আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
পত্রিকা: 'প্রার্থীদের মধ্যে ৪৪% ব্যবসায়ী, পেশায় রাজনীতিক মাত্র ২৬'
আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— প্রার্থীদের মধ্যে ৪৪% ব্যবসায়ী, পেশায় রাজনীতিক মাত্র ২৬ জন।
এতে বলা হয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী তালিকায়ও পেশাজীবীদের মধ্যে ব্যবসায়ীদের জয়জয়কার।
যাচাইবাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ১ হাজার ৮৪২টি মনোনয়নপত্র বৈধ হয়। তবে আপিলের পর কিছুসংখ্যক প্রার্থী বৈধতা ফিরে পাওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছেন।
বৈধ হওয়া এক হাজার ৮৪২টি প্রার্থীদের হলফনামা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, এর মধ্যে ব্যবসায়ী ৮১৪ জন।
ব্যবসায়ী প্রার্থী সবচেয়ে বেশি বিএনপিতে, ১৯৪ জন।
বিএনপির পর সর্বোচ্চ ব্যবসায়ী প্রার্থী রয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের, ৯৬ জন।
এরপর জাতীয় পার্টির ৮৯, জামায়াতের ৭৭, গণঅধিকার পরিষদের ৪২, খেলাফত মজলিসের ২৬, এনসিপির ১৬, এবি পার্টির ৮ ও খেলাফত আন্দোলনের ৩ জন ব্যবসায়ী প্রার্থী রয়েছেন।
বৈধ প্রার্থীর মধ্যে রাজনীতিই 'একমাত্র পেশা', এমন প্রার্থী হয়েছেন মোট ২৬ জন।
রাজনৈতিক দলগুলোর তরফ থেকে সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী মনোনয়নে ব্যবসায়ীদের এত অগ্রাধিকার দেওয়াকে ভালো ইঙ্গিত বলে মনে করছেন না বিশ্লেষকেরা।
প্রার্থীদের পেশায় ব্যবসায়ীর পরপরই তালিকায় রয়েছেন শিক্ষকেরা। এই শ্রেণির ২৪৪ প্রার্থীর মধ্যে ৮০ জনই জামায়াতের। ইসলামী আন্দোলন থেকে ৭২ ও খেলাফত মজলিস থেকে ২৩ জন পেশাদার শিক্ষক প্রার্থী হয়েছেন।
এনসিপি, গণঅধিকার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, ইসলামী আন্দোলন, এবি পার্টি ও খেলাফত আন্দোলনের একজন প্রার্থীও নেই, যার একমাত্র পেশা রাজনীতি।
ব্যবসায়ী ও শিক্ষকদের পর প্রার্থীদের তালিকার সংখ্যায় এগিয়ে রয়েছেন আইনজীবীরা। এরপরের অবস্থানে যথাক্রমে কৃষিজীবী, চিকিৎসক, সাবেক সরকারি কর্মচারী ও পরামর্শক।
দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম— Vengeance brings disaster, dialogue is the way অর্থাৎ প্রতিশোধ বিপর্যয় ডেকে আনে, সংলাপই পথ।
গতকাল শনিবার রাজধানীতে একটি হোটেলে দেশের জাতীয় পর্যায়ের গণমাধ্যমের সম্পাদক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই কথা বলেছেন। এ সংক্রান্ত খবর আজ পত্রিকাগুলো প্রথম পাতায় গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছে।
দেশে ফেরার পর সম্পাদকদের সঙ্গে এটিই তারেক রহমানের প্রথম আনুষ্ঠানিক মতবিনিময়।
দেশে অর্থবহ পরিবর্তন আনতে যেকোনো মূল্যে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখা এবং প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করার ওপর জোর দেন তিনি।
তারেক রহমান এতে বলেছেন, পাঁচ অগাস্টের আগের পরিস্থিতিতে ফিরে যেতে চাই না। হিংসা ও প্রতিহিংসার রাজনীতি দেশের জন্য কী ভয়াবহ পরিণতি বয়ে আনে, তা আমরা দেখেছি। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ গড়ার কাজে এগিয়ে আসতে হবে।
প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর— ১৯০ আসন রেখে সমঝোতা চূড়ান্ত করার পথে জামায়াত।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত পর্যায়ের দিকে এগোচ্ছে। এখন শেষ মুহূর্তের দর-কষাকষি চলছে। শিগগিরই সমঝোতা চূড়ান্ত হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।
নির্বাচনী সমঝোতায় আসা এই দলগুলোর একাধিক সূত্র থেকে জানা গেছে, জামায়াত ১৯০টি আসন নিজেদের জন্য রেখে বাকি আসনগুলো নিয়ে অন্য দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতা করতে চায়।
এর মধ্যে নিজস্ব জরিপের ফলাফল বিশ্লেষণ করে ১৭০টি আসন নির্দিষ্ট করেছে, যেগুলোতে জামায়াত অন্য কাউকে ছাড় দিতে চায় না। এর বাইরে আরও ২০টি আসনের বিষয়েও পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, সেগুলো অন্য দলকে দিলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়তে পারবে না; তাই ওই ২০টিও জামায়াত প্রার্থী দিতে চায়।
সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ১১ দলের মধ্যে মোটামুটি একটা সমঝোতা হয়েছে। এতে ইসলামী আন্দোলনকে ৪০টি আসন, এনসিপিকে ৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসকে ১৫টি, খেলাফত মজলিসকে ৭টি, এলডিপিকে ৪টি, এবি পার্টিকে ৩টি ও বিডিপিকে ২টি আসন ছাড় দেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে জামায়াত।
যদিও চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন আরও কয়েকটি আসন চায়। শেষ পর্যন্ত জনপ্রিয়তা ও যোগ্যতা যাচাই করে ইসলামী আন্দোলনকে আরও কয়েকটি আসনে জামায়াত ছাড় দিতেও পারে।
জনপ্রিয়দের নামে গণপ্রতারণা— দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম এটি। এই খবরে বলা হয়েছে, ফেসবুক, ইউটিউবে স্বাস্থ্য পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি 'বিকল্প চিকিৎসা' কিংবা ওষুধ-পথ্যের পরামর্শ দিয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন জাহাঙ্গীর কবীর, মঞ্জুরুল কবির, তাসনিম জারা বা জয়নাল আবেদীনের মতো চিকিৎসকরা।
তাদের কেউ কেউ দাবি করেন, তাদের বিক্রি করা পণ্যের মান ভালো, গ্রাহকরাও সেবা নিয়ে সন্তুষ্ট।
ইতোমধ্যে দেশে এই ধরনের 'চিকিৎসা সেবা' ও ওষুধ-পথ্যের বাজার হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। দিন দিন এর প্রসারও বাড়ছে।
এই সুযোগে ওইসব 'জনপ্রিয়' চিকিৎসকদের পরামর্শমূলক ভিডিও কাটছাঁট করে তাদের 'প্রেসক্রাইব' করা ওষুধ ও সাপ্লিমেন্ট খাবারের (পথ্য) নকল বাজারে ছাড়ছে কয়েকটি চক্র।
আর ওইসব চিকিৎসকদের নামে খোলা হয়েছে অসংখ্য ভুয়া আইডি, পেইজ চ্যানেল। হাজার হাজার মানুষ প্রতারিত হচ্ছেন প্রতিদিন।
১০২ হতদরিদ্রের নামে ৯৬৩ কোটি টাকা ঋণ— সমকালের প্রধান শিরোনাম এটি।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) চট্টগ্রামের পাঁচটি শাখা থেকে ১০২ হতদরিদ্রের নামে ৯৬৩ কোটি টাকা নেওয়া হয়েছে। এই ১০২ জনের কেউ দিনমজুর, ভ্যানচালক; কেউ আবার কৃষক।
বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান করতে গিয়ে পত্রিকাটির প্রতিবেদক ১৩ জন ঋণগ্রস্তের বাড়ি যান। সবার গল্প প্রায় এক। সাহায্য দেওয়ার কথা বলে পরিচিত বা অপরিচিত কেউ তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়েছেন।
এখন তাদের নামে কোটি কোটি টাকা ঋণের নোটিশ বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছে ব্যাংক। কিন্তু তারা কেউ এই ঋণ নেননি বা ঋণের কোনো সুবিধা ভোগ করেননি বলে জানিয়েছেন।
এছাড়া, আরামিট গ্রুপের বিভিন্ন কর্মচারীকে ব্যবসায়ী দেখিয়ে ইউসিবির ঢাকার কারওয়ান বাজার শাখা থেকে নেওয়া হয়েছে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার ঋণ।
ব্যাংকটির নথি অনুযায়ী ২০২১ থেকে ২০২৩ সালে এসব ভুয়া ঋণ দেওয়া হয়। ওই সময় ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ ছিল সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের পরিবারের হাতে। তার পরিবারকে এসব ঋণের সুবিধাভোগী হিসেবে চিহ্নিত করেছে আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট।
সংস্থাটির প্রতিবেদনে দেখা যায়, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভুয়া এসব অ্যাকাউন্টে ঋণের অর্থ যাওয়ার পর নগদে উত্তোলন করে জাবেদ পরিবারের মালিকানাধীন আরামিট গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হিসাবে জমা করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে অন্যদের অ্যাকাউন্টে অর্থ জমা করার পর জাবেদ পরিবারের বিভিন্ন হিসাবে স্থানান্তরের তথ্যও পাওয়া গেছে।
এসব ঋণ প্রতিবছর শাখা থেকে নবায়ন করায় খেলাপি হয়নি।
বণিক বার্তার প্রধান খবর— গভীর জ্বালানি সংকটের দিকে এগোচ্ছে দেশ।
এই খবরে বলা হয়েছে, দেশে বর্তমানে গ্যাসের চাহিদা দৈনিক ৩৮০ কোটি ঘনফুট। যেখানে সরবরাহ করা হচ্ছে ২৫৮ কোটি ঘনফুট। চাহিদা ও সরবরাহে বর্তমানে ঘাটতি থাকছে দৈনিক ১২২ কোটি ঘনফুট।
অন্যদিকে, বর্তমানে যে গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে তা গত বছরের এ সময়ের তুলনায় ১৭ কোটি ৬০ লাখ ঘনফুট কম। ওই সময়ে দেশে গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ ছিল ২৭৫ কোটি ঘনফুট।
দেশে গ্যাস উত্তোলনে নিয়োজিত পাঁচ কোম্পানির চারটির উৎপাদন গত এক বছরে হ্রাস পেয়েছে। স্থানীয় উৎপাদনের এ ঘাটতি মেটাতে বিকল্প সমাধান হিসেবে বিপুল অর্থে কেনা হচ্ছে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি)।
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরেও অন্তত সাড়ে ৫১ হাজার কোটি টাকার ১১৫ কার্গো এলএনজি আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে জ্বালানি বিভাগ। কিন্তু সেখানেও রয়েছে সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে বড় অনিশ্চয়তা।
জ্বালানির বৈশ্বিক বাজার নিয়ে পরাশক্তিগুলোর কৌশলে আটকে গেলে আগামীতে গভীর জ্বালানি সংকটে পড়ার আশঙ্কা করছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ থেকে শুরু করে ব্যবসায়ীরা।
অবশেষে পাবনা-১ ও ২ আসনের ভোট স্থগিত— যুগান্তরের প্রথম পাতার সংবাদ এটি।
এতে বলা হয়েছে, নানা নাটকের পর পাবনা-১ ও ২ আসনের নির্বাচন স্থগিত করে চিঠি ইস্যু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আসন দুইটির রিটার্নিং কর্মকর্তা পাবনার জেলা প্রশাসকের কাছে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠিয়েছে ইসি।
এর আগে, নির্বাচন স্থগিতের বিষয়ে গত শুক্রবার গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ 'অসত্য' দাবি করে তা প্রচার বন্ধের অনুরোধ জানিয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল ইসি।
পরদিন শনিবার ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ দুটি আসনের নির্বাচন স্থগিতের কথা স্বীকার করেছেন।
এ দুটি আসনের নির্বাচন স্থগিত করে ইসির চিঠিতে বলা হয়েছে, 'পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের সীমানাসংক্রান্ত সিএমপি নং-১১০৫/২০২৫ এ আপিল বিভাগের ৫ জানুয়ারি আদেশের প্রেক্ষিতে ১২ ফেব্রুয়ারি তারিখে অনুষ্ঠেয় নির্বাচন পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত রাখার জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত প্রদান করেছে।'
জটিল সমীকরণের ফাঁদে অভিন্ন নদীর পানি চুক্তি— নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ-ভারতের অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন চুক্তি রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমীকরণের ফাঁদে আটকে আছে দীর্ঘ সময় ধরে।
বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতায় থাকা রাজনৈতিক দল এই সঙ্কটের কার্যকর সমাধান আনতে পারেনি। অন্তর্বর্তী সরকারও বিষয়টিকে অগ্রাধিকারে আনতে সক্ষম হয়নি।
ফলে সময় যত যাচ্ছে, সঙ্কট ততই জটিল ও অনিশ্চিত হয়ে উঠছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা, নদী-নির্ভর জীবিকা ও পরিবেশ ভারসাম্যের ওপর।
পানি বিশেষজ্ঞদের অভিমত, বাংলাদেশ-ভারতের অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন সঙ্কটের সমাধান কেবল কারিগরি আলোচনার মাধ্যমে সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন দৃঢ় রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও কার্যকর কূটনৈতিক উদ্যোগ।
কারণ, পানির প্রশ্ন দুই দেশের সার্বভৌম স্বার্থ, খাদ্য নিরাপত্তা, সীমান্ত রাজনীতি এবং আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের সাথে সরাসরি যুক্ত। উজানে পানি নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা ভারতের হাতে থাকায় আলোচনায় শক্তির ভারসাম্য একতরফা হয়ে পড়ে, যা সমঝোতাকে আরো কঠিন করে তোলে।
নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম— 51 get back candidacy, 16 lose finally; অর্থাৎ প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ৫১ জন, ১৬ জন বাতিলের খাতায়।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শুনানির প্রথম দিনে গতকাল শনিবার ৫২টি আপিল মঞ্জুর হয়েছে।
যার মধ্যে ৫১ জন তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।
১৫টি নামঞ্জুর করেছে কমিশন।
তিনজন প্রার্থীর আপিল আবেদন বিবেচনাধীন রাখা হয়েছে ।
এছাড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে বিএনপির এম এ হান্নানের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী এস কে একরামুজ্জামানের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে ।
এদিন, প্রার্থিতা ফিরে পাওয়া নেতাদের মধ্যে দুইজন আলোচিত প্রার্থী রয়েছেন। একজন জামায়াতে ইসলামীর জ্যেষ্ঠ নেতা হামিদুর রহমান আযাদ; অপরজন ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা।
রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইসিতে মোট ৬৪৫ টি আপিল আবেদন জমা পড়েছে। গতকাল থেকে এর বিরুদ্ধে আপিল শুনানি শুরু হয়েছে।