পত্রিকা: 'আওয়ামী তিন নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেন'

'আওয়ামী তিন নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেন' আজকের পত্রিকার শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবারের সংসদ নির্বাচনে দলীয়ভাবে অংশ নিতে পারছে না। তবে দলটি ও সহযোগী সংগঠনের তৃণমূল পর্যায়ে তিন নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
তাদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। নির্বাচন কর্মকর্তারা বলছেন, কমিশনের আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী মনোনয়ন যাচাই- বাছাইয়ের দিন এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
নরসিংদী -৫ (রায়পুরা) আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার তৌফিকুর রহমান। গতকাল সোমবার জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ব্যারিস্টার তৌফিকুর রহমান নরসিংদীর রায়পুরার পাড়াতলী গ্রামের সন্তান। তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের বোন আমেনা বেগম এবং শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাতের নাতি।
এর আগের কয়েক নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে রায়পুরার মনোনয়ন চেয়েছিলেন তিনি।

'নুরুল হুদার স্বীকারোক্তি: প্রশাসনের যোগসাজশে রাতের ভোট হয়েছিল' মানবজমিনের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, রাতের ভোট নিয়ে তৎকালীন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদার জবানিতেই উঠে এসেছে নানা চমকপ্রদ তথ্য। ২০১৮ সালে হওয়া এই নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ টানা তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতা দখল করে।
বিরোধী দলগুলো এই নির্বাচনে অংশ নিলেও নির্বাচনটি আখ্যা পায় রাতের ভোট হিসেবে। পুলিশ এবং প্রশাসনের মাধ্যমে ভোটের আগের রাতেই ব্যালট বাক্স ভরা হয় কেন্দ্রে কেন্দ্রে।
রাতের এই ভোট নিয়ে তৎকালীন সিইসি নুরুল হুদা সম্প্রতি একটি মামলায় জবানবন্দি দিয়েছেন। এতে উঠে এসেছে তার স্বীকারোক্তি ও কীভাবে বাস্তবায়ন হয়েছিল রাতের ভোটের পরিকল্পনা।
জবানবন্দিতে তিনি বলেন, পুলিশ ও প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে রাতের ভোটের আয়োজন করা হয়েছিল। অনিয়ম ও রাতের ভোটের তথ্য লুকাতে দায়িত্বে থাকা মাঠের কর্মীদের টাকা দিয়ে মুখ বন্ধ করা হয়েছিল।
আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা করেই এই আয়োজন করেছিল। সেই সময়ের গোয়েন্দা সংস্থা পুরো নির্বাচন নিয়ন্ত্রণ করে এমন তথ্যও জানিয়েছেন সাবেক এই সিইসি।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
'শতাধিক আসনে একাধিক প্রার্থী বিএনপির' কালের কণ্ঠের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ সংসদীয় আসনের মধ্যে শতাধিক আসনে বিএনপির একাধিক প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তবে এসব প্রার্থীর অনেকেই 'কৌশলগত' কারণে দলের সংকেত পেয়েই মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
আবার কোনো কোনো প্রার্থী দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে সংক্ষুব্ধ হয়ে প্রার্থী হয়েছেন। তবে এসব প্রার্থীর মধ্যে কতজন বিদ্রোহী প্রার্থী হবেন তা সময় এলেই বোঝা যাবে। এ জন্য অপেক্ষা করতে হবে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত।
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল গতকাল সোমবার। রিটার্নিং অফিসারের মাধ্যমে মনোনয়নপত্র বাছাই করা হবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। আপিল করা যাবে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত।
আপিল নিষ্পত্তি করা যাবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। প্রতীক বরাদ্দ করা হবে ২১ জানুয়ারি। আর ভোট হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।
বিএনপি সূত্র জানায়, বিদ্রোহী প্রার্থীদের ব্যাপারে এবার দলের অবস্থান কঠোরতর। দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে কেউ প্রার্থী হলে তাঁকে বহিষ্কার করা হতে পারে।

'জামায়াতের জোটে প্রার্থীজট' সমকালের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, জামায়াতে ইসলামীর জোট এনসিপিকে ৩০ আসন ছাড়লেও, দলটি প্রার্থী দিয়েছে ৪৭ আসনে।
চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলনকে ৩১ আসনে ছাড় নিশ্চিত করা হলেও ২৭২ আসনে হাতপাখার প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
জামায়াতও দুই শতাধিক আসনে প্রার্থী দিয়েছে। অন্তত ১০০ আসনে অস্পষ্টতা রয়েছে- কোন দলের প্রার্থী জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোটের মনোনীত।
জোটের প্রার্থী নিয়ে এই জটের মধ্যে গতকাল সোমবার এনসিপিতে যোগ দিয়ে দলটির মুখপাত্র হয়েছেন সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তাঁকে জোটের প্রার্থী করা না হলেও, তিনি দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করবেন।
গত ৮ ডিসেম্বর থেকে ২১ দিন আলোচনা করেও জামায়াত জোট প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে পারেনি। কোন দলের প্রার্থী কোন আসনে জোটের সমর্থনে নির্বাচন করবেন, তাও খোলাসা করা হচ্ছে না।

'এনসিপির ক্ষুব্ধ নেত্রীরা ভোট থেকে দূরে, দুজনের পদত্যাগ' প্রথম আলোর শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতা করায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) অন্তত ছয়জন নারীনেত্রী প্রকাশ্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজন দল থেকে পদত্যাগ করেছেন।
একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। অন্যরা আগে থেকে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিলেও সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছেন।
এনসিপি ১০ ডিসেম্বর ১২৫ জন প্রার্থীর একটি তালিকা প্রকাশ করেছিল। সেই তালিকায় থাকা দুজন নারীনেত্রী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। একজন নেত্রী নিজেকে দলে নিষ্ক্রিয় ঘোষণা করেছেন, আরেকজন দলের সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন।
গত রোববার জামায়াত ও সমমনা দলগুলোর নির্বাচনী সমঝোতায় এনসিপির যুক্ত হওয়ার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে দুই পক্ষ থেকেই জানানো হয়।
এ আলোচনা চলার মধ্যেই শনিবার দল থেকে পদত্যাগ করে ঢাকা-৯ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা। এর আগে একই আসন থেকে তাকে দলের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছিল।

'Afghan foreign ministry official's Dhaka visit sparks curiosity' অর্থাৎ 'আফগান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তার ঢাকা সফর কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে' টাইমস অব বাংলাদেশের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, আফগানিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক এবং তালেবানের জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতা মোল্লা নূর আহমেদ নূরের গোপন সফর ঢাকার কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা মহলে ব্যাপক কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে।
মোল্লা নূর মোল্লা জাওয়ান্দি নামেও পরিচিত। তিনি বাণিজ্যসচিব মাহবুবুর রহমানের সঙ্গে একটি অনানুষ্ঠানিক বৈঠক করেছেন। এছাড়া খেলাফত মজলিশের আমির মাওলানা মামুনুল হকসহ রাজনীতিবিদ, ধর্মীয় নেতা এবং শিক্ষাবিদদের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন।
তিনি রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের বেশ কয়েকটি মাদ্রাসা পরিদর্শন করেছেন। এ সময় নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হরকাত-উল-জিহাদের সিনিয়র নেতাদের তার সঙ্গে থাকতে দেখা গেছে।

নিউ এজের শিরোনাম 'IDENTIFYING DEFAULTERS: Bankers asked to assist EC' অর্থাৎ 'ঋণখেলাপি শনাক্তকরণ: সহায়তা করার জন্য ব্যাংকারদের ইসির অনুরোধ'।
খবরে বলা হচ্ছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের ঋণ খেলাপি অবস্থা যাচাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সহায়তা করতে সব ব্যাংক এবং ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দিয়েছে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা ঋণ খেলাপিদের মানদণ্ড তুলে ধরে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ গতকাল সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দ্বারা নির্বাচনী প্রার্থীদের যাচাই-বাছাইয়ের সময় খেলাপিদের হালনাগাদ তালিকা উপস্থাপন করতে ব্যাংকারদের নির্দেশ দিয়েছে।
বাংলাদেশে ঋণখেলাপিরা কোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেন না।
নির্বাচনের তফসিল অনুসারে, ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি।
রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৯ জানুয়ারির মধ্যে আপিল করতে হবে। ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে নিষ্পত্তির সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্বাচনী প্রতীকসহ প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে ২১ জানুয়ারী।

'ভোটের মাঠে দুই জোট' নয়াদিগন্তের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, মনোনয়ন পেশের মধ্য দিয়ে নির্বাচনী মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবেশ করেছে প্রধান দুই রাজনৈতিক বলয়- একদিকে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট, অন্যদিকে জামায়াতকেন্দ্রিক ১১ দলের জোট।
মনোনয়ন দাখিল শেষ হওয়ার পরপরই স্পষ্ট হয়ে উঠছে, এই নির্বাচন শুধু ক্ষমতার লড়াই নয়; এটি ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রকাঠামো, সংস্কার এজেন্ডা ও রাজনৈতিক বৈধতার প্রশ্নেও এক ধরনের গণভোট।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারা দেশে ৩০০টি সংসদীয় আসনে মোট দুই হাজার ৫৮২টি মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়েছে।
এর মধ্যে ঢাকা অঞ্চলে ৪১টি সংসদীয় আসনের বিপরীতে ৪৪৪টি, ফরিদপুর অঞ্চলে ১৫টি সংসদীয় আসনের বিপরীতে ১৪২টি, চট্টগ্রাম অঞ্চলে ২৩টি সংসদীয় আসনের বিপরীতে ১৯৪টি, কুমিল্লা অঞ্চলে ৩৫টি সংসদীয় আসনের বিপরীতে ৩৬৫টি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ অনুপস্থিত। এ অবস্থায় ৫ই আগস্ট ২০২৪-এর গণ-অভ্যুত্থান সমর্থক শক্তিগুলোর মধ্যে ক্ষমতায় যাওয়ার প্রতিযোগিতা তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক। সেই প্রতিযোগিতায় রাজনৈতিক মেরুকরণ স্পষ্ট হয়েছে।

'পঁচিশ ছিল ব্যক্তি খাতের হতাশার বছর' এটি বণিক বার্তার শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, একদিকে ব্যবসার স্থবির পরিবেশ, অন্যদিকে ছোট-বড় ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ। অনেক ব্যবসায়ীর সময় কেটেছে কোর্ট-কাচারিতে।
পাশাপাশি উচ্চ সুদের হার, উচ্চ মূল্যস্ফীতি নতুন বিনিয়োগ থেকে ব্যবসায়ীদের দূরে রেখেছে। সব মিলিয়ে ২০২৫ সাল ছিল বেসরকারি খাতের জন্য হতাশার বছর।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছে মাত্র ৬ দশমিক ২৩ শতাংশে (অক্টোবর ২০২৫), যা এ খাতে আস্থার সংকটের একটি সরাসরি অর্থনৈতিক সূচক। এ সংকট স্পষ্ট হয়ে উঠছে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণ না করার সিদ্ধান্তে।
খাতসংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি ও বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, চলতি বছর অন্যতম সমস্যা ছিল দুর্বল ঋণ প্রবৃদ্ধি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি ও বাজারের অস্থিরতার কারণে বেসরকারি খাতে ঋণ দেয়া কমে গেছে। রয়েছে বিনিয়োগে মন্দাও।
দেশে নতুন বিনিয়োগ হয়নি, বিশেষ করে মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানি কমেছে, যা অর্থনীতির দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির জন্য উদ্বেগের কারণ।

'শীতের তীব্রতায় হাসপাতালে বাড়ছে রোগী: ভর্তি শিশুদের ৬০% নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত' যুগান্তরের শেষপাতার খবর এটি।
খবরে বলা হচ্ছে, প্রকৃতিতে শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক, গর্ভবতী নারী এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্তদের মধ্যে শীতজনিত অসুস্থতার ঝুঁকি বেশি দেখা যাচ্ছে।
রাজধানীর হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সর্দি-কাশি, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট ও ঠান্ডাজনিত জ্বরের পাশাপাশি শিশুদের নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কাইটিস, কোল্ড ডায়রিয়া (রোটাভাইরাস) এবং বিভিন্ন ভাইরাসজনিত সংক্রমণ বেশি।
চিকিৎসকরা বলছেন, শীতজনিত রোগে ভর্তি শিশুদের ৬০ ভাগই নিউমোনিয়া ও ব্রঙ্কাইটিস সমস্যা নিয়ে আসছে।
তাদের মতে, তাপমাত্রার হঠাৎ পরিবর্তনে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া সক্রিয় হয়ে ওঠায় এসব জটিলতা তৈরি হয়েছে। তবে এখনো তীব্র আকার ধারণ করেনি।
শীতজনিত রোগ মোকাবিলায় ব্যক্তিগত সতর্কতার পাশাপাশি সামাজিক পর্যায়ে সমন্বিত ও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দেন তারা। বিশেষ করে সর্দি-কাশি না কমলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ না করার কথা বলেন তারা।








