যুবলীগ নেতার সন্দেহভাজন হত্যাকারী 'ক্রসফায়ারে' নিহত

চ্যানেল আইতে প্রচারিত হত্যাকান্ডের দৃশ্য
ছবির ক্যাপশান, চ্যানেল আইতে প্রচারিত হত্যাকান্ডের দৃশ্য

ঢাকায় প্রকাশ্যে গুলি করে এক যুবলীগ নেতাকে হত্যার ঘটনায় মূল সন্দেহভাজন আরেক যুবলীগ নেতা জাহিদ সিদ্দিক তারেক এক বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

র‍্যাবের কর্মকর্তারা ঘটনাটিকে ক্রসফায়ার হিসেবে বর্ণনা করছেন। র‍্যাবের কর্মকর্তা এটিএম হাবিবুর রহমান জানিয়েছেন হাসপাতাল থেকে গুলশান থানায় নেয়ার সময় পথে খিলক্ষেত এলাকায় সন্ত্রাসীদের সাথে গোলাগুলিতে তিনি নিহত হন।

ঢাকার এক ব্যস্ত শপিং মলের সামনে প্রকাশ্যে গুলি করে যুব লীগের নেতা রিয়াজুল হক মিল্কীকে হত্যার দৃশ্য ভিডিও রেকর্ড দেখে পুলিশ মঙ্গলবার তাকে গ্রেফতার করে।

গুলশানের শপার্স ওয়ার্ল্ডের সামনে সোমবার রাতে মিল্কীকে হত্যার পুরো দৃশ্যটি ধরা পড়েছিল শপিং মলের সিসিটিভিতে।

ঈদের কারণে গভীর রাতেও এই শপিং মলটি চালু ছিল এবং প্রচুর মানুষের ভিড় ছিল সেখানে।

ভিডিওতে দেখা যায় পাজামা-পাঞ্জাবী পরিহিত এক ব্যক্তি আগ্নেয়াস্ত্র হাতে গুলি করতে করতে সেখান থেকে মোটর সাইকেলে চলে যায়। পুলিশ পরে জানায় এই ব্যক্তি হচ্ছেন যুবলীগেরই আরেক নেতা জাহিদ সিদ্দীক তারেক।

চাঞ্চল্যকর হত্যাকান্ড

প্রকাশ্যে ফিল্মি স্টাইলে পিস্তল উঁচিয়ে হত্যাকান্ডের এই দৃশ্য বাংলাদেশে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।

হত্যাকান্ডের পুরো ভিডিওটি ঢাকার বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল এবং নিউজ ওয়েবসাইটে প্রচার হওয়ার পর এটি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে বলছিলেন, দৃষ্কৃতকারীরা যুবলীগের ওই নেতার ওপর একের পর এক গুলি চালায়।

তিনি বলেন, “রিয়াজুল হক মিল্কি গাড়ি থেকে নেমেই শপার্স ওয়ার্ল্ডের গেটে ঢোকার জন্য রাস্তা পার হচ্ছিলেন। এর মধ্যে পাজামা-পাঞ্জাবি ও টুপি পরা এক যুবক বাম কানে মোবাইলে কথা বলতে বলতে মিল্কির সামনে এসে ডান হাতে ছোট আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে প্রথমে মাথায় ঠেকিয়ে একটি গুলি ছোড়ে। এরপর আরেক যুবক এসে উপর্যুপরি গুলি ছোঁড়ে।”

তিনি আরও জানান, নিহতের শরীরে সর্বমোট নয়টি গুলি লেগেছে।