‘দিল্লির মন বুঝে এগোবে ঢাকা’

সমকালের প্রধান শিরোনাম, ‘দিল্লির মন বুঝে এগোবে ঢাকা’। এ খবরে বলা হচ্ছে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ ও ভারতের সঙ্গে সরকারি পর্যায়ে যোগাযোগ কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে।
ফলে সীমান্ত সমস্যা, নদীর পানিবণ্টনসহ দ্বিপক্ষীয় নানা বিষয় ঝুলে গেছে। আমদানি- রফতানিও বিঘ্নিত।
এরই মধ্যে সংখ্যালঘু ইস্যু সামনে এনে ভারত সরকার, দেশটির গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সমন্বিতভাবে বাংলাদেশবিরোধী প্রচারে নেমেছে।
বাংলাদেশ সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বার্তা দিলেও, দিল্লির আন্তরিকতা বুঝতে চাইছে ঢাকা এবং সে অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে কর্তৃপক্ষ।
এক্ষেত্রে ড. ইউনূস সরকারের তিনটি দুর্বলতা চিহ্নিত করেছেন সাবেক কূটনীতিক ও বিশ্লেষকরা। প্রথমত, ভারত কোনো বিবৃতি দিলেই কেবল নড়েচড়ে বসছে ঢাকা। অথচ এসব ক্ষেত্রে আগেভাগে বাংলাদেশকে সক্রিয় হতে হবে।
দ্বিতীয়ত, সব অপপ্রচার নিয়ে বাংলাদেশ মাথা ঘামাচ্ছে না। প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে বাছাই করে। তৃতীয়ত, ঢাকা থেকে প্রচার বিবৃতির ভাষা খুবই নমনীয়। অথচ যথাযথ ভাষা প্রয়োগ খুবই জরুরি।

দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘সম্পর্কের কঠিন সময়’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, শেখ হাসিনাকে দিল্লির আশ্রয় দেওয়া নিয়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ছাত্ররা নাখোশ থাকলেও অন্তর্বর্তী সরকার ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটবে না বলে জানিয়েছিল।
কিন্তু ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রায় চার মাসের মাথায় দুই দেশের সম্পর্কে বড় টানাপড়েনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে এবং দিন দিন কূটনৈতিক দূরত্ব আরও স্পষ্ট হচ্ছে।
বাংলাদেশিদের ভিসা দেওয়া বন্ধ করে ভারত আগেই দূরত্ব তৈরির পথে হাঁটে। এরপর বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নির্যাতনের ধোঁয়া তুলে পরিস্থিতি আরও ঘোলা করার চেষ্টা করছে। সাথে দেশটির গণমাধ্যমেও চলছে অতিরঞ্জন।
এই ইস্যুতে বাংলাদেশিদের চিকিৎসা বন্ধের সিদ্ধান্তও নিয়েছে কলকাতার একটি হাসপাতাল। এ পরিস্থিতিতে আগামী ১০ই ডিসেম্বর ঢাকায় দুই দেশের সরকারের উচ্চপর্যায়ের মধ্যে একটি বৈঠক হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
যদিও বৈঠকটি শেষ পর্যন্ত হবে কি না এ নিয়েও রয়েছে সংশয়।

ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম, ‘চার দিন পর ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা’। খবরে বলা হচ্ছে চট্টগ্রামে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের হত্যাকাণ্ডের চার দিন পর হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে।
নিহত আইনজীবীর পিতা জামাল উদ্দিন গত শুক্রবার রাতে নগরীর কোতোয়ালি থানায় ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় অজ্ঞাত আরো ১৫ থেকে ১৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।
সাইফুল ইসলামের মরদেহ দাফন ও অন্যান্য কাজে গ্রামের বাড়িতে ব্যস্ত থাকায় মামলা করতে দেরি হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের ইন্ধনে আসামিরা সাইফুল ইসলামকে হত্যা করেছেন বলে বাদী মামলায় অভিযোগ করেছেন।
পুলিশ জানান, ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া ৫২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও দেখে পুলিশের মধ্যে নয় জনকে গ্রেফতার করেছে। এছাড়া নিহতের ভাই বাদী হয়ে আইনজীবীদের ওপর হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে আরেকটি মামলা দায়ের করেছেন।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, ‘Flawed, wholesale cases may hinder justice’ অর্থাৎ, ‘ত্রুটিপূর্ণ ও অযাচিত মামলার ফলে ন্যায়বিচার ব্যাহত হতে পারে’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জুলাই অগাস্ট আন্দোলনের সময় হত্যা ও হামলার ঘটনায় নভেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত আড়াই হাজারের বেশি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এসব মামলায় অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় আট হাজার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সরকার পতনের পর থেকে গত তিন মাসের মধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলাগুলো বাদে অন্য মামলার তদন্ত খুব ধীরগতিতে চলছে।
আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তারা জানান, এসব মামলায় ত্রুটির মধ্যে রয়েছে মৃত ব্যক্তিদের নাম উল্লেখ করা, প্রবাসীদের অভিযুক্ত করা, জীবিত ব্যক্তিদের নিহত হিসেবে দেখানো, এবং আরো অনেক অসঙ্গতি।
কিছু ক্ষেত্রে মামলার বাদী অভিযুক্তদের চিনতেই পারেন না। অভিযোগ উঠেছে যে কিছু শিক্ষার্থী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর জন্য অভিযোগপত্র তৈরি করেছেন।
মানবাধিকার কর্মীদের মতে, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে এ ধরনের মামলার সমাধানে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করা উচিত।

নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, ‘জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন ৫০ বিশিষ্ট নাগরিকের’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, শেখ হাসিনা ও তার দোসরদের সব অপচেষ্টা রুখে দিতে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছেন দেশের ৫০ জন বিশিষ্ট নাগরিক। শনিবার এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এ আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিবৃতিটি শেয়ার করেন।
এতে বলা হয়, দেশের সামনে এখন জরুরি কাজ হলো রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থা এবং বিশ্বাস পুনঃস্থাপন, অর্থনীতির পুনর্গঠন এবং একটি গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথ তৈরিতে প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়ন।
বিবৃতিতে বলা হয়, পতিত শাসনের শক্তিগুলো তাদের বিদেশি পৃষ্ঠপোষকদের প্রকাশ্য এবং গোপন সমর্থনে দেশে বিভাজন সৃষ্টিতে সক্রিয় রয়েছে। তারা মিথ্যা তথ্য ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে এবং সহিংসতা উসকে দিচ্ছে।
বিশেষ করে, বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর অত্যাচারের অতিরঞ্জিত, বানোয়াট এবং ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা প্রতিবেদন প্রচারের মাধ্যমে একটি সম্মিলিত প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, ‘প্রকল্পে ১৫ বছরে পৌনে তিন লাখ কোটি টাকা লুটপাট’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিগত সরকারের আমলে উন্নয়ন প্রকল্পের নামে প্রায় পৌনে তিন লাখ কোটি টাকা অপচয় বা নষ্ট হয়েছে।
অর্থনীতি নিয়ে সরকারের শ্বেতপত্রে প্রকল্পের নামে টাকা অপচয়ের এমন চিত্র উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে অর্থনীতির বিভিন্ন খাতের পাশাপাশি এডিপির দুর্নীতি, অনিয়ম, অর্থের অপচয়—এসব বিষয় নিয়ে মূল্যায়ন করা হয়েছে।
গত ১৫ বছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) মাধ্যমে খরচ করা হয়েছে প্রায় সাত লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা। এর ৪০ শতাংশ টাকা লুটপাট করা হয়েছে।
উন্নয়ন প্রকল্পে মূলত রাজনৈতিক চাঁদাবাজি, ঘুষ এবং বাড়তি খরচ দেখিয়ে এই বিপুল অর্থ লুটপাট করেছেন বিদায়ী ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী নেতা ও সুবিধাভোগীরা।
শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রধান দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, উন্নয়নের প্রকল্পের মাধ্যমে সরকারি বিনিয়োগে বিপুল অর্থ অপচয় হয়েছে।
আর্থিক সম্ভাব্যতা যাচাই না করেই অনেক রাজনৈতিক প্রকল্প নেওয়া হয়েছে এবং বাস্তবায়নের সময় নানাভাবে ‘নয়ছয়’ হয়েছে।
সময়ে সময়ে প্রকল্পের সময় বাড়ানো হয়েছে। পছন্দের ব্যক্তিদের প্রতিযোগিতাহীনভাবে ঠিকাদারি দেওয়া হয়েছে।

মানজমিনের প্রধান শিরোনাম, ‘উন্নয়ন সহযোগীদের প্রকল্পে স্থবিরতা’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, রাজনৈতিক পট পরিবর্তন ও দেশব্যাপী চলমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে ভারত, চীন, জাপান ও রাশিয়াসহ বেশ কয়েকটি উন্নয়ন সহযোগী দেশের চলমান প্রকল্প বাস্তবায়নে স্থবিরতা বিরাজ করছে।
কোনো কোনো প্রকল্পের কাজও বন্ধ রয়েছে। আবার কয়েকটি দেশ থেকে ঋণ ছাড়ও বন্ধ হয়ে গেছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রকল্পগুলোতে কাজ বন্ধ থাকলে মেয়াদ ও ব্যয় বাড়তে পারে। এভাবে প্রকল্পগুলো থেকে প্রত্যাশিত সুফল পাওয়ার ক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারের উচিত দ্রুত প্রকল্পগুলোর সমাধান দেয়া। এতে নেতিবাচক পরিস্থিতির কিছুটা অবসান ঘটবে।

বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রধান শিরোনাম, ‘সংকটে ৪৬০ থানা’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সরকার পতনের আগে ও পরে পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা এবং অবকাঠামোয় হামলার ভঙ্গুর হয়ে পড়েছে পুলিশ।
পুলিশ না থাকায় বেড়েছে চুরি-ডাকাতি ছিনতাইসহ বহুমাত্রিক অপরাধ। শহর-সড়ক-জনপদ সবই অনিরাপদ।
যৌথ বাহিনীর সহায়তা ছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চিতে এখনো শতভাগ ভূমিকা রাখতে পারছেন না পুলিশ সদস্যরা।
অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উচিত হবে স্থানীয় পর্যায়ে দায়িত্বরত ফোর্সকে সঙ্গে নিয়ে তৃণমূলে গিয়ে সমাজের সম্মানিত ব্যক্তিদের সহায়তা নেওয়া।
পুলিশে মিলিটারাইজেশনের কারণে পুলিশে সংস্কার জরুরি বলেও মনে করেন কেউ কেউ। এক্ষেত্রে জনগণকে সম্পৃক্ত করে পুলিশিং করলে বড়সংখ্যক পুলিশের প্রয়োজন হবে না।

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, ‘Hills razed for 30 real estate projects in Ctg’ অর্থাৎ, ‘চট্টগ্রামে ৩০টি আবাসন প্রকল্পের জন্য পাহাড় ধ্বংস’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, চট্টগ্রাম শহরে অবশিষ্ট প্রায় ৮০টি পাহাড় বর্তমানে প্রভাবশালী ব্যবসায়ীদের আবাসন প্রকল্পের হুমকির মুখে রয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য অনুসারে, গত ৫০ বছরে অন্তত ৩০টি আবাসন প্রকল্পের কাজে চট্টগ্রাম শহরের পাহাড় কেটে সমতল করা হয়েছে।
গবেষণা অনুযায়ী, ১৯৭৬ সালে চট্টগ্রাম শহরের পাঁচটি জোনে ৩২ বর্গকিলোমিটারের বেশি এলাকা জুড়ে পাহাড় ছিল। তবে ২০০৮ সালের মধ্যে এটি কমে ১৪ বর্গকিলোমিটারে নেমে এসেছে।
১৯৯০ সালে চট্টগ্রাম শহরের সবুজ আচ্ছাদন ছিল ৬৮ শতাংশের বেশি জায়গাজুড়ে, যা ২০২০ সালে কমে ৩৬ শতাংশে নেমে এসেছে।
চট্টগ্রামের পাহাড় ধ্বংস শহরের পরিবেশ, ভূমিধস ও জলাবদ্ধতার বড় কারণ হয়ে উঠছে বলে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি ছাড়া পাহাড় কাটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। শাস্তি হিসেবে দুই বছরের কারাদণ্ড বা দুই লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।
গত দুই বছরে পাহাড় কাটার অভিযোগে জমির মালিকদের বিরুদ্ধে ৩৪টি মামলা করা হলেও এতে পরিস্থিতির কোন বদল হয়নি।

কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, ‘পলি-প্লাস্টিকে নদীর মরণদশা’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, পলিথিন ও প্লাস্টিক বর্জ্যে বাংলাদেশের অন্যতম দূষিত নদীতে পরিণত হয়েছে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু, শীতলক্ষ্যা, কর্ণফুলী ও সুরমা নদী।
বর্তমানে এই নদীগুলোর মরণদশা। অন্যদিকে পদ্মা, যমুনা ও মেঘনা নদী দিয়ে প্রতিদিন ৭৩ হাজার টন প্লাস্টিক বর্জ্য সাগরে মিশছে।
এ ছাড়া ভারত, নেপাল ও চীনের বর্জ্য গঙ্গা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্রের মাধ্যমে প্রবাহিত হচ্ছে।
এ কারণে সমুদ্রের তলদেশে যে হারে বাড়ছে পলিথিন-প্লাস্টিকের স্তর, তাতে আগামী ৫০ বছর পর সমুদ্রে মাছের চেয়ে পলিথিনের পরিমাণ বেশি হবে।
এভাবে পলিথিন ও প্লাস্টিক দূষণের কারণে বাস্তুতন্ত্র ও ভূমি দূষণ ঘটছে যা গাছপালা ও অন্যান্য প্রাণীর অস্তিত্ব হুমকির মুখে ফেলছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।
পরিত্যক্ত প্লাস্টিক মাইক্রোপ্লাস্টিকে পরিণত হয়ে বাতাস, পানি ও খাবারের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করছে।
এর প্রভাবে পেটের পীড়া, হরমোনের সমস্যা, লিভারের সমস্যা, দীর্ঘ মেয়াদে ফুসফুস, কিডনিজনিত রোগ ও ক্যান্সার রোগের ঝুঁকি তৈরি করছে।
অথচ ঢাকায়প্রতিদিন ব্যবহার করা হচ্ছে দেড় কোটি পিস পলিথিন। গড়ে মাথাপিছু প্লাস্টিকের ব্যবহার বছরে ২৪ কেজির বেশি।








