আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
সোনাগাজীতে মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত হত্যা: কী তদন্ত করছে পিবিআই?
বাংলাদেশের ফেনী জেলার সোনাগাজীতে মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত জাহানের দেহে কেরোসিন ঢেলে তাকে হত্যা করার তদন্তভার পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-এর হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। কিন্তু নিয়মিত তদন্তের বাইরে পিবিআই-এর এই তদন্তের বিশেষত্ব কী?
পিবিআই প্রধান পুলিশের ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার বিবিসিকে জানান, পিবিআই একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান।
পুলিশের মেধা এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করে তারা ঘটনার মূলে পৌঁছানোর চেষ্টা করবেন।
এই ঘটনার জন্য কে বা কারা দায়ী তাদের খুঁজে বের করার জন্য পিবিআইয়ের একটি বিশেষ টিম ইতোমধ্যেই তৎপর হয়েছে বলে তিনি জানান।
একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তদন্তের সার্বিক তত্ত্বাবধান করছেন।
মি. মজুমদার বলেন, ফেনীর পিবিআই অফিসের কর্মীরা ছাড়াও আশেপাশের কিছু জেলার চৌকশ কিছু অফিসার তদন্তের সাথে জড়িত রয়েছেন।
"আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে সত্য প্রতিষ্ঠা করা," বলছিলেন তিনি "এই মামলার সাথে জড়িত সবার সাথে আমরা কথা বলেছি। আরও কিছু লোককে আমরা খুঁজছি।"
আরও পড়তে পারেন:
গত শনিবার সোনাগাজীর ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় আলিম পরীক্ষা দিতে গেলে নুসরাত জাহানকে কৌশলে ছাদে ডেকে নিয়ে গিয়ে তার গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়।
গুরুতর দগ্ধ ঐ ছাত্রীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে আনা হলে বুধবার তিনি মারা যান।
তার শরীরের ৮০% শতাংশই আগুনে ঝলসে গিয়েছিল এবং তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল।
মেয়েটির পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে সে কিছুদিন আগে তার মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির মামলা করেছিল।
এরপর ঐ অধ্যক্ষের সমর্থকরা নুসরাত জাহানকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করে।
পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদার বিবিসিকে বলেন, এই ঘটনায় যে মামলাগুলো হয়েছে, তারপর বেশ ক'জন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
তাদের প্রত্যেকের বক্তব্য এখন যাচাই করা হচ্ছে।
এই হত্যার তদন্ত কতদিন ধরে চলবে তা বলতে না চাইলেও মি. মজুমদার বলেন, বিষয়টাকে তারা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন।