন
চালানো হচ্ছে এবং তালেবান ঘরানার সরকার আসতে যাচ্ছে”।
ভারতের গণমাধ্যমের এই পদক্ষেপ খুব
পরিকল্পিত বলেই মনে করেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।
তিনি বলেন,
এ ধরনের অপপ্রচার দুই দেশের জন্য ভালো কিছু বয়ে আনবে না”।
ছবির ক্যাপশান, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. এম সাখাওয়াত হোসেন
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টা ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, কলকারখানা
ও শ্রম শিল্পে অস্থিরতার সাথে মালিক কিংবা শ্রমিক যেই জড়িত থাকুক তাকে আইনের আওতায়
এনে শাস্তি দেওয়া হবে।
সকালে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের
সভাকক্ষে গার্মেন্টস মালিক পক্ষ, শ্রম ও কর্মসংস্থান
মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণের সমন্বয়ে এক সভায় শ্রম ও কর্মসংস্থান
উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা এ সময়ে
বলেন, “সম্প্রতি কলকারখানা ও শ্রম শিল্পে দুর্বৃত্তায়ন
বন্ধে সরকার বদ্ধ পরিকর।
তিনি এসময় জানান,
শ্রমঘন এলাকায় অস্থিরতা নিরসনে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের
সাথে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বিজিএমইএ, টুরিস্ট
পুলিশ এবং অনান্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনী এক সাথে কাজ করছে”।
শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বছরে গড়ে ১৬ বিলিয়ন ডলার অর্থ পাচার হয়েছে
গত পনেরো বছরের শেখ হাসিনা সরকারের আমলে
বাংলাদেশ থেকে গড়ে প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশে পাচারের তথ্য উঠে এসেছে। সেই হিসেবে গত পনেরো বছরে পাচার
হয়েছে ২৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অনিয়ম ও
দুর্নীতি তদন্তে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত শ্বেতপত্র প্রনয়ণ কমিটি রোববার উপদেষ্টা
অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে রোববার চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার কাছে এই রিপোর্ট প্রকাশ
করে কমিটি জানিয়েছে, শেখ হাসিনা সরকারের শাসনামলের
দুর্নীতি, লুণ্ঠন ও আর্থিক কারচুপির যে তথ্য পাওয়া গেছে তা আতঙ্কিত হওয়ার মতো।
এসময় কমিটির প্রধান অর্থনীতিবিদ
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য জানান, সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ ছাড়াই কমিটি স্বাধীনভাবে কাজ
করে রিপোর্ট প্রদান করেছে।
জবাবে প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “‘এটি একটি ঐতিহাসিক দলিল। জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর
যে অর্থনীতিকে যে ভঙ্গুর অবস্থা আমরা পেয়েছি তা এই রিপোর্টে উঠে এসেছে”।
শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে পূর্নাঙ্গ রিপোর্ট প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
ছবির উৎস, CA PRESS WING
ছবির ক্যাপশান, রোববার প্রধান উপদেষ্টার কাছে রিপোর্ট জমা দেয় শ্বেতপত্র প্রনয়ণ কমিটি
বেনাপোল দিয়ে ভারত যাওয়ার সময় ৬৩ জনকে ফেরত পাঠালো ইমিগ্রেশন পুলিশ
ছবির উৎস, Getty Images
ছবির ক্যাপশান, বাংলাদেশের ও ভারতের মধ্যে বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থল সীমান্ত (ফাইল ছবি)
যশোরের বেনাপোল
চেকপোস্ট দিয়ে ভারত ঢোকার সময় গত দুই দিনে সনাতন ধর্মের ৬৩জনকে ফেরত পাঠিয়েছে ইমিগ্রেশন
কর্তৃপক্ষ।
এর মধ্যে শনিবার ৫৪
জনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে, আর রোববার ফেরত দেয়া হয়েছে আরো নয়জনকে। তাদের সবাই সনাতন ধর্মের
অনুসারী।
বিবিসি বাংলাকে এ তথ্য
নিশ্চিত করেছে বেনাপোল ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ওসি ইমতিয়াজ আহমেদ।
বিবিসি বাংলাকে মি. আহমেদ
বলেন, “সন্দেহজনক যাত্রা মনে হওয়ায় তাদেরকে ভারত যাওয়ার অনুমতি দেয়া হয়নি”।
ইমিগ্রেশন পুলিশের ওই
কর্মকর্তা বলেন, “ইমিগ্রেশন পার হওয়ার সময় আমরা সবার সাথে কথা বলি। কথা বলার সময় আমরা
বুঝতে পারি উনি খারাপ কোন উদ্দেশ্য নিয়ে যাচ্ছেন কী-না। যখন তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ
করে সন্দেহজনক বুঝতে পারি তখন তাদের যাত্রাটা স্থগিত করে দেই”।
ইমিগ্রেশন পুলিশ
জানিয়েছে, যে ৬৩ জনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে তাদের সবাই তীর্থস্থান যাত্রার কথা বলেই ইমিগ্রেশন
পার হতে চাচ্ছিলো এবং তাদের সবার কাছেই ভারতের বৈধ ভিসা ছিল।
পুলিশ কর্মকর্তা মি. আহমেদ
বলেন, “যাদেরকে আমরা ফেরত পাঠিয়েছি তাদের পরিচয় সম্পকে বিভিন্ন সোর্স থেকে জানতে
পেরেছি যে তারা ইসকনের সদস্য হতে পারে। তবে সবাই ইসকনের অনুসারী কী না সেটা নিশ্চিত
নই। তারা ভারতে তীর্থ স্থান ভ্রমন করতে যেতে চেয়েছিলেন”।
সম্প্রতি ইসকনের ‘বহিষ্কৃত’
নেতা ও সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে রাষ্ট্রদ্রোহ
মামলায় গ্রেফতারকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ-ভারত দুই দেশের মধ্যে কুটনৈতিক সম্পর্কের
দৃশত অবনতি ঘটেছে।
সিভিল সার্ভিসে ক্যাডার শব্দ বাদ দেয়ার সুপারিশ করবে সংস্কার কমিশন
বাংলাদেশে
সিভিল সার্ভিসে ‘ক্যাডার’ শব্দটি নেতিবাচক মনে করা হয় জানিয়ে সংস্কার প্রস্তাবে তা বাদ
দেয়ার সুপারিশ করা হবে বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত জনপ্রশাসন সংস্কার
কমিশন।
রোববার
সচিবালয়ে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের বৈঠক শেষে কমিশনের সদস্য ও জনপ্রশাসন
মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোখলেস উর রহমান সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
এসময় মি.
রহমান বলেন, “বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস এটাকে নানা কারণে এখন মনে করা হয় ক্যাডার। এ
ক্যাডার শব্দটি নেতিবাচক। এজন্য জনপ্রশাসনের সংস্কার কমিশন অনেকগুলো সংস্কারের
প্রস্তাব দেব”।
“এই
ক্যাডার শব্দটি বাদ দিয়ে যার যে সার্ভিস যেমন- সিভিল সার্ভিস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, সিভিল
সার্ভিস হেলথ, সিভিল সার্ভিস অ্যাগ্রিকালচার এ রকম। এটা আমাদের বড় সংস্কার। আমরা
মনে করি এতে অনেকের মানসিক শান্তি আসবে”, বলেন তিনি।
জনপ্রশাসন
সচিব বলেন, “আমরা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আলোচনা করতে গিয়ে দেখলাম, কয়েকটি অফিস
সম্পর্কে মানুষের নেগেটিভ ধারণা রয়েছে। যেমন এসি ল্যান্ড অফিস, রেজিষ্ট্রি অফিস
নিয়ে মানুষের বাজে ধারণা। ওইসব জায়গায় দুর্নীতি এমন যে মানুষের অভিযোগের শেষ নেই”।
জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের
প্রধান আব্দুল মূয়ীদ চৌধুরী বলেন, “জনপ্রশাসনে কাঠামোগত ও মানসিক পরিবর্তন দরকার, আমলারাই আমলাদের বেশি ক্ষতি করছে”।
এসময় তিনি বলেন, “আমলাতান্ত্রিক
মানসিকতা দূর করে, মানুষকে সেবা দেওয়ার মনোভাব সৃষ্টিতে, জনপ্রশাসনে কাঠামোগত ও মানসিক পরিবর্তনের সুপারিশ করবে জনপ্রশাসন
সংস্কার কমিশন”।
আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই
চূড়ান্ত সুপারিশ সরকারের কাছে জমা দেয়া হবে হবে বলেও জানান কমিশন প্রধান।
ছবির উৎস, TV GRAB
ছবির ক্যাপশান, বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন প্রধান ও কমিশন সদস্যরা।
অর্থনৈতিক শ্বেতপত্র কমিটির প্রতিবেদন জমা
ছবির উৎস, CA Press Wing
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অনিয়ম ও দুর্নীতি তদন্তে গঠিত শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে রোববার চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, কমিটির প্রধান অর্থনীতিবিদ ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ফেলো ড. দেবপ্রিয়
ভট্টাচার্য প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদনটি জমা দেন।
আনুষ্ঠানিকভাবে সোমবার এ প্রতিবেদন প্রকাশের কথা রয়েছে।
প্রস্তাবিত
শ্বেতপত্রে ছয়টি বিষয়ে আলোকপাত করার প্রস্তাব রেখেছিল প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়।
সেগুলো হলো—
সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা, মূল্যস্ফীতি ও
খাদ্য ব্যবস্থাপনা, বাহ্যিক
ভারসাম্য, জ্বালানি ও
বিদ্যুৎ, বেসরকারি
বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থান।
গত পাঁচই অগাস্ট সরকার পতনের পর ২৮শে অগাস্ট দেশের সামগ্রিক
অর্থনৈতিক চিত্র জানতে ড.
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়।
কমিটির আনুষ্ঠানিক নাম ‘বাংলাদেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক অবস্থার শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি’।
কমিটি ৯০ দিনের
মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কাছে সুপারিশসহ প্রতিবেদন হস্তান্তর
করবে বলে নির্দেশনা ছিল।
দেশে এইডস রোগীর বড় অংশ সমকামী ও বিবাহিত
ছবির উৎস, Getty Images
গত পাঁচ বছরে বাংলাদেশে এইডস রোগীর সংখ্যা দ্বিগুনের বেড়েছে
বলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের
জাতীয় যক্ষ্মা, কুষ্ঠ ও এইডস নিয়ন্ত্রণ
কর্মসূচির তথ্যে জানা গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে চলতি বছরের অক্টোবর
পর্যন্ত দেশে গত এক বছরে এক হাজার ৪৩৮ জন নতুন করে এইডসে আক্রান্ত হয়েছেন।
বাংলাদেশে এ বছর
এইডসে মারা গেছেন ১৯৫ জন।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, দেশে নতুন এইচআইভি
সংক্রমিত রোগীর ৪২ শতাংশ সমকামী।
এরপরেই রয়েছেন বিদেশফেরত প্রবাসী শ্রমিকরা।
এছাড়া যৌনকর্মী, মাদকসেবীরা ও তৃতীয় লিঙ্গের মানুষও আছেন। আক্রান্তদের ১০ শতাংশ রোহিঙ্গা
জনগোষ্ঠীর বলেও জানা গিয়েছে।
আক্রান্তদের
মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৪০৬ জন, চট্টগ্রামে ৩২৬, খুলনায় ১৫৪, রাজশাহীতে ১৪৭ এবং অন্যান্য
বিভাগে ৪৪ থেকে ৮৬ জন পর্যন্ত।
এসব রোগীর ৮৪
শতাংশই ২১ থেকে ৪৯ বছর বয়সী অর্থাৎ তরুণ ও মধ্যবয়সীদের মধ্যে আক্রান্তের হার সবচেয়ে বেশি। আক্রান্ত বাকি ১৬
শতাংশের বয়স ১৯ থেকে ২৪ বছরের মধ্যে।
চলতি বছর যতজন এইডসে
আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের মধ্যে ৫৫ শতাংশই বিবাহিত। আর অবিবাহিত রয়েছেন ৪০
শতাংশ। বিধবা বা তালাকপ্রাপ্ত রয়েছেন পাঁচ শতাংশ।
এইডসে আক্রান্ত
হয়ে যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে পুরুষ ৭৭ শতাংশ, নারী ২২ শতাংশ ও হিজড়া এক
শতাংশ । মৃতদের মধ্যে বেশির ভাগের বয়স ৬০ বছরের বেশি।
এমন
পরিস্থিতির মধ্যে আজ রবিবার পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব এইডস
দিবস’। এবার দিবসটির
প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, ‘অধিকার নিশ্চিত হলে, এইচআইভি/এইডস যাবে চলে।’
বাংলাদেশে প্রথম এইচআইভি সংক্রমিত ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছিল ১৯৮৯ সালে। চলতি বছরের ৩০শে নভেম্বর পর্যন্ত মোট শনাক্ত হয় ১২ হাজার ৪২২ জন।
তাদের মধ্যে মারা গেছেন দুই হাজার ২৮১ জন।
যদিও ইউএনএইডসের অনুমিত হিসাবে দেশে এইচআইভি সংক্রমিত ব্যক্তির সংখ্যা ১৪ হাজার।
রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তারেক রহমানকে সাজা দেয়া হয়েছিল: বিএনপির আইনজীবী
ছবির উৎস, TV Grab
ছবির ক্যাপশান, সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন বিএনপির অন্যতম আইনজীবী কায়সার কামাল
রায় ঘোষণার পর বিএনপির আইনজীবীরা তাদের প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তারেক রহমানকে সাজা দেয়া হয়েছিল।
এ মামলায় বিএনপির অন্যতম আইনজীবী এবং দলটির আইন
বিষয়ক সম্পাদক কায়সার কামাল বলেছেন, "এই মামলায় মোট চারটি চার্জশিট দেয়া হয়েছে। প্রথম
তিনটি চার্জ শিটে তারেক রহমানের নাম ছিল না। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর চতুথ চাজশিটে
তারেক রহমানের নাম অন্তর্ভুক্ত করে।"
তিনি বলেন, "আজ প্রমাণিত হয়েছে এই চার্জশিট আইন বহির্ভূত
ছিল। তাই এই চার্জশিটে যাদের নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল তারা এই মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন।"
মি. কামাল আরো বলেন, যারা এই মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত
ছিলেন এবং আপিল করেছেন বা আপিল করেননি সবাইকে এই মামলা থেকে খালাস দেয়া হয়েছে।
“এভাবে
তারেক রহমান ন্যয়বিচার পেয়েছেন। আজ প্রমাণিত হয়েছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তারেক
রহমানকে যে মামলায় সাজা দেয়া হয়েছিল, সেই মামলায় আইনগতভাবে মোকাবিলার মাধ্যমে তিনি
আজ বেকসুর খালাস পেয়েছেন।”
'বিচারকে অবৈধ' বলার কারণ হিসেবে বিএনপির সিনিয়র আইনীজীবীদের একজন জয়নুল আবেদীন
বলেন, "২১শে অগাস্টে বিরোধী দল আওয়ামী লীগকে জনসভার অনুমতি দেয়া হয়েছিল পাশের একটি
ময়দানে। কিন্তু তারা সরকারকে না জানিয়ে স্থান পরিবর্তন করে রাস্তার মধ্যে সমাবেশ
করেন।"
“এটা
ছিল উদ্দেশ্য প্রণোদিত এবং তৎকালীন সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য তিনি (শেখ হাসিনা) এই কাজটি
করেছেন। এই গ্রেনেড হামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত ছিল।"
মি. আবেদীন বলেন, "আদালত সব স্বাক্ষী
প্রমাণ বিশ্লেষণ করে দেখেছে যে চার্জশিটের আলোকে তাদের দণ্ড দেয়া হয়েছে, তা টিকতে
পারে না। কেননা সরাসরি প্রমাণ ছাড়া কাউকে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন দেয়া যায় না।”
তারেক রহমান, বাবরসহ ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলায় মৃত্যুদণ্ড-যাবজ্জীবন পাওয়া সব আসামি খালাস
ছবির উৎস, Getty Images
বহুল আলোচিত ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরকদ্রব্য আইনের মামলায় মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন পাওয়া সব আসামিকে খালাস দিয়েছে হাইকোর্ট।
সেই সাথে এর আগে বিচারিক আদালতের দেয়া রায় এবং মামলার অভিযোগপত্রকে অবৈধ ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট।
বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ মামলার রায় ঘোষণা করেছে।
আদালত চত্বর থেকে বিবিসির সংবাদদাতা জান্নাতুল তানভী জানিয়েছেন, এদিন রায় ঘোষণা উপলক্ষ্যে বিএনপির জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের আদালতে উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়।
কানায় কানায় পরিপূর্ণ ছিল এজলাস। সকাল ১১ টায় রায় ঘোষণা শুরু করে হাইকোর্ট।
এর আগে সকাল সাড়ে দশটায় আদালতের নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়।
এ মামলায় তারেক রহমান, লুৎফুজ্জামান বাবরসহ বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতার দণ্ড হয়েছিল।
২০০৪ সালের ২১শে অগাস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে এক সমাবেশে শেখ হাসিনাসহ নেতাকর্মীদের ওপর এ হামলা হয়।
এতে দলটির নেতাকর্মীসহ ২৪ জন নিহত হন। আহত হন শেখ হাসিনাসহ কয়েকশো নেতাকর্মী।
ওই হামলার ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দুইটি মামলা হয়।
ছবির ক্যাপশান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন দণ্ড দেয়া হয়েছিল এ মামলায়
ছবির উৎস, Getty Images
নয় মাস পর পর্যটক নিয়ে সেন্ট মার্টিনে জাহাজ চলাচল শুরু
ছবির উৎস, Getty Images
অবশেষে নয় মাস পর পর্যটক
নিয়ে সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। রোববার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে
কক্সবাজার-সেন্ট মার্টিন নৌপথে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হয়।
কক্সবাজার শহরের
নুনিয়ারছড়ার বিআইডব্লিউটি ঘাট থেকে ৬৫৩ যাত্রী নিয়ে সেন্ট মার্টিনের উদ্দেশে ছেড়ে
যায় ‘বার আউলিয়া’ নামক জাহাজটি।
এর আগে বৃহস্পতিবার থেকে চলাচলের কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত যাত্রী
সংকটের কারণে নির্ধারিত জাহাজটি ছেড়ে যায়নি।
সম্প্রতি নাফ নদীতে
ডুবোচর জেগে ওঠায় নাব্যতার সংকট এবং মিয়ানমার সীমান্তে গোলাগুলির কারণে নিরাপত্তার
অভাবে আপাতত টেকনাফ থেকে জাহাজ চলাচল বন্ধ ছিল। শুধু কক্সবাজার থেকে জাহাজ চলাচলের
অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এদিকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে
পলিথিন ও ওয়ানটাইম প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানোর লক্ষ্যে শনিবার থেকে কাজ শুরু করেছে
পরিবেশ অধিদপ্তরের ১০টি টিম। তারা ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত জাহাজ মনিটরিং, স্ক্যানিংসহ
অন্যান্য দায়িত্ব পালন করবে।
প্রতি বছর সরকারের পক্ষ
থেকে অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত ছয় মাস টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন ও কক্সবাজার-সেন্ট
মার্টিন নৌ-রুটে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়।
বাকি ছয় মাস সাগর উত্তাল থাকায়
জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখা হয়।
অর্থনীতির শ্বেতপত্র সরকারের কাছে জমা দেয়া হবে আজ
ছবির উৎস, linkedIn
দেশের বর্তমান
অর্থনৈতিক অবস্থা কেমন, সে সংক্রান্ত শ্বেতপত্রের চূড়ান্ত প্রতিবেদন আজ রোববার অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কাছে দাখিল করার কথা রয়েছে।
শ্বেতপত্র প্রণয়নের
দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটির সভাপতি ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বৃহস্পতিবার এক সেমিনারে এ কথা জানিয়েছেন।
আগামীকাল সোমবার প্রতিবেদনের ফলাফল সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জনসাধারণের কাছে প্রকাশ করা হবে।
অন্তর্বর্তী সরকার দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক অবস্থা তুলে ধরে শ্বেতপত্র প্রকাশ
করতে অর্থনীতিবিদ এবং সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ সিপিডির বিশেষ ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে।
সরকারের সচিব, ব্যবসায়ী, নাগরিকসহ
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও
সংগঠনের সঙ্গে তিন মাস আলোচনা, পর্যালোচনা, তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাইয়ের পর এ সংক্রান্ত
প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে অর্থনীতির শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি।
কমিটির ৪০০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে বিগত সরকারের আমলে বিভিন্ন খাতের লুটপাটের
চিত্র উঠে এসেছে।
দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি ও খাতভিত্তিক অর্থনীতির অবস্থা এবং সামনের দিনের জন্য
করণীয় ঠিক করতে শ্বেতপত্রে সুপারিশ থাকবে বলে আগেই জানানো হয়েছে।
শর্ত সাপেক্ষে ডিবি হেফাজত থেকে ছাড়া পেলেন মুন্নী সাহা
ছবির উৎস, Facebook
সাংবাদিক মুন্নী
সাহাকে শর্ত সাপেক্ষে ছেড়ে দিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শনিবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে কাওরান বাজার এলাকায় তাকে ঘেরাও করেন স্থানীয় লোকজন।
পরে পুলিশের এসে
মুন্নী সাহাকে তেজগাঁও থানায় নিয়ে যায়।
পরে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে তাকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। পরে রাতেই তাকে ছেড়ে দেওয়া
হয়।
এ বিষয়ে ডিবি পুলিশ সাংবাদিকদের জানান, তিনি প্যানিক অ্যাটাকে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এমন অবস্থায় ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৭ ধারায়
জামিন নেওয়ার শর্তে রাতেই তাকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
তার নামে এ পর্যন্ত চারটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জুলাই-অগাস্ট আন্দোলনে
ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে গুলিতে এক শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় যে সাত
সাংবাদিককে আসামী করা হয়েছে, তাদের মধ্যে মুন্নি সাহা একজন।
তিনি ‘এক টাকার খবর’ নামের একটি অনলাইন পোর্টালের
সম্পাদক।
এর আগে তিনি এটিএন
নিউজ, একুশে টিভি এবং ভোরের কাগজ পত্রিকার সাংবাদিক ছিলেন।
২১শে অগাস্ট গ্রেনেড
হামলা মামলার ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদন) এবং বিচারিক আদালতের রায়ের
বিরুদ্ধে আসামিদের করা আপিলের ওপর রোববার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়েছে।
বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত
হোসেনের দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চের আজকের কার্যতালিকায় মামলাটি রায় ঘোষণার জন্য রয়েছে। শনিবার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়।
গত ২৩শে অক্টোবর চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স
ও বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের করা আপিল, প্রধান বিচারপতির দফতর থেকে
হাইকোর্টের বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠানো
হয়।
এরপর ৩১শে অক্টোবর হাইকোর্টের এই বেঞ্চ মামলার শুনানি শুরু
করে। গত ২১শে নভেম্বর এই মামলার ডেথ
রেফারেন্স ও আপিলের ওপর হাইকোর্টে শুনানি গ্রহণ শেষ হয়।
এরপর মামলাটির রায় ঘোষণার
জন্য সুনির্দিষ্ট দিন ধার্য না করে রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখা হয়।
এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ থেকে
দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের রায় বহাল রাখার আবেদন জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আসামিদের সাজার রায় বাতিল করে খালাস দেওয়ার আবেদন করেছেন।
২০০৪ সালের ২১শে অগাস্ট তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশে
গ্রেনেড হামলা চালানো হয়।
এতে দলটির নেতাকর্মীসহ ২৪ জন নিহত হন। আহত হন শেখ
হাসিনাসহ কয়েকশো নেতাকর্মী।
ওই হামলার ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দুইটি মামলা হয়।
বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায় সবাইকে স্বাগত। বাংলাদেশ এবং বিশ্বে আজকের দিনে ঘটা সব খবরের সর্বশেষ জানতে পারবেন এখানে, বিবিসির এই লাইভ পাতায়। রিপোর্টিং করছেন সানজানা চৌধুরী।