এই মনে করেন ভাল্লাগে, খুশিতে ঠ্যালায়, ঘোরতে - শখের বশে বানানো ভাইরাল ভিডিও নিয়ে যা জানা গেল

ছবির উৎস, বিবিসি বাংলা
গত কয়েক সপ্তাহে বাংলাদেশের ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মধ্যে ভাইরাল হওয়া মন্তব্য - "এই মনে করেন ভাল্লাগে, খুশিতে ঠ্যালায়, ঘোরতে"। কথাগুলোর আবির্ভাব বেশ কয়েকবছর আগে হলেও সেটি সাম্প্রতিক সময়ে ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক মাধ্যমে আপলোড হওয়া এক ভিডিও জনপ্রিয় হওয়ার পর।
অর্শিয়া সিদ্দিকা রোদসী ও তার বোন আসনা সিদ্দিকার শখের বশে বানানো ভিডিও যে এতটা জনপ্রিয়তা পাবে - তা তারা চিন্তাও করেননি।
একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের রিপোর্টের একটি অংশকে ব্যাঙ্গাত্মকভাবে পুনর্নির্মাণ করে চীনা মিউজিকাল ডাবিং অ্যাপ টিকটকে আপলোড করার পর রাতারাতি তা জনপ্রিয় হয়ে গেছে বাংলাদেশের ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মধ্যে।
মিজ. রোদসী বিবিসি'কে জানান, ভিডিওটি নিতান্তই শখের বশে বানিয়ে আপলোড করেন তিনি; চিন্তাও করেননি এটি এতটা জনপ্রিয়তা পাবে।
আরো পড়ুন:
ছবির কপিরাইট
Facebook -এ আরো দেখুনবিবিসি। বাইরের কোন সাইটের তথ্যের জন্য বিবিসি দায়বদ্ধ নয়।End of Facebook post
"আসল ভিডিওটি আমি আগে দেখিনি। টিকটকে অনেক মানুষ এটি বানিয়ে আপলোড করাতেই এটি নজরে আসে।"
"তখন মনে হলো নির্বাচনের সময় এটিই ট্রেন্ডিং, তাই আমি আর আমার বোন মিলে বানাই ভিডিওটি", বলেন মিজ. রোদসী।
তবে নির্বাচনের সময় ঐ ভিডিও তৈরি করার পেছনে কোনো ধরণের রাজনৈতিক বিদ্রুপ বা নির্বাচনকে উপহাস করার কোন অভিসন্ধি ছিল না বলেও জানান তিনি।
মিজ রোদসী বলেন, "নির্বাচনের সময় ভিডিও বানানো বা ঐ সময়েই সেটির ভাইরাল হওয়া একেবারেই উদ্দেশ্যমূলক ছিল না। এটি সম্পূর্ণ কো-ইন্সিডেন্স।"
মিজ. রোদসী বলেন, ভিডিও আপলোড হওয়ার পর অনেকেই তার অভিব্যক্তির প্রশংসা করে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
বিবিসি বাংলার আরো খবর:

ছবির উৎস, মাই টিভির প্রতিবেদন থেকে নেয়া স্ক্রিনশট
রোদসী জানান, শৈশবের কয়েকবছর বাদে তার বড় হওয়া, পড়াশোনা সব ঢাকাতেই।
বর্তমানে রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক পর্যায়ে পড়াশোনা করছেন তিনি।
পড়াশোনার পাশাপাশি মডেলিংয়ের সাথেও যুক্ত রয়েছেন বলে জানান মিজ. রোদসী।
তবে মডেলিংটা শখের বশেই করেন বলে জানান তিনি।

ছবির উৎস, বিবিসি বাংলা








