আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
থাইল্যান্ড: শিশুদের ডে-কেয়ার সেন্টারে হামলায় অনেক শিশু সহ অন্তত ৩৮ জন নিহত
থাইল্যান্ডের পুলিশ বলছে একটি প্রি স্কুল ডে-কেয়ার সেন্টারে একজন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা গুলি ছুড়ে এবং ছুরি চালিয়ে অন্তত ৩৮ জনকে হত্যা করেছে। জখম হয়েছে আরও কমপক্ষে ১২ জন ।
একজন সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন নিহদের ২২ জনই শিশু। নিহতের মধ্যে এমনকি দুই বছর বয়সী শিশুও রয়েছে।
দেশটির উত্তর-পূর্বের নং বুয়া লামফু এলাকার উথাই সাওয়ান নামে একটি শহরে এই হত্যাকাণ্ড হয়েছে।
পুলিশ বলছে সন্দেহভাজন ঐ ব্যক্তি পরে তার নিজের পরিবারের বেশ কজন সদস্যকে হত্যার পর নিজেও আত্মহত্যা করে।
কেন শিশুদের একটি ডে-কেয়ারে এমন নৃশংস হামলা সাবেক ঐ পুলিশ কর্মকর্তা চালিয়ে থাকতে পারে তার সুনির্দিষ্ট কোনও উত্তর এখনো কেউ দেয়নি।
তবে একজন সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন মাদক সেবনের জন্য লে. কর্নেল পদমর্যাদার ঐ কর্মকর্তাকে জুন মাসে বরখাস্ত করা হয়েছিল। পুলিশ জানার তার নাম পানভা কামরাব।
স্থানীয় একজন সরকারি কর্মকর্তা, যিনি ঐ হামলার সময় কাছে ছিলেন, বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, "দুপুরের খাবারের সময় হামলাকারী চড়াও হয়ে প্রথমেই ডে-কেয়ার সেন্টারের চার-পাঁচজন কর্মচারীকে গুলি করে।"
এরপর যে দরজা বন্ধ ঘরে শিশুরা ঘুমচ্ছিল সেই ঘরে চড়াও হয় ঐ হামলাকারী।
ঐ কর্মকর্তা বলেন, "প্রথমে মনে হয়েছিল বাজি ফোটানো হচ্ছে।"
হামলার পরপরই সে সাদা টয়োটা পিক-আপ ভ্যান চালিয়ে পালিয়ে যায়। গাড়িটিতে ব্যাংককের রেজিস্ট্রেশন প্লেট ছিল বলে জানাচ্ছে পুলিশ।
প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ চান ওচা বলেছেন এই ঘটনা "খুবই হৃদয় বিদারক।"
এভাবে এলোপাথাড়ি গুলি করে গণহারে হত্যার ঘটনা থাইল্যান্ডে বিরল, যদিও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের মধ্যে থাইল্যান্ডে বেসামরিক লোকজনের হাতে আগ্নেয়াস্ত্রের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি। অবৈধ অস্ত্রের সংখ্যাও সেদেশে কম নয়।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটা এ ধরণের দুটি হত্যাকাণ্ডের হোতা ছিল সেনা সদস্যরা।
মাস-খানেক আগে ব্যাংককে একটি সেনা ঘাঁটিতে একজন কর্মকর্তা তার দুই সহকর্মীকে গুলি করে হত্যা করে। এর আগে ২০২০ সালে নাখন রাটচাসিমা নামে এক শহরে একজন সৈন্য গুলি করে ২৯ জনকে হত্যা করেছিল।
আরো পড়ুন: