পত্রিকা: 'অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে অতিরিক্ত ব্যয়ের মেগা প্রকল্প অনুমোদন'

অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে অতিরিক্ত ব্যয়ের মেগা প্রকল্প অনুমোদন— বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের একনেকের প্রথম সভায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছিলেন, 'এখন থেকে মেগা প্রকল্প না নিয়ে জনগুরুত্বপূর্ণ ছোট প্রকল্প নেওয়া হবে।'
তার এ বক্তব্যের পর সরকারের একাধিক উপদেষ্টাও বিভিন্ন সময় বৃহৎ ও ব্যয়বহুল প্রকল্প না নেওয়ার পক্ষে কথা বলেন।
যদিও এরপর বেশ কয়েকটি মেগা প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে।
সর্বশেষ গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত একনেক সভায়ও পাস হয়েছে 'ইস্টার্ন রিফাইনারির আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ' প্রকল্প। এতে ব্যয় হবে ৩৫ হাজার ৪৬৫ কোটি টাকা।
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর এ ধরনের বৃহৎ প্রকল্প অনুমোদন নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে।
ভোটের আগে এত বড় অঙ্কের প্রকল্প অনুমোদন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক— দুই দিক থেকেই বিতর্কিত বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
শুধু তা-ই নয়, বিশ্বের অন্যান্য দেশে জ্বালানি তেল শোধনাগার বা রিফাইনারি নির্মাণ ব্যয়ের তুলনায় ইস্টার্ন রিফাইনারির প্রকল্প বাস্তবায়নে যে খরচ ধরা হয়েছে তা অনেক বেশি বলেও মনে করেন তারা।
প্রকল্প পরিকল্পনা ও ব্যয় নিরূপণের স্বচ্ছতা নিয়েও রয়েছে সন্দেহ।

মৌসুমের প্রথম শৈত্যপ্রবাহ, ঘন কুয়াশায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ— সংবাদের প্রথম পাতার খবর এটি।
দেশের বিভিন্ন এলাকায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে এই খবরে। এটাকে চলতি শীত মৌসুমের প্রথম মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলছেন আবহাওয়াবিদরা।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ এবং নীলফামারী জেলায় বয়ে যাচ্ছে মৌসুমের প্রথম মৃদু শৈত্যপ্রবাহ।
এ শৈত্যপ্রবাহ আরও কয়েকদিন চলতে পারে।
দেশের ওপর এখন শীতের প্রভাব বাড়ার কারণ হিসেবে উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের কথা বলছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
সংস্থাটি বলছে, এই বলয়ের প্রভাবে দেশে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে। এই বলয়ের বর্ধিতাংশ এখন পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
সমকালের প্রধান শিরোনাম— রাজনীতিসহ সব ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা আনার পরিকল্পনা।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, দেশে ফিরে তারেক রহমানের দেওয়া বক্তৃতায় দেশ গঠনে 'আই হ্যাভ আ প্ল্যান' বাক্যটি রাজনীতিতে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
যদিও সেই পরিকল্পনা কী তা ভাষণে সুনির্দিষ্ট করে বলেননি তারেক রহমান।
তবে তিনি বলেন, 'এই পরিকল্পনা দেশের মানুষের স্বার্থে, দেশের উন্নয়নের জন্য, দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য।'
বিএনপির একজন জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধির বিষয় মাথায় রেখে হয়তো তারেক রহমান তার পরিকল্পনা বিস্তারিত উপস্থাপন করেননি। তবে পরিকল্পনাগুলো নিয়ে কাজ চলছে।
বিষয়গুলো সম্পর্কে খোঁজখবর রাখেন এমন কয়েকজন নেতা বলেছেন, তারেক রহমান নতুনভাবে দেশ গড়তে প্রতিটি খাত ধরে ধরে পরিকল্পনা করেছেন। এগুলো নিয়ে বেশকিছু টিম কাজও করছে।
বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা জানান, তারেক রহমানের পরিকল্পনার কিছু অংশ আগেই প্রকাশ করেছেন। তার মধ্যে মূল বিষয়গুলো আট পরিকল্পনা হিসেবে সারসংক্ষেপ আকারে আগেভাগে তুলে ধরা হয়েছে। যেমন- ফ্যামিলি কার্ড, হেলথ কার্ড, কৃষি কার্ড, কৃষকদের ডিজিটাল নেটওয়ার্কের মধ্যে নিয়ে এসে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা ইত্যাদি।
আগামী নির্বাচনের ইশতেহারে তা আরও বিষদভাবে তুলে ধরা হবে।
এগুলো তারেক রহমানের পরিকল্পনার একটি অংশ মাত্র, এমনটা বলছেন দলটির কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা।

মানবজমিনের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন পরবর্তী পরিস্থিতি নজরে রাখছে ভারত।
এই খবরে বলা হয়েছে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফেরার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যে পরিবর্তনগুলো ঘটছে, ভারত তা গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে।
নির্বাচনের মাত্র কয়েক মাস আগে প্রভাবশালী এই রাজনৈতিক নেতার প্রত্যাবর্তনকে একটি বিশেষ 'ডেভেলপমেন্ট' হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ভারত মনে করে, সামগ্রিক রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবেশের ওপর এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী হতে পারে।
তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন ও নির্বাচনী আলোচনার মধ্যে রাজবাড়ীতে অমৃত মণ্ডল এবং ময়মনসিংহে দিপু চন্দ্র দাস নামে দুই হিন্দু যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দিল্লি এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রত্যাশা করছে।
গতকাল শুক্রবার সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা জানান।

আজকের পত্রিকার প্রধান খবর— তারেকের প্রত্যাবর্তনে উজ্জীবিত বিএনপি।
এতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনে বিএনপি এখন পুরোদমে উজ্জীবিত। দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে ফিরে এসেছে আত্মবিশ্বাস।
তারেক রহমানের ফেরার মধ্য দিয়ে আগামী নির্বাচনে বিএনপির বিজয়ের সম্ভাবনা প্রবল হয়েছে বলেও মনে করছেন দলটির নীতিনির্ধারকেরা।
একই সঙ্গে দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে সৃষ্ট অনিশ্চয়তা ও সংশয় কেটে গেছে।
তারেক রহমানকে এরই মধ্যে 'ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী' আখ্যা দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
দলটির সূত্রে জানা যাচ্ছে, তারেক রহমান দেশে ফেরায় রাজধানী থেকে শুরু করে তৃণমূল পর্যন্ত বিএনপির সাংগঠনিক ইউনিটগুলো নতুন করে সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
এত দিন অনেক এলাকায় নির্বাচনী প্রস্তুতি ও প্রচার কার্যক্রম ছিল ধীরগতির।

কলেবর বাড়ছে জামায়াত জোটের— নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম এটি।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলনসহ সমমনা আট দলের জোটে যুক্ত হচ্ছে এনসিপি, এবি পার্টি, এলডিপি ও লেবার পার্টি।
এনসিপির সাথে থাকা গণতান্ত্রিক সংস্কার জোটের শরিক রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন জামায়াত বা বিএনপি কোনো জোটেই যেতে রাজি নয়।
এদিকে, আট দলের আসন সমঝোতার শেষ সময়ে এসে নতুন করে আরো চারটি দল যুক্ত হওয়ায় আসন সমঝোতায় কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে বলে জানা গেছে।
আসন সমঝোতা নিয়ে তাদের মধ্যে সমস্যা বা জোট ভাঙার আশঙ্কার কথা উড়িয়ে দিয়েছেন দলগুলোর নেতারা।
ইসলামী আন্দোলন গতকাল এক বিবৃতিতে বলেছে, সাম্প্রতিক সময়ে দেখা গেছে আট দলের সমঝোতা সংক্রান্ত বিভিন্ন নিউজে কেউ কেউ কিছু অপতথ্য, অসত্য তথ্য এবং টুইস্টিংয়ের ব্যবহার করছেন। বিষয়টি আমাদের জন্য অতি বেদনার।

প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর— খুনিদের গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত শাহবাগে অবস্থানের ঘোষণা।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, শরিফ ওসমান বিন হাদির খুনিরা গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত শাহবাগে অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।
পরিস্থিতি খারাপ হলে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় যমুনা ঘেরাও করতে তারা বাধ্য হবেন বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে আটটার দিকে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের এ ঘোষণা দেন।
এর আগে, পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, দুপুর থেকে হাদির হত্যার বিচার চেয়ে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিয়ে তারা বিক্ষোভ করেন।

দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার খবর— এখনো বিভ্রান্তিতে ভোটাররা, গণভোট প্রচারে উদাসীনতা।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, গণভোটের বিষয়ে মাঠপর্যায়ে ভোটারদের সচেতন করতে প্রচার-প্রচারণায় স্পষ্ট ঘাটতি চোখে পড়ছে।
তবে, নির্বাচন কমিশন ও সরকারের পক্ষ থেকে গণভোট নিয়ে মক ভোট, ব্যানার, লিফলেটসহ, উঠান বৈঠক এবং তথ্য অফিসগুলোর উদ্যোগে বাড়ি বাড়ি গিয়ে গণভোটে অংশ নিতে উদ্বুদ্ধ করতে নানা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান ভিন্ন। দলগুলো নিজ নিজ দলের পক্ষে প্রচারে ব্যস্ত থাকলেও গণভোট নিয়ে তাদের তৎপরতা প্রায় নেই বললেই চলে।
নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগের গণভোটগুলোর সঙ্গে এবারের গণভোটের একটি মৌলিক পার্থক্য রয়েছে।
গণভোটের বিষয়ে সরকারের যেমন 'ম্যাসিভ প্রচারণা' করতে হবে। তেমনি রাজনৈতিক দলগুলোকে সম্পৃক্ত করতে হবে। না হলে গণভোট গুরুত্ব হারাবে।

ইংরেজি দৈনিক দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাম— A paper plan to curb health treatment abroad; অর্থাৎ বিদেশ গিয়ে স্বাস্থ্যসেবা নেওয়া রোধে পরিকল্পনা কাগজে।
খবরটিতে বলা হয়েছে, ক্যান্সার, বন্ধ্যাত্ব, কিডনি ও হার্ট ট্রান্সপ্লান্ট— এই চার চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশি রোগীদের উল্লেখযোগ্য একটি অংশ বিদেশে গিয়ে চিকিৎসাসেবা নেন। বিশেষ করে প্রতিবেশী দেশ ভারতে।
এই প্রবণতা রোধে চার চিকিৎসাসেবায় ঘাটতি পূরণ করে সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে চব্বিশের ডিসেম্বরে সরকার অংশীজনদের সাথে বৈঠক করে স্বল্প ও মধ্যমেয়াদী পরিকল্পনা নেয়।
যার মধ্যে রয়েছে সারাদেশে আটটি ক্যান্সার হাসপাতাল স্থাপন, ডায়ালাইসিস কেন্দ্রকে সম্পূর্ণরূপে কার্যকর করা, বিএসএমএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল চালু করা এবং ক্যান্সারের ওষুধ ও সরঞ্জামের ওপর কর ছাড় দেওয়া।
কিন্তু এক্ষেত্রে অগ্রগতি থমকে আছে।

নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম— 6 dead in 2 waterway accidents amid dense fog; অর্থাৎ ঘন কুয়াশায় দুই নৌ দুর্ঘটনায় ৬ জন নিহত।
খবরটিতে বলা হয়েছে, ঘন কুয়াশার মধ্যে গতকাল শুক্রবার ভোরে চাঁদপুরের মেঘনা নদী ও নারায়ণগঞ্জের বুড়িগঙ্গা নদীতে দুইটি পৃথক দুর্ঘটনায় অন্তত ছয়জন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
এর মধ্যে মেঘনায় দুই যাত্রীবাহী লঞ্চের সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। নিহতরা ভোলার বাসিন্দা।
আর নারায়ণগঞ্জের বুড়িগঙ্গায় ঘাটে নোঙর বালিভর্তি ব্লাকহেডে যাত্রীবাহী লঞ্চের ধাক্কায় দুইজনের প্রাণ গেছে।
নৌ দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে সরকারের পক্ষ থেকে দেড় লাখ টাকা দেয়ার কথা জানিয়েছেন নৌ পরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন।
আর আহতদের প্রত্যেকের পরিবার পাবে ৫০ হাজার টাকা।
দুর্ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠনের পাশাপাশি দায়ীদের গ্রেপ্তারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান। ইতোমধ্যে কয়েকজনকে ধরা-ও হয়েছে।









