পত্রিকা: 'এলপিজির সরবরাহ সংকট কাটছে না শিগগিরই, তৈরি হচ্ছে নানামুখী জটিলতা'

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র।
ছবির ক্যাপশান, ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র।

এতে বলা হয়েছে, দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সরবরাহ সংকট ক্রমেই প্রকট হচ্ছে। এ বিষয়ে জ্বালানি বিভাগ ও এলপিজি অপারেটরদের মধ্যে বৈঠকের পরও সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি।

অন্যদিকে মূল্য সমন্বয় করা ও 'হয়রানি-জরিমানা' বন্ধের দাবি পূরণ না হওয়ায় আজ থেকে দেশব্যাপী এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি।

তারা বলছে, সব কোম্পানির প্লান্ট থেকে এলপিজি উত্তোলনও বন্ধ থাকবে।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশে সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় বিদ্যমান এ সংকটের দ্রুতই কোনো সমাধান নেই।

আন্তর্জাতিক বাজার থেকে পণ্যটির ক্রয়াদেশ দেংয়ার পর অন্তত ছয় সপ্তাহের মতো সময় প্রয়োজন হয় তা দেশের বাজারে আনতে।

এর বাইরে জাহাজ সংকট, ভাড়া বৃদ্ধিসহ নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতাও রয়েছে।

আর চলমান সংকটের কারণ নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের ভিন্ন ভিন্ন মত রয়েছে।

বণিক বার্তা

জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান বিক্রি করতে চায় ইসলামাবাদ— দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার খবর এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন ইসলামাবাদে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর এয়ার চিফ মার্শাল জাহির আহমেদ বাবর সিধুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

তাদের মধ্যে বৈঠকে সম্ভাব্য একটি 'প্রতিরক্ষা চুক্তি' নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

সেখানে বাংলাদেশের কাছে জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান বিক্রির প্রস্তাবও রয়েছে। চীনের প্রযুক্তি সহায়তা নিয়ে পাকিস্তান যৌথভাবে এই মাল্টি-রোল কমব্যাট এয়ারক্রাফট তৈরি করেছে।

আলোচনায় প্রশিক্ষণ, সক্ষমতা বৃদ্ধি ও মহাকাশ প্রযুক্তিতে সহযোগিতার বিষয় প্রাধান্য পায়।

গত মঙ্গলবার পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী এমন এক সময়ে এই আলোচনার খবর দিল, যখন বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি ঘটছে এবং পাকিস্তান তাদের অস্ত্র বিক্রির বাজার সম্প্রসারণে উদ্যোগী হয়েছে।

বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন:
দেশ রূপান্তর
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

ভিসা, প্রবাসী আয় ও ভ্রমণে কড়াকড়ি যুক্তরাষ্ট্রের— প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম এটি।

এতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিশ্বের যেকোনো দেশে রেমিট্যান্স পাঠাতে নগদ লেনদেনে প্রতি ১০০ ডলারে অতিরিক্ত ১ ডলার কর চলতি বছরের প্রথম দিন থেকে কার্যকরের ঘোষণা আগেই ছিল।

এবার যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের আবেদনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশসহ ৩৮ দেশের নাগরিকদের অবশ্যই ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত 'ভিসা বন্ড' বা জামানত দেওয়ার ঘোষণা এলো। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ১৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।

এই তালিকার ৩৮ দেশের মধ্যে বেশিরভাগই আফ্রিকার।

তবে এ জামানত জমা দিলেই যে ভিসা পাওয়া নিশ্চিত হবে, তা নয়। যদি ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয় বা ভিসা পাওয়া ব্যক্তি ভিসার সব শর্ত মেনে চলেন, তবে ওই অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।

নতুন নিয়মের ফলে দেশগুলোর নাগরিকদের জন্য এখন মার্কিন ভিসা পাওয়া অত্যন্ত ব্যয়বহুল হয়ে পড়বে।

এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের ক্ষেত্রে তিনটি নির্দিষ্ট বিমানবন্দর ব্যবহারের বাধ্যবাধকতাও বন্ডের শর্তে যুক্ত করা হয়েছে।

এই কড়াকড়ি আরোপ বাংলাদেশের জন্য নতুন করে চাপ হিসেবে দেখছেন কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকেরা।

তাদের মতে, রেমিট্যান্সে অতিরিক্ত কর বাড়তি চাপ তৈরি করবে। এর ফলে অনানুষ্ঠানিক পথে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স পাঠানোকে উৎসাহিত করতে পারে।

আর 'ভিসা বন্ড' হিসেবে জামানত বাংলাদেশিদের যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়াকে নিরুৎসাহিত করবে।

প্রথম আলো

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সদ্য আরোপিত ভিসা বন্ড নিয়ে আলোচনায় ওয়াশিংটন গেছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান। গতকাল বুধবার বিকেলে তিনি ঢাকা ছেড়েছেন।

ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশের নাম যুক্ত হওয়ার আভাস আগেই পায় ঢাকা।

ওয়াশিংটনের তরফে এ নিয়ে ঢাকাকে বলা হয়েছিল, ওই তালিকার বাইরে থাকতে হলে যেকোনো দেশকে তার নাগকিদের ওভার-স্টে বা ঘোষিত সময়সীমার চেয়ে বেশিক্ষণ অবস্থান বন্ধ করতে হবে। অনিয়মিত বা অবৈধ হয়ে পড়াদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিজ দেশে ফেরাতে হবে।

অভিবাসন প্রশ্নে ট্রাম্প প্রশাসনের কড়াকড়ির বিষয়টি টের পেয়ে বাংলাদেশ ইতিবাচক ভূমিকা নেয়।

দেশটিতে অবৈধ হয়ে পড়া এ পর্যন্ত প্রায় ৩ শতাধিক বাংলাদেশিকে ইতোমধ্যে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

বাংলাদেশিদের ওভার স্টেও কমে এসেছিল সরকারের সচেতনতামূলক নানামুখী তৎপরতায়। কিন্তু তারপরও বন্ড তালিকা থেকে মুক্ত থাকতে পারেনি বাংলাদেশ।

যা সরকারকে হতাশ করেছে।

মানবজমিন

সমকালের দ্বিতীয় প্রধান খবর— ভারতে খেলতে না যাওয়ার ব্যাপারে অনড় বিসিবি

এতে বলা হয়েছে, ভারতে আসন্ন আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপ খেলতে আপত্তি জানিয়ে বাংলাদেশের চিঠির জবাব দিয়েছে আইসিসি। ক্রিকেটের সর্বোচ্চ এই নিয়ন্ত্রক সংস্থা বলছে, বাংলাদেশকে নিয়েই এই আয়োজন করতে চায় আইসিসি।

গতকাল বিসিবিকে পাঠানো ইমেইলে তা জানায় আইসিসি।

সেই সঙ্গে সংস্থাটি বাংলাদেশের নিরাপত্তার শঙ্কার জায়গাগুলোও জানতে চেয়েছে।

এই মেইল পাওয়ার পর বিসিবি পরিচালনা পর্ষদের সভা হয়। এরপর যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সঙ্গেও বৈঠক করেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ না খেলার ব্যাপারে অনড় থাকার ব্যাপারটি জানিয়ে দেয় বিসিবি।

আমিনুল ইসলাম বুলবুল জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার দাবিতে আইসিসির সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখবেন তারা।

ভেন্যু পরিবর্তন করা না হলে বিশ্বকাপ বয়কট করা হবে কি না জানতে চাওয়া হলে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানান, এ রকম কোনো পরিস্থিতি হলে পরে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি বলেছেন, আইসিসি থেকে যে চিঠিটা পেয়েছি, সেই চিঠি পড়ে আমাদের কাছে মনে হয়েছে, ভারতে যে প্রচণ্ড একটা নিরাপত্তা ইস্যু তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের জন্য, তারা সেটি অনুধাবন করতে সক্ষম হয়নি।

সমকাল

আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম— কোটিপতি প্রার্থী ৫০১ জন

এই খবরে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়া ১ হাজার ৮৪২ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫০১ জনই কোটি টাকার বেশি সম্পদের মালিক।

তার মধ্যে সাত জন প্রার্থীর সম্পদের পরিমাণ শতকোটি টাকার বেশি।

সবচেয়ে বেশি কোটিপতি প্রার্থী বিএনপির। দলটির ২১২ প্রার্থীই এ তালিকায় রয়েছেন।

জামায়াতের ৬৪, ইসলামী আন্দোলনের ৩৫, জাতীয় পার্টির ৩০, খেলাফত মজলিসের ১২, গণঅধিকার পরিষদ, এনসিপি ও এবি পার্টির পাঁচ জন করে এবং খেলাফত আন্দোলনের চার জন প্রার্থী কোটিপতি।

এছাড়া স্বতন্ত্র ৫৮ জন এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দলের ৭১ জন প্রার্থী কোটিপতি।

হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, বিভাগভিত্তিক হিসেবে সর্বোচ্চ কোটিপতি প্রার্থী ঢাকা বিভাগে, ১৪৩ জন।

দ্বিতীয় অবস্থানে চট্টগ্রাম বিভাগ, যেখানে কোটিপতি প্রার্থী ১১৪ জন। রংপুর বিভাগে ৫১ জন, রাজশাহীতে ৪৭, খুলনায় ৪০, বরিশালে ৩৯, সিলেটে ৩৭ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ৩০ জন কোটিপতি প্রার্থী রয়েছেন।

শীর্ষ ১০ সম্পদশালী প্রার্থীর মধ্যে ৬ জনই বিএনপির। বাকি ৪ জনের দুজন স্বতন্ত্র এবং জামায়াতে ইসলামীর একজন ও ইসলামী আন্দোলনের একজন।

আজকের পত্রিকা

কালের কণ্ঠে প্রধান সংবাদ— গুলি করে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে হত্যা

এই খবরে বলা হয়েছে, ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা।

গতকাল বুধবার রাত সোয়া ৮টার দিকে ফার্মগেটের পশ্চিম তেজতুরী বাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

এ সময় মুছাব্বিরের সঙ্গে থাকা আবু সুফিয়ান ব্যাপারী মাসুদ নামের আরেকজনও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তিনি কারওয়ান বাজার ভ্যান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মাসুদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

সংসদ নির্বাচনের কয়েক সপ্তাহ আগে রাজধানীতে ফের আরও একজন নেতাকে হত্যার ঘটনা ঘটল।

পুলিশ ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, রাত সোয়া ৮টার দিকে কয়েকজন রাজনৈতিক সহকর্মীকে নিয়ে স্টার কাবাবের পাশের একটি গলিতে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন মুছাব্বির।

এ সময় দুটি মোটরসাইকেলে চার-পাঁচজন সন্ত্রাসী এসে তাদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে শুরু করে। মুছাব্বিরের মাথা ও বুকে অন্তত তিনটি গুলি লাগে। আর মাসুদ পায়ে ও পেটে গুলিবিদ্ধ হন।

গুলির শব্দে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পথচারীরা দিগ্বিদিক ছুটতে শুরু করেন।

কালের কণ্ঠ

ইত্তেফাকের প্রথম পাতার খবর— নিপাহ ভাইরাস ছড়িয়েছে দেশের ৩৫ জেলায়

এই খবরে বলা হয়েছে, দেশের ৩৫ জেলায় নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।

সরকারের জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) জানিয়েছে, ২০২৪ সালে দেশে নিপাহ ভাইরাসে মোট পাঁচ জনের মৃত্যু হয়। ওই বছর ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হন পাঁচ জন।

বাংলাদেশে এই রোগে মৃত্যুহার ৭২ শতাংশ।

গতকাল বুধবার মহাখালীর আইইডিসিআর মিলনায়তনে আয়োজিত 'নিপাহ ভাইরাসের বিস্তার এবং ঝুঁকি'—বিষয়ক মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।

ভাইরাসজনিত এই রোগের নির্দিষ্ট কোনো ওষুধ বা টিকা এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়নি, ফলে পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলছে।

দেশে সাধারণত শীতকালে কাঁচা খেজুরের রস পান করার মাধ্যমে মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হন ।

এছাড়া, খেজুর রস পান করার দুই থেকে ২৮ দিনের মধ্যে নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে।

আইইডিসিআরের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা বলেছেন, কাঁচা খেজুরের রস কিংবা পাখির খাওয়া অর্ধ ফল খেয়ে কারো জ্বর এলে, তাকে অন্যের সংস্পর্শ ছাড়া, আলাদা থাকতে হবে কমপক্ষে ২২ দিন।

দেশে নিপাহ ভাইরাসের পরীক্ষা ব্যয়বহুল; এই রোগের পরীক্ষা কেবল আইইডিসিআর এবং আইসিডিডিআর,বি ছাড়া দেশের অন্য কোথাও হয় না।

বিবিসি বাংলার অন্যান্য খবর:
ইত্তেফাক

দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— Shibir wins top post in first JnUCSU polls; অর্থাৎ জকসুর প্রথম নির্বাচনে শীর্ষ পদে জয়ী শিবির।

এই খবরে বলা হয়েছে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) প্রথম নির্বাচনে সাফল্য দেখিয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবির।

সংগঠনটির সমর্থিত 'অদম্য জবিয়ান ঐক্য' প্যানেলের প্রার্থীরাই ভিপি, জিএস, এজিএস পদে জয় পেয়েছেন।

এর মধ্যে ভিপি পদে রিয়াজুল ইসলাম পাঁচ হাজার ৫৯১ ভোট পেয়ে জয়ী হন। প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী এ কে এম রাকিব পান চার হাজার ৬৮৮ ভোট, তিনি ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের।

জিএস ও এজিএস পদে নির্বাচিতরা হলেন আব্দুল আলিম আরিফ ও মাসুদ রানা।

জকসুর ২১ পদের মধ্যে ভিপি, জিএস ও এজিএসের পাশাপাশি ১৫টি পদে জয় পেয়েছে শিবিরের নেতৃত্বাধীন প্যানেল।

ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল থেকে তিনটি সম্পাদক পদ এবং সদস্য পদে একজন জয়ী হয়েছেন।

এছাড়া, সদস্য পদে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন।

দ্য ডেইলি স্টার

নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম— Law enforcers to remain deployed in Feb 8-14; অর্থাৎ আট থেকে ১৪ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাঠে থাকবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

এতে বলা হয়েছে, আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনে এক সপ্তাহের জন্য দেশজুড়ে আইনপ্রয়োগকারী সদস্যদের মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

তারা আট ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাঠে থাকবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত জারি করা পরিপত্রে বলা হয়েছে, দুই পর্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন থাকবে। প্রথম পর্বে চলমান যারা মোতায়েন রয়েছেন, তারা বলবৎ থাকবেন। দ্বিতীয় পর্বে ভোটকেন্দ্রিক মোতায়েন, যেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আট থেকে ১৪ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট সাত দিন দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে কত সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে, তা নির্ভর করবে ভৌগলিক অবস্থান এবং গুরুত্বের ওপর।

পরিপত্রে আরও বলা হয়, নির্বাচনী এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, র‍্যাব, পুলিশ, এপিবিএন ও আনসার ব্যাটালিয়ন মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে।

বিজিবি, র‍্যাব, এপিবিএন ও আনসার ব্যাটালিয়ন জেলা-উপজেলা ও থানাভিত্তিক কাজ করবে। কোস্টগার্ড দায়িত্বে থাকবে উপকূলীয় এলাকায়।

নিউ এইজ