এডিটার'স মেইলবক্স: পি কে হালদার তদন্ত, নেটিজেন কারা আর পদ্মা সেতুর টোল নিয়ে প্রশ্ন

    • Author, মানসী বড়ুয়া
    • Role, বিবিসি নিউজ বাংলা, লন্ডন

বাংলাদেশে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্নসাৎ এবং পাচারের অভিযোগে পালিয়ে থাকা প্রশান্ত কুমার হালদার বা পি.কে. হালদারকে ভারতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার গ্রেপ্তার ও এরপর তাকে নিয়ে কী করা হবে তা ছিল চলতি সপ্তাহের বহুল আলোচিত একটি বিষয়। তার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগকে ঘিরে যেসব প্রশ্ন বহু মানুষের মনে ঘুরছে তা নিয়ে এ সপ্তাহে লিখেছেন অনেকেই।

বেশ কিছু প্রশ্ন তুলে লিখেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আবদুর রহমান জামী:

''বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার করে, দুর্নীতির মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট করে দেশ ছেড়েছিল এই পি কে হালদার। এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন উঠতেই পারে, পি কে হালদারের এই মহা কারসাজির জোর কোথায়? কারা কারা এই পি কে হালদারের পৃষ্ঠপোষক? তার সাথে আর কে কে যুক্ত ছিল? বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কারা সহায়তা করেছে তাকে? এই মহা জালিয়াতির নেপথ্যে কোন কোন ক্ষমতাবানদের প্রভাব ছিল?

''এসব প্রশ্নের মীমাংসা করতে হলে সরকারকে এ বিষয়টি অগ্রাধিকার দিয়ে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে বলে আমি মনে করি।''

পি কে হালদারকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল। বাংলাদেশে ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং পিপলস লিজিং সহ চারটি প্রতিষ্ঠানের সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্নসাৎ এবং পাচারের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের ৩৬টি মামলা রয়েছে। এসব মামলার সুষ্ঠু তদন্ত হলে তবেই একমাত্র এসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া সম্ভব হবে।

আরও পড়তে পারেন:

অনেকটা একই ধরনের প্রশ্ন তুলেছেন প্রসাদপুর, সাতক্ষীরা থেকে শামীমা আক্তার লিপি:

''পিকে হালদার এত অল্প সময়ে এত পরিমাণ সম্পদের মালিক হল অথচ কেউ জানলো না এটা কি বিশ্বাসযোগ্য? যদি উত্তর 'না' হয় তাহলে এতদিনে তার অকাজের সাথে যারা হেল্পার ছিল তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে কেন?"

আর গেন্ডারিয়া, ঢাকা থেকে মোহাম্মদ জিল্লুর রহমানের প্রশ্ন:

"খবরে দেখলাম বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন প্রশান্ত কুমার হালদারের গ্রেফতারে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে। অথচ সে দেশে থাকা অবস্থায় দুদক তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি এবং তাকে গ্রেফতারের সদিচ্ছাও দেখায়নি। প্রশান্ত কুমার হালদারের চেয়েও বড় ব্যাংক কেলেঙ্কারির হোতা বেসিক ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল হাই বাচ্চু।

''অভিযোগ আছে বেসিক ব্যাংকের অন্তত ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতির ঘটনায় দুদকের দায়ের করা ৫৬টি মামলার কোন অগ্রগতি নেই। আবদুল হাই বাচ্চুকে গ্রেফতারতো দূরের কথা, তার বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত সাত আট বছরেও শেষ করতে পারেনি দুদক। ফলে প্রশ্ন জাগে প্রশান্ত কুমার হালদার কিংবা আবদুল হাই বাচ্চুদের মামলা কি শুধুই লোক দেখানো?"

পি.কে. হালদার ধরা পড়ার পর বাংলাদেশ সরকার কতটা আন্তরিকভাবে তাকে বিচারের মুখোমুখি করে সেটাই এখন দেখার বিষয়। এধরনের অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় অপরাধীদের প্রকৃত সাজা না হলে, এবং সত্য উদঘাটন করা না হলে এধরনের ঘটনা যে ভবিষ্যতে আরও ঘটবে সে আশংকা থেকেই যায়।

আরও পড়তে পারেন:

পদ্মা সেতুতে টোলের হার

পদ্মা সেতু পারাপারের জন্য টোলের হার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকার। সেতুর কাজ এখন শেষ পর্যায়ে এবং জুনের শেষ নাগাদ সেতুটি চালু হতে পারে বলে সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী আগে জানিয়েছিলেন।

এই টোল নিয়ে লিখেছেন খুলনার দাকোপ থেকে মুকুল সরকার:

''মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি পদ্মা সেতুর মতো একটি মেগা প্রকল্প যথাযথ ভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য। ইতোমধ্যে এ সেতু পারাপারের জন্য টোল-এর হারও ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত এ টোল মোটামুটি ভাবে ফেরি পারাপারের টোল-এর দেড়গুণ। টোলের হার ঠিক কীভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে আমি জানিনা। পদ্মা সেতুর টোলের হার নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ফেরিগুলো যেহেতু চালু থাকছে তাই অধিক টোল এর কারণে সাধারণ মানুষ পদ্মা ব্যবহারে নিরুৎসাহিত হবে না তো ?"

না হওয়ারই তো কথা মি. সরদার। কারণ এই সেতু ব্যবহার করে সাধারণ মানুষ যেসব সুবিধা পাবেন বিশেষ করে তাদের যাতায়াতের সময় যেভাবে উল্লেখযোগ্যরকম কমে যাবে, তাতে বাড়তি খরচ গুণতে মানুষ খুব একটা নিরুৎসাহিত নাও হতে পারেন। তাছাড়া জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে ফেরির টোলও তো বাড়াতে যাচ্ছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্পোরেশন। বর্তমানে ফেরির যে টোল হার রয়েছে, তা ২০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব মন্ত্রণালয় অনুমোদন করেছে। ফেরির টোল বাড়লে ফেরিতে করে গাড়ি পার হবার খরচও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। কাজেই সব দিক বিবেচনায় নিয়েই মানুষ যে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে তা বলাই বাহুল্য।

নেটিজেন কারা?

আমাদের একটি অনুষ্ঠানের কন্টেন্ট এবং অনুষ্ঠানে ব্যবহৃত একটি শব্দ সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন পার্বতীপুর, দিনাজপুর থেকে মেনহাজুল ইসলাম তারেক:

"বিবিসি বাংলা'র ফেসবুক ট্রেন্ডিং অনুষ্ঠানটি আমার খুব খুব খুবই ভালো লাগে! হয়তোবা আমার মত অনেকেরই এটি একটি প্রিয় ও ভালো লাগার অনুষ্ঠান। তবে এক্ষেত্রে আমার জানতে চাওয়ার বিষয় হলো- এখানে যেসব মন্তব্য আপনারা প্রচার করেন, এগুলো কি শুধুমাত্র বিবিসি বাংলা'র ফেসবুক পেজ থেকে বাছাইকৃত মন্তব্য নাকি অন্যান্য মাধ্যম থেকেও তা বাছাই করে প্রচার করে থাকেন?

"আর এখানে 'নেটিজেন' নামে একটি শব্দ আপনারা প্রায়ই ব্যবহার করে থাকেন- শ্রোতা/পাঠকদের উদ্দেশ্যে একটু বলবেন কি- এই শব্দটির পূর্ণ অর্থ কিংবা এটি কি উদ্দেশ্যে বলা হয়?"

ধরে নিচ্ছি আপনি বিবিসির প্রবাহ রেডিও অনুষ্ঠানে সামাজিক মাধ্যমের ট্রেন্ডিং বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার কথা বলছেন। এই অনুষ্ঠানটি আপনার ভাল লাগে জেনে আমাদেরও ভাল লাগছে। এখানে বিবিসি বাংলার ফেসবুক পেজ থেকে যেমন কমেন্ট বাছাই করা হয়, তেমনি সামাজিক মাধ্যমের অন্যান্য প্ল্যাটফর্মেও যেসব বিষয় নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে সেসব বিষয়ের ওপর বাছাই করা মন্তব্য এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

আর হ্যাঁ- আপনি নেটিজেন শব্দটির কথা জিজ্ঞেস করেছেন। নেটিজেন হলেন ইন্টারনেট দুনিয়ায় ঘোরাফেরা করা মানুষ- ইংরেজি অভিধান অনুযায়ী 'নেটিজন' শব্দটি এসেছে 'ইন্টারনেট' আর 'সিটিজেন' এই দুই শব্দের সংমিশ্রণে। অর্থাৎ নেটিজেনরা হলেন ইন্টারনেটের বাসিন্দা- সেখানেই তাদের ঘোরাফেরা বা বসবাস যেটাই বলুন না কেন!

বিধবা নারীদের জন্য শাস্তি কেন?

বিবিসি বাংলার একটি প্রতিবেদন নিয়ে লিখেছেন ডুমুরিয়া, খুলনা থেকে নাজমুল হোসেন জোয়ার্দ্দার:

"১৩ই মে ভারতের মহারাষ্ট্রের কোলাপুর জেলার হেরাওয়ার গ্রামের বিধবা বিবাহ ও তাদের পোশাক পরিচ্ছদ নিয়ে বিবিসির প্রচারিত প্রতিবেদনটা আমাকে মুগ্ধ করেছে। বর্তমানে এখনো সমাজের প্রতিটি জায়গায় এ রকম কুসংস্কার বিদ্যমান, যেখানে বিধবাদের কোন প্রকার সামাজিক বা ভালো কাজে অংশ গ্রহণ করতে দেওয়া হয়না। কিন্তু যখন কোনো নারী বিধবা হচ্ছে,তখন সেই নারীর কি দোষ থাকে? তাহলে বিধবা হওয়ার পর কেন সমস্ত শাস্তি সেই নারীকে একা ভোগ করতে হবে?

''তাই আমি মনে প্রাণে চাই হেরওয়ার গ্রামের মত আমাদের সমাজের প্রতিটি মানুষের মন থেকে এই ধরনের কুসংস্কার চিরতরে দূর হয়ে সবাই মানব ধর্মে উদ্বুদ্ধ হোক। সেই সাথে ধন্যবাদ জানাই হেরওয়ার গ্রামবাসী আর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানকে।"

হেরওয়ার গ্রামে স্থানীয় বিধবাদের এখন থেকে প্রচলিত কঠোর রীতি-নীতি মানতে হবে না বলে ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের নেয়া সিদ্ধান্ত সত্যিই একটি সাহসী ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এরকম দৃষ্টান্ত নি:সন্দেহে মানুষের মন থেকে কুসংস্কার দূর করার পথে একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে এবং বিধবাদের সমাজে একরকম একঘরে হয়ে থাকা থেকে মুক্তির পথের দিশা দেখাতে পারবে বলে আমার আশা।

বিবিসির অনুষ্ঠান শোনার সমস্যা

এবারে অনুষ্ঠান শোনার সমস্যা নিয়ে চিঠি। চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থেকে লিখেছেন মোহাম্মদ মাসুদুল হক:

''আমি বিবিসি বাংলার রেডিও অনুষ্ঠান প্রবাহ এবং পরিক্রমা ৮৮.৮ এফএম-এ নিয়মিত শুনি।কিন্তু মাঝে মাঝে অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়ে হঠাৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, যা এক বিরক্তিকর ব্যাপার। কখনো এক মিনিট, আবার কখনো তার চেয়েও বেশি সময় ধরে এই সমস্যায় ভুগতে হয়। কিন্তু সময়ের অভাবে তা আর অনলাইনেও শোনা সম্ভব হয় না। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, এই সমস্যা কি শুধু চট্টগ্রাম রেডিও স্টেশনের? নাকি, ঢাকা বা লন্ডন স্টেশনের?"

সমস্যাটা হয়ত চট্টগ্রাম রেডিও স্টেশনের, কারণ আপনার চিঠি পড়ে মনে হচ্ছে- মাঝে মাঝেই এধরনের সমস্যা আপনার হচ্ছে। আপনি বেতারের সঙ্গে যোগাযোগ করে দেখতে পারেন বা এলাকার অন্য শ্রোতা যারা বিবিসির অনুষ্ঠান শুনে থাকেন তাদের সঙ্গে আপনার যোগাযোগ থাকলে তাদেরও জিজ্ঞেস করে দেখতে পারেন তারাও একই সমস্যায় পড়ছেন কিনা।

তবে বিশেষ একটি দিনের সমস্যার কথা লিখেছেন দুজন শ্রোতা।

বদরগঞ্জ, রংপুর থেকে মোহাম্মদ আব্দুল্লা আল মামুন:

"আমি ২০০৬ সালের মাঝামাঝি থেকে বিবিসি শুনছি, তখন শুনতাম শর্ট ওয়েভে, পরে আসলো এফএম তরঙ্গ, এখন শুনছি অনলাইনে। কিন্তু আজ Sunday ১৫ই মে, প্রবাহের প্রথম ২মিনিট ২০সেকেন্ড শুনতে পেলাম না। সমস্যাটা নিশ্চয়ই যান্ত্রিক ছিল?"

আর ফুলতলা, খুলনা থেকে মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম লিখছেন:

"১৫ই মে সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় ব্যস্ততা থাকায় লাইভ শুনতে পারিনি বিধায় ৯ টার পরে শোনার জন্য বিবিসি বাংলার ওয়েব সাইটে যথারীতি গেলাম। যেমনিভাবে প্রতিটি দিন অনুষ্ঠান শুনি আর কি। কিন্তু মূল সমস্যাটা হলো তখনই যখন প্রবাহ ট্যাবে ক্লিক করলাম, যথারীতি চলছে অথচ কোনোই সাউন্ড নেই।

"আমার ডিভাইসে কোনো সমস্যা কিনা ভেবে পুনরায় রি-স্টার্ট দিলাম। আবার যখন প্লে করলাম, সেই একই প্রবলেম। এবার চলমান লাইনের মাঝ বরাবর দেখি সাউন্ড আসছে। এরপর চেক করতে করতে বুঝলাম ২ মিনিট ১৯ সেকেন্ড পর্যন্ত কোনো প্রকার সাউন্ডই নেই। পুরাই ব্লাঙ্ক। তারমানে, সংবাদ শিরোনাম ও বিশ্ব সংবাদ মিস করলাম! হতে পারে এই সমস্যাটা শুধু আমার ক্ষেত্রেই হয়েছে । জানি না কি কাহিনী?

আপনাদের দুজনের চিঠি পড়ে মনে হচ্ছে রবিবার অনলাইনে প্রবাহ প্রচারে প্রথমদিকে কোন বিঘ্ন ঘটেছিল। সমস্যাটা সম্পর্কে আমরা অবগত ছিলাম না। লিখে জানানোর জন্য ধন্যবাদ। আমরা খোঁজ নিয়ে দেখব কী সমস্যা হয়েছিল।

নামের বিভ্রাট আর সময় স্বল্পতা?

অভিযোগের দুটি চিঠি। প্রথমে নাম ভুল বলা নিয়ে অভিযোগ করেছেন ঢাকা সেনানিবাস থেকে মোহাম্মদ সোহেল রানা হৃদয়:

"গত ১২ই মে প্রীতিভাজনেসুতে বিবিসি বাংলার ৮০ বছর পূর্তি নিয়ে আমার ছোট একটা প্রশ্ন ছিল৷সেটার যথাযথ উত্তর পেয়েছি, তাতে কোন আপত্তি নেই কিন্তু আমার নাম বলা হলো - "সোহেল হোসেন রানা"৷ অথচ আমি আপনাদের ওয়েসাইটে যোগাযোগ করার জন্য ফরম্যাটে আমার নাম: "মোহাম্মদ সোহেল রানা হৃদয়" লিখেছি। তাছাড়া আমি ই-মেইলেও তাই লিখেছি কিন্তু আপনারা বললেন "সোহেল হোসেন রানা"৷ আপনাদের কাছ থেকে এমনটি আশা করিনা কখনও৷"

ভুলটা অবশ্যই ইচ্ছাকৃত নয়, অনবধানতাবশতই ভুলটা হয়েছে। আপনার নামটি অনুষ্ঠানে ভুল বলার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত।

অনুষ্ঠানে চিঠি পড়া নিয়ে কিছু অনুযোগ আবার কিছু মুগ্ধতার কথা তুলে ধরেছেন রংপুর, পীরগাছা থেকে মোহাম্মদ মিলন খন্দকার খালেক:

"ইদানিং দেখছি বিবিসি বাংলার প্রীতিভাজনেষু অনুষ্ঠানে, কোনো কোনো শ্রোতার চিঠি প্রতি সপ্তাহেই পড়া হচ্ছে, আবার কোনো শ্রোতার চিঠি মাসে একবার বা তার চেয়েও কম সময় নিয়ে পড়া হচ্ছে। এবারের ঈদে পুরনো সাক্ষাৎকার ভালো লাগেনি জানিয়ে যে-সব শ্রোতারা চিঠি পাঠিয়েছিল, তাদের বেশ কয়েকটি চিঠিই পড়ে শুনানো হলো। কিন্তু যারা পুরনো সাক্ষাৎকার ভালো লেগেছে জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছিল, তার মধ্যে আমার চিঠি ছিল একটি। কিন্তু সেটা পড়ে শোনানো তো দূরের কথা, প্রাপ্তি স্বীকারেও স্থান পেল না।

''তবে বিবিসি বাংলা'র কাছে স্বীকার করতেই হবে, যাদের চিঠিগুলো পড়ে শোনানো হলো, তার বেশির ভাগ চিঠিই ছিল সমসাময়িক এবং গুরুত্বপূর্ণ। তাই বিবিসির এমন সিদ্ধান্ত এবং প্রচারে ক্ষোভ বা রাগ তো নয়ই, বরং আমার সম্মান এবং শ্রদ্ধা অফুরন্ত। তবুও প্রশ্ন মনে বার বার উঁকি মারে যে, আমার চিঠিটি কেন পড়া হলোনা?"

সময়ের সীমাবদ্ধতা ছাড়া এর পেছনে আর অন্য কোন কারণ নেই মি. খালেক।

এবারে কিছু চিঠির প্রাপ্তিস্বীকার।

মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম রাশেদ, নলতা শরীফ, সাতক্ষীরা

মোহাম্মেদ ইলিয়াছ হোসেন, খটখটিয়া, রংপুর

মোহাম্মদ সাইদুর রহমান, কাউনিয়া, বরিশাল

দিপক চক্রবর্তী, দেবীগঞ্জ, পঞ্চগড়

অরবিন্দ রায়, মাণিকগঞ্জ

মুহাম্মদ আব্দুল হাকিম মিঞা, ছোট জামবাড়িয়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

শাকিল আহমেদ, খুলনা।