‘শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাশ দিলে ঠেকানোর উপায় নেই’

‘শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাশ দিলে ঠেকানোর উপায় নেই’ এই শিরোনামে প্রথম পাতায় খবর প্রকাশ করেছে দৈনিক যুগান্তর।
বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারতের ট্রাভেল পাশ দেওয়া নিয়ে প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছিলেন। যুগান্তরের খবরে বলা হয়, শনিবার বিকালে নরসিংদীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে সংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এসময় বলেন, ট্রাভেল ডকুমেন্ট যে কোনো দেশ যে কাউকে ইস্যু করতে পারে। সেটা ঠেকানোর কোনো উপায় নেই। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে প্রভাব পড়বে না বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, কোনো মামলায় যদি তাকে (শেখ হাসিনা) আদালত হাজির করতে নির্দেশ দেন, তাহলে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব। ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে আমাদের কিছুটা অস্বস্তি ছিল। আমরা সেটা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করব। সেটা ভারতের জন্যও প্রয়োজন। আমাদের জন্যও প্রয়োজন।
বর্তমান সরকার সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী জানিয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, কোনো রকমের বাধা-বিপত্তি ছাড়াই যেন হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজা পালিত হয় সে ব্যাপারে সরকার সতর্ক রয়েছে। কোথাও কোথাও দু-একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

‘১২৬ অস্ত্রধারী শনাক্ত, গ্রেপ্তার ১৯’ শিরোনামে প্রধান খবর করেছে দৈনিক প্রথম আলো। এতে বলা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমাতে এভাবে প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ছাত্র–জনতার অবস্থান লক্ষ্য করে গুলি করার ঘটনা ঘটেছে রাজধানী ঢাকাসহ অন্তত ১২ জেলায়।
অন্য জেলাগুলো হলো চট্টগ্রাম, ফেনী, নারায়ণগঞ্জ, ফরিদপুর, রংপুর, জামালপুর, হবিগঞ্জ, রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ, সিলেট ও লক্ষ্মীপুর। এর বাইরে ঢাকা জেলার সাভার, আশুলিয়া ও কেরানীগঞ্জে ছাত্র–জনতাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়েছেন আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।
এসব ঘটনায় ১২৬ জন অস্ত্রধারীকে চিহ্নিত করতে পেরেছেন প্রথম আলোর সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদকেরা।
এই খবরে বলা হয়, ঢাকাসহ দেশের ১২টি জেলায় যে ১২৬ জন অস্ত্রধারীকে শনাক্ত করা গেছে, তার মধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে প্রথম আলোর সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদকেরা নিশ্চিত হয়েছেন।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার খবর 'বঞ্চিত কর্মকর্তাদের চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগে বৈষম্য'। এ খবরে বলা হয়েছে, ছাত্র-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে সরকার গঠনের পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দেয়া চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দানে নজিরবিহীন বৈষম্যের অভিযোগ উঠেছে।
এই নিয়োগে বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ৮২ ব্যাচের কর্মকর্তাআট জন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মধ্যে সাত জনকে সিনিয়র সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
কিন্তু এক সময় সাবেক শিল্পমন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামীর পিএস হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় অত্যন্ত সৎ ও যোগ্য কর্মকর্তা হিসাবে পরিচিত হলেও একজন কর্মকর্তাকে বাদ দেয়া হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, সদ্য নিয়োগ পাওয়া চুক্তিভিত্তিক আট সিনিয়র সচিবের মধ্যে সাতজনই বিসিএস ৮২ ব্যাচের হলেও ৮২ স্পেশাল ব্যাচের একজন ছাড়া আর কাউকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয়নি।
যদিও বিসিএস ৮২ স্পেশাল ব্যাচের কর্মকর্তাদের মধ্যে ৩৩ জন সচিব পদে নিয়োগ পেয়েছিলেন।
বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান এবং প্রধান তথ্য কমিশনারের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন এই ৮২ স্পেশাল ব্যাচের কর্মকর্তারা।

ইংরেজি দৈনিক বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রথম পাতার সংবাদ শিরোনাম, Bangladesh likely to keep power deal with India's Adani’ অর্থাৎ আদানির সঙ্গে বিদ্যুৎ চুক্তি অব্যাহত রাখতে পারে বাংলাদেশ। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের খবরে বলা হয়েছে, দাম নিয়ে উদ্বেগকে এড়িয়ে ভারতের আদানি পাওয়ারের কাছ থেকে বিদ্যুৎ ক্রয়ের চুক্তি বহাল রাখতে পারে বাংলাদেশ।
এতে বলা হয়, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার দেশের স্বার্থ যথাযথভাবে রক্ষা করে বিভিন্ন চুক্তি করেছে কি না, বিশেষ করে এসব চুক্তিতে স্বচ্ছতার অভাব আছে কি না, তা নিরূপণে এক বিশেষ আইনের অধীন একটি প্যানেল গঠন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
এসব চুক্তির মধ্যে একটি ২০১৭ সালে আদানির সঙ্গে করা ২৫ বছর মেয়াদি। ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ঝাড়খণ্ডে আদানির ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে মূলত বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।
স্পর্শকাতর বিষয় হওয়ায় নাম প্রকাশ না করা দুই সূত্রের একটি বলেছে, বাংলাদেশে বিদ্যুতের মোট চাহিদার প্রায় এক দশমাংশের জোগান আসছে এই প্রকল্পটি থেকে। তাই আদানির চুক্তি সরাসরি বাতিল করা কঠিন হবে।
এই খবরে বলা হয়, রয়টার্সের পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি রয়টার্সকে বলেছেন, "কমিটি বর্তমানে বিষয়টি পর্যালোচনা করছে, এবং মন্তব্য করা সময়ের আগেই হবে।"

‘Age Limit for Govt Job: 35 Yrs For Men, 37 For Women’ অর্থাৎ সরকারি চাকরিতে বয়সসীমা পুরুষের জন্য ৩৫ আর নারীর জন্য ৩৭’ এই শিরোনামে প্রধান খবর করেছে ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার।
যেখানে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরিতে বষয়সীমা নির্ধারণে যে কমিটি করা হয়েছিল সেই কমিটি পুরুষদের জন্য চাকরিতে প্রবেশের বয়স সীমা ৩৫ করেছে এবং নারীর জন্য ৩৭ বছর প্রস্তাব করা হয়েছে।
সরকারি চাকরিতে প্রবেশে যৌক্তিক বয়সসীমা নির্ধারণে আগেই ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছিল। গত সপ্তাহে এই কমিটি প্রধান উপদেষ্টার কাছে বয়সসীমা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে।
সূত্রের বরাত দিয়ে ডেইলি স্টারের খবরে বলা হয়, ‘বিয়ে কিংবা সন্তানধারণ নিয়ে নারীর পড়াশোনায় নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয় বলে নারীর ক্ষেত্রে বয়স সীমা ৩৭ বছর করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আলী ইমাম মজুমদার ডেইলি স্টারকে রিপোর্ট জমার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, পর্যালোচনা শেষে এই বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
এই খবরে বলা হচ্ছে, প্রধান উপদেষ্টা যদি এই রিপোর্টে সন্তুষ্ট থাকেন তাহলে তা নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদে আলোচনার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিবেন।
বর্তমানে সরকারি চাকরিতে প্রবেশে বয়সসীমা ৩০ বছর। তবে শুধুমাত্র মুক্তিযোদ্ধা কোটাধারীদের জন্য এই বয়স সীমা ৩২ বছর।

‘এক কলেজ অনুমোদনেই দুই কোটি’ শিরোনামে প্রধান খবর করেছে দৈনিক দেশ রূপান্তর।
এই খবরে বলা হয়েছে, নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান ডা. আ ফ ম রুহুল হক।
শপথ নিয়েই বলেছিলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিন্ডিকেট ভাঙতে চান তিনি। তবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি তা বেমালুম ভুলে গিয়ে নিজেই দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন বলে খবরে অভিযোগ করা হয়েছে।
আওয়ামীপন্থি স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) তখনকার সভাপতি মন্ত্রী হয়ে সিন্ডিকেট ভাঙার বদলে নিজেই ঘনিষ্ঠজনদের নিয়ে গড়ে তোলেন সিন্ডিকেট।
খবরে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে রুহুল হকের আমলে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করা একাধিক উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা জানিয়েছেন ওই সময় এক একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ অনুমোদনের জন্য দুই কোটি টাকা করে ঘুষ নিয়েছেন মন্ত্রী।
এ ছাড়া কলেজের আসন বাড়াতে তাকে দিতে হতো আসনপ্রতি ২০ লাখ টাকা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর রুহুল হক, প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব.) মজিবুর রহমান ফকির ও উপদেষ্টা সৈয়দ মোদাচ্ছের আলীর মধ্যে নানা বিরোধ দানা বাঁধে।
এই বিরোধের নেপথ্যে ছিল বেসরকারি মেডিকেল কলেজ অনুমোদন, চিকিৎসকদের পদায়ন ও পদোন্নতি, স্বাস্থ্যের কেনাকাটা।

‘শিগগিরই উপদেষ্টা পরিষদের আকার বাড়তে পারে’ শিরোনামে প্রথম পাতার খবর দৈনিক কালের কণ্ঠের।
এতে বলা হয়েছে, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারে উপদেষ্টা পরিষদের আকার শিগগিরই আরো বাড়তে পারে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কাজে অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা উপদেষ্টা পরিষদে আসতে পারেন বলে আলোচনা চলছে।
এর মধ্যে একজন চিকিৎসক এবং দুজন সাবেক সচিব অন্তর্বর্তী সরকারের নতুন উপদেষ্টা হিসেবে যুক্ত হতে পারেন বলে পত্রিকাটির খবরে বলা হয়েছে।
এই খবরে বলা হয়, সরকারের তরফ থেকে আগেই বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনসহ বিভিন্ন বিষয়ে সংস্কারের জন্য যে কমিশন গঠন করা হয়েছে তাদের রিপোর্ট পাওয়ার পর রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আবারও আলোচনার পর নির্বাচনের সময়সীমা ঘোষণা করা হবে।
তবে রাজনৈতিক দলগুলো বলছে, সংস্কারসহ অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কাজ দ্রুত শেষ করতে প্রয়োজনে উপদেষ্টার সংখ্যা বাড়ানো যেতে পারে। ফলে শিগগিরই উপদেষ্টা পরিষদে তিন-চারজন নতুন উপদেষ্টা যুক্ত হবেন।

গতকাল দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নয়জনের মৃত্যুর খবর নিয়ে প্রায় সবক'টি সংবাদপত্রেই খবর রয়েছে আজ। দৈনিক সমকাল 'ডেঙ্গুতে এক দিনে সর্বোচ্চ ৯ মৃত্যু, ৬ জনই ঢাকার' শিরোনামে প্রথম পাতায় খবর প্রকাশ করেছে।
এতে বলা হয়েছে, দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, তাদের ছয়জনই ঢাকার।
এক দিনে এ সংখ্যা চলতি বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। এ নিয়ে এ বছর মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২১০ জন, চলতি মাসেই প্রাণ ঝরেছে ৪৭ জনের।
শনিবার এ তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর আগে দোসরা অক্টোবর ডেঙ্গুতে এক দিনে সর্বোচ্চ আটজনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছিল তারা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এ বছর ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মারা যাচ্ছে ২১ থেকে ২৫ বছর বয়সীরা।
তাদের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ১৬ হাজার ৮৬৪ এবং মৃত্যু ৪২। চলতি বছর হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে ৬৩ দশমিক ১ শতাংশ পুরুষ ও ৩৬ দশমিক ৯ শতাংশ নারী।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরাত দিয়ে সমকালের খবরে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৯১৫ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
নতুন রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১০৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৯৭ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১০০, ঢাকা উত্তর সিটিতে ১৭৫, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১৫৬ ও খুলনা বিভাগে ৯৭ জন রয়েছেন।
এ বছর হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪১ হাজার ৮১০ জন।
End of বিবিসি বাংলায় অন্যান্য খবর
এছাড়াও ‘বিসর্জনে আজ শেষ হচ্ছে দুর্গোৎসব’ এমন শিরোনামে খবর প্রকাশ করেছে প্রায় প্রতিটি খবরের কাগজ।
দৈনিক যুগান্তরের খবরে বলা হয়েছে, প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে আজ রোববার শেষ হচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসব। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজার নবমী এবং দশমী দুটোই ছিল শনিবার। একই দিনে তিথি হওয়ায় নবমীর পূজার পর দশমীর পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে এদিন। আজ শুধুই প্রতিমা বিসর্জন।
এতে বলা হয়, শনিবার মহানবমী তিথিতে বিহিত পূজা এবং দর্পণ বিসর্জনের মাধ্যমে মণ্ডপে মণ্ডপে দেবী দুর্গার আরাধনা করেছেন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। এদিন সকাল ৬টা থেকে হয় নবমী বিহিত পূজা। ১০৮টি বেল পাতা, আম কাঠ, ঘি দিয়ে যজ্ঞের মাধ্যমে দেবী দুর্গার কাছে দেওয়া হয় আহুতি। গোপীবাগে রামকৃষ্ণ মিশনে সকাল ৮টা ২৬ মিনিটে শুরু হয় নবমী পূজা। সকালে ঝড়বৃষ্টি মাথায় নিয়ে পূজায় অঞ্জলি নিতে হাজির হন ভক্তরা।
এই খবরে বলা হয়েছে, এবার তিথি অনুযায়ী, নবমী পূজা সকাল ৯টা ২০ মিনিটের মধ্যে শেষ করার নিয়ম ছিল। সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যে নবমী পূজা শেষ করে ৮টা ৫০ মিনিটে ভক্তরা দেবীকে অঞ্জলি প্রদান করেন। পরে শুরু হয় দশমীর বিহিত পূজা। এদিকে পূজা শেষে দর্পণ বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা।








