ডোনাল্ড ট্রাম্প টুইট করে জানালেন, প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এসপারকে বরখাস্ত করেছেন

ডোনাল্ড ট্রাম্প কর্তৃক বরখাস্ত হওয়াদের তালিকায় এবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এসপার

ছবির উৎস, Reuters

ছবির ক্যাপশান, ডোনাল্ড ট্রাম্প কর্তৃক বরখাস্ত হওয়াদের তালিকায় এবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এসপার

টুইট করে প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এসপারকে বরখাস্তের সিদ্ধান্তের কথা জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

দেশটির ন্যাশনাল কাউন্টার টেররিজম সেন্টারের বর্তমান প্রধান ক্রিস্টোফার মিলার শিগগিরই মিস্টার এসপারের জায়গায় দায়িত্ব পালন করবেন।

মার্ক এসপারকে বরখাস্তের পরপরই মিস্টার মিলারকে প্রতিরক্ষা সদর দফতরে প্রবেশ করতে দেখা গেছে।

অগাস্টে কাউন্টার টেররিজম সেন্টারের দায়িত্ব নেয়ার আগে মিস্টার মিলার স্পেশাল ফোর্সের সাবেক সৈন্য হিসেবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলে কাজ করেছেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বরখাস্ত হওয়া প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এসপার সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশ্যেই বিরোধে জড়িয়ে পড়েছিলেন।

বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন:

ক্রিস্টোফার মিলার

ছবির উৎস, EPA

ছবির ক্যাপশান, ক্রিস্টোফার মিলার

তবে মার্ক এসপার ইতোমধ্যেই পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন যেখানে গত ১৮ মাসের দায়িত্ব পালনকালে পেন্টাগনের অর্জনের জন্য তিনি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

"আমি সংবিধান অনুযায়ী দেশ সেবা করেছি এবং সে কারণেই আমি আমাকে সরিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত মেনে নিচ্ছি," পদত্যাগপত্রে লিখেছেন তিনি।

তবে শীর্ষ ডেমোক্র্যাট নেতা ন্যান্সি পেলসি ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্প এবারের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেনের কাছে হেরে গেছেন তবে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে পরাজয় স্বীকার করে নেননি বরং আদালতে যাওয়ার হুমকি দিয়েছেন।

মিস্টার বাইডেন আগামী ২০শে জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

ট্রাম্প -এসপার বিরোধের কারণ

চলতি বছরের শুরুতে বর্ণবাদ বিরোধী প্রতিবাদে সেনা মোতায়েন নিয়ে হোয়াইট হাউজের সাথে বিরোধে জড়ান মার্ক এসপার।

মিনেসোটায় পুলিশের হাতে নির্যাতিত হয়ে কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তি জর্জ ফ্লয়েডের মারা যাওয়ার পর গড়ে ওঠা আন্দোলনের সময় বিক্ষোভ দমনে সেনা মোতায়েনের হুমকি দিয়েছিলেন মিস্টার ট্রাম্প।

সাবেক সেনা কর্মকর্তা মার্ক এসপার গত জুনে এটিকে অপ্রয়োজনীয় মন্তব্য করেছিলেন যা হোয়াইট হাউজকে অসন্তুষ্ট করেছিলো।

এ মত বিরোধের জের ধরে মার্ক এসপারকে বরখাস্ত করা হতে পারে ধারণা গড়ে ওঠেছিলো।

মিস্টার এসপার ন্যাটোর প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের দৃষ্টিভঙ্গীর সাথেও একমত ছিলেননা।