কক্সবাজারে পর্যটক ধর্ষণ মামলায় পাঁচজন গ্রেপ্তার

ছবির উৎস, Getty Images
বাংলাদেশের কক্সবাজারে পর্যটক ধর্ষণ মামলায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে দুইজনের নাম মামলার এজাহারে রয়েছে।
কক্সবাজার পর্যটন পুলিশের সুপার মোঃ জিল্লুর রহমান জানিয়েছেন, শনিবার রাতে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
কক্সবাজারে বেড়াতে যাওয়া এক নারীকে অপহরণের পর একটি হোটেলে আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
২২ ডিসেম্বর, বুধবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে ঘটনার শিকার নারীকে ওই গেস্ট হাউজ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশের বিশেষ বাহিনী র্যাব।
পরে তিনি চারজনের নাম উল্লেখ করে মোট সাতজনের বিরুদ্ধে কক্সবাজার থানায় মামলা করেন।
র্যাব-১৫'র কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম বিবিসিকে জানিয়েছেন, স্বামী এবং আট মাস বয়সী সন্তানকে নিয়ে ওই নারী ঢাকা থেকে কক্সবাজারে বেড়াতে গিয়েছিলেন।

ছবির উৎস, Getty Images
ধর্ষণের অভিযোগ তোলা নারীর বরাত দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, "গতকাল বিকেলে বীচে ওই ভদ্রমহিলার সাথে ওদের ছোটখাটো একটা ধাক্কা লাগার ঘটনা ঘটে, তাদের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এরপর ওরা ওনাদেরকে ফলো করা শুরু করে।"
"এক পর্যায়ে কলাতলি পয়েন্ট এলাকা থেকে একটি অটোরিকশায় ওই নারীকে জোর করে তুলে নিয়ে আসে একটি স্থানীয় গেস্ট হাউজে। এরপর তাকে অনেক রাত পর্যন্ত আটকে রাখা হয়।"
ওই নারীর বরাত দিয়ে লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইসলাম আরও জানিয়েছেন, ধর্ষণের ঘটনায় তিনজন জড়িত ছিল।
আটক থাকা অবস্থায় তার স্বামী ও সন্তানকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে বলেও ওই নারী আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীকে জানিয়েছেন।
স্ত্রীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর র্যাবের সাথে যোগাযোগ করেন তার স্বামী। তার কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই নারীকে উদ্ধার করে র্যাব।
এরপর ওই নারীকে পুলিশের ওয়ান স্টপ ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানিয়েছেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইসলাম।
এই ঘটনায় হোটেলের মালিককে ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে আটক করা হয়েছে।
এদিকে ধর্ষণে মূল অভিযুক্তর বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলা রয়েছে বলে জানিয়ে জানিয়েছেন মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম।








