চট্টগ্রামে অক্সিজেন প্ল্যান্টে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ, নিহত ৫

হাসপাতালে স্বজনদের কান্না।

ছবির উৎস, Shyamol Nandi

ছবির ক্যাপশান, হাসপাতালে স্বজনদের কান্না।

বাংলাদেশে চট্টগ্রামের একটি অক্সিজেন প্ল্যান্টে বিস্ফোরণে সন্ধ্যার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কথা জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। তবে উদ্ধার তৎপরতা এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত চলছিলো।

রাত আটটার দিকে কুমিরা ফায়ার সার্ভিস স্টেশন থেকে জানানো হয়েছে, আগুন তারা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে। তবে উদ্ধার তৎপরতা তখনো চলছিলো।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তৌহিদুল ইসলাম বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে এবং নিহত ও আহতদের স্বজনদের খবর দেয়া হয়েছে।

“সর্বাত্মক উদ্ধার তৎপরতা চলছে। চিকিৎসা থেকে শুরু করে সব ধরনের ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি। এখন পর্যন্ত ৫ জনের মৃতদেহ পাওয়া গেছে । আর হাসপাতালে ২২ জন চিকিৎসা নিচ্ছেন,” বলছিলেন মি. ইসলাম।

অন্যদিকে হাসপাতালে থাকা চট্টগ্রামের ফটো সাংবাদিক শ্যামল নন্দী বলছেন যে হাসপাতাল এলাকায় ভিড় করছেন নিহত ও আহতদের স্বজনরা।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগ।

ছবির উৎস, Shyamol Nandi

ছবির ক্যাপশান, আহতদের হাসপাতালে আনার দৃশ্য।

যে অক্সিজেন প্ল্যান্টে বিস্ফোরণ হয়েছে সেটি শহর থেকে অন্তত ১৫ কিলোমিটার দূরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে।

সীমা অক্সিজেন প্ল্যান্ট নামের বেসরকারি এই কারখানায় বিকেল সাড়ে চারটার দিকে প্রচণ্ড শব্দে বিস্ফোরণ হয়।

বিস্ফোরণে গোটা এলাকা কেঁপে ওঠে এবং এর পরপরই আগুনের ধোঁয়া দেখা যায়।

কিছুক্ষণ পরেই ফায়ার সার্ভিসের বিভিন্ন ইউনিট সেখানে এসে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, পুরো প্ল্যান্টটি আপাত দৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে তাদের কাছে মনে হচ্ছে।

কিন্তু বিস্ফোরণ কেন হলো বা আগুন লাগার কারণ কী সে সম্পর্কে প্রশাসন বা ফায়ার সার্ভিস কোনো ধারণা এখনো দেয়নি।

এই অক্সিজেন প্লান্টের এক কিলোমিটারের মধ্যেই বিএম কন্টেইনার ডিপোতে গত বছরের ৪ঠা জুন রাতে বিস্ফোরণে অন্তত ৫০ জন নিহত ও দুই শতাধিক মানুষ আহত হয়েছিলো।