পত্রিকা: 'বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রতিবাদ, মব; গভর্নরের বিদায়'

পড়ার সময়: ৭ মিনিট

এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর এক দল কর্মকর্তার বিক্ষোভের মুখে বিদায় নিয়েছেন।

গতকাল বুধবার দুপুর ২টার দিকে তিনি কেন্দ্রীয় ব্যাংক ছেড়ে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে তার নিয়োগ বাতিল করা হয়।

এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারির খবর আসার সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কিছু কর্মকর্তা গভর্নরের উপদেষ্টা, নিরাপত্তা বিভাগের পরিচালক ও পিএসকে জোর করে অফিস থেকে বের করে দেন।

একই সঙ্গে যে তিন কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছিল, তাদের স্বপদে বহাল করা হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সূত্রগুলো জানায়, আহসান এইচ মনসুরের বিরুদ্ধে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয় নীল দল থেকে নির্বাচিত বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসার্স ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল।

শুরুতে এই আন্দোলনে অংশগ্রহণ নিয়ে জাতীয়তাবাদীপন্থি কর্মকর্তাদের সংগঠন সবুজ দলে দ্বিধাবিভক্তি তৈরি হয়। তবে সরকারের একটি পক্ষের সংকেতে গতকাল আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় সবাই যোগ দেন। এরপরই কেন্দ্রীয় ব্যাংকে খবর ছড়িয়ে পড়ে— গভর্নর বদল হচ্ছেন।

নতুন গর্ভনর নিয়োগের খবরকে প্রধান শিরোনাম করেছে প্রথম আলো। দৈনিকটির এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনের শিরোনাম— ব্যবসায়ী গভর্নর এই প্রথম

সংবাদটিতে বলা হয়েছে, আহসান এইচ মনসুরের নিয়োগ বাতিলের পর চার বছরের জন্য মো. মোস্তাকুর রহমানকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

মোস্তাকুর রহমান ব্যয় ব্যবস্থাপনা বা কস্ট ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে এফসিএমএ ডিগ্রিধারী। তিনি একজন ব্যবসায়ী। কেন্দ্রীয় ব্যাংকে এই প্রথম একজন ব্যবসায়ীকে গভর্নর নিয়োগ দেওয়া হলো।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ছিলেন নয়া গভর্নর।

পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ সূত্রে জানা গেছে, মোস্তাকুর রহমান হেরা সোয়েটার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। হেরা সোয়েটার্স নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত একটি পরিবেশবান্ধব কারখানা।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানিয়েছে, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকে হেরা সোয়েটার্সের ৮৬ কোটি টাকা ঋণ রয়েছে। ঋণটি খেলাপি হয়ে গিয়েছিল। বিশেষ সুবিধার আওতায় গত বছরের জুনে তা পুনঃতফসিল করা হয়।

রপ্তানিমুখী পোশাক ছাড়াও মোস্তাকুর রহমানের আবাসন খাতে ব্যবসা রয়েছে বলে জীবনবৃত্তান্তে উল্লেখ করা হয়েছে।

এতে আরও জানানো হয়, তিনি ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে আর্থিক খাত নিয়ে কাজ করছেন। বিশেষ করে করপোরেট ফিন্যান্স, রপ্তানি, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন, আর্থিক ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি নিয়ে কাজের অভিজ্ঞতা আছে তার।

নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম— চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ব্যাংকের সংস্কার

এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের অর্থনীতি যখন মূল্যস্ফীতি, আস্থাহীন ব্যাংকিং ব্যবস্থা এবং ধীর প্রবৃদ্ধির ত্রিমুখী চাপে, তখন কেন্দ্রীয় ব্যাংক শুধু সুদের হার বাড়িয়ে থেমে থাকেনি; বরং পুরো আর্থিক ব্যবস্থাকে 'ভিত্তি থেকে ঠিক' করার এক প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার শুরু করেছে।

এই সংস্কারের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে গভর্ন্যান্স, তদারকি, রেজ্যুলেশন ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ নীতিপত্রে পরিষ্কার করে বলা হয়েছে, ঋণ সম্প্রসারণ নয়, আগে শৃঙ্খলা। প্রবৃদ্ধি নয়, আগে আস্থা। এই দর্শনটিই এখন ব্যাংকিং খাতের প্রতিটি সিদ্ধান্তে প্রতিফলিত হচ্ছে।

তবে নীতিগতভাবে সঠিক হলেও বাস্তবে সবচেয়ে বড় কাঠামোগত, রাজনৈতিক, আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বাধা সামনে আসছে।

আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— বেশির ভাগ অধ্যাদেশ উঠবে না সংসদে

দায়িত্বশীল সূত্রের বরাতে খবরটিতে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের বেশিরভাগই আইনে রূপান্তর হচ্ছে না। ওই অধ্যাদেশগুলোর মধ্যে কয়েকটি বাদে বাকিগুলো অনুমোদন বা আইনে রূপান্তরের জন্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদেই তুলবে না বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকার।

আগামী ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসবে। এদিন থেকে ৩০ দিনের মধ্যে অধ্যাদেশগুলোকে আইনে রূপান্তর করতে হবে, সংবিধান অনুযায়ী। তা না হলে অধ্যাদেশগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

সূত্র বলেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা বেশিরভাগ অধ্যাদেশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিলের পথে হাঁটছে বিএনপি সরকার। যেগুলো আইনে পরিণত করা হবে, সেগুলোর যাচাইবাছাই চলছে। যাচাইবাছাই শেষে তালিকা চূড়ান্ত করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হবে।

ট্রাইব্যুনালে এসব কী হচ্ছে— দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, জুলাই অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য পুনর্গঠিত হয়েছিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। কিন্তু ১৬ মাসের মাথায় অনিয়ম, দুর্নীতি, ট্রাইব্যুনাল থেকে তথ্যপাচারের মতো গুরুতর অভিযোগ নিয়ে ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনে এখন অস্থিরতা, হতাশা বিরাজ করছে।

একই সঙ্গে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য, বিবৃতি, একে অন্যের প্রতি অবিশ্বাস, সন্দেহ এবং বিভক্তিও বাড়ছে।

রাজনৈতিক মতাদর্শের জায়গা থেকেও কেউ কেউ প্রকাশ্যে, কিংবা অপ্রকাশ্যে একে অন্যের প্রতি বিষোদগার করছেন।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে একাধিক প্রসিকিউটর পদত্যাগ করতে পারেন বলেও গুঞ্জন রয়েছে।

প্রসিকিউশন ও তদন্ত সংস্থা পুনর্গঠন হতে পারে এমন গুঞ্জনও রয়েছে ট্রাইব্যুনাল অঙ্গনে।

বর্তমানে ট্রাইব্যুনালে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলামসহ ১৬ জন প্রসিকিউটর কর্মরত রয়েছেন।

সদ্য নিয়োগ পাওয়া ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জানান, আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ তার কাছে না গেলেও তিনি সার্বিক বিষয় অবগত আছেন। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে প্রসিকিউশনকে সুন্দর ও সুশৃঙ্খল করতে আইনগতভাবে সব সিদ্ধান্তই নেবেন।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরপরই ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কার্যালয়ে প্রবেশের চেষ্টা করেছেন। কোথাও কোথাও ইতোমধ্যে অবস্থানও নিয়েছেন।

কিছু স্থানে কার্যালয় খোলার পর পালটা দখল, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটলেও ক্ষমতাসীন দল বিএনপির কেন্দ্রীয় অবস্থানকে 'ইতিবাচক' হিসাবেই দেখছে আওয়ামী লীগ।

দলটি এখন সরকারের 'সবুজ সংকেত'র অপেক্ষায় রয়েছে। সরকার 'ছাড়' দিলে তারা ইতিবাচক রাজনীতির পথেই ফিরতে চান।

এদিকে, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে ছিল। পাশাপাশি জামায়াত, এনসিপিও আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফিরে আসার ঘোরতর বিরোধী।

এমন পরিস্থিতিতে বিএনপি নমনীয় না হলে বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী লীগের অফিস খোলা সম্ভব ছিল না বলে দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা আছে।

ফলে আওয়ামী লীগ এখন বিএনপির দিকেই তাকিয়ে আছে।

আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যাচ্ছে, দলটি আপাতত সহিংসতার পথে না গিয়ে গুছিয়ে রাজনীতি করার পক্ষে। সেক্ষেত্রে একটু 'স্পেস' পেলেই কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত দলকে পুনর্গঠন করার পরিকল্পনাও রয়েছে আওয়ামী লীগের।

অবৈধ সিগারেটে বছরে রাজস্ব ক্ষতি ৪ হাজার কোটি টাকা— কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার সংবাদ এটি।

এতে বলা হয়েছে, গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ইনসাইড মেট্রিক্সের গবেষণা ও তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের সিগারেট বাজারের প্রায় ১৩ দশমিক ১ শতাংশ অবৈধ পণ্যের দখলে রয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৩১ শতাংশ বেশি।

প্রতি মাসে দেশের বাজারে প্রায় ৮৩ কোটি ২০ লাখ শলাকা অবৈধ সিগারেট প্রবেশ করছে। এর ফলে বছরে প্রায় চার হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে।

বাংলাদেশে অবৈধ সিগারেটের বাজার মূলত তিনটি স্তরে বিভক্ত। এগুলো হলো দেশীয় অবৈধ কারখানা, চোরাচালানের বিদেশি সিগারেট ও নকল ব্র্যান্ডের বিস্তার।

সবচেয়ে বেশি অবৈধ সিগারেট আসে দেশে গড়ে ওঠা অবৈধ কারখানা থেকে। বর্তমানে দেশে ৪১টির বেশি অবৈধ সিগারেট কারখানা সক্রিয়। পাবনা, কুষ্টিয়া, নাটোর, বগুড়া ও রংপুর অঞ্চল এই অবৈধ উৎপাদনের প্রধান কেন্দ্র।

এই কারখানাগুলোতে নকল অথবা পুনর্ব্যবহৃত ট্যাক্স স্ট্যাম্প ব্যবহার করা হচ্ছে।

এছাড়া, চোরাচালানি সিগারেটের প্রায় ৬৫ শতাংশ আসে সমুদ্রবন্দরনির্ভর সিন্ডিকেটের মাধ্যমে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বরাতে খবরটিতে বলা হয়েছে, মাত্র ৫ হাজার ৭৭৫ গ্রাহকের কাছেই রয়েছে ৩ লাখ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ। এ ঋণখেলাপিদের মধ্যে এগিয়ে রয়েছে তৈরি পোশাক, বস্ত্র, চামড়া, জাহাজ নির্মাণ ও ভাঙার মতো উৎপাদনমুখী শিল্প খাত।

আবার খেলাপির তালিকায় ওপরের দিকে আছেন বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা।

ব্যাংকগুলোর বিতরণকৃত ঋণের আকারের হিসাবে খেলাপির হারের চিত্র তুলে ধরে সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই তথ্য ওঠে এসেছে। তাতে দেখা গেছে, বড় ঋণ গ্রহীতারাই বড় খেলাপি। মধ্যম আকারের গ্রাহকদের কাছে থাকা খেলাপি ঋণের পরিমাণও বিপুল। অন্যদিকে সংখ্যায় অনেক বেশি হলেও ছোট গ্রাহকের খেলাপির পরিমাণ বেশ কম।

গত বছরের জুনে দেশের ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রথমবারের মতো ৬ লাখ কোটি টাকা ছাড়ায়। এর পরের তিন মাসে যোগ হয়েছে আরো ৩২ হাজার কোটি টাকা।

ব্যাংক খাত তথা সামগ্রিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফেরাতে খেলাপি ঋণ আদায় সদ্য নিয়োগ পাওয়া কেন্দ্রীয় ব্যাংক গভর্নরের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

নিউ এইজের দ্বিতীয় প্রধান খবর— Costs of two MRT projects set to soar; অর্থাৎ, মেট্রোরেলের দুই প্রকল্পে খরচ বাড়ছে।

এই খবরে বলা হয়েছে, রাজধানীতে যানজট কমানো এবং পরিবেশের মান উন্নত করতে ২০১৬ সালে সরকার উড়াল ও ভূগর্ভস্থ— দুই ধরনেরই ছয়টি এমআরটি (ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট) লাইন তৈরির করার সিদ্ধান্ত নেয়। এর মধ্যে তিনটি এমআরটি লাইনের জন্য জাপান থেকে সরকার ঋণ নিচ্ছে।

ইতোমধ্যে একটি এমআরটি লাইনে মেট্রোরেল চলাচল করছে, যেটি কি না এমআরটি লাইন-৬ হিসেবে পরিচিত। এই রেলপথের গন্তব্য উত্তরা থেকে মতিঝিল। যেটির কাজ শেষ হতে ছয় বছর সময় লেগেছে।

এখন কমলাপুর পর্যন্ত এটির সম্প্রসারণ কাজ চলছে, প্রকল্পটিতে খরচ হচ্ছে ৩৩ হাজার ৪৭২ কোটি টাকা।

অপর দুইটি এমআরটি লাইনের মধ্যে একটি হচ্ছে, শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত ৩১ দশমিক ২৪১ কি. মি. এর এমআরটি লাইন-১, যেটি কি না দেশের প্রথম ভূগর্ভস্থ মেট্রোরেল ব্যবস্থা।

তেইশের ফেব্রুয়ারিতে কাজ শুরু হওয়া এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের জন্য আনুমানিক ৫২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যয় এবং চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারণ করেছিল।

কিন্তু ঠিকাদারদের প্রস্তাব অনুসারে, প্রকল্পটিতে ব্যয় প্রায় ৯৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।

অপর প্রকল্প হেমায়েতপুর-ভাটারা রুটে ২০ কি. মি. এমআরটি লাইন-৫-এ আনুমানিক ব্যয় ৪১ হাজার ২০০ কোটি টাকা এবং সময়সীমা ২০২৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ধরা হয়েছিল।

এই প্রকল্পের ব্যয় এখন প্রায় ৮৮ হাজার কোটি টাকায় গিয়ে পৌঁছেছে।

ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক আহমেদ জানিয়েছেন, দুটি প্রকল্পের অর্থায়নে জাপানি ঋণদাতা সংস্থা জাইকা বেশ কিছু প্রকৌশলগত শর্ত জুড়ে দিয়েছে। ফলে ঠিকাদার নিয়োগে প্রতিযোগিতা কমে গেছে। এ জন্যই ব্যয় বেশি।

পরিবহন খাত বিশেষজ্ঞরা এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, এ ধরনের অযৌক্তিক ব্যয়ের কারণে এই প্রকল্পগুলো দেশকে দেউলিয়ার পথে নিয়ে যেতে পারে।