‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অপরাধপ্রবণতা বেড়েছে’

ছবির উৎস, BBBC BANGLA
‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অপরাধপ্রবণতা বেড়েছে’— এটি কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রথম পাতার খবর। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিস পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এতে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে হলের কক্ষে অস্ত্র ও মাদক রাখা, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মারধর, হামলা ও যৌন হয়রানির মতো অপরাধের হার বেড়েছে।
গত পাঁচ বছরে এসব অপরাধের দায়ে বিভিন্ন মেয়াদে ৫২ জন শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এর মধ্যে শুধু ২০২৩ সালে বহিষ্কৃত হন ২৪ শিক্ষার্থী। আর চলতি বছরের প্রথম দুই মাসে ১০ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বহিষ্কৃতদের বেশির ভাগই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এই পত্রিকারই প্রথম পাতার আরেকটি খবর ‘১৪ মাসে ছয় শতাধিক ব্যক্তি অপহৃত’। এতে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত, অর্থাৎ গত ১৪ মাসে শিশুসহ ছয় শতাধিক ব্যক্তিকে অপহরণের অভিযোগ পেয়েছে পুলিশ।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মতে, ঈদ সামনে রেখে ঢাকাসহ সারাদেশে অপহরণকারীদের তৎপরতা বেড়েছে।

ছবির উৎস, BBC BANGLA
বান্দরবানের রুমা ও থানচি উপজেলায় ১৭ ঘণ্টার মাঝে দু’টি ব্যাংকের তিনটি শাখায় হামলার ঘটনা বৃহস্পতিবারের প্রায় সব সংবাদপত্রের প্রথম পাতায় স্থান পেয়েছে।
এর মধ্যে সমকাল পত্রিকার প্রধান শিরোনাম- ‘দুর্ধর্ষ ব্যাংক লুটের পর ভরদুপুরে ব্রাশফায়ার’
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার থানচি বাজারে দিনে-দুপুরে প্রকাশ্যে ফাঁকা গুলি ছুড়ে আতঙ্ক তৈরি করার পর সোনালী ব্যাংক ও বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের শাখায় হামলা করে সন্ত্রাসীরা এবং এই দুই ব্যাংকের শাখা থেকে মোট ১৭ লাখ ৪৫ হাজার টাকা নিয়ে যায় তারা।
এর ঠিক ১৬ ঘণ্টা আগে, মঙ্গলবার রাত নয়টার দিকে রুমা শহরের সোনালী ব্যাংকে হানা দেয় সশস্ত্র ডাকাত দল। এ সময় ব্যাংক কর্মকর্তা, নিরাপত্তারক্ষীসহ অন্তত ২০ জনকে মারধর করা হয় এবং ব্যাংকের ব্যবস্থাপককে অপহরণ করা হয়। ওই শাখা লুটের জন্য বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র বন্ধ করে দিয়ে পুরো রুমাকে অন্ধকার করেছিল সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা।
প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, এই ঘটনার পেছনে পাহাড়ের সশস্ত্র গোষ্ঠী কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) সদস্যরা জড়িত। পরপর দুই সরকারি ব্যাংকের তিনটি শাখায় ডাকাতির ঘটনায় পুরো বান্দরবান জেলায় আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
End of বিবিসি বাংলার সাম্প্রতিক খবর:

ছবির উৎস, BBC BANGLA
‘ব্যাংক লুটের সাহস কোথায় পেল কেএনএফ’— এটি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার প্রথম পাতার একটি প্রতিবেদন। এতে বলা হয়েছে, বান্দরবানে দু’টি ব্যাংকের তিন শাখায় লুট করার ঘটনাকে ‘ব্যাংক ডাকাতি‘ আখ্যা দেওয়া হলেও তা নিছক চোর-ডাকাতের মামুলি অপরাধকর্ম নয়, পার্বত্য চট্টগ্রামে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য সশস্ত্র গোষ্ঠী কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) এসব সন্ত্রাসমূলক কার্যক্রম করেছে।
বলা হচ্ছে, বান্দরবানের গহীন অরণ্যে র্যাবসহ যৌথ বাহিনীর অভিযান অব্যাহত থাকলে, প্রকাশ্যে ব্যাংক লুটের মতো এত বড় দুঃসাহস তারা দেখাতে পারত না।
এলাকাবাসী জানায়, পার্বত্যাঞ্চলে বিশেষ করে বান্দরবান এলাকায় কেএনএফ ভয়ংকর হয়ে উঠছে। তারা বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প, টেন্ডার, সরকারি অফিস-আদালত, কৃষি — সব খাত থেকে নিয়মিত চাঁদা তুলছে এবং বান্দরবান জেলা পরিষদের একাধিক কর্মকর্তা নিয়মিত সেই চাঁদার ভাগ পান।
কুকি-চিনের সঙ্গে নেতৃস্থানীয়দের এই গভীর সম্পর্কও এই ঘটনার জন্য দায়ী বলে মনে করা হচ্ছে।

ছবির উৎস, BBC BANGLA
বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
‘কারা কেএনএফ মদদ কাদের’— এটি দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রথম পাতার একটি প্রতিবেদন। এতে বলা হয়েছে, কেএনএফ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ হচ্ছে বিদেশ থেকে।
পুলিশ সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে তারা পার্বত্যাঞ্চল টার্গেট করেছে। কিন্তু দুর্গম পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় তাদের ধরতে সমস্যা হচ্ছে।
এতে আরও বলা হয়, কেএনএফ সদস্যদের অনেকের বাড়ি ভারতের মিজোরামে। কেএনএফ-এর প্রধান নাথান বমও বেশিরভাগ সময় মিজোরামে থাকেন।
সশস্ত্র গোষ্ঠী কেএনএফ-এর মূল নেটওয়ার্ক পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও মিয়ানমার সীমান্তজুড়ে। পাহাড়ের বম নৃ-গোষ্ঠী ছাড়াও পাঙ্খুয়া, খুমি, ম্রো এবং খিয়াং জাতি-গোষ্ঠীর লোকজন নিয়ে কেএনএফ গঠন করা হয়েছে।
‘দস্যুদের সঙ্গে দরকষাকষি শেষে জটিলতা ডলার পাঠানোয়’। এতে বলা হয়েছে, সোমালি জলদস্যুদের কাছ থেকে এমভি আবদুল্লাহ’র ২৩ জন নাবিক ও জাহাজ উদ্ধারের জন্য দর কষাকষি প্রায় শেষ।
এখন নাবিকদের কীভাবে ফিরিয়ে আনা হবে, জাহাজটি সেখান থেকে কীভাবে দুবাইয়ের উদ্দেশে যাবে এবং মুক্তিপণের টাকা কোন প্রক্রিয়ায় জলদস্যুদের কাছে পৌঁছানো হবে; এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে।
কিন্তু বৈশ্বিক পরিস্থিতি ও মুক্তিপণের টাকার নিশ্চয়তাসহ নানা বিষয় সামনে চলে আসার ফলে ঈদের আগে নাবিকরা মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরতে পারবেন না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ছবির উৎস, BBC BANGLA
‘এপ্রিলের শুরুতেই গ্রামে লোডশেডিং বেড়েছে’— প্রথম আলোর প্রথম পাতার এই খবরে বলা হয়েছে যে গরমে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলের কোথাও কোথাও দৈনিক সাত থেকে আট ঘণ্টা করে লোডশেডিং হচ্ছে।
ধারণা করা হচ্ছে, জ্বালানির অভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছে না বলে এবছর লোডশেডিং পরিস্থিতি গত দুই বছরের চাইতে আরও খারাপ হতে পারে।
বিদ্যুৎ বিভাগ, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) সূত্র বলছে, দেশে এখন বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ২৬ হাজার মেগাওয়াট।
বুধবার দিনের বেলায় সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল সাড়ে ১৫ হাজার মেগাওয়াট। ওই সময়ে সরবরাহ ঘাটতি ছিল ২ হাজার মেগাওয়াটের বেশি, যা লোডশেডিং দিয়ে পূরণ করা হয়েছে। এর পুরোটাই করা হয়েছে মূলত ঢাকার বাইরে, দেশের বিভিন্ন গ্রাম এলাকায়।

ছবির উৎস, BBC BANGLA
‘বড় ছাড় গ্রুপভুক্ত ঋণখেলাপিদের’, খবরটি যুগান্তর পত্রিকার প্রথম পাতার। এতে বলা হয়েছে, খেলাপি ঋণের আদায় বাড়াতে এবং ঋণখেলাপি হওয়া ঠেকাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক যখন ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের শনাক্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে, তখনই খেলাপি ঋণের ক্ষেত্রে বড় ছাড় দেওয়া হয়েছে।
এখন থেকে কোনও গ্রুপভুক্ত পরিচালক, প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি খেলাপি ঋণের ক্ষেত্রে বড় ছাড় পাবে। অর্থাৎ, খেলাপি হলেও ওই গ্রুপের খেলাপি কোম্পানি, পরিচালক বা প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্যরা ব্যাংক ও ফিন্যান্স কোম্পানি থেকে নতুন ঋণ নিতে পারবে।
আগের নিয়মে কোনও গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান, কোম্পানি বা ব্যক্তি খেলাপি হলে ওই গ্রুপের কোনও ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি নতুন ঋণ পেত না। খেলাপি ঋণ নবায়ন করে নতুন ঋণ নিতে হতো।
এই খবরটি প্রথম আলো, নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রথম পাতায়ও এসেছে।

ছবির উৎস, BBC BANGLA
‘A hostel of nightmares’ অর্থাৎ, ‘দুঃস্বপ্নের হোস্টেল’— এটি দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার প্রথম পাতার খবর। এতে বলা হয়েছে, প্রায় ১০০ জন বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিক উন্নত জীবনের জীবনের স্বপ্ন নিয়ে মালয়েশিয়া গিয়েছিলেন। সেই দেশে পৌঁছানোর জন্য তারা প্রত্যেকে পাঁচ লাখ টাকা ঋণ করেছিলেন।
কিন্তু মালয়েশিয়া পৌঁছানোর পর তাদেরকে দেশটির সেলাঙ্গর রাজ্যের দক্ষিণাঞ্চলের সেপাং জেলার একটি অত্যন্ত নিম্নমানের নোংরা হোস্টেলে থাকতে দেওয়া হয়েছিলো।
একটি রুমে তাদের ২০ থেকে ২৫ জনকে ভাগাভাগি করে থাকতে হতো। তাদেরকে সেখানে পর্যাপ্ত খাবার খেতে দেওয়া হতো না। তাদের কাজ কী এবং মজুরি কেমন, তা জানার চেষ্টা করলেও তাদেরকে সেসবের কিছুই জানানো হয়নি।
একসময় তারা ঋণে জর্জরিত হয়ে পড়েছে।

ছবির উৎস, BBC BANGLA
‘কুষ্টিয়ায় ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট শাখার ভল্টে চুরি’, এটি মানবজমিন পত্রিকার প্রথম পাতার খবর। এতে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার রাতে জানালার গ্লিল ভেঙে কুষ্টিয়ার কুমারখালীর আলাউদ্দিন নগরে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট শাখায় চুরি সংগঠিত হয়েছে।
ব্যাংকের ইনচার্জ সামছুল আলম জানান, “প্রতিদিনের মতো ব্যাংকের কার্যক্রম সমাপ্ত করে তারা চলে যান। বুধবার সকালে ব্যাংক খোলার পর ভিতরের সব কিছু ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখেন।”
“চোর চক্র ব্যাংকের ভোল্ট ভেঙে ৫ লাখ ২৩ হাজার ৬৬৮ টাকা ও চুরির প্রমাণ গায়েব করতে সিসি ক্যামেরার ভিভাইস নিয়ে যায়। তারা গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে রেখে যায়।”

ছবির উৎস, BBC BANGLA
‘রাজস্ব প্রাপ্তির অনিশ্চয়তায় বড় বাজেট করছে না সরকার’, নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রথম পাতার এই খবরে বলা হয়েছে যে রাজস্ব প্রাপ্তির অনিশ্চিয়তায় আগামী অর্থবছরের জন্য একটি উচ্চাভিলাষী বাজেট প্রণয়ন প্রক্রিয়া থেকে আবারো পিছু হটছে সরকার। প্রথম দিকে মনে করা হয়েছিলো আগামী অর্থবছরের জন্য একটি সম্প্রসারণমূলক বাজেট প্রণয়ন করা হবে, যার আকার আট লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।
কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। অর্থবছরের শেষ দিকে এসে দেখা গেল যে বড় বাজেট তৈরি করার জন্য যে অর্থের প্রয়োজন সেই অর্থ সঙ্কুলান করা সম্ভব হবে না। কারণ একদিকে যেমন বিদেশি সহায়তা কমে গেছে, অন্যদিকে, দেশের অভ্যন্তরীণ খাত থেকে টাকা আয় করা সম্ভব হচ্ছে না।
এ পরিস্থিতিতে বাজেটের আকার বড় করতে হলে সরকারকে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে অর্থঋণ নেয়ার প্রয়োজন পড়বে। কিন্তু আইএমএফ’র একটি কর্মসূচিতে থাকার কারণে বাংলাদেশ ব্যাংক ও ব্যাংকিং খাত থেকে অধিক হারে টাকা কর্জ করা সরকারের পক্ষে সম্ভব হবে না। ফলে আগামী অর্থবছরের বাজেটের আকার শেষ পর্যন্ত আট লাখ কোটি টাকার গণ্ডির নীচেই রাখতে হচ্ছে সরকারের।

ছবির উৎস, BBC BANGLA
‘BUET protests on for 6th day’ বা বুয়েটে ৬ষ্ঠ দিনের মতো বিক্ষোভ। এটি নিউএজ পত্রিকার প্রথম পাতার সংবাদ, যেখানে বলা হয়েছে যে ক্যাম্পাসকে রাজনীতিমুক্ত রাখতে বুধবার টানা ষষ্ঠ দিনের মতো আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
একই দিনে প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বুয়েট শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে এবং সারাদেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র পরিষদ নির্বাচনের দাবি জানায়।
এছাড়া, এ বিষয়ে বিভিন্ন খবরের কাগজে আরও একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে যে বুয়েটের ৯৭ শতাংশ ছাত্ররাজনীতি চান না। ছাত্ররা তাদের প্রাতিষ্ঠানিক মেইল ব্যবহার করে অনলাইনে গত দু’দিন ধরে একটি ভোট কার্যক্রম চালান। সেই ভোটে এই ফলাফল পাওয়া গেছে।

ছবির উৎস, BBC BANGLA
‘শিক্ষক সংকট প্রকট হয়ে উঠেছে সরকারি কলেজগুলোয়’— এটি বণিক বার্তার প্রথম পাতার খবর। এতে বাংলাদেশ শিক্ষাতত্ত্ব ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) সর্বশেষ প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী বলা হয়েছে, দেশে সরকারি কলেজগুলোয় শিক্ষক সংকট ক্রমেই বেড়ে চলছে।
বর্তমানে সরকারি কলেজগুলোয় প্রতি শিক্ষকের বিপরীতে শিক্ষার্থী আছে ৯৭ জন, যা গত ছয় বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। ২০১৮ সালে দেশে সরকারি কলেজগুলোয় শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত ছিল ১:৭৯।
সরকারি কলেজগুলোর মধ্যে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত সবচেয়ে বেশি স্নাতকোত্তর পর্যায়ের কলেজগুলোয়। এসব কলেজে এখন প্রতি ১১৭ শিক্ষার্থীর জন্য শিক্ষক আছেন একজন।








