এডিটারস মেইলবক্স: করোনাভাইরাস নিয়ে উদ্বেগ, প্রত্যুষা বন্ধে ক্ষোভ

চীনে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে নিহতের সংখ্যা একশ' ছাড়িয়ে গেছে। এ পর্যন্ত সেদেশে আক্রান্তের সংখ্যা বলা হচ্ছে চার হাজারেরও বেশি। চীন থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় আশঙ্কা বাড়ছে।

এই সংক্রমণ নিয়ে বিবিসি বাংলার সচেতনতামূলক ভিডিও সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন গেণ্ডারিয়া, ঢাকা থেকে মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান:

''এ ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে বাংলাদেশসহ আরও বেশ কয়েকটি দেশে নেওয়া হয়েছে বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা। আমি লক্ষ্য করেছি, বিবিসি একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম হলেও সব সময় স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক বিষয়ে গুরুত্ব দেয়।

''এরই অংশ হিসাবে বিবিসি বাংলার ওয়েবসাইট ও ফেইসবুক পাতায় ২৭শে জানুয়ারি "করোনাভাইরাস - কী, কেন, এর লক্ষণ ও প্রতিকারের উপায়" শীর্ষক আফরোজা নীলার ভিডিও ক্লিপটি দেখলাম এবং দেখে বেশ ভাল লাগল। ভিডিও ক্লিপটি সময়োপযোগী ও বর্তমান প্রেক্ষাপটে করোনাভাইরাস সচেতনতায় বেশ ভাল ভূমিকা রাখবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।''

নতুন এই ভাইরাসটি সম্পর্কে যেহেতু মানুষ জানে খুব কম এবং এটি চীনের গণ্ডি ছাড়িয়ে যেহেতু অন্যান্য দেশেও ছড়িয়ে পড়ার আশংকা দেখা দিয়েছে তাই এই ভাইরাস সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য আমরা মানুষের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে এই ভিডিওটি তৈরি করেছি। আশা করব আপনার মত অন্যরাও এই সচেতনতামূলক ভিডিও থেকে লাভবান হবেন।

একই প্রসঙ্গে সংযুক্ত আরব আমীরাতের আল আইন থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করে লিখেছেন ওবায়েদুল ইসলাম উজ্জ্বল:

''অনেকটা চিন্তিত মনে আশংকা নিয়ে লিখছি। বিবিসির মাধ্যমে জানতে পারলাম চীনের যে স্থান থেকে করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে সেখানে১০০-র অধিক ছাত্র ছাত্রী বন্দি জীবন যাপন করছে, যাদের পরিবার তাদের জন্য চিন্তিত। তাদের চীন থেকে ফিরিয়ে আনার যে প্রস্তুতি চলছে, বাংলাদেশ কি প্রস্তুত সেই করোনাভাইরাস মোকাবেলার জন্য? যেখানে চীন ১০ দিনে জরুরি ভাবে হাসপাতাল বানানোর চিন্তা করছে, বাংলাদেশে তাদের ফিরিয়ে এনে কোন পরিস্থিতির সম্মুখীন করাতে চায় সরকার? যদি ফিরিয়ে আনা হয় তাদের যেন হাসপাতালে সরাসরি স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে তবেই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।''

মি. ইসলাম চীনে বসবাসরত প্রায় তিন হাজার বাংলাদেশি নাগরিকের মধ্যে প্রায় তিনশ জনের বসবাস উহান এবং তার আশেপাশের শহরগুলোয়। উহানের একটি প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করছেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যেই নির্দেশ দিয়েছেন এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে চীনে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের কেউ দেশে ফিরতে চাইলে তাদের ফেরানোর ব্যবস্থা নেবে দেশটির সরকার এবং তারা চীনা সরকারের সঙ্গে আলোচনাও শুরু করেছেন। তারা দেশে ফিরলে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং এই ভাইরাস তারা বহন করছে কীনা সেধরনের সবরকম আশংকা নির্মূল করার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিশ্চয়ই বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ নেবে।

একাধিক অনুষ্ঠান সম্পর্কে মন্তব্য করেছে খুলনার দাকোপ থেকে মুকুল সরদার:

''দুই হাজার এক সালের তেরোই ডিসেম্বর, ভারতের সংসদ ভবনে হামলা চালিয়েছিল পাঁচ জন অস্ত্রধারী। মাসুদ হাসান খানের পরিবেশনায় ইতিহাসের সাক্ষীতে সেই ঘটনার বিস্তারিত শুনলাম। ধন্যবাদ রইল মাসুদ হাসান খানের জন্য। বাংলাদেশের ঋণ খেলাপীদের নিয়ে বিবিসি বাংলার টেলিভিশন অনুষ্ঠান প্রবাহে তাফসীর বাবুর গুরুত্বপুর্ণ প্রতিবেদনটির জন্যও ধন্যবাদ।

''ক্ষুদ্র ঋণ গ্রহীতাদের নিকট থেকে ব্যাংক, মুনাফা সহ পুরো টাকা আদায় করে নিতে পারলেও কোনো একটি অজানা কারণে বড় বড় ঋণ খেলাপিরা সব সময়েই ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়। ঋণ আদায় করতে না পারলে ব্যাংকগুলি মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়বে এটাই স্বাভাবিক। তাই আমার মনে হয়, এই সব রাঘব বোয়ালদের ধরতে সরকারের এখনই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া উচিৎ।''

দুটি অনুষ্ঠান আপনার ভাল লেগেছে জেনে আমাদেরও ভাল লাগল। আপনার ধন্যবাদ পৌঁছে দেব মাসুদ হাসান খান আর তাফসীর বাবুর কাছে। বড় বড় ঋণখেলাপিদের কাছ থেকে ঋণের অর্থ আদায় করতে না পারাটা বাংলাদেশে দীর্ঘদিনের একটা সমস্যা। রাজনৈতিক সদিচ্ছা না থাকলে এসব ক্ষেত্রে কঠোর হাতে আইন প্রয়োগ করাটা সবসময়ই কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।

ফোন ইন নিয়ে প্রশ্ন করেছেন দেবীগঞ্জ, পঞ্চগড় থেকে দিপক চক্রবর্তী:

''বিবিসি ভারতে কোন্ কোন‌্ শহরে শোনা যায়? যাদের শনিবারে ও সোমবারে ফোন করা হয়, তারা সবাই বাংলাদেশ থেকে কথা বলে। তাহলে কি ভারতের শ্রোতারা ফোন-ইনের জন্য মেসেজ দেয় না? আর যদি মেসেজ করে তাহলে কি তাদের ফোন করা যাবে না?''

মি. চক্রবর্তী, শর্টওয়েভ প্রচার তরঙ্গে ভারতের যে কোন শহর থেকে বিবিসি বাংলার অনুষ্ঠান শুনতে পারার কথা। যদিও শর্টওয়েভে শ্রবণমান কতটা ভাল সেটা হলফ করে বলা কঠিন। ফোন ইনে ভারতের শ্রোতাদের অংশ নেবার ব্যাপারে কোন বাধা নেই। যে বিষয়ে ফোন ইন হচ্ছে সে বিষয় নিয়ে তারা কথা বলতে আগ্রহী হলে এবং মেসেজ পাঠালে তাদের নিশ্চয়ই ফোন করে অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত করে দেওয়া সম্ভব।

পার্বতীপুর, দোলাপাড়া, রংপুর থেকে চিঠি লিখেছেন মো. লিয়াকত আলী:

''বিবিসি বাংলার কাছ থেকে আমি জানতে চাই আপনারা যখন খবর সংগ্রহ করেন দেশে বা বিদেশে এবং সেখানকার পরিস্থিতি জানার জন্য যে ব্যক্তিদের সাক্ষাতকার গ্রহণ করেন তাদের পরিচয় কীভাবে পেয়ে থাকেন? তাদের টেলিফোন নাম্বারই বা কীভাবে পায়ে থাকেন? আশাকরি জানাবেন।''

মি. আলী খবর সংগ্রহ করা এবং খবরের সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করাই একজন সাংবাদিকের পেশা এবং কোথাও কোন ঘটনা ঘটলে আমরা যদি মনে করি ওই ঘটনার খবর তাদের মুখ থেকেই সরাসরি শোনা উচিত তখন আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করতে এবং তাদের সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে সেই খবর শ্রোতা ও পাঠকদের কাছে পৌঁছে দিতে।

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে সম্প্রতি কমপক্ষে পাঁচজন বাংলাদেশি নিহত হওয়ার ঘটনা নিয়ে লিখেছেন পশ্চিম বরৈয়া, আনোয়ারা, চট্টগ্রাম থেকে মোহাম্মদ সেলিম উদ্দীন সুমন:

''ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতের বিএসএফ কর্তৃক হত্যাকাণ্ড নিয়ে আকবর হোসেনের প্রতিবেদনটি অসাধারণ ছিল। এই তথ্যবহুল প্রতিবেদনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কোন ধরনের প্রতিবাদ বা নিন্দা না জানানোর বিষয়টি সামনে আসে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। প্রতিবেদনে সরকারের কোন মন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া নেওয়া গেলে আরও ভালো হতো। ধন্যবাদ বিবিসি বাংলা এবং আকবর হোসেনকে।''

ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে সর্বশেষ প্রাণহানির ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে আবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিজিবি। গত এক বছরে ভারতের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফ'র হাতে বাংলাদেশিদের প্রাণহানির সংখ্যা তিন গুণ বেড়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশের আইন ও সালিশ কেন্দ্র। বাংলাদেশের মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন সীমান্ত হত্যা বেড়ে যাওয়ার কারণ খতিয়ে দেখা দরকার দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক পর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে।

বিবিসি বাংলার অনুষ্ঠানমালায় সাম্প্রতিক পরিবর্তন নিয়ে এ সপ্তাহেও অনেকে লিখেছেন। পরিক্রমা আবার চালু হওয়ায় খুশি হলেও অনেকেই প্রত্যুষা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন। যেমন লিখেছেন লালকুঠি লেন, রংপুর থেকে ওয়াহিদ নবী:

''রাত সাড়ে দশটার বাংলা অনুষ্ঠান আবার শুরু হওয়ায় আমি খুবই খুশি। ওই অধিবেশন আগে বন্ধ করে দেয়া যেমন বিবিসি বাংলার বড় একটা ভুল ছিল ঠিক তেমনই ভুল এবার সকাল সাড়ে সাতটার অধিবেশন বন্ধ করে দেবার সিদ্ধান্ত।''

প্রত্যুষা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ পার্বতীপুর, দিনাজপুরের শ্রোতা মেনহাজুল ইসলাম তারেক:

"আমরা শুরুতেই ঘোষণা শুনেছিলাম রাতের অধিবেশনটা আবার চালু হচ্ছে। সেখানে আমরা অনেক আনন্দিত হয়েছিলাম। কিন্তু যখন দেখলাম পরিক্রমা চালু হচ্ছে আর তার বদলে প্রত্যুষা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সেটাতে খুবই মন:ক্ষুণ্ন হয়েছি। আমি মর্মাহত।

''নতুন কলেবরে পরিক্রমা অবশ্যই ভাল লাগছে। তবে কেন জানি পরিক্রমায় আগে যে ইমেজটা পেতাম সেটা পাচ্ছি না। ভেবেছিলাম প্রবাহ আর পরিক্রমা সম্পূর্ণ ভিন্ন ধাঁচের অনুষ্ঠান হবে। কিন্তু দেখছি প্রবাহে যে নিউজগুলো গেছে, পরিক্রমার (প্রথম) ১৫ মিনিটে সেই সংবাদগুলোই আবার যাচ্ছে। নতুন কোন সংবাদ আসছে না।"

একই সঙ্গে প্রত্যুষা ও পরিক্রমা দুটো অধিবেশন চালু রাখা আর্থিক কারণে আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। এছাড়া শ্রোতা জরিপ অনুযায়ী বাংলাদেশে সার্বিকভাবে রেডিও শ্রোতার সংখ্যা সকালের তুলনায় রাতের বেলায় বেশি। তাই প্রত্যুষা বন্ধ করে আমরা রাতের অধিবেশন পরিক্রমা ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আশা করছি আরো অনেক শ্রোতা পরিক্রমার মাধ্যমে বিবিসি শুনতে শুরু করবেন।

প্রবাহ ও পরিক্রমায় খবরের পুনরাবৃত্তি এড়ানো কঠিন, কারণ দুটি অধিবেশনের মধ্যে সময়ের ব্যবধান কম এবং এত কম সময়ের মধ্যে নতুন খবর হওয়ার সম্ভাবনাও কম। তবে নতুন কিছু খবর এলে তার গুরুত্ব বিবেচনায় পরিক্রমায় তা অবশ্যই স্থান পাবে সে নিশ্চয়তা দিতে পারি। এছাড়াও প্রবাহ ও পরিক্রমা দুটি অধিবেশনই সব শ্রোতা শোনেন না। সন্ধ্যেবেলার অধিবেশন যারা মিস করছেন তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলো রাতের অধিবেশনে প্রচার করার একটা যুক্তি অবশ্যই আছে। রেডিও অনুষ্ঠানে সাক্ষাৎকার দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

প্রত্যুষা এবং ওই অধিবেশনে প্রচারিত সংবাদ পর্যালোচনা মিস করছেন রাজশাহীর শ্রোতা লালন প্রামাণিক। তবে পরিক্রমা ফিরে আসায় তিনি খুশি।

''পরিক্রমায় যোগ হওয়া নতুন ফিচারগুলো দারুণ লাগছে। মনে হচ্ছে নতুন অনুষ্ঠানগুলো সময়ের সঙ্গে আমাদের চাহিদা মেটাতে পারছে। ফোনইন প্রোগ্রামটাও নতুন করে সাজানো হয়েছে। একজন বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি আমাদের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন। এটাও খুব চমৎকার হয়েছে। এছাড়াও পুরাতন ইতিহাসের সাক্ষী আর বর্ধিত কলেবরে প্রীতিভাজনেষু ফিরে পেয়েছি।''

সাক্ষাৎকারে আপনার মতামত তুলে ধরার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

দারিয়াপুর, গাইবান্ধা থেকে একটি অনুরোধ পাঠিয়েছেন মাহবুব রহমান মামুন:

''বিবিসি বাংলার ওয়েবসাইটে আপনাদের সকল সহকর্মীকে নিয়ে একটা গ্যালারি থাকলে খুব ভালো হতো। যেখানে ঊর্ধ্বতন প্রযোজকসহ কর্মরত সকল সাংবাদিকদের ছবি ও তাদের কিছু বৃত্তান্ত তুলে ধরা হবে। ঠিক স্মরণিকায় যেমন ছিল। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখার অনুরোধ করছি।''

মি. রহমান বিবিসি বাংলার ওয়েবসাইটের মূল লক্ষ্য নানাধরনের খবর আপনাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া। বিবিসি বাংলার কর্মীদের ছবি ও বৃত্তান্ত প্রকাশের জায়গা এই ওয়েবসাইট নয়। আপনাকে হতাশ করতে হচ্ছে বলে দু:খিত।

গত সপ্তাহের প্রীতিভাজনেষুতে একজন শ্রোতা প্রশ্ন করেছিলেন শিক্ষা জীবনে বিবিসি বাংলা কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারছে। উত্তরে আমরা বলেছিলাম এ প্রশ্নের জবাব ভাল দিতে পারবেন সেইসব শিক্ষার্থী যারা বিশ্বের ঘটনাবলী জানা বা বোঝার জন্য নিয়মিত বিবিসি বাংলার অনুষ্ঠান শোনেন। এর সূত্র ধরে কালিগঞ্জ, সাতক্ষীরা থেকে লিখেছেন অনিন্দ্য সরকার:

''২৫ সেপ্টেম্বর,২০১৯ তারিখে বিবিসি বাংলায় প্রকাশিত "সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে এত শত্রুতা কেন এবং কার সামরিক শক্তি কতখানি?" শীর্ষক প্রতিবেদনটি যারা পড়েছিলেন, আমি মনে করি ৪০তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় তারা ১৫নম্বরের একটি প্রশ্নের তথ্যবহুল উত্তর করতে পেরেছিলেন।এছাড়া বাণিজ্য যুদ্ধ, রোহিঙ্গা ইস্যু, climate refugee, blue economy সম্পর্কে তথ্যবহুল ও বিশ্লেষণধর্মী উত্তর করার জন্য বিবিসি বাংলার বিকল্প নেই। বিবিসি বাংলার নিরপেক্ষ, তথ্যবহুল ও বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনগুলো আমাদের সৃজনশীলতা ও চিন্তার ক্ষেত্রকে প্রসারিত করে।''

বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনগুলো কোন না কোনভাবে শিক্ষার্থীদের উপকারে আসছে জানতে পেরে খুশি হলাম।

এবারে কিছু চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করা যাক:

মাসুদ রানা, সাপাহার, নওগাঁ।

কমলেশ সানা, আশাশুনি,সাতক্ষীরা।

আজাহার ইসলাম, কুষ্টিয়া, খুলনা।

খান খালিদ, Clermont Ferrand, France.

স্বপন কুমার মণ্ডল, ব্রুনেই।

সাবরিন সুলতানা, রাজৈর, মাদারীপুর।

শফিকুল ইসলাম, উত্তরা, ঢাকা।

মো. উজ্জ্বল ইসলাম, বড়শী, পঞ্চগড়।

রাকিব হোসেন রাহাত, গাজীপুর।

চিঠি লেখার আর অনুষ্ঠান শোনার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।