আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
বাংলাদেশে তিন সংসদীয় আসনের উপ-নির্বাচন চলছে, ভোটার উপস্থিতি কম
বাংলাদেশের তিনটি সংসদীয় আসনে উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে। তবে করোনাভাইরাস উদ্বেগের মধ্যে আয়োজিত নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি অনেক কম।
শনিবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে।
ঢাকা-১০ আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ চলছে। তবে গাইবান্ধা-৩ ও বাগেরহাট-৪ আসনে ভোটগ্রহণ হচ্ছে ব্যালট পেপারে।
বাংলাদেশের স্থানীয় গণমাধ্যমে বলা হচ্ছে, তিনটি আসনেই সকাল ১২টা পর্যন্ত ভোটার উপস্থিতির হার অনেক কম। বহুক্ষণ পরপর একজন ভোটারকে আসতে দেখা যাচ্ছে।
ঢাকার একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমে সাংবাদিক রাফসান জানি লেকসার্কাস উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় থেকে বলছিলেন, '' হাতেগোনা কয়েকজন ভোটার কেন্দ্রে আসছেন। বরং এখানে ভোটারদের চেয়ে সংবাদকর্মী এবং নিরাপত্তা কর্মীদের উপস্থিতিই বেশি। সকাল ১১টা পর্যন্ত বিশ জন ভোটারও আসেনি।''
বাগেরহাটের সাংবাদিক তরফদার রবিউল ইসলাম বলছেন, ''প্রার্থীদের বাড়ির কাছের কেন্দ্রগুলোয় কিছু ভোটার আছে। কিন্তু অন্যান্য কেন্দ্রগুলোয় তেমন একটা ভোটার দেখতে পাইনি।''
''আমি একটি কেন্দ্রে আধঘণ্টায় মাত্র ১৫জন ভোটার দেখতে পেয়েছি। ভোটার উপস্থিতি অনেক কম।''
গাইবান্ধার সাংবাদিক শাহাবুল শাহিন বলছেন, '' দুপুর ১২টা পর্যন্ত আট থেকে দশ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে ধারণা করছি। কেন্দ্রুগুলোয় ১৫ থেকে ২০জন ভোটার দেখতে পেয়েছি।''
আরো পড়ুন:
করোনাভাইরাস নিয়ে আতঙ্ক আর সমালোচনার মধ্যেই এই নির্বাচনের আয়োজন করেছে বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন। এ পর্যন্ত বাংলাদেশে ২০জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন এবং একজনের মৃত্যু হয়েছে।
করোনাভাইরাসের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের পাশাপাশি সব ধরণের সভা-সমাবেশ, সব ধরণের সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান বন্ধ করাসহ ঘরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
কিন্তু করোনাভাইরাস নিয়ে ভীতির মধ্যে নির্বাচন আয়োজন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমেও তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ''ইভিএম সিস্টেম যদি ব্যবহার করা হয়, একই জায়গায় অনেক ব্যক্তি টাচ করলে এটাতে অবশ্যই ঝুঁকি আছে।''
তবে ইসি সচিব মো: আলমগীর বলেছেন, করোনার কারণে ভোটার উপস্থিতি কম হবে বলে ধরে নিয়েই আমরা নির্বাচন করছি। ভোটকেন্দ্রে হ্যান্ড স্যানিটাইজার থাকবে। ভোট দেওয়ার আগে-পরে এটা ব্যবহার করবেন। হাত ধুয়ে ভোট দেবেন।''