পত্রিকা: 'বাংলাদেশ-ভারত দুই দেশেই ভিসা সেবা বাড়ছে'

দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার খবর— বাংলাদেশ-ভারত দুই দেশেই ভিসা সেবা বাড়ছে।
এতে বলা হয়েছে, চব্বিশে গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর বাংলাদেশে ভারতীয় মিশনগুলো ভিসা পরিষেবা খুব সীমিত করে দেয়।
তবে, এই সেবা পুরোদমে চালুর আভাস দিয়েছে ভারত।
সিলেটে দেশটির মিশনের সিনিয়র কনস্যুলার কর্মকর্তা অনিরুদ্ধ দাস স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, ভিসা পরিষেবা সম্পূর্ণরূপে পুনরায় চালু করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
ভারতের তরফ থেকে ভিসা পরিষেবা স্বাভাবিক করতে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এমন খবর বেরোনোর পর দেশটির রাজধানী দিল্লি ও আগরতলায় বাংলাদেশ মিশনগুলোও ভিসা পরিষেবা সম্প্রসারণ করতে শুরু করছে। দিল্লিতে বাংলাদেশের এক কূটনীতিক গতকাল শুক্রবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
উগ্রপন্থিদের হামলার ঝুঁকির মুখে গত দুই মাস দিল্লি ও আগরতলায় ভিসা পরিষেবা প্রায় বন্ধ রাখা হয়।
এদিকে, একটু একটু করে ভিসা সেবা স্বাভাবিক করার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্কের স্থবিরতা কাটার ইঙ্গিত পাচ্ছেন দুই দেশের কূটনীতিকরা। তারা বর্তমান অবস্থাকে অনেক দিন জমে থাকা বরফ গলতে শুরু করার সঙ্গে তুলনা করছেন।

কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম— ভাষার সঙ্গে বিপন্ন সংস্কৃতিও।
বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
এই খবরে বলা হয়েছে, দেশের অনেক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি এখন হুমকির মুখে। উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মা তার ভাষায় সন্তানদের সঙ্গে কথা বলছেন না।
ফলে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর নিজস্ব ভাষা দুর্বল হয়ে যাছে এবং হারিয়ে যাচ্ছে। ভাষার সঙ্গে বিপন্ন হচ্ছে সংস্কৃতিও।
২০২১ সালে বাংলাদেশ সরকার স্বীকৃত ৫০টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে স্বল্প পরিচিত ২০টি জনগোষ্ঠীর ভাষা নিয়ে গবেষণার কাজ শুরু করে আন্তর্জাতিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সামার ইনস্টিটিউট অব লিঙ্গুইস্টিকস (এসআইএল) ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ।
২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৩ সালের এপ্রিল পর্যন্ত স্বল্প পরিচিত ১৫টি জনগোষ্ঠীর ওপর গবেষণা শেষ করে প্রতিষ্ঠানটি।
গবেষণার তৃতীয় ও শেষ পর্বে ২০২৪ সালে পাঁচটি জনগোষ্ঠীর ভাষা, সংস্কৃতি ও আর্থ-সামাজিক অবস্থা নিরূপণ করে এসআইএল, যা গত বছরের জানুয়ারিতে প্রকাশ করা হয়। এগুলো হলো— গড়াইত, গুর্খা, খেড়োয়ার, ভূঁইমালী, লোহার ও শবর।
গবেষণায় দেখা গেছ, মূলত অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে অনগ্রসরতার কারণে মাতৃভাষা গুরুত্ব পাচ্ছে না এসব সম্প্রদায়ের লোকদের কাছে। জীবিকার তাগিদেই তারা ঝুঁকছে বাংলা বা অন্য ভাষার দিকে। এসব জনগোষ্ঠীর বেশিরভাগই দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে এবং ভূমিহীন।
প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম— ভাষাজ্ঞানে দুর্বল শিক্ষার্থীরা, পিছিয়ে শিক্ষা ও কর্মজীবনে।
এই খবরে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘিরে দেশে ভাষার মর্যাদা ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের কথা নতুন করে উচ্চারিত হয়।
কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী বাংলা ও ইংরেজি— দুই ভাষাতেই প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন না করেই এক শ্রেণি থেকে আরেক শ্রেণিতে উঠছে।
শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করার পরও ভাষাদক্ষতায় পিছিয়ে থাকে। তারা ভালো বাংলা লিখতে পারে না। আন্তর্জাতিক ভাষা ইংরেজিতেও দক্ষ হতে পারছে না।
এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে শিক্ষাজীবনের প্রতিটি ধাপে এবং চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে।
এই সংকটের শুরু প্রাথমিক শিক্ষা থেকে।
প্রাথমিকে শিক্ষার্থীদের ভাষাদক্ষতা কেমন, তা উঠে এসেছিল ২০২৩ সালে সেভ দ্য চিলড্রেন ও গণসাক্ষরতা অভিযানের একটি গবেষণায়।
দুইটি উপজেলার ৩২২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির ২ হাজার ২৯ শিক্ষার্থীর ওপর করা ওই গবেষণায় দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা যত উপরের শ্রেণিতে উঠছে, ভাষাশিক্ষার ঘাটতিও তত বাড়ছে।
এর মধ্যে পঞ্চম শ্রেণিতে বাংলা বিষয়ে শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি ছিল ৭০ শতাংশ। আর ইংরেজিতে প্রায় ৮২ শতাংশ শিক্ষার্থীর ঘাটতি ছিল।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভাষাশিক্ষায় দুর্বলতা এখন বিচ্ছিন্ন সমস্যা নয়; এটি প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষ পর্যন্ত বিস্তৃত একটি কাঠামোগত সংকটে রূপ নিয়েছে।

আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার খবর— পুলিশে শীর্ষ পদে বদল হতে পারে, ঢালাও বদলি নয়।
এই খবরে বলা হয়েছে, নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসার পর পুলিশ বাহিনীর শীর্ষ পদগুলোতে পরিবর্তনের আভাস মিলেছে।
তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে আপাতত সব স্তরে ঢালাও বদলি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
এখন আইজিপি, ডিএমপি কমিশনার, র্যাব মহাপরিচালক, পুলিশের বিশেষ শাখার প্রধান, অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) এবং সিআইডি প্রধানসহ বেশ কয়েকটি শীর্ষ পদে পরিবর্তন আসছে।
ডিআইজি , এসপি ও থানার ওসিদের বদলির বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। আপাতত এসব পদে বদলি করা হবে না বলে জানা গেছে।
পুলিশের কোন কোন পদে পরিবর্তন আসছে, জানতে চাইলে এ সম্পর্কে সরাসরি মন্তব্য করেননি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
তবে পুলিশপ্রধান বাহারুল আলম বলেছেন, তিনি নিজ দায়িত্ব থেকে সরে যাচ্ছেন। এছাড়া কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন বিষয়ে আলোচনা চলছে।
নতুন সরকারের ভাবনা, পদায়ন ও দায়িত্ব প্রদান হবে সম্পূর্ণ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে । সেখানে রাজনৈতিক পরিচয়ের চেয়ে দক্ষতাকে প্রাধান্য দেওয়া হবে।

শেষ সময়ে তড়িঘড়ি চুক্তি অন্তর্বর্তী সরকারের বড় ভুল কি— বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম এটি।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র তিনদিন আগে ৯ই ফেব্রুয়ারি তড়িঘড়ি করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তিতে সই করে অন্তর্বর্তী সরকার।
মার্কিন বাজারে প্রবেশাধিকার ধরে রাখা এবং সম্ভাব্য শুল্কচাপ এড়ানোর কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে চুক্তিটিকে উপস্থাপন করেছিল ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার।
যদিও ভোটের আগ মুহূর্তে এ ধরনের চুক্তি স্বাক্ষর না করে বিষয়টি নতুন সরকারের ওপর ছেড়ে দিতে পরামর্শ দিয়েছিলেন অর্থনীতিবিদ ও বাণিজ্যসংশ্লিষ্টরা। কিন্তু বিষয়টি আমলে নেয়নি অন্তর্বর্তী সরকার।
এর মধ্যে গতকাল শনিবার মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের বৈশ্বিক শুল্কারোপ অবৈধ ঘোষণা করেছে। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ নেই।
তবে ট্রাম্প প্রশাসন আদালতের কাছে রায়টি পুনরায় বিবেচনা করার অনুরোধ করতে পারে। যদিও এটি অত্যন্ত বিরল ঘটনা এবং রায় পাল্টে যাওয়ার নজির নেই বললেই চলে।
তাতে আবারো প্রশ্ন উঠছে— নির্বাচনের আগ মুহূর্তে এমন একটি দীর্ঘমেয়াদি, বহুমাত্রিক শর্তযুক্ত চুক্তিতে সই করা কি অন্তর্বর্তী সরকারের ভুল সিদ্ধান্ত ছিল?
এদিকে, এই রায়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন পথে হাঁটার ঘোষণা দিয়েছেন।
তিনি বলেছেন, ট্রেড অ্যাক্টের সেকশন ১২২ ব্যবহার করে বিশ্বব্যাপী ১০ শতাংশ ট্যারিফ তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করবেন। এটি তিনদিন পর থেকে কার্যকর হবে।
যেসব দেশ এরই মধ্যে চুক্তি করে ফেলেছে তাদের বিষয়ে ট্রাম্প সুনির্দিষ্ট করে কিছু বলেননি।

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম— Govt plans 100-day energy push।
এই খবরে বলা হয়েছে, গভীর ও অগভীর সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য নতুন করে দরপত্র আহ্বানের পরিকল্পনা করছে সরকার। এর মধ্যে ক্ষমতাগ্রহণের প্রথম ১০০ দিনের মধ্যে মডেল উৎপাদন-বণ্টন চুক্তি (পিএসসি) চূড়ান্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চলতি বছর দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা এবং ২০২৭ সালের মধ্যে এ বিষয়ে চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করার লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে।
এর আগে, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার ২০২৪ এর মার্চে এ ধরনের একটি উদ্যোগ নিয়েছিল। অগভীর সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধানে বিদেশি কোম্পানিগুলোর জন্য ওই বছরের সেপ্টেম্বরে দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
পরে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলে এই সময়সীমা আরও তিন মাস বাড়িয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। কিন্তু বিদেশি কোম্পানিদের কাছে এই দরপত্রের আহ্বান নজর কাটেনি।
এদিকে, গত বুধবার দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সাথে পরিচিতি সভায় এই খাতের জন্য ১০০ দিনের একটি রোডম্যাপে পিএসসি চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা প্রকাশ করেন।
এই বৈঠকের পর সাংবাদিকদের ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, রমজান মাসে এবং সেচ মৌসুমে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। এরপর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আগানোর কথা বলেন তিনি।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মধ্যে ৪৬টি কূপ থেকে প্রতিদিন অতিরিক্ত ৬৫২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সমকালের প্রথম পাতার খবর— স্থানীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে জামায়াত।
খবরটিতে বলা হয়েছে, সংসদের বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে।
উপজেলা চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আগেই প্রার্থী ঠিক করেছে দলটি।
সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ শুরু হবে শিগগিরই। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে জয়ী হওয়া জামায়াতের প্রধান লক্ষ্য।
উল্লেখ্য, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার স্থানীয় সরকার-সংক্রান্ত আইনগুলো সংশোধন করেছে অধ্যাদেশের মাধ্যমে। পরিবর্তন করা হয়েছে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশও।
এসব অধ্যাদেশ ত্রয়োদশ সংসদের অনুমোদন পেলে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আবারও নির্দলীয় পদ্ধতিতে হবে।
এদিকে, জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দল সংসদের আসন বণ্টনের সময়েই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তাদের জোট স্থানীয় নির্বাচনেও থাকবে। এই সিদ্ধান্ত এখনও অটুট রয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির নেতারা।
তবে, সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে শরিকদেরকে জামায়াতের ছাড় দেওয়ার সম্ভাবনা কম।

নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম— চব্বিশের জুলাই পূর্ববর্তী ধারায় ফিরবে রাষ্ট্র?
এতে বলা হয়েছে, সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণ নিয়ে নতুন জটিলতায় পড়েছে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া।
বিরোধী জোটের ৭৭ জন সদস্য দু'টি শপথ নিলেও বিএনপি ও তাদের শরিকদের ২১২ জন সদস্য সংস্কার পরিষদের শপথ নেননি। বিধি অনুসারে তাদের হাতে এক মাস সময় থাকলেও এই সময়ের মধ্যে শপথ নেবেন, এমন নিশ্চয়তা নেই।
ফলে গণভোটে পাওয়া জনসমর্থন এবং জুলাই সনদের বাস্তবায়ন- দু'টিই নতুন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
গণভোটে জনসমর্থন মিললেও আইনি বাস্তবায়ন নির্ভর করছে সংসদের ওপর। কেননা, গণভোট নিজে থেকে আইন নয়। এটি কেবল অনুমোদন দেয়; কার্যকারিতা দেয় সংসদ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বড় রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে বিএনপি যদি সংস্কার পরিষদে অংশ না নেয়, তাহলে দু'টি ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
এক, সংশোধনীগুলোর অন্তর্ভুক্তিমূলক বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে। দুই, ভবিষ্যতে আদালতে প্রক্রিয়াগত অযৌক্তিকতা বা ঐকমত্যের অভাবের যুক্তিতে চ্যালেঞ্জ উঠতে পারে।
ফলে ভবিষ্যৎ সংসদ চাইলে এসব আইন বাতিল বা সংশোধনও করতে পারবে। ফলে সংস্কারের স্থায়িত্ব নড়বড়ে হয়ে পড়বে।

নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ, মূল্যবৃদ্ধির কারণ খুঁজছে প্রশাসন— যুগান্তরের দ্বিতীয় প্রধান খবর এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর গত বুধবার প্রথম দিন মন্ত্রিসভার সদস্যদের দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন।
একই দিন জাতির উদ্দেশে ভাষণে তিনি দ্রব্যমূল্য মানুষের নাগালের বাইরে যেন না যায়, সে ব্যাপারে ব্যবসায়ীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
দ্রব্যমূল্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বেশকিছু পদক্ষেপ নিচ্ছে।
যার মধ্যে রয়েছে, বাজারে পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির পেছনের কারণ শনাক্ত করা; বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের বাজার মনিটরিংয়ে সম্পৃক্ত করা এবং টিসিবিকে আরও শক্তিশালী করা।
এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার সব জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত তারা বাজার মনিটরিং করবেন।









