গুজরাটের ভোটেই কেন উধাও ছিল বিজেপির গুজরাট মডেলের থিওরি?

ছবির উৎস, Getty Images
- Author, শুভজ্যোতি ঘোষ
- Role, বিবিসি বাংলা, দিল্লি
ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য গুজরাটে সবেমাত্র শেষ হল বিধানসভা নির্বাচনের পালা, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নিজের রাজ্য বলেই যেখানকার ভোটে সারা দেশের আলাদা নজর থাকে ।
বৃহস্পতিবার ১লা ডিসেম্বর ও সোমবার ৫ ডিসেম্বর - দুই দফায় সেখানে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। সেই নির্বাচনের ফলাফল জানা যাবে আগামী বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর।
লক্ষ্যণীয়ভাবে এবারের ভোটে কিন্তু বিজেপির তথাকথিত 'গুজরাট মডেল' বা উন্নয়নের ন্যারেটিভ একেবারেই আড়ালে চলে গেছে - তার বদলে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণ, গুজরাটি গর্ব, কিংবা প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত ক্যারিশমাকেই প্রাণপণে তুলে ধরার চেষ্টা করছে শাসক দল।
কেন গুজরাটে এ ধরনের রাজনৈতিক পরিবেশে এবার ভোট হচ্ছে, তারই অনুসন্ধান থাকছে এই প্রতিবেদনে।
বস্তুত গুজরাটের সর্বত্র এখন বাজছে বিজেপির নির্বাচনী প্রচারসঙ্গীত - গত সাতাশ বছর ধরে যে ভারতীয় জনতা পার্টি ওই রাজ্যটি শাসন করে আসছে, তাদেরই কেন আবার ক্ষমতায় ফেরা উচিত তা সবিস্তারে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে ওই গানে।

ছবির উৎস, Getty Images
তবে যে গুজরাট মডেলের কথা বিজেপি বিগত এক যুগ ধরে ফলাও করে বলে এসেছে, এবং ২০১৪তে নরেন্দ্র মোদীর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পেছনেও যে মডেলের বিরাট ভূমিকা ছিল বলে মনে করা হয় - বিজেপির প্রচারে কিন্তু সেই উন্নয়নের কাহিনী এবারে নেই বললেই চলে।
নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হলে সারা দেশেই একদিন গুজরাটের মতো চওড়া পিচঢালা রাস্তা হবে, বড় বড় শিল্পগোষ্ঠী বিনিয়োগ করবে, সবরমতীর মতো সব নদীতেই প্রাণ ফিরে আসবে এবং কৃষিক্ষেতে সেচের জল আসবে - গুজরাটের উন্নয়নের এই ছবি সারা দেশের একদিন আকাঙ্ক্ষা ছিল, কিন্তু খোদ গুজরাটেই এখন আর সেই মডেলের কথা বিজেপি পর্যন্ত উচ্চারণ করছে না।
ভাঁওতাবাজির মডেল?
জেএনইউ-র অধ্যাপক ও অর্থনীতিবিদ জয়তী ঘোষের মতে, এর কারণ হল গুজরাট মডেল ছিল আসলে বিরাট একটা 'স্ক্যাম' বা ভাঁওতাবাজি।
অন্যান্য খবর:
বিবিসি বাংলাকে তিনি বলছিলেন, "উন্নয়নের সবগুলো সূচকেই গুজরাট কিন্তু বরাবরই খুব খারাপ পারফর্ম করে এসেছে। সে আপনি হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্স বা মানবোন্নয়নের সূচকই বলুন, অন্য রাজ্যের তুলনায় শ্রমিকদের গড় মজুরিই বলুন কিংবা সার্বিক অবকাঠামোর হাল - দেশের অন্যান্য মধ্য-আয়ের রাজ্যের আয়ের তুলনায় গুজরাট কিন্তু সব সময়ই পিছিয়ে ছিল।"
"তবে ওই গোয়েবলস যেমন বলেছিলেন না, একটা মিথ্যেকে বারবার বললে সেটা সত্যির মতো দেখায় ... গুজরাটেও ঠিক তাই হয়েছে। গুজরাট মডেলকেও তাই আমি পিআর বা প্রচারের জয় বলে মনে করি, সেটা কখনোই বাস্তবতার প্রতিফলন ছিল না।"

ছবির উৎস, Getty Images
বিরোধী দল কংগ্রেসের মুখপাত্র শামা মোহামেদও বিবিসিকে বলছিলেন, গুজরাটে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সঙ্গীণ বলেই শাসক দল ওই প্রসঙ্গ প্রচারে আনতে চাইছে না।
তাঁর কথায়, "গুজরাটের মানুষ প্রশ্ন তুলছে কর্মসংস্থান কই? আচ্ছে দিন কই? রাজ্যের কোনও কোনও এলাকায় শিল্প থাকলেও সার্বিক ছবিটা কিন্তু খুবই করুণ। বেকারত্ব আর মূল্যবৃদ্ধিতে গুজরাট নাজেহাল।"
"গুজরাটের এমপি স্মৃতি ইরানি একদিন প্রশ্ন করেছিলেন গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বাড়ছে কেন? আজ তিনি বলুন কংগ্রেস আমলে সোয়া চারশো টাকার সিলিন্ডার কীভাবে হাজার টাকা ছাড়িয়ে গেল?"
"পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর পেট্রোলিয়ামমন্ত্রী রোজ বুক ফুলিয়ে বলছেন তারা নাকি শস্তায় রাশিয়া থেকে তেল কিনছেন - তাহলে পাম্পে তেলের দাম কমছে না কেন? আসলে বিজেপি জানে এখানে গভীর সমস্যা আছে, তাই তারা এ বিষয়ে উচ্চবাচ্চই করতে চাইছে না", বলছিলেন মিস মোহামেদ।
'গুজরাতি গর্ব' আর দাঙ্গাই হাতিয়ার
উন্নয়নের বদলে গুজরাটে বিজেপির নির্বাচনী প্রচারে তাই এবার প্রাধান্য পাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী মোদীর জনপ্রিয়তাকে তুলে ধরার চেষ্টা।
গত বেশ কয়েকদিন ধরে তিনি একটানা গুজরাট চষে বেড়াচ্ছেন, গুজরাটি অস্মিতা বা গর্বকে তুলে ধরার লাগাতার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

ছবির উৎস, Getty Images
এমনকী, সারা দুনিয়ার গুজরাটিদের অর্থনৈতিক সাফল্যে ভর করে এই নির্বাচনের জন্য গুজরাটবাসীর স্লোগানও বেঁধে দিয়েছেন তিনি, যেটা হল 'এই গুজরাট আমি বানিয়েছি।'
এতেই শেষ নয়, বিশ বছর আগেকার গুজরাট দাঙ্গার স্মৃতিকেও সূক্ষভাবে উসকে দেওয়া হচ্ছে।
নারোদা পাটিয়া হত্যাকান্ডে সাজা পাওয়া খুনীর মেয়েকে বিজেপি টিকিট দিয়েছে, জেল থেকে ছাড়া পেয়েছেন বিলকিস বানোর ধর্ষণকারীরা, দাঙ্গাপীড়িতদের পাশে দাঁড়ানো তিস্তা শেতলভাড-কে ভোটের আগে জেলে পোরা হয়েছে।
বিজেপির হিন্দুত্ববাদী রাজনীতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করছেন লেখক-সাংবাদিক নীলাঞ্জন মুখোপাধ্যায়, তিনি বলছিলেন আসলে গত বিশ বছর ধরেই গুজরাটের ভোটে বিজেপি একটি কেন্দ্রীয় ইস্যু নিয়ে লড়েছে - এবারেও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
তাঁর কথায়, "২০০২ থেকে প্রতিটা ভোটে বিজেপি একটি একক থিম-কে প্রাধান্য দিয়েছে, যা তাদের ক্যাডারদের ও সমর্থকদের উদ্দীপ্ত ও উচ্ছ্বসিত রাখবে। ২০০২-এ সেটা ছিল গুজরাট দাঙ্গা। ২০০৭-য়ে সোনিয়া গান্ধী নরেন্দ্র মোদীকে 'মুত্যুর সওদাগর' বলে আক্রমণ করার পর সেটাকেই বিজেপি প্রধান অস্ত্র করে তোলে।"
"আবার ২০১২তে স্লোগান ছিল আমাদের মোদীজিকে প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে - তাকে বেশি গরিষ্ঠতা দিতে পারলে মোদীজির হাত শক্ত হবে। ২০১৭তে বিজেপি শুরুতে একটু পিছিয়ে থাকলেও পরে কংগ্রেসের একটা ভুল চালে তারা খেলাটা ধরে নেয়।"
"আর এবারে কংগ্রেস ও আম আদমি পার্টির মতো বিরোধীরা একটু ছন্নছাড়া বলে গুজরাটে বিজেপির কর্মীরাও কিন্তু প্রথমে নিরুৎসাহিত ছিল। ফলে তাদেরকে আবার চাঙ্গা করার জন্য গত চার বা ছ'মাস ধরে ক্রমাগত চেষ্টা করা হয়েছে ২০০১র দাঙ্গাকে কীভাবে আবার রাজনৈতিক ন্যারেটিভে ঢোকানো যায়", বলছিলেন নীলাঞ্জন মুখোপাধ্যায়।

ছবির উৎস, Getty Images
২০০২-র গুজরাট দাঙ্গায় যে শত শত মুসলিম নিহত হয়েছিলেন তাদের পরিবারগুলোকে বহু বছর ধরে আইনি সহায়তা দিয়ে এসেছেন আহমেদাবাদের মানবাধিকার কর্মী মুকুল সিনহা ও তাঁর স্ত্রী নির্ঝরী সিনহা।
মি সিনহা প্রয়াত হলেও সেই কাজ এখনো চালিয়ে যাচ্ছেন নির্ঝরী সিনহা - এবং তার অভিজ্ঞতাও বলে দাঙ্গার রাজনীতিকে বিজেপি কিন্তু বরাবরই গুজরাটের ভোটে সুকৌশলে কাজে লাগিয়েছে।
নির্ঝরী সিনহা বিবিসিকে বলছিলেন, "দাঙ্গায় সাজাপ্রাপ্তদের পরিবারের লোকজনকেও যে বিজেপি টিকিট দিয়েছে তাতে আমি একেবারেই অবাক নই। নারোদা পাটিয়াই হোক অন্য সব হত্যাকান্ড, দাঙ্গাকারীরা সব সময় তাদের প্রচ্ছন্ন সমর্থন পেয়ে এসেছে।"
"দোষীরা যাতে সাজা পায়, এই রাজ্যের বিজেপি সরকার কখনো সেই চেষ্টা করেনি - বরং দোষীরাও এদের আমলে ইচ্ছেমতো জামিন বা প্যারোল নিয়ে জেল থেকে বেরিয়ে এসেছে।"
"সব সময় তারা এগুলো ম্যানেজ করে নিয়েছে ...আসলে এটা তাদের নির্বাচনী কৌশল, এখানে একটা হিন্দু-মুসলিম বিভাজন সৃষ্টি করে সেটাকে তারা ভোটে ব্যবহার করেছে।"
উন্নয়নের দাবি কি আড়ালে?
এই বাতাবরণে গুজরাটে উন্নয়নের কাহিনি যে নেপথ্যে চলে যাবে - তা সহজবোধ্য বলে পর্যবেক্ষকদের অনেকেরই মত।
গুজরাট ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক হিতেশ প্যাটেল, যিনি বহু ক্ষেত্রেই বিজেপির মতাদর্শের সমর্থক - তিনি কিন্তু আবার এই ব্যাখ্যার সঙ্গে একমত নন।

ছবির উৎস, Getty Images
মি প্যাটেল বিবিসিকে বলছিলেন, "গুজরাট মডেলের একটা আন্ডারকারেন্ট কিন্তু ভোটে আছেই। একটা জিনিস দেখুন, এত লম্বা সময় ধরে বিজেপি এখানে ক্ষমতায়, তারপরেও কিন্তু অ্যান্টি-ইনকামবেন্সির প্রভাব এখানে তেমন একটা নেই।"
"আমি অস্বীকার করছি না যে বেকারত্ব বা মূল্যবৃদ্ধির মতো ইস্যু এখানে একেবারেই নেই, সাধারণ মানুষের জীবনকে সেটা মুশকিলেও ফেলছে - কিন্তু নরেন্দ্র মোদীর তুঙ্গস্পর্শী জনপ্রিয়তার কাছে এগুলো খুবই তুচ্ছ ব্যাপার।"
"গুজরাটিরা এখনও বিশ্বাস করে মোদীজি যখন আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী, সবার আগে তার হাত শক্ত করাটা বেশি দরকার। এ রাজ্যে অনেকেই আছেন যারা হয়তো বিজেপির সমর্থক নন, কিন্তু নরেন্দ্র মোদীর সমর্থক", বলছিলেন হিতেশ প্যাটেল।
বিরোধী দল কংগ্রেস যদিও তাদের প্রচারনায় বলার চেষ্টা করছে যে আজকের গুজরাট বানানোর পেছনে তাদেরও অনেক অবদান আছে - কিন্তু বিজেপির চোখধাঁধানো ক্যাম্পেইন ও ধর্মীয় বিভাজনমূলক নির্বাচনী কৌশলে সে বক্তব্য তেমন আমলই পাচ্ছে না।
কংগ্রেস নেত্রী শামা মোহামেদ বলছিলেন, "আসলে গুজরাটকে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের একটা ল্যাবরেটরি বানিয়ে ফেলা হয়েছে।"
"কিন্তু এটাও ভাবা দরকার, এ দেশের খুনী ও ধর্ষণকারীদের এবং সেই সঙ্গে বাকি দুনিয়াকে আমরা কী বার্তা দিচ্ছি - যখন এ দেশে সাত মাসের গর্ভবতী এক মহিলাকে অনেকে মিলে ধর্ষণ করে, তার শিশুকন্যাকে চোখের সামনে মেরে মাথার খুলি ফাটিয়ে দেওয়া হয়, পরিবারের অন্যদের হত্যা ও ধর্ষণ করা হয়, তারপর ভিনরাজ্যে গিয়ে অনেক কষ্টে ও অনেক দেরিতে তিনি বিচার পান - এবং শেষে সেই ধর্ষক ও খুনীরা জেল থেকে হাসতে হাসতে বেরিয়ে আসে? আমাদের বিচারব্যবস্থা ও সরকারের কোন ছবি তুলে ধরে এটা?" - প্রায় এক নি:শ্বাসে বলে যান তিনি।

ছবির উৎস, Getty Images
তবু কীভাবে বিজেপি জেতে?
সাম্প্রদায়িকতা একটা দিক - কিন্তু গুজরাটের উন্নয়নের ছবিতেও যদি বহু ফাঁকফোকর থাকে, তারপরও বিজেপি এত বছর ধরে সেখানে কীভাবে জিততে পারছে? জানতে চেয়েছিলাম অর্থনীতিবিদ জয়তী ঘোষের কাছে।
তিনি জবাব দেন, "আসলে এটা আমাদের বুঝতে হবে মানুষ যখন ভোট দেয় তাদের সেই সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করার পেছনে অর্থনীতি শুধু একটা ফ্যাক্টর।"
"বিশেষ করে বিজেপির মতো দল, তারা সাম্প্রদায়িক প্যাশনকে ভোটের বাক্সে নিয়ে ফেলার কাজে খুবই সিদ্ধহস্ত, গুজরাতি গর্ব জিনিসটাকেও তারা দারুণভাবে কাজে লাগিয়েছে - যে আমাদের মুখ্যমন্ত্রীই এখন দেশের প্রধানমন্ত্রী।"
"আর একটা কাজও তারা করেছে, ডেটা বা তথ্য ধামাচাপা দিয়ে একটা বড় অংশের মানুষকে এটা বোঝাতে পেরেছে তোমার নিজের অবস্থা তত ভাল না-হলেও তোমার চারপাশে বাকি রাজ্য কিন্তু খুবই ভাল করছে এবং সরকার দারুণ কাজ করছে", মন্তব্য করেন জয়তী ঘোষ।
গবেষক নীলাঞ্জন মুখোপাধ্যায়ও বলছিলেন, অর্থনীতির কথা বাদ দিয়ে নির্বাচনী ডিসকোর্সকে এভাবে অন্য খাতে বইয়ে দেওয়ার কাজটা বিজেপি রীতিমতো একটি দীর্ঘমেয়াদি স্ট্র্যাটেজির মতো করে করে যাচ্ছে।

ছবির উৎস, Getty Images
মি মুখোপাধ্যায়ের কথায়, "উন্নয়নের কথা বলা হচ্ছে না, কারণ মহামারির পর ও কথা বলতে গেলে নিজের জালেই বল ঢোকানো হবে। পার্সোনাল ইকোনমির হাল খুবই খারাপ, সরকারি ডেটা যা-ই বলুক প্রায় এমন কোনও পরিবার নেই যেখানে কেউ চাকরি বা রোজগার হারাননি।"
"কিন্তু ২০১৪ থেকে বিজেপি এমন একটা নীতি নিয়ে চলেছে যেখানে এগুলো খুব গুরুত্ব পায় না ... নরেন্দ্র মোদী মানুষকে বিশ্বাস করাতে পেরেছেন তিনি ভারতীয় সভ্যতাকে নতুন করে বাঁচিয়ে তুলছেন, পুরনো অপমানের বদলা নিচ্ছেন ... আর সেখানে একটু ব্যক্তিগত দু:খকষ্ট সয়েই নিতে হয়।"
আরও পড়ুন:
"মানুষও এটা গ্রহণ করছে বলেই নিজের যতই দুর্দশা থাকুক, সরকারের ওপর যতই রাগ হোক ভোটটা কিন্তু গিয়ে সেই বিজেপিকেই দিয়ে আসছে", বলছিলেন তিনি।
বিজেপির এই নির্বাচনী কৌশল ২০১৪ থেকে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে ও দেশের সাধারণ নির্বাচনেও বহুবার কাজে দিয়েছে - এ বছরের গোড়ায় উত্তরপ্রদেশের ভোটও ছিল যার সবশেষ উদাহরণ।
এখন সেই স্ট্র্যাটেজির প্রধান রূপকার নরেন্দ্র মোদীর নিজের রাজ্যে তা কতটা কাজে আসবে, সে উত্তরও পাওয়া যাবে আর দিনকয়েকের ভেতরেই।








