পত্রিকা: 'ভোট ঘিরে তৎপর যুক্তরাষ্ট্র'

ভোট ঘিরে তৎপর যুক্তরাষ্ট্র— দেশ রূপান্তরের প্রধান খবর এটি।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয়তা দৃশ্যমানভাবে বেড়েছে।
ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন গত এক মাসে ঢাকা ও লন্ডনে ধারাবাহিকভাবে রাজনৈতিক দল, কমিশন, বিচার বিভাগের শীর্ষ ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
এসব বৈঠকে আলোচ্য ছিল নির্বাচন, রাজনৈতিক সংস্কার, মানবাধিকার, আইনের শাসন ও বিচারিক সহযোগিতা।
যদিও গত বছর অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকেই রাজনীতির মেরুকরণ নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়। তবে গত এক মাসের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এখানে যুক্তরাষ্ট্রে আগ্রহ যেমন রয়েছে, তেমনি গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিএনপিও কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়িয়েছে।
নির্বাচন, সংস্কারসহ নানা বিষয়ে বিএনপি কূটনীতিকদের কাছে তাদের দলীয় অবস্থান তুলে ধরেছে।
ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল, ভারত-চীন-রাশিয়ার নতুন মেরুকরণ সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে তাদের এক ধরনের প্রভাব তৈরি করতে চায়। ফলে বিএনপিকে সম্ভাব্য নতুন সরকারের স্থানে ভেবে তারা নিজেদের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে চায়।
বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক আগ্রহ নতুন নয়, কিন্তু এবারের সক্রিয়তা ও সময়সীমা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।
এটি যেমন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক স্বার্থের প্রতিফলন, তেমনই বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর জন্যও একটি বার্তা— অন্তভুক্তিমূলক, স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য বিশ্ব এখন প্রত্যাশার চাপে রাখছে।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
'এক হতে যাওয়া ৫ ব্যাংকের গ্রাহকরা চরম বিপাকে: ন্যূনতম অর্থও উত্তোলন করতে পারছে না কেউ'–– নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার খবর।
এই খবরে বলা হয়েছে––বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে পুনর্গঠিত হতে যাওয়া পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহকরা চরম বিপাকে পড়েছেন। তারা ব্যাংকগুলো থেকে নিজেদের প্রয়োজন মেটাতে ন্যূনতম অর্থও উত্তোলন করতে পারছে না।
নগদ টাকার সংকট থাকায় আমানতকারীদের চাহিদা অনুযায়ী কোনো অর্থ পরিশোধ করতে না পারায় ব্যাংকের শাখাগুলোর ম্যানেজাররাও নিরূপায়। গ্রাহক টাকা উত্তোলনের জন্য পে-অর্ডার বা চেক জমা দিলেও এর বিপরীতে ব্যাংক কোনো অর্থ দিতে পারছেন না। এর ফলে গ্রাহক আতঙ্ক আরও বেড়ে যাচ্ছে।
এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকের আমানতের অর্থ ফেরত দিতে পারছে না বলে খবরে ভুক্তভোগীদের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে।
নিজের জমানো অর্থ প্রয়োজনের সময় উত্তোলন করতে না পারায় অনেকের মধ্যেই অনিশ্চয়তা ভর করেছে টাকা ফেরত পাওয়া নিয়ে। ব্যাংকগুলোর এ অবস্থা বেশ কয়েক মাস যাবৎ চলছে। কিন্তু কোনো সমাধান হচ্ছে না। কবে এ সমস্যার সমাধান হবে তারও কোনো উত্তর নেই ব্যাংকারদের কাছে।
ব্যাংকগুলোর কেন এই অবস্থা–– এর কারণ উল্লেখ করতে গিয়ে খবরে বলা হয়েছে সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের লুটপাটের বড় অংশ ছিল দেশের ব্যাংকিং খাত। আলোচ্য ৫ ব্যাংকের মধ্যে চারটিই দখল করেছিলেন এস আলম।
গত বছরের ৫ আগস্টের পর আন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন হওয়ার পরপরই ব্যাংকগুলোর পর্ষদ ভেঙে দেওয়া হয়। নতুনভাবে পর্ষদ গঠন করে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।
এর পরপরই ব্যাংকগুলোর লুটপাটের প্রকৃত তথ্য বের হতে থাকে। দেখা যায়, ব্যাংকগুলো অনেকটাই ফাঁপা হয়ে গেছে।

LDC graduation now will be 'suicidal', অর্থাৎ 'এলডিসি উত্তরণ আত্মঘাতী হতে পারে'। ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতির জন্য সময়সীমা অনন্ত ছয় বছর বছর বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীতে ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স, বাংলাদেশের (আইসিসিবি) আয়োজিত 'স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণ: বাংলাদেশের সামনে বিকল্পসমূহ' শীর্ষক এই সেমিনারে এ আহ্বান জানানো হয়।
এতে লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি সৈয়দ নাসিম মানজুর বলেছেন, এই মুহূর্তে এলডিসি উত্তরণের সিদ্ধান্ত বেসরকারি খাতের জন্য আত্মঘাতী হবে। এতে অন্যরা সুবিধা পাবে।
সেমিনারে যোগ দেয়া ব্যবসায়ী ও বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উত্তরণের উপযুক্ত সময় নয়। রপ্তানি বাণিজ্যে সক্ষমতা কমে রপ্তানি আয় কমবে, বিদেশি ঋণের সুদের হার বাড়বে, প্রয়োজনীয় ভর্তুকি দেওয়া যাবে না।
ফলে এলডিসি থেকে উত্তরণ ছয় বছরের পেছানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
মসৃণ উত্তরণে যথাযথ প্রস্তুতি নেওয়া, প্রয়োজনীয় লজিস্টিক এবং অবকাঠামো উন্নয়ন ও অন্যান্য প্রতিবন্ধকতা দূর করতে জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি প্ল্যাটফর্ম গঠনের কথা বলেন বক্তারা।
প্ল্যাটফর্মটিতে রাজনৈতিক দল, সরকার, আমলা ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের রাখার আহ্বান জানানো হয়।

এপিএসের বেতন ১ বছরে বেড়েছে ১৮ বছরের সমান— আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার খবর এটি।
এতে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের ১৪ উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারীর সহকারী একান্ত সচিবদের (এপিএস) বেতন একলাফে ৩১ হাজার টাকার বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞরা এটিকে আর্থিক অনিয়ম হিসেবেই দেখছেন।
তাদের বেতন প্রথমে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ীই নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদের শেষের দিকে এসে তা একবারে ৩১ হাজার ৬০ টাকা বাড়ানো হয়েছে।
এ বিষয়ে আজকের পত্রিকাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রথমে একজন উপদেষ্টা তার এপিএসের বেতন বাড়ানোর জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে আধা সরকারি পত্র দেন। এরপর মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভা করে কীভাবে এপিএসের বেতন বাড়ানো যায়, সেই সিদ্ধান্তে আসেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, "একজন উপদেষ্টার কাছ থেকে এমন চিঠি পাওয়ার পর আমরা দেখলাম, আগে এভাবে কারও বেতন বাড়ানো হয়নি। যেহেতু এপিএসদের মর্যাদা সহকারী সচিবদের সমান, আর সহকারী সচিবদের সর্বোচ্চ বেতন স্কেল ৫৩ হাজার ৬০ টাকা, সে কারণে উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারীদের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে তাদের এপিএসদের বেতন ৫৩ হাজার ৬০ টাকা নির্ধারণের সিদ্ধান্ত হয়। তবে সহকারী সচিব পদে চাকরি শুরু হয় ২২ হাজার টাকা বেতনে। এটি নিয়ে ভবিষ্যতে প্রশ্ন উঠতে পারে বলে আলোচনা হয়েছে।"

'গুপ্ত রাজনীতির বিরুদ্ধে ছাত্রদল, রূপরেখা তৈরি করছে প্রশাসন'–– সমকালের প্রথম পাতার প্রধান খবর।
এই খবরে বলা হয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) হলে রাজনীতি নিষিদ্ধে জোরালো দাবি উঠলেও ছাত্রদল তাদের হল কমিটিগুলো বহাল রাখার ঘোষণা দিয়েছে। একই সঙ্গে ছাত্রশিবিরের গুপ্ত রাজনীতি (সাংগঠনিক পরিচয় গোপন রেখে তৎপরতা) বন্ধের ব্যাপারে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে তারা।
গতকাল বৃহস্পতিবার ছাত্রদলের ১৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় হল কমিটি বহাল রাখার ঘোষণা দেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।
অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতির রূপরেখা প্রণয়নে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ কমিটি প্রচলিত ছাত্র রাজনীতি কীভাবে গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে পারে, সে বিষয়ে সুপারিশ করবে।

'বিদেশগামী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ও ব্যয় এখন ইতিহাসে সর্বোচ্চ'— বণিক বার্তার প্রধান খবর এটি।
এতে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে প্রকাশিত ইউনেস্কোর 'গ্লোবাল ফ্লো অব টারশিয়ারি লেভেল স্টুডেন্টস' শীর্ষক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সালে বাংলাদেশ থেকে ৫২ হাজার ৭৯৯ শিক্ষার্থী পড়াশোনার জন্য গেছেন ৫৫টি দেশে।
২০২২ সালে এ সংখ্যা ছিল ৪৯ হাজার ১৫১ এবং ২০২১ সালে ৪৪ হাজার ৩৩৮ জন। আর এক যুগ আগে ২০১৩ সালে বিদেশে পড়তে গিয়েছিলেন ২৪ হাজার ১১২ জন।
সময়ের সাথে ব্যয়ও বেড়েছে পাল্লা দিয়ে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশিদের বিদেশে শিক্ষার ব্যয় ছিল ৬৬ কোটি ২০ লাখ ডলার (টাকার হিসাবে ৮ হাজার ৭৯ কোটি টাকা), যা ইতিহাসের সর্বোচ্চ।
শিক্ষার্থীরা বলছেন, মানসম্মত উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের অভাব, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, নিরাপত্তাহীনতার মতো বিষয়গুলো তাদের দেশ ছাড়তে উৎসাহিত করছে।
অনেকে গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দেশে বড় ইতিবাচক পরিবর্তন আশা করেছিলেন। কথা উঠেছিল 'রিভার্স ব্রেইন ড্রেইন' শুরু হবে। কিন্তু তেমনটা বাস্তবে দেখা যায়নি।
বর্তমানে দেশের বিদেশগামী শিক্ষার্থীদের পছন্দের শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র। ২০২৪ সালের 'ওপেন ডোরস রিপোর্ট অন ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশনাল এক্সচেঞ্জ' এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৭ হাজার ৯৯ জন। আগের শিক্ষাবর্ষের তুলনায় এ সংখ্যা ২৬ শতাংশ বেশি।
এ বৃদ্ধি বাংলাদেশকে এক বছরের মধ্যে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী পাঠানো দেশের তালিকায় ১৩তম স্থান থেকে অষ্টম স্থানে নিয়ে এসেছে।
বিদেশগামী শিক্ষার্থী বৃদ্ধির বিষয়ে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেছেন, 'একজন শিক্ষার্থী কোথায় পড়বে, এটি তার ব্যক্তিগত পছন্দ ও স্বাধীনতা। এক্ষেত্রে বাধা দেয়া উচিত নয়। এ প্রবণতাকে নিরুৎসাহিত করা যেতে পারে দেশীয় শিক্ষার মানের উন্নতি ঘটিয়ে। সেই প্রয়াসটাই আমাদের করতে হবে, এটিই মূল বিষয়।'

উজান ঢল ও ভারী বৃষ্টিতে জেলায় জেলায় পানি বৃদ্ধি, উত্তরাঞ্চলে বন্যার পদধ্বনি— সংবাদের প্রধান শিরোনাম এটি।
এতে বলা হয়েছে, ভারতের গজল ডোবা ব্রিজের সব জলকপাট খুলে দেওয়া এবং উজানের পাহাড়ি ঢল ও কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টিতে উত্তরাঞ্চলের নদীগুলোতে পানি বেড়েছে।
ইতোমধ্যে তিস্তা নদীর পানি বেড়ে বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর ফলে তিস্তা, দুধকুমার, ধরলা, ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাতে দুধকুমার নদীর পানি বিপৎসীমার ছয় সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
পানি বাড়ায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। নদী তীরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে হাজারো মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। পানিতে ডুবে গেছে চরাঞ্চলের কৃষিজমি। এদিকে আসন্ন বন্যা মোকাবেলায় বন্যাপ্রবণ বিভিন্ন উপজেলায় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খুলেছে জেলা প্রশাসন।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-পরিচালক মো. রাকিবুল হাসান জানান, নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনায় স্থানীয়দের সতর্ক অবস্থানে থাকতে বলা হচ্ছে।
বড় ধরনের বন্যার শঙ্কা উড়িয়ে দিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান।
তিনি বলেছেন, 'যেহেতু পানি এখানও সেভাবে বিপৎসীমা অতিক্রম করে নাই, এখনও বড় বন্যা হওয়ার সম্ভাবনা নেই।'

বিচার ও সংস্কার ছাড়া নির্বাচন হলে পুরোনো সমস্যা ফিরবে: সিএনএ টিভিকে অধ্যাপক ইউনূস— প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর এটি।
মালয়েশিয়া সফরে গত বুধবার কুয়ালালামপুরে সিঙ্গাপুরভিত্তিক চ্যানেল নিউজ এশিয়া (সিএনএ) টেলিভিশনকে সাক্ষাৎকার দেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তা প্রকাশ করা হয়েছে প্রতিবেদনটিতে।
সাক্ষাৎকারটিতে মুহাম্মদ ইউনূস মন্তব্য করেন, গণঅভ্যুত্থানে হত্যাকাণ্ডের বিচার ও সংস্কার ছাড়া নির্বাচন হলে বাংলাদেশে আবার পুরোনো সমস্যাগুলো ফিরে আসবে।
পাশাপাশি বাংলাদেশে গ্রহণযোগ্য,পরিষ্কার ও উৎসবমুখর নির্বাচন আয়োজনের কথা বলেছেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা জানান, সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর যেসব লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলেন, সেগুলো অর্জনের কাছাকাছি পৌঁছেছেন। ভোটের পর সরকারে থাকার কোনো পরিকল্পনা নেই তার।

মানবজমিনের প্রথম পাতার খবর— নির্বাচনের রোডম্যাপ আগামী সপ্তাহে, আশা ইসির।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন (ইসি) আগামী সপ্তাহেই ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ প্রকাশ করবে। এতে নির্বাচনী কাজের সময়ভিত্তিক বাস্তবায়ন-সূচি থাকবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে এই তথ্য জানান ইসি সচিব আখতার আহমেদ।
এ সময় তিনি বলেছেন, ইসির রোডম্যাপ নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। আশা করছি, আগামী সপ্তাহে আমাদের নির্বাচনী রোডম্যাপটি দিতে পারবো। আমাদের প্রস্তুতি সম্পর্কে ধারণা পাবেন।
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে রোজার আগে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা এসেছে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের কাছ থেকে।
নির্বাচন কমিশনও বলছে, ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে ভোটের আগে ৫০ থেকে ৬০ দিন হাতে রেখে ভোটের তফসিল দেবে।
উল্লেখ্য, নবম সংসদ নির্বাচনের আগে ২০০৭-২০০৮ সাল থেকে কাজের অগ্রগতি তুলে ধরে রোডম্যাপ প্রকাশের রেওয়াজ চলে এসেছে। সর্বশেষ দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের দেড় বছর আগে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে রোডম্যাপ দিয়েছিল তৎকালীন ইসি।

Govt lists 367 doable reforms' অর্থাৎ 'সংস্কারে ৩৬৭ সুপারিশ আশু বাস্তবায়নযোগ্য'। ইংরেজি দৈনিক নিউ এজের দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাতে সংস্কারের লক্ষ্যে গঠিত সংবিধান সংস্কার কমিশন ব্যতীত বাকি ১০টি কমিশনের মোট ৩৬৭টি সুপারিশ আশু বাস্তবায়নযোগ্য হিসেবে নির্ধারণ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। যার মধ্যে ৩৭টি ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে।
গতকাল উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। পরে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বৈঠকের বিষয়বস্তু তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
তিনি বলেন, গত সপ্তাহে জানানো হয়েছিল ১২১টি সুপারিশ বাস্তবায়নাধীন আছে। তার মধ্যে ১৬টি ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন হয়েছে, ১৪টি আংশিক বাস্তবায়ন হয়েছে এবং বাকিগুলো বাস্তবায়নাধীন।
বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদকে জানানো হয়, আরও ২৪৬টি আশু সুপারিশ বাস্তবায়নাধীন।









