পত্রিকা: 'প্রশাসন সাজাতে বেগ পেতে হচ্ছে বিএনপি সরকারকে'

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র
ছবির ক্যাপশান, ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম— প্রশাসন সাজাতে বেগ পেতে হচ্ছে বিএনপি সরকারকে

এই খবরে বলা হয়েছে, সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনায় বর্তমানে মোট ৫৮টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এসব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন ৭৯ জন জ্যেষ্ঠ সচিব ও সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা।

সম্প্রতি চুক্তিভিত্তিক দায়িত্বে থাকা বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার নিয়োগ বাতিল হয়েছে। ফলে এখন অন্তত ১২টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগে সচিব পদ শূন্য রয়েছে। প্রশাসনিক এ দপ্তরগুলো বর্তমানে নেতৃত্ব ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে।

সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, প্রশাসন পুনর্বিন্যাস কার্যক্রমের অংশ হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল এবং বিভিন্ন দপ্তরে কর্মকর্তাদের রদবদল শুরু হলেও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের জন্য উপযুক্ত কর্মকর্তা বাছাই নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা।

বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের সচিব পদে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে কর্মকর্তাদের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রস্তুত করা হলেও বার্ষিক গোপনীয় অনুবেদন (এসিআর) সন্তোষজনক না হওয়ায় সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে ইতিবাচক সাড়া মিলছে না।

আবার যেসব কর্মকর্তার এসিআর ইতিবাচক, তাদের মধ্যেও পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা না থাকায় চূড়ান্ত বিবেচনায় আটকে যাচ্ছেন। ফলে সচিব নিয়োগ প্রক্রিয়া প্রত্যাশিত গতিতে এগোচ্ছে না।

প্রশাসন সাজানো কিংবা রদবদলের কার্যক্রম পরিচালিত হয় মূলত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এপিডি অনুবিভাগ থেকে। মন্ত্রণালয়ের অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী, এ অনুবিভাগটির নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তা সরকারের একজন অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার হয়ে থাকেন। গত বছরের অক্টোবর থেকেই উইংটি নেতৃত্বশূন্য।

জনপ্রশাসন সচিব সরকারের গুরুত্বপূর্ণ এ অনুবিভাগটির কার্যক্রম সরাসরি দেখভাল করছেন বলে মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে।

বণিক বার্তা
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

প্রথম আলোর প্রথম পাতার একটি খবর— দেশে ১৩ মাসে ৩২ ভূমিকম্প, উৎপত্তি কম ঝুঁকির অঞ্চলেও

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের ২৭ দিনে দেশের অভ্যন্তরে ৯টি ভূমিকম্পের উৎপত্তি, যার মধ্যে দুইটি সাতক্ষীরায়।

এছাড়া, গত বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে চলতি মাসের ২৭ তারিখ পর্যন্ত মোট ৩২টি ভূমিকম্প হয়েছে দেশে। যার মধ্যে সর্বোচ্চ ১০টি ভূমিকম্প সিলেট অঞ্চলে।

সর্বশেষ ১৩ মাসে সর্বোচ্চ মাত্রায় ভূমিকম্প হয়েছে গত ২১শে নভেম্বর। রিখটার স্কেলে পাঁচ দশমিক সাত মাত্রার এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদীর মাধবদীতে।

ভূমিকম্পপ্রবণ তিনটি প্লেটের সংযোগস্থলে থাকা বাংলাদেশে যে ভূমিকম্প মাঝেমধ্যে হবে, সেটাকে স্বাভাবিক বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

তবে শঙ্কার বিষয় হচ্ছে, দেশের মধ্যে ভূমিকম্পের উৎপত্তির প্রবণতা বেড়েছে। বিশেষ করে ভূমিকম্পের কম ঝুঁকির অঞ্চল হিসেবে পরিচিত দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ভূমিকম্প বেড়ে গেছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তে থাকা দুই প্লেটের মধ্যে বিপরীতমুখী টানের (টেনশনাল ফোর্স) মধ্যে পড়ে গেছে এই দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল। এ কারণে এই অঞ্চলে ভূমিকম্পপ্রবণতা বেড়ে গিয়ে থাকতে পারে। আবার তারা এ-ও মনে করছেন যে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নতুন কোনো ফাটল সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে। কিংবা পুরোনো ফাটল নতুন করে সক্রিয় হয়ে থাকতে পারে।

যদিও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এসব ভূমিকম্প ভীতিকর নয় বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

তবে তাদের মত, দেশের ভেতরে এবং আশপাশে ভূমিকম্পের সংখ্যা বেড়ে যাওয়াটা বড় ভূমিকম্পের ইঙ্গিত দেয়। আর সেই ভূমিকম্পের মোকাবেলা করার যথাযথ প্রস্তুতি দরকার। যার যথেষ্ট ঘাটতি আছে।

প্রথম আলো

দেশ রূপান্তরের দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম— শতকোটি টাকা খুইয়ে পুলিশ ফিরছে আগের পোশাকেই!

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ২০২৪-এ ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের সময় পুলিশের বিতর্কিত ভূমিকার কারণে গত অন্তর্বর্তী সরকার নানা পদক্ষেপের মধ্যে এই বাহিনীর পোশাকও পরিবর্তন করেছিল।

যদিও পোশাকের রঙ ও মান পছন্দ করা নিয়ে তীব্র মতবিরোধ দেখা দেয়। একপর্যায়ে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে এই পোশাক ব্যবহার করতে বাধ্য হয়।

নতুন এই পোশাকের পেছনে অন্তত শতকোটি টাকা খরচ হয়েছে বলে পুলিশের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর পুলিশে আবারও দাবি উঠেছে আগের পোশাকে ফিরে যেতে।

এমনকি বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন ইতোমধ্যে বিবৃতি দিয়েছে আগের পোশাকই পুলিশের ঐতিহ্য। এই বিবৃতির পর বিষয়টি নিয়ে সরকারের হাইকমান্ডে আলোচনা হয়েছে।

পাশাপাশি পুলিশ সদর দপ্তরও আলাদাভাবে বিশেষ বৈঠক করেছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের ডিআইজি পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা।

তিনি আরও জানালেন, আগের পোশাকে ফিরে যেতে সরকারের হাইকমান্ড থেকে মৌখিকভাবে নির্দেশনা এসেছে।

অন্তর্বর্তী সরকার অনেকটা জোর করেই রুচিহীন রঙ ও নিম্নমানের কাপড়ে তৈরি পোশাক পুলিশকে ব্যবহার করতে বাধ্য করেছে বলে অভিযোগও করেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।

দেশ রূপান্তর

ইত্তেফাকের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— সাজার নীতিমালা না থাকায় উচ্চ আদালতে টিকছে না অনেক ফাঁসির রায়

এই সংবাদে বিভিন্ন আলোচিত হত্যা মামলায় বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্সের জন্য উচ্চ আদালতে এলে শাস্তি কমিয়ে যাবজ্জীবন দেওয়া, কারো খালাস পাওয়ার তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

আইন কমিশন থেকে প্রাপ্ত পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, ২০২৪ সালে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে ৫৭টি ডেথ রেফারেন্স মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। এর মধ্যে ৩৮টি ডেথ রেফারেন্স নামঞ্জুর হয়েছে। অর্থাৎ ৬৬ দশমিক ৬৬ ভাগ মৃত্যুদণ্ডাদেশ বাতিল হয়েছে। মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রয়েছে ১৯টি মামলায়।

এছাড়া, ২০২৫ সালের পহেলা জানুয়ারি থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত ২২টি ডেথ রেফারেন্স মামলার মধ্যে ১৯টি ডেথ রেফারেন্স নামঞ্জুর করেছে হাইকোর্ট। অর্থাৎ ৮৬ দশমিক ৩৭ ভাগ মৃত্যুদণ্ডাদেশ বাতিল হয়েছে।

খুনের মামলায় বিচারিক আদালত যখন কোনো আসামিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রদান করে তা অনুমোদনের জন্য হাইকোর্টে মামলার সকল নথি পাঠানো হয়। যা ডেথ রেফারেন্স মামলা নামে পরিচিত।

উল্লিখিত পরিসংখ্যান থেকে এটা সুস্পষ্ট যে, বিচারিক আদালতসমূহের প্রদত্ত দণ্ড বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ডেথ রেফারেন্স মামলায় বহাল থাকছে না।

এই অসমতা ও অসামঞ্জস্যতা দূর করতে সাজার পরিমাণ নির্ধারণ সংক্রান্ত একটি নীতিমালা প্রয়োজন বলে জানায় আইন কমিশন। অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে এ সংক্রান্ত একটি খসড়া নীতিমালাও পাঠায় তারা।

ইত্তেফাক

মানবজমিনের প্রথম পাতার একটি শিরোনাম— স্থানীয় নির্বাচনেও জামায়াতকে সঙ্গী চায় এনসিপি

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় নির্বাচনের পর স্থানীয় নির্বাচনেও জোটগতভাবে প্রার্থী দিতে চায় এনসিপি। জামায়াতের সঙ্গে গড়ে ওঠা নির্বাচনী সমঝোতাকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে ভাবছে দলটি।

স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে প্রস্তুতির কথা জানালেও ভেতরে জোট রাজনীতির সঙ্গেই অংশগ্রহণের বিষয়ে জোর আলোচনা হচ্ছে।

সূত্রগুলো বলছে, আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত না হলেও প্রায় ৫০ থেকে ৬০টি আসনের স্থানীয় নির্বাচনের জোটগত সমঝোতার সম্ভাবনা নিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে কথাবার্তা হচ্ছে। এর মধ্যে যে ৩০টি আসনে জোটের শরিক হয়ে এনসিপি নির্বাচন করেছে, সেখানে মোটামুটি একটি ভালো অবস্থান তৈরি হয়েছে।

এসব আসনের বাইরেও আরও কিছু ইউনিয়ন, উপজেলা, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন নিয়ে আলোচনা হচ্ছে দু'দলের মধ্যে।

এনসিপির কয়েকজন নেতা জানালেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ঘোষিত সংস্কার উদ্যোগ বাস্তবায়নে সংসদের ভেতরে যেমন সমন্বয় প্রয়োজন, তেমনি রাজপথেও যৌথ রাজনৈতিক অবস্থান জরুরি। সেই বিবেচনায় জামায়াতের সঙ্গে সমন্বিত কর্মসূচি অব্যাহত রাখার পক্ষেই ঝুঁকছে এনসিপি।

এই সমন্বয় ভবিষ্যতে শক্তিশালী বিরোধী রাজনৈতিক বলয় গঠনে সহায়ক হতে পারে বলে মনে করছেন একাধিক নেতা।

মানবজমিন

সমকালের প্রধান শিরোনাম— বড় সংঘাতে পাকিস্তান-আফগানিস্তান

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলসহ দেশটির বিভিন্ন শহরে তালেবান সরকারের বাহিনীর ওপর গত বৃহস্পতিবার রাতভর বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান।

এই হামলায় অন্তত ২৭৪ জন তালেবানযোদ্ধা নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসলামাবাদ।

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ 'সরাসরি যুদ্ধ' ঘোষণা করে এ হামলা চালান। এটি তাদের প্রতিবেশী ও সাবেক মিত্র দেশে প্রথম সরাসরি বড় ধরনের হামলা।

পাকিস্তানেরও 'কয়েক ডজন সেনা' নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে তালেবান।

গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় পাকিস্তান থেকে আবারও হামলা শুরু হয় বলে নিশ্চিত করেন আফগানিস্তানের খোস্ত এলাকার তালেবান সরকারি কর্মকর্তারা।

অভিযোগ উঠেছে, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে এ উত্তেজনার নেপথ্যে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)। সংগঠনটির বিরুদ্ধে পাকিস্তানে বোমা হামলা চালানো ও নাগরিকদের হত্যার অভিযোগ রয়েছে।

ইসলামাবাদের অভিযোগ, কাবুলে সরকার গঠন করা তালেবান সহায়তা দিচ্ছে টিটিপিকে। তবে কাবুল এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

এদিকে, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে চলমান উত্তেজনায় বিভিন্ন দেশ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

সমকাল

এই খবরে বলা হয়েছে, ঈদুল ফিতর সামনে রেখে প্রতিবছরের মতো এবারও তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন শিল্পে বেতন ও উৎসব বোনাস পরিশোধ নিয়ে অনিশ্চয়তার আশঙ্কা।

সময়মতো বেতন-বোনাস পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে শিল্পাঞ্চলে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন শিল্প মালিক ও শ্রমিক নেতারা।

এ পরিস্থিতি সামাল দিতে আগাম প্রস্তুতি ও নজরদারি জোরদারের তাগিদ দিয়েছেন তারা।

এদিকে, ঈদের আগে বেতন ও বোনাস পরিশোধে সম্ভাব্য আর্থিক চাপ মোকাবেলায় স্বল্প সুদে ঋণ ও বকেয়া নগদ প্রণোদনার অর্থ দ্রুত ছাড়ের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।

এ বিষয়ে সংগঠনটি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও অর্থমন্ত্রীর কাছে চিঠি পাঠিয়েছে।

কালের কণ্ঠ

নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম— External Loan-driven projects pose heightened challenges; অর্থাৎ বিদেশি ঋণে পরিচালিত প্রকল্পগুলো চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক দশকে বিদেশি ঋণ নিয়ে শুরু হওয়া বিলিয়ন ডলারের বেশ কয়েকটি প্রকল্প এখনো শেষ হয়নি; যদিও ব্যয় বৃদ্ধি এবং সময়সীমা বাড়ানোর ঘটনাও ঘটেছে। এসব প্রকল্প নতুন সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

এছাড়া, বিদেশি অর্থায়নে নির্মিত অনেক প্রকল্প ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হলেও সেগুলো প্রত্যাশিত অর্থনৈতিক সুবিধা দিতে ব্যর্থ হয়েছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

তাদের আশঙ্কা, এ ধরনের প্রকল্পে ব্যয় ও সময় বৃদ্ধি বৈদেশিক ঋণ নির্ভরতায় চাপ তৈরি করবে এবং বিএনপির নেতৃত্বাধীন নয়া সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে।

এদিকে, ২০০৯-২০১০ অর্থবছরে সরকারের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ছিল ২০ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার; ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে তা দাঁড়ায় ৬৮ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারে।

২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের শেষ নাগাদ ৮০ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে বিদেশি ঋণের পরিমাণ।

নিউ এইজ

দ্য বিজনেস স্টান্ডার্ডের প্রথম পাতার একটি সংবাদ— UN body agrees to assess Bangladesh's request to delay LDC graduation by 3 years;

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণ তিন বছর পিছিয়ে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের করা আবেদনটি গ্রহণ করেছে জাতিসংঘ।

বাংলাদেশ সরকার যেসব কারণ দেখিয়ে উত্তরণ পেছানোর কথা বলেছে, চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এখন সেগুলো পর্যালোচনা করে দেখবে সংস্থাটি।

দায়িত্ব গ্রহণের পরদিনই নতুন সরকার ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত এই উত্তরণ পিছিয়ে দেওয়ার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন জানায়।

আবেদনে বাংলাদেশ উল্লেখ করেছে, উত্তরণের তিনটি শর্ত— মাথাপিছু জাতীয় আয়, মানবসম্পদ সূচক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ঝুঁকি সূচক— পূরণ অব্যাহত থাকলেও পাঁচ বছরের প্রস্তুতিমূলক সময়কাল বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ নানা ধাক্কায় মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

সরকার এক্ষেত্রে কোভিড মহামারীর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা, বিশ্বব্যাপী কঠোর আর্থিক পরিস্থিতি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ধীরগতির পুনরুদ্ধারের কথা উল্লেখ করেছে।

অভ্যন্তরীণ কারণ হিসেবে আর্থিক খাতের অনিয়ম, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সরকার পরিবর্তন ও বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের আশ্রয় দেওয়ার চলমান চাপের কথা জানানো হয়েছে।

দ্য বিজনেস স্টান্ডার্ড