ক্যাসিনো গল্পে যুবলীগের সাক্ষাৎকার, বরিস জনসন আর যৌনপল্লি নিয়ে কথা

দৌলতদিয়ার যৌনপল্লির একজন যৌনকর্মী
ছবির ক্যাপশান, খদ্দেরের অপেক্ষায়: দৌলতদিয়ার যৌনপল্লির একজন যৌনকর্মী

ক্যাসিনো এবং সেই ব্যবসায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতাদের সম্পৃক্ততা নিয়ে বাংলাদেশে বিতর্ক এখনো চলছে। একই সাথে বিভিন্ন ক্লাবে জুয়া খেলা নিয়েও চলছে পুলিশের অভিযান এবং তা নিয়ে পাবলিকের জল্পনা-কল্পনা।

সেসব নিয়ে কয়েকটি চিঠি দিয়ে আজ শুরু করছি, প্রথমটি লিখেছেন ঢাকার ধানমণ্ডি থেকে পার্থ ঘোষ:

''গত ১৯শে সেপ্টেম্বর রেডিও অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর সাক্ষাৎকার ছিল বিবিসি বাংলার সেরা অর্জন। কেননা, ঐ সময় বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আলোচিত বিষয় ছিল যুবলীগ কর্মীদের ক্যাসিনো বাণিজ্য। বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে এত মিডিয়ার ভিড়ে কাদির কল্লোল কীভাবে যুবলীগ চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎকার সংগ্রহ করলেন?''

কাদির কল্লোল একজন অভিজ্ঞ এবং পরিশ্রমী সাংবাদিক মি. ঘোষ। সাক্ষাৎকার পাবার ক্ষেত্রে তার ব্যক্তিগত যোগাযোগ এবং গ্রহণযোগ্যতাও বড় ভূমিকা পালন করে। তাছাড়া, আমার মনে হয় আওয়ামী লীগ বা বিএনপি, সব দলের নেতাদেরই বিবিসির ওপর আস্থা আছে যে তাদের কথা বিকৃত করা হবে না এবং সংবাদ পরিবেশনায় নিরপেক্ষতা বজায় রাখা হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

বিবিসি বাংলার কাদির কল্লোল ২০০২ সালে ঢাকায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন।
ছবির ক্যাপশান, অভিজ্ঞ সাংবাদিক: কাদির কল্লোল ২০০২ সালে ঢাকায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন।

ক্যাসিনো ছাড়াও পুলিশ বিভিন্ন ক্লাবে অভিযান চালিয়েছে, যেটা নিয়ে প্রশ্ন করেছেন ভোলার তজুমদ্দিন থেকে এইচ এম রনি:

''বর্তমানে বিভিন্ন স্পোর্টিং ক্লাবগুলো যেভাবে জুয়া খেলায় যুক্ত হচ্ছে তাতে এ ক্লাবগুলোর ভবিষ্যৎ কার্যক্রম কী হবে বলে মনে করেন ? বিভিন্ন খবরে দেখলাম ক্লাবগুলোর এসব কর্মকাণ্ডের জন্য ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কোন দায় নিবেনা। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপও নিবেনা। আমার প্রশ্ন হলো তাহলে এ দায় কে নেবে? আর ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ই বা তাদের বিরুদ্ধে কেন কোন পদক্ষেপ নিবেনা?''

ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কেন কোন পদক্ষেপ নেবেনা, সে প্রশ্নের জবাব তারাই দিতে পারবে মি. রনি, তবে আমার মনে হয় বিষয়টি যেহেতু ফৌজদারি অপরাধ, তাই এখানে পুলিশের ভূমিকাই মুখ্য। মামলার সময় যদি প্রমাণিত হয়ে যে, এসব কাজ কয়েকজন ব্যক্তি নয়, প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ক্লাব এগুলো পরিচালনা করেছে, তাহলে হয়তো ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ক্লাবগুলোর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে পারে। আপনাকে ধন্যবাদ।

মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব, ঢাকা।

ছবির উৎস, বিবিসি বাংলা

ছবির ক্যাপশান, ঢাকায় যে কয়েকটি ক্রীড়া ক্লাবে পুলিশ অভিযান চালায় তার মধ্যে মোহামেডান স্পোর্টিং ছিল অন্যতম।

বিবিসির একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের ওপর মন্তব্য করে লিখেছেন টাঙ্গাইলের সরকারি ম্যাটস থেকে বিলকিস আক্তার:

''বাংলাদেশের দৌলতদিয়ার যৌনপল্লিতে মাত্র সাত বছর বয়সী শিশুদেরও যৌন ব্যবসার জন্য গড়ে তোলা হচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার ২৬শে সেপ্টেম্বর বিবিসি রেডিওর প্রবাহ অনুষ্ঠানে প্রতিবেদনটি শুনে সত্যিই অবাক হলাম। চমকে উঠলাম!

''এ প্রসঙ্গে আমার অভিমত, আমাদের পুঁজিবাদী সমাজে ব্যক্তিগতভাবে সবাই নিজের আখের গোছানোর তালেই ব্যস্ত। ধনিক শ্রেণির শাসন আর শোষণে হত-দরিদ্ররা জীবন বাঁচানোর তাগিদে অনৈতিক পথে চলে আসে বলেই আমার কাছে মনে হয়েছে। এজন্য আমাদের সমাজ আর আইনের অধিপতিরা স্বার্থগতভাবে দায়ী।''

আপনি ঠিকই বলেছেন মিস আক্তার, বিবিসির শিক্ষা ও পরিবার বিভাগের এই অনুসন্ধানী প্রতিবেদন অনেক নির্মম সত্য আমাদের সামনে তুলে ধরেছে। তবে কিছু আশার আলোও ছিল সেখানে, যেমন যৌনপল্লিতে জন্ম নেয়া শিশুদের জন্য শিক্ষা ব্যবস্থা এবং যারা যৌন পেশা ছেড়ে দিতে চায় তাদের জন্য সেফ হোম। আপনাকে ধন্যবাদ।

ভিডিওর ক্যাপশান, ব্যাতিক্রমধর্মী এই বিয়ে দেশজুড়ে বেশ সাড়া ফেলেছে

এবারে ভিন্ন কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রসঙ্গ। লিখেছেন ঢাকার গেণ্ডারিয়া থেকে তানাকা রহমান:

''গত রবিবার ২২শে সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখ বিবিসি বাংলার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সানজানা চৌধুরীর "কনেযাত্রী এলেন বরের বাড়ি" শীর্ষক সংবাদটি পড়লাম। এ নিয়ে অনেকে সমালোচনামূলক টিপ্পনী কাটছে। কনে আত্মীয় স্বজন নিয়ে বরের বাড়ি গেছে, তাই "সব গেল সব গেল" বলে রব উঠছে।

''আসলে সামাজিক প্রথা ভাঙ্গা সহজ নয়, আবার এটা কোন চিরস্থায়ী বন্দোবস্তও নয়। প্রথা মানুষ গড়ে, আবার মানুষের প্রয়োজনেই মানুষ তা ভাঙ্গে। এক্ষেত্রে এই দম্পতি প্রচলিত প্রথা ভেঙ্গে দিন বদলের সূচনা করেছেন যা খুবই সাহসী সিদ্ধান্ত ও প্রশংসার কাজ। দিন বদলের পালা এভাবেই শুরু হয়।''

আপনার চিঠির জন্য ধন্যবাদ তানাকা রহমান। আপনার সাথে আমিও একমত, সমাজে পরিবর্তন ধীরে আসে, কিন্তু তার সূচনালগ্নে কাউকে অত্যন্ত সাহসী পদক্ষেপ নিতে হয়।

ঢাকার একটি ক্লাবে জুয়ার সরঞ্জাম আটক, ২২-০৯-২০১৯।

ছবির উৎস, NurPhoto

ছবির ক্যাপশান, সামাজিক অপরাধ?: ঢাকার একটি ক্লাবে জুয়ার সরঞ্জাম আটক।

বাংলাদেশের চলমান পুলিশ অভিযান নিয়ে মন্তব্য করেছেন খুলনার কপিলমুনি থেকে মোহাম্মদ শিমুল বিল্লাহ বাপ্পি:

''সম্প্রতি ক্লাবে জুয়া, হাউসি,ওয়ান টেন খেলা নিয়ে সমগ্র দেশে আলোচনা হচ্ছে । আমার কাছে মনে হয় এই খেলাগুলো সামাজিক অপরাধ । এই ধরনের অপরাধ মোকাবেলা করতে সমাজের ভাল মানুষদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।তার জন্য আমি মনে করি কোন প্রকার রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ছাড়া সমাজের ভাল মানুষগুলিকে দিয়ে দেশের ক্লাবগুলিকে শক্তিশালী করতে হবে। তাহলে এধরনের সামাজিক অপরাধ কম হবে।''

আপনার কথার সাথে অনেকেই এক মত হবেন মি. শিমুল বিল্লাহ, তা নিয়ে আমার কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, কে জানে কে ভাল এবং সৎ? অন্য মানুষের চরিত্র নিয়ে এরকম সিদ্ধান্ত নিবে কে? কেউ চায়না তাদের ক্লাব খারাপ মানুষ চালাক। কিন্তু ভাল মানুষও অনেক সময় প্রয়োজনের তাগিদে ভুল পথে হাঁটা শুরু করতে পারে। আপনাকে ধন্যবাদ।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাসভবন ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিট-এর সামনে, ২৫-০৯-২০১৯।

ছবির উৎস, Dan Kitwood

ছবির ক্যাপশান, বিতর্কের কেন্দ্রে: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাসভবন ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিট-এর সামনে।

এবারে ব্রিটেনের সাম্প্রতিক রাজনীতি নিয়ে একটি প্রশ্ন করেছেন ঢাকার গেণ্ডারিয়া থেকে মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান:

''সম্প্রতি পার্লামেন্ট স্থগিত রাখতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ছিল অবৈধ, এ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায় শীর্ষক বেশ কিছু বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন রেডিও অনুষ্ঠানে শুনলাম ও ওয়েবসাইটে পড়লাম। বিরোধী রাজনীতিকরা এখন খোলাখুলি ভাবেই বলছেন, সংসদ স্থগিত করা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন জেনে-বুঝে রানিকে মিথ্যা বলেছেন, বিভ্রান্ত করেছেন এবং এর জন্য রানির কাছে তাকে ক্ষমা চাইতে হবে।

''আমার প্রশ্ন, প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন কী ইচ্ছাকৃতভাবে রানিকে ভুল পরামর্শ দিয়েছেন? তবে ব্রিটিশ আইনে এর শাস্তি কি? এর জন্য রানির কাছে ক্ষমা চাওয়াই কী যথেষ্ট?''

বিরোধী রাজনীতিকরা সেটা বলছেন ঠিকই মি. রহমান, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন তো সেটা মানতে একদম নারাজ। বরং তিনি সোজা বলে দিয়েছেন, এই বিষয়ে আদালতের নাক গলানো ঠিক হয়নি এবং তিনি মনে করেন তাদের রায় ভুল ছিল। তিনি এও বলেছেন যে রানিকে তিনি মিথ্যা বলেন নি, ইচ্ছা করেও না অনিচ্ছাকৃতও না। আপনাকে ধন্যবাদ।

ব্রিটিশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারক মণ্ডলীর সভাপতি লেডি হেল।

ছবির উৎস, Barcroft Media

ছবির ক্যাপশান, ব্রিটিশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারক মণ্ডলীর সভাপতি লেডি হেল।

এ'বিষয়ে আরেকটি চিঠি, লিখেছেন একই এলাকা, অর্থাৎ ঢাকার গেণ্ডারিয়া থেকে মাহবুবা ফেরদৌসি হ্যাপি:

''এই রায় একেবারেই সঠিক নয়" - বরিস জনসনের এ বক্তব্য কি ব্রিটিশ আইনে আদালত অবমাননা নয়?''

না মিস ফেরদৌসি, ব্রিটিশ আইনে আদালতের রায়ের বিরোধিতা বা সমালোচনা করা কোন অপরাধ না। তবে আদালতের সিদ্ধান্ত অমান্য করা অপরাধ। আপনাকে ধন্যবাদ।

প্রথমবারের মত চিঠি লিখেছেন সাতক্ষিরার কালীগঞ্জ থেকে অনিন্দ্য সরকার:

''তথ্যবহুল, সাবলীল ও নিরপেক্ষ সংবাদ উপস্থাপন আমার মত অনেকের আত্মার খোরাক হয়ে উঠেছে। বুধবার ২৫শে সেপ্টেম্বর প্রকাশিত 'সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে এতো শত্রুতা কেন? কার সামরিক শক্তি কতখানি?' শীর্ষক তথ্যবহুল প্রতিবেদনটি খুব ভাল লাগল। কিন্তু প্রতিবেদনটিতে প্রতিবেদকের নাম দেখলাম না। বিশেষ কারণ আছে কি? যাই হোক প্রতিবেদককে ধন্যবাদ।''

চিঠি লেখার জন্য ধন্যবাদ মি. সরকার। সৌদি আরব এবং ইরানের সামরিক শক্তি নিয়ে লেখাটি ছিল মিজান খানের। তবে তিনি তথ্যগুলো বিবিসিতে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদন থেকে সংগ্রহ করেছিলেন বলে লেখাতে নিজের নাম ব্যবহার করেননি।

ওয়াইট হাউস, ওয়াশিংটন।

ছবির উৎস, NICHOLAS KAMM

ছবির ক্যাপশান, ওয়াইট হাউস বলেছে ...

আমাদের স্টাইল নিয়ে একটি প্রশ্ন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্য সেন হল থেকে কামরুল ইসলাম মারুফ:

''বিবিসি বাংলায় একটা বিষয় প্রায়ই লক্ষ্য করি। নাম সম্বোধনের বেলায় শেষের অংশ যেমন - সুদীপ চক্রবর্তীকে - মি. চক্রবর্তী, কিংবা ফারজানা ইসলাম হলে মিসেস ইসলাম বলে সম্বোধন করা হয়। এর ব্যাখ্যা কী? আবার কিছু কিছু উদ্ধৃতি দেয়ার সময় ব্যক্তি কিংবা দেশের নামের পরিবর্তে বলা হয় - ক্রেমলিন বলছে... কিংবা ওয়াশিংটন দাবি করছে ... এর মানে কী?''

ভাল প্রশ্ন করেছেন মি. ইসলাম। বিবিসির স্টাইল অনুযায়ী আমরা সকল ব্যক্তির নামের শেষ অংশকে পারিবারিক নাম হিসেবে গণ্য করি। পশ্চিমা নিয়ম অনুযায়ী কোন ব্যক্তিকে, তিনি যদি আপনার আত্মীয় বা ঘনিষ্ঠ বন্ধু না হন, তাহলে তার পুরো নাম, অথবা তার পারিবারিক নাম দিয়ে সম্বোধন করি। শুধু পারিবারিক নাম ব্যবহার করলে তার সাথে মি., মিস বা মিসেস যোগ দিতে হয়।

আমরা যখন কোন দেশের সরকারের বক্তব্য প্রচার করি, তখন সাধারণত সরকারের মুখপাত্রকে উদ্ধৃত করা হয়। কিন্তু কোন কোন ক্ষেত্রে বিকল্প হিসেবে সে দেশের নাম বা দেশের রাজধানীর নাম, বা দেশের ক্ষমতার কেন্দ্রস্থল, যেমন রাশিয়ার ক্ষেত্রে ক্রেমলিন, আমেরিকার ক্ষেত্রে হোয়াইট হাউস, ব্রিটেনের ক্ষেত্রে ডাউনিং স্ট্রিট ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। এই বিকল্পগুলো ব্যবহার করা হয় শুধুমাত্র এটা বোঝানোর জন্য যে উদ্ধৃতিটা সরকারের অবস্থান ব্যক্ত করছে। আপনাকে ধন্যবাদ।

দুর্গা মূর্তি, রাজস্থান, ২৭-০৯-২০১৯।

ছবির উৎস, NurPhoto

ছবির ক্যাপশান, কয়েক দিন পরেই শুরু হবে দুর্গা পূজা।

বাংলাদেশে দুর্গা পূজা উদযাপন নিয়ে একটি চিঠি, লিখেছেন রংপুরের দক্ষিণ পানাপুকুর থেকে দেব প্রসাদ রায়:

''হিন্দু সম্প্রদায়ে অন্যতম বৃহৎ পূজা হচ্ছে এই শারদীয় দুর্গোৎসব। পূজার বা প্রার্থনার মূল পর্ব চলে পাঁচ দিন ধরে। বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রশাসনের পক্ষ থেকে পূজা উদযাপন নির্বিঘ্নে করার জন্য পাঁচ দিন অর্থাৎ শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়। কিন্তু সরকারিভাবে কর্মজীবীদের জন্য মাত্র একদিন ছুটি দেয়া হয়। ছুটি বৃদ্ধির প্রসঙ্গটি মাঝে-মধ্যে সামনে আসলেও গুরুত্ব পায় না। আগামীতে অন্তত তিন দিনের ছুটি অনুমোদনের জন্য বিবিসি'র মাধ্যমে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সুদৃষ্টি কামনা করছি।''

আপনার আবেদন ধর্ম মন্ত্রণালয় পর্যন্ত পৌঁছালো কি না, তা জানি না মি. রায়। তবে বিষয়টি নিয়ে যে বিভিন্ন মহলে আলোচনা হচ্ছে, তা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। আপনাকে ধন্যবাদ।

এবারে কিছু চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করা যাক:

মোহাম্মদ জুনাদুর রহমান, বার্মিংহাম।

মোহাম্মদ হাসান আলী, ঢাকা।

ফয়সাল আহমেদ সিপন, ঘোড়াদাইড়, গোপালগঞ্জ।

মোহাম্মদ আজিনুর রহমান লিমন, ডিমলা, নীলফামারী।

শাহিন তালুকদার, মৌকরন, পটুয়াখালী।

পলাশ চন্দ্র রায়, মাড়েয়া, পঞ্চগড়।

দিপক চক্রবর্তী, দেবীগঞ্জ, পঞ্চগড়

মেনহাজুল ইসলাম তারেক, পার্বতীপুর, দিনাজপুর।

মুকুল সরদার, দাকোপ, খুলনা।

শামীম উদ্দিন শ্যামল, ধানমন্ডি, ঢাকা।

শেখ মামুন মোর্শেদ, চট্টগ্রাম।

আর রিপন বিশ্বাস, শ্রীপুর, মাগুরা