আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
'বাংলাদেশে অনেকে বাঁহাতিদের বেয়াদব মনে করে'
অমিতাভ বচ্চন, জুলিয়া রবার্টস, অ্যাঞ্জেলিনা জোলি, বারাক ওবামা, জর্জ বুশ, পেলে, ম্যারাডোনা কিংবা বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুস্তাফিজুর রহমান নামগুলো অনেকেরই চেনা অথবা প্রিয়।
নামজাদা এই মানুষগুলোর সবার একটি ব্যাপারে রয়েছে দারুণ মিল। এরা সবাই বাঁহাতি।
সাধারণভাবে ডানহাতে কাজ করাটাই প্রচলিত, তাই একটা সময় একজন বাঁহাতি মানুষকে সমাজে মেনে নেয়াটা সহজ ছিল না।
এই চিন্তা থেকেই ইউরোপে কয়েক দশক আগে থেকে শুরু হয় বাঁহাতি দিবস উদযাপন।
বাংলাদেশের সমাজে বাঁহাতিরা কতটা সাদরে গৃহীত হন?
ঢাকার বাসিন্দা নুসরাত জাহান বিবিসি বাংলার শায়লা রুখসানাকে বলছিলেন, বাঁহাতি হবার জন্য তাকে নানা ধরণের বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে।
তিনি বলছেন, "যখন হাত দিয়ে খেতে শুরু করি তখন প্রথম বিষয়টাতে গুরুত্ব দেয়া হয়েছিলো। আমি দুহাতে খেতাম। আমাকে ডানহাতে খাওয়ার জন্য চাপ দেয়া হতো। লেখা শুরু করার পরও ডানহাতে লেখার জন্য চাপ দেয়া হতো। ছোটবেলায় এমনকি একটা সময়ে আমার বাঁহাত কিছুদিন বেঁধেও রাখা হয়েছিলো"
মানুষ কেন বাঁহাতি হয় সেটি এখনো পরিষ্কার নয়। তবে বিশ্বের দশ শতাংশ মানুষ বাঁহাতি।
বিভিন্ন সংস্কৃতিতে তাদের নিয়ে রয়েছে নানা ধরনের সংস্কার।
বাঁহাতিদের এমনকি জোর করে ডানহাতি বানানোর চেষ্টাও আছে।
তবে এটি উত্তরাধিকার সূত্রেও হয়ে থাকে যেমন নুসরাত জাহানের মেয়েও বাঁহাতি।
নুসরাত জাহান এমনকি সেলাইও করেন বাহাতে। বলছিলেন বাঁহাতি হওয়ার কারণে তাকে বিয়ের পর ব্যাপক হেনস্তার শিকার হয়েছেন।
তিনি বলছেন, "বাংলাদেশে অনেকে বাঁহাতিদের বেয়াদব মনে করে"