পত্রিকা: 'সরে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি'

Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন— ঢাকার একাধিক পত্রিকা এ সংক্রান্ত খবর গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছে। এছাড়া, 'নৈতিক স্খলনের' প্রমাণ পাওয়ায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার- এই খবরও প্রায় সব পত্রিকায় রয়েছে।

দেশ রূপান্তরের প্রধান খবর— সরে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অগাস্টের প্রথম সপ্তাহে তিনি পদত্যাগ করতে পারেন।

বঙ্গভবনের একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। আর সেই সূত্রের বরাতে আরও বলা হয়েছে, সরকারের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে তার সুবিধাজনক সময়ে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে তিনি পদত্যাগের বিষয়ে মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিয়েছেন এবং আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পদত্যাগপত্র জমা দিতে পারেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বঙ্গভবনের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, "স্যার পদত্যাগের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে এখনো পদত্যাগের তারিখ ঠিক হয়নি। আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহেই পদত্যাগপত্র যথাযথ প্রক্রিয়ায় জমা দেবেন। আমরা এখন ব্যাগ গোছাচ্ছি।"

আরেকটি সূত্র জানিয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ মধ্যবর্তী নির্বাচনের দাবিতে রাজনৈতিক কর্মসূচি দিতে পারে এমন আশঙ্কা থেকে রাজনৈতিক অস্থিরতার ঝুঁকি কমাতে রাষ্ট্রপতির পদে পরিবর্তনের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েছে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি।

প্রথম আলোর শেষের পাতার খবর— পাসপোর্ট সূচকে তিন ধাপ এগিয়ে ৯৭তম বাংলাদেশ

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, তিন ধাপ এগিয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান এখন ৯৭তম। এবারের সূচকেও যথারীতি শীর্ষে সিঙ্গাপুর।

যুক্তরাজ্যের লন্ডনভিত্তিক হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স পাসপোর্টের এ সূচক গত মঙ্গলবার তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে। এতে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে ১৯৯টি দেশের পাসপোর্ট ও ২২৭টি ভ্রমণগন্তব্য।

কোনো দেশের পাসপোর্ট দিয়ে আগাম ভিসা নেওয়া ছাড়া কিংবা ভিসামুক্ত সুবিধা নিয়ে কতটি দেশে যাওয়া যায়, তার ওপর ভিত্তি করে শক্তিশালী পাসপোর্টের এ সূচক তৈরি করা হয়ে থাকে।

এই সূচকে বাংলাদেশের উন্নতি হলেও আগাম ভিসা বা ভিসামুক্ত সুবিধায় ভ্রমণ করা যায় এমন দেশ কমেছে।

বাংলাদেশের পাসপোর্টধারী ব্যক্তিরা আগাম ভিসা ছাড়া বা ভিসামুক্ত সুবিধা নিয়ে এখন ৩৫টি দেশে ভ্রমণ করতে পারেন। গত বছর সংখ্যাটি ছিল ৩৭।

আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম— নৈতিক স্খলনে বহিষ্কৃত জামায়াতের এমপি

এই খবরে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর সাতক্ষীরা-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে দলীয় তদন্তে নৈতিক স্খলনের প্রমাণ মিলেছে।

এ জন্য তাকে বহিষ্কার করেছে দলটি।

বিষয়টি জামায়াত থেকে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জানানোরও সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এসব সিদ্ধান্তের পর তার সংসদ সদস্য পদ থাকবে কি না, তা নিয়েও আলোচনা উঠেছে।

এ নিয়ে গাজী নজরুলের সংসদ সদস্য পদ কি থাকবে শিরোনামে দৈনিকটির আরেক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংবিধান ও আইনে বিষয়টি পরিষ্কার নয় বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

আইনজীবীরা বলছেন, নৈতিক স্খলনের কারণে দল থেকে কাউকে বহিষ্কার করলে পদ যাবে না।

ইতোপূর্বে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ক্ষমতাসীন দলের এমপিকে বহিষ্কারের পরও সংসদ সদস্য পদ বহাল থাকার নজির রয়েছে।

টাইমস অব বাংলাদেশের পাতার শিরোনাম— Public admin: Political choice undermines BNP's merit pledge

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, জনপ্রশাসনে পদোন্নতির প্রথম বড় ধাপেই রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে তীব্র বিতর্কের মুখে পড়েছে বিএনপি সরকার। মেধাভিত্তিক প্রশাসন গড়ার যে অঙ্গীকার সরকার দিয়েছিল, এই ঘটনা সেই প্রতিশ্রুতিকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।

গত ৯ই জুলাই ১৭৯ জন উপসচিবকে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়ার পর থেকেই শুরু হয় এই বিতর্ক।

এবার অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও অতীতে বিভাগীয় শাস্তি পাওয়া ব্যক্তিরা পদোন্নতি পেয়েছেন। অন্যদিকে, জ্যেষ্ঠ ও দক্ষ অনেক প্রার্থীকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

এমনকি ২৫তম বিসিএস ব্যাচের মেধা তালিকায় শীর্ষ স্থানে থাকা দুই কর্মকর্তাও পদোন্নতি পাননি। এর ফলে প্রশাসনিক মহলে দেখা দিয়েছে চরম ক্ষোভ।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জ্যেষ্ঠ ২৪তম ব্যাচের চেয়ে জুনিয়র ২৫তম ব্যাচ থেকে অনেক বেশি কর্মকর্তা পদোন্নতি পেয়েছেন। যেখানে ২৪তম ব্যাচের ১৮৪ জনের মধ্যে মাত্র ৪৫ জন পদোন্নতি পান, সেখানে ২৫তম ব্যাচের ২০৪ জনের মধ্যে পদোন্নতি পেয়েছেন ৭২ জন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তার অভিযোগ, মন্ত্রণালয়ের এক শীর্ষ কর্মকর্তা এই পদোন্নতির পুরো প্রক্রিয়াটি নিজের মতো করে সাজিয়েছেন।

অন্যদিকে এক সাবেক সচিবের দাবি, সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ড (এসএসবি) কোনো নিয়মকানুনের তোয়াক্কা না করেই এই তালিকা অনুমোদন দিয়েছে।

বিতর্কের জবাবে এসএসবি প্রধান ও মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বলেছেন, "সব সরকারেরই কিছু না কিছু রাজনৈতিক বিবেচনা থাকে।"

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাম— Beximco refuses to mortgage land, putting Tk3,000cr Sukuk at risk as maturity nears

এই খবরে বলা হয়েছে, বেক্সিমকোর তিন হাজার কোটি টাকার পাঁচ বছর মেয়াদি 'বেক্সিমকো গ্রিন সুকুক' এর অধীন প্রকল্পের জমি হস্তান্তর না করেই বন্ডটি ইস্যু করা হয়েছিল।

যার কারণে বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা এবং খেলাপি হওয়ার ঝুঁকি এড়াতে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) বেক্সিমকোকে শিগগিরই ১০০ একর জমি বন্ধক রাখার জন্য বলতে বাধ্য হয়েছে।

কিন্তু আইনি ও প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে বেক্সিমকো তাদের সোলার পার্কের জমির ওপর বন্ধকী দলিল সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এই বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানটি এখন কাঠামোগত সংস্কার এবং বন্ডটির মেয়াদ ২০৩২ সাল পর্যন্ত বাড়ানোর জন্য চাপ দিচ্ছে। ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে এই বন্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল।

এদিকে, বেক্সিমকো তাদের সোলার প্রকল্পের সাথে যুক্ত জমির ওপর বন্ধকী দলিল সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জানানোর পর আইসিবি গত ৩০ জুন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) একটি প্রতিবেদন জমা দেয়, যেখানে এই প্রস্তাবের রূপরেখা তুলে ধরা হয়।

স্বাস্থ্যকর খাবার কেনার সামর্থ্য নেই ৩৮.৬% বাংলাদেশির— কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে প্রতি পাঁচজনের মধ্যে প্রায় দুজন মানুষের স্বাস্থ্যকর খাদ্য কেনার সামর্থ্য নেই। ২০২৫ সালে দেশের ৩৮.৬ শতাংশ বা প্রায় ছয় কোটি ৭৮ লাখ মানুষ পুষ্টিকর খাদ্য কিনতে পারেননি।

দক্ষিণ এশিয়ায় এই হার পাকিস্তানের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

জাতিসংঘের পাঁচটি সংস্থার যৌথভাবে প্রকাশিত 'দ্য স্টেট অব ফুড সিকিউরিটি অ্যান্ড নিউট্রিশন ইন দ্য ওয়ার্ল্ড ২০২৬' শীর্ষক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। গত ২১শে জুলাই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।

এতে 'স্বাস্থ্যকর খাদ্যতালিকা' বলতে প্রতিদিন মাথাপিছু দুই হাজার ৩৩০ কিলোক্যালরি শক্তি সরবরাহ করতে সক্ষম এমন খাদ্যকে বোঝানো হয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে একজন মানুষের প্রতিদিনের স্বাস্থ্যকর খাবারের গড় ব্যয় ২০১৭ সালের ৩.৯ ডলার (ক্রয়ক্ষমতার সমতা অনুযায়ী) থেকে বেড়ে ২০২৫ সালে ৪.৫৯ ডলারে পৌঁছেছে।

দক্ষিণ এশিয়ায় স্বাস্থ্যকর খাদ্যের ব্যয়ের দিক থেকে ভুটান (৬.১৭ ডলার) ও শ্রীলঙ্কার (৫.২১ ডলার) পরেই বাংলাদেশের অবস্থান।

উচ্চশিক্ষার বাহানায় বিদেশে— যুগান্তরের প্রথম পাতার শিরোনাম এটি।

এতে বলা হয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সহস্রাধিক শিক্ষক বর্তমানে বিদেশে। পিএইচডি, পোস্টডক্টরাল গবেষণা, ফেলোশিপ ও অন্যান্য একাডেমিক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন তারা।

এতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সংকটে শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষা ও গবেষণায় ব্যাঘাত ঘটছে।

এদিকে, শিক্ষাছুটি শেষে কর্মস্থলে যোগ না দেওয়ার হারও বেশ উল্লেখযোগ্য। যদিও শর্ত ভঙ্গ করে বিদেশে অবস্থান করা অনেক শিক্ষককে ইতোমধ্যে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে; কিন্তু এই পদক্ষেপেও শিক্ষকদের বিদেশে থেকে যাওয়ার প্রবণতা কমছে না।

দীর্ঘদিন ধরে অনুপস্থিত থাকা শিক্ষকদের কাছ থেকে পাওনাও রয়েছে কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয় ।

অর্থ ফেরত না দেওয়ায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলার ঘটনাও রয়েছে।

বিদ্যুৎ বিতরণ সিস্টেম বেসরকারিতে দিতে চায় সরকার— মানবজমিনের প্রথম পাতার খবর এটি।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকার বিদ্যুতের বিতরণ সিস্টেম বেসরকারি খাতে দিতে চায় বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সম্মতি দিয়েছেন বলেও জানালেন তিনি।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে 'বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও রূপান্তর' শীর্ষক পলিসি কনক্লেভে তিনি এসব তথ্য জানান।

ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, বিতরণ পক্রিয়া বেসরকারি খাতে দিলে সেবার মান বাড়বে। শুধু উৎপাদন থাকবে সরকারের হাতে। প্রাইভেট খাতে গেলে স্বচ্ছতা বেশি থাকে, রাষ্ট্রের দায়ও কমে যাবে।

বিতরণ সিস্টেমে বিনিয়োগ করার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রস্তুত হওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।

গ্যাস সরবরাহে ঘাটতি, জনজীবনে বাড়তি চাপ— ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম এটি।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কক্সবাজারের মহেশখালীর একটি ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটির কারণে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র গ্যাস-সংকট দেখা দিয়েছে।

অনেক এলাকায় দিনের বেশির ভাগ সময় চুলায় গ্যাস মিলছে না, কোথাও একেবারেই সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সিএনজি স্টেশনে ও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

এই ত্রুটির কারণে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৪৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমে গেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের স্বল্প চাপ অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কোম্পানি।

বর্তমানে দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা অন্তত ৪১০ কোটি ঘনফুট। বিপরীতে স্বাভাবিক সময়েও জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয় প্রায় ২৭০ কোটি ঘনফুট গ্যাস।

অর্থাৎ, প্রতিদিনই ১৪০ কোটির বেশি ঘনফুট গ্যাসের ঘাটতি থাকে। এই বিদ্যমান ঘাটতির মধ্যেই এলএনজি সরবরাহে নতুন ত্রুটিজনিত ঘাটতি পরিস্থিতিকে আরো জটিল ও সংকটপূর্ণ করে তুলেছে।

পাঠ্যবইয়ের 'অনুশীলন' অংশ অনুশীলন হয় না— সমকালের প্রধান শিরোনাম এটি।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠ্যবইয়ের অনুশীলন অংশ শ্রেণিকক্ষে সম্পন্ন করানোর নির্দেশনা থাকলেও অধিকাংশ শিক্ষক তা অনুসরণ করছেন না।

বইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ 'নিজে করি, দেখি পারি কিনা' কার্যত চর্চার বাইরে থাকছে। এতে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশিত দক্ষতা অর্জনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

দেশের ২০ জেলার ৪৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সাম্প্রতিক মাঠ পর্যায়ের মূল্যায়নে এমন চিত্র দেখা গেছে।

এনসিটিবির কর্মকর্তাদের মতে, শিক্ষার্থীদের বাংলা ও ইংরেজি পঠন (রিডিং) দক্ষতায় সাম্প্রতিক সময়ে যে ঘাটতি দেখা যাচ্ছে, তার মুখ্য কারণ হলো পাঠ্যবইয়ের অনুশীলন অংশের বিষয়ে গুরুত্ব না দেওয়া।

তবে শিক্ষাবিদরা বলছেন, বিষয়টিকে একক কোনো কারণ দিয়ে ব্যাখ্যা করা যাবে না। শিক্ষক প্রশিক্ষণ, শ্রেণিকক্ষের পরিবেশ, শিক্ষণ পদ্ধতি, শিক্ষার্থীর পারিবারিক সহায়তা, মূল্যায়ন ব্যবস্থাসহ নানা বিষয় এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে।