হাত-পা প্যারালাইজড, তবু মুখ দিয়ে ছবি এঁকে চিকিৎসার খরচ চালাচ্ছেন আলামিন
ছোটবেলায় তাল গাছ থেকে পড়ে গেলে মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙে যায় আলামিনের, এরপর বুক থেকে শরীরের নিচের অংশ পুরোপুরি অবশ হয়ে যায়।
বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসার পর কোন সুফল না পেয়ে শেষ পর্যন্ত ২০০৯ সালে সাভারের সিআরপি-তে ভর্তি হন তিনি।
চিকিৎসা শেষে পুনর্বাসনের অংশ হিসেবে মুখ দিয়ে ছবি আঁকা শিখেন আলামিন।
এই পর্যন্ত প্রায় তিন শতাধিক ছবি এঁকেছেন, বিক্রি করেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বিদেশি ক্রেতাদের কাছে।
তার এই ছবি আঁকার অর্থ দিয়েই চিকিৎসা খরচ চালাচ্ছেন আলামিন। তবে করোনা মহামারির কারণে ক্রেতা কমে গেছে তার।
বিস্তারিত দেখুন বিবিসির শাহনেওয়াজ রকির প্রতিবেদনে।
বিবিসি বাংলার আরো খবর:
- হাসপাতালে পরিচয়, হুইলচেয়ারে প্রেম
- বাংলাদেশে হুইলচেয়ার ব্যবহারকারীর চলাফেরা কতটুকু চ্যালেঞ্জিং?
- 'প্রতিবন্ধী বলে সবাই বলেছিল আমাকে মেরে ফেলতে'
- এক পা নিয়ে অদম্য তামান্নার পথচলা কতটা কঠিন?
- দুই পা নেই, তবুও তিনি এভারেস্টের চূড়ায়
- একশো'র বেশি দেশ ঘুরেছেন যে অন্ধ পর্যটক
- দৃষ্টিহীনরা যেভাবে মোনালিসা দেখবেন
- হকিং দেখিয়েছিলেন অচল শরীর কোন সমস্যা নয়
- হাত-পা বিহীন কিশোর টিও'র জীবন