আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
এডিটার্স মেইলবক্স: ইউক্রেন যুদ্ধের নৈতিকতা, মধ্যবিত্তের পকেটের অবস্থা, দুর্নীতি নিয়ে আপনাদের মতামত
ইউক্রেন যুদ্ধের নৈতিকতা, জিনিসপত্রের দাম, মধ্যবিত্তের পকেটের সাইজ, দুর্নীতি ইত্যাদি বিষয় চলতি সপ্তাহে আপনাদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। আর তারই প্রতিফলন ঘটেছে আপনাদের মতামতে, আপনাদের নানা প্রশ্নে।
খুলনার দাকোপ থেকে নিয়মিত পত্রলেখক মুকুল সরদার মনে করছেন, ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করতে জাতিসংঘ যথাযথ দায়িত্ব পালন করেনি:
ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ সম্পর্কে জাতিসংঘের মহাসচিব বলেছেন, "এ যুদ্ধ নৈতিক ভাবে অসমর্থন যোগ্য, রাজনৈতিক ভাবে অগ্রহণযোগ্য এবং সামরিক ভাবে অর্থহীন।। আন্তনিয়ো গুতেরেস যথার্থই বলেছেন। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে জাতিসংঘ এই যুদ্ধ বন্ধ করতে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ কি গ্রহণ করেছে?
জাতিসংঘের এখতিয়ার ঠিক কতটুকু আমি জানিনা তবে আমার মনে হয়, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ বন্ধে জাতিসংঘের মতো একটি প্রতিষ্ঠানের আরও জোরালো এবং কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া উচিৎ ছিল।
জাতিসংঘের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ কিন্তু একেবারে নতুন নয়, মি. সরদার। কিন্তু এই প্রতিষ্ঠানটি তার নিজের হাতে তৈরি আইনের কাছে বন্দি। জাতিসংঘের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী অঙ্গ হচ্ছে নিরাপত্তা পরিষদ। কিন্তু সেখানে ইউক্রেন সংক্রান্ত যে কোন প্রস্তাবকে এক কথায় থামিয়ে দিতে পারে রাশিয়া। কারণ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হিসেবে তার রয়েছে ভেটো দেয়ার ক্ষমতা। একই ব্যাপার আমার ঘটতে দেখেছি ইরাক এবং অন্যান্য সংঘাতের সময়। তবে সেটা ঘটেছিল যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলোর প্রভাবে।
আরও পড়তে পারেন:
পশ্চিমা দেশগুলোর স্বার্থপরতার দিকটি তুলে ধরেছেন ফেসবুকে আমাদের একজন ফলোয়ার তৌহিদ আহমেদ:
পশ্চিমারা মধ্যপ্রাচ্যকে যে নরক বানিয়ে রেখেছে আর সেই নরক যন্ত্রণা সহ্য করছে লক্ষ লক্ষ মানুষ। মধ্যপ্রাচ্যের সুন্দর শান্তির দেশগুলোকে ধ্বংস করে দিয়েছে শুধুমাত্র খনিজ সম্পদের লোভে। ওরা আর্তনাদ করছে যুগের পর যুগ ধরে। মানবতার দাবীদার কি শুধু পশ্চিমারা?
ইউক্রেন যুদ্ধে শান্তি আলোচনা নিয়ে লিখেছেন খুলনার কপিলমুনি থেকে মো. শিমুল বিল্লাল বাপ্পী:
বিবিসি বাংলার কাছে জানতে চাই বিশ্বের অনেক দেশ রাশিয়া-ইউক্রেন সংকট নিরসনে কূটনৈতিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। পরাশক্তি কোন রাষ্ট্র কি এই সংকট নিরসনে কূটনৈতিক আলোচনা করছে? আমরা সামরিক হামলা শুরু হবার পর থেকে শুনছি কূটনৈতিক আলোচনা চলছে। কিন্তু আলোচনার কোন অগ্রগতি কি হয়েছে?
আপনি ঠিকই বলেছেন মি. বিল্লাল। ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার শুরুর প্রথম দিন থেকেই আমারা দেখেছি বহু দেশ - সংযুক্ত আরব আমিরাত, তুরস্ক, ইসরায়েল এমনকি ভারতও এই যুদ্ধ থামানোর জন্য মধ্যস্থতা করার প্রস্তাব দিয়েছে। তুরস্ক মুখোমুখি বৈঠকেরও আয়োজন করেছে। কিন্তু কোন কিছুতেই কোন ফল হয়নি। এই সেদিনও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি সরাসরি কথা বলার জন্য রুশ প্রেসিডেন্টের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। কিন্তু তাতে সাড়া মেলেনি এখনও।
আমাদের এক ফেসবুক ফলোয়ার এনামুল হক ইউক্রেনের সঙ্কটকে বিশ্লেষণ করেছেন সম্পূর্ণ ভিন্ন আলোকে:
একজন কমেডিয়ানের সাফল্য হাততালি অর্জন। জেলেনস্কি আগে হাততালি পেতেন দর্শকদের কাছ থেকে। আর এখন পান পশ্চিমা পার্লামেন্টে। জেলেনস্কি একজন কমেডিয়ান হিসেবে সফল, কিন্তু রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে নয়। পশ্চিমা যুদ্ধবাজ নেতাদের হাততালি, বাহবা, বীরের খেতাব জেলেনস্কিকে তালপাতার সিপাইয়ে পরিণত করেছে।
এছাড়াও তারা যুদ্ধাস্ত্র সরবরাহ করে এবং শক্ত প্রতিরোধ, রাশিয়ার দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে, রাশিয়ার সেনাদের রসদ ফুরিয়ে গিয়েছে -- এইসব অপপ্রচার করে যুদ্ধকে আরো উসকে দিচ্ছে।
এই ফাঁদে পা দিয়ে ইউক্রেনের জনগণ ও সেনাবাহিনী রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়ী হয়ে ইউক্রেনের হারানো ক্রাইমিয়া এবং ডনবাস অঞ্চল ফিরে পেতে মরিয়া হয়ে উঠছে। এই অসম্ভব চাওয়াকে পূর্ণতা দিতে গিয়ে ইউক্রেন আজ ধ্বংসের মুখে পতিত হয়েছে।
মি. জেলেনস্কির জন্য এটা যে বিপজ্জনক খেলা, তাতে কোন সন্দেহ নেই মি. হক। তিনি পশ্চিমা বিশ্বকে এই যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলার চেষ্টা বেশ কয়েকবারই করেছেন। কিন্তু তাতে সফল হননি। বিশেষভাবে ইউক্রেনের আকাশে নো ফ্লাই জোন বা বিমান চলাচল নিষিদ্ধ করার ব্যাপারে তিনি নেটোর সমর্থনও আদায় করতে পারেননি।
অন্যদিকে, রাশিয়া ঝড়ের গতিতে এসে পুরো ইউক্রেন দখল করে ফেলবে বলে যা মনে করা হচ্ছিল, তা কিন্তু এখনও ঘটেনি। ফলে অন্তত এখন পর্যন্ত মি. জেলেনস্কি এবং মি. পুতিন -- দু'জনের জন্যই এই যুদ্ধ একটা দমের খেলাতে পরিণত হয়েছে।
ইউক্রেন যুদ্ধের বাইরে বাংলাদেশে জীবনের যুদ্ধ নিয়েও অনেকেই আমাদের কাছে লিখেছেন। পটুয়াখালীর মৌকরণ থেকে শাহিন তালুকদার:
সরকার এক কোটি লোককে রেশন সুবিধা দিচ্ছে। তাতে বাজার দর কমবে কি? সেখানে অনিয়মের সম্ভাবনা, তার চেয়ে ঐ টাকার সমপরিমাণ ভ্যাট কমিয়ে বা ভর্তুকি দিলে কি সুবিধা সবাই পেত কিনা? দেশে লোক তো ১৬ কোটি।
সরকার কিন্তু একে ঠিক রেশন হিসেবে বর্ণনা করতে চাইছে না, মি. তালুকদার। তারা একে একটি সাময়িক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে। পরিস্থিতি মোকাবেলার একটা কৌশল হিসেবে দেখছে। তবে এটা ঠিকই যে সাশ্রয়ী মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের চাহিদা শুধু এই কোটি লোকেরই না, আরও বহু পরিবার রয়েছে।
রংপুরের খটখটিয়া থেকে মো. ইলিয়াছ হোসেন লিখেছেন টিসিবির ফ্যামিলি কার্ড সম্পর্কে।
সরকার সাশ্রয়ী মূল্যে টিসিবির পণ্য ক্রয়ের জন্য স্বল্প ও নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে 'ফ্যামিলি কার্ড' বিতরণ শুরু করেছে। এটা খুবই সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এতে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের দুঃস্থ-অভাবী লোকেরা কিছুটা হলেও উপকৃত হবে বলে আশা করা যায়।
কিন্তু এরই মধ্যে গণমাধ্যমের খবরে জানা যাচ্ছে কিছু অসাধু চক্রের সহযোগিতায় কর্তৃপক্ষ স্বজনপ্রীতি করে সমাজের বিত্তবান ও আর্থিকভাবে সচ্ছল পরিবারের সদস্যের নামে এই কার্ড ইস্যু ও বিতরণ করছে। তবে তাই যদি হয়, তাহলে সমাজের প্রকৃত অভাবী ও সুবিধা-বঞ্চিতরা ক্ষতি ও বঞ্চিত হবেন এই মহৎ কার্যক্রম থেকে।
এই শঙ্কা এই বিশেষ কর্মসূচি শুরুর গোড়া থেকেই ছিল মি. হোসেন, সরকার থেকে যখন বলা হচ্ছিল যে জনপ্রতিনিধিরাই ঠিক করবেন কে এই কার্ড পাবে আর কে পাবে না। ফলে স্বজনপ্রীতির সুযোগ নিয়ে তখনই একটা প্রশ্ন তৈরি হয়ে গিয়েছিল। এখন আপনার চিঠি পড়ে মনে হচ্ছে সেই আশঙ্কাই সত্যে পরিণত হয়েছে।
এই কর্মসূচি যতই মহৎ কোন না কেন, দরিদ্ররা যদি এর সুফল ভোগ করতে না পারে, তাহলে এটি ব্যর্থ হওয়ার ঝুঁকির মুখে থাকবে। আপনার মতামতের জন্য ধন্যবাদ।
বাংলাদেশে এক সভায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান বলেছেন, রেভিনিউ সাপোর্ট যেটুকু দেয়া সম্ভব সেটুকু দেয়ার পরও ভোক্তাদের বাড়তি দামে কেনার মানসিক প্রস্তুতি রাখতে হবে। এই বক্তব্যে অনেকের মধ্যেই বিরূপ প্রতিক্রিয়া হয়েছে। আমাদের ফেসবুকের এক ফলোয়ার শাহজাহান বিক্রম লিখেছেন:
বেশি টাকা দিয়ে কেনার মন-মানসিকতা থাকতে হবে, এমন কথার তীব্র নিন্দা জানাই। উনার মত লাখ লাখ টাকা সাধারণ মানুষের আয় হয় না। যে দাম যাই হোক মানুষ কিনবে। গরীবের সমুদয় অর্থ ধনীরা পণ্য বিক্রির মাধ্যমে কিভাবে হাতিয়ে নিতে পারে সেজন্য বড় বড় দালাল নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
নিন্দার পাশাপাশি হতাশা ফুটে উঠেছে আরেক ফেসবুক ফলোয়ার মো. শাহজাহানের এই মন্তব্যে:
যাদের ডান বাম থেকে টাকা আসে তারা তো অসাধারণ মানুষ। তাদের কোনো চিন্তা নেই। যত জ্বালা সাধারণ মানুষের,মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত আর দিনমজুর, খেটে খাওয়া মানুষের। পণ্যের বাড়তি দামের চাপে তাদের মরার দশা। তার ওপর গ্যাসের মূল্য, বিদ্যুতের মূল্য,ওয়াসার পানির মূল্যবৃদ্ধির পায়তারা চলমান। সাধারণ মানুষের কথা ভাবার সময় কোথায়। যত জ্বালা নিম্ন-আয়ের মানুষের।
জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাওয়াতে বাংলাদেশে বাধা আয়ের মানুষের যে নাভিশ্বাস উঠেছে এনিয়ে আমরা বেশ কিছুদিন ধরেই নানা ধরনের রিপোর্ট করেছি। দেখেছেন আশা করি। তবে আরও বড়ো পরিসরে দেখলে এটা শুধু এখন বাংলাদেশের সমস্যা না। এই ব্রিটেনেও খাবারসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম হু হু করে বাড়ছে। ফলে সীমিত আয়ের মানুষজন কীভাবে সংসার চালাবেন, তা নিয়ে এখন উদ্বিগ্ন।
আরও দেখুন:
তবে প্রতিবেশী শ্রীলংকায় আমরা এখন যে পরিস্থিতি দেখছি, সেটা বাংলাদেশে হয়নি। শ্রীলংকায় সরকার এখন প্রায় দেউলিয়া হওয়ার মুখে। এসবই কিন্তু ঘটছে ইউক্রেন যুদ্ধের একটা অবশ্যম্ভাবী ফল হিসেবে। সেই বিবেচনায় এনবিআর-এর প্রধানের বক্তব্যকে একটা সাবধান-বাণী হিসেবে ধরে নেয়া উচিত হবে।
শীতলক্ষ্যা নদীতে লঞ্চ-ডুবি ছিল চলতি সপ্তাহে সংবাদের একটি শিরোনাম। এনিয়ে ঝিনাইদহ থেকে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন কাজী সাঈদ:
শীতলক্ষ্যায় লঞ্চ-ডুবি নতুন কিছু নয়। পূর্বের সব পরিসংখ্যান বাদ দিলেও শুধু ২০২০, ২০২১, ২০২২, প্রতিবছরই সেখানে লঞ্চ ডুবির মত ঘটনা ঘটেই চলেছে। এগুলোকে ঠিক দুর্ঘটনা না বলে ইচ্ছাকৃত বললেই ভালো হয়। শেষ যে লঞ্চ-ডুবি ঘটেছে সেখানে লঞ্চের চালককে বেপরোয়াভাবে লঞ্চ চালানো থেকে অনেক যাত্রী নিষেধ করেছিলেন, যা ওই চালক শোনেন নি, বরং যাত্রীদেরকে ধমক দিয়েছিলেন।
এভাবেই বেশিরভাগ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে তাকে। যদিও বলা হয় সড়ক দুর্ঘটনায় অনেক পক্ষই দায়ী থাকেন, কিন্তু বড় দায় আমি দেব চালককে। অনেকবার চালককে বেপরোয়াভাবে ওভারটেক করতে নিষেধ করলে আমাকে শুনতে হয়েছে, "অন্যদের সমস্যা না হলে আপনার এত সমস্যা কেন"?
সড়ক কিংবা জলপথে যাত্রী নিরাপত্তার প্রশ্নে কোন ধরনের ত্রুটি-বিচ্যুতির সুযোগ নেই। ভুল যারই হোক না কেন তার মাশুল গুনতে হয় জীবন দিয়ে। ধ্বংস হয় অনেক পরিবার। বাংলাদেশে থাকতে আমার নিজেরও বহুবার এধরনের অভিজ্ঞতা হয়েছে। আমি নিশ্চিত আমাদের অন্যান্য শ্রোতাবন্ধুরও একই ধরনের অভিজ্ঞতা হয়েছে।
টাঙ্গাইলে দুই কিশোরীর একসাথে থাকা নিয়ে যেসব খবরাখবর বেরিয়েছে তাতে সংবাদমাধ্যমের দায়িত্বশীলতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ঢাকার ধানমন্ডি থেকে শামীম উদ্দিন শ্যামল:
টাঙ্গাইলে একসাথে থাকতে চাওয়া দুই কিশোরী'র নিরাপত্তা বা সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হওয়া নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে তার পেছনে রয়েছে কিছু মিডিয়ার ভূমিকা। তারা দু'জনে সমকামিতার কারণে একসাথে থাকতে আগ্রহী ছিলো কিনা, তা নিশ্চিত না হয়েই সংবাদ পরিবেশন করা কতটুকু দায়িত্বশীলতার পর্যায়ে পড়ে?
সংবাদমাধ্যমই হোক, কিংবা ফেসবুকেই হোক যারা কারো সামাজিক মর্যাদা কিংবা নিরাপত্তার কথা বিবেচনা না করেই এহেন কাজ করে তাদের বিরুদ্ধে কি মামলা করা যায় না? খুবই দুঃখের বিষয়, আমাদের দেশের সংবাদমাধ্যমগুলো কারো দোষ প্রমাণিত হবার আগেই মিডিয়া ট্রায়াল কিংবা মনগড়া সংবাদ পরিবেশন করে তাকে দোষী সাব্যস্ত করে ফেলেন।
আপনার সাথে আমি পুরোপুরি একমত মি. উদ্দিন। এই ধরনের যে কোন খবর পরিবেশন করার আগে মিডিয়ার দায়িত্ব এর সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে আগেপাছে বিবেচনা করা। কিন্তু দু:খজনক হলেও সত্যি যে প্রতিযোগিতা এবং বিক্রি বাড়ানো কিংবা টিআরপি বাড়ানোর তাড়নায় কোন কোন সংবাদমাধ্যম এসব নিয়ে কোন চিন্তাভাবনা করে না।
এই নিয়ে আমাদের যে রিপোর্ট তৈরি করেছি সেখানে গবেষক আফসান চৌধুরীর একটা মন্তব্য খুব তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি বলেছেন: "এদেশে রাজনীতিক, সম্পাদক আর গণমাধ্যম কর্মীর স্বাধীনতাকেই স্বাধীনতা বলা হয়। সাধারণ মানুষের স্বাধীনতা গণমাধ্যমের কাছেও বিবেচ্য হয় না।"
সময়ের স্বল্পতার জন্য আপনাদের অনেকের চিঠির জবাব দিতে পারলাম বলে দু:খিত। তবে কিছু চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করছি:
- ঢাকার গেন্ডারিয়া থেকে মো. জিল্লুর রহমান।
- চাঁপাইনবাবগঞ্জের ছোট জামবাড়িয়া থেকে মুহাম্মদ আব্দুল হাকিম মিঞা।
- মোঃ মহসিন আলী, লালবাগ, রংপুর থেকে।
- রংপুরের বেনুঘাট থেকে সেলিম রাজ।
- পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ থেকে দিপক চক্রবর্তী।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আবদুর রহমান জামী।
- রংপুরের পীরগাছা থেকে মোঃ মিলন খন্দকার (খালেক)
আপনাদের অনেক ধন্যবাদ।